হুদাই...

ফিরে এসো

যুবক তোমার কতই না ছিল কথা,
যুবক তুমি যে ঝরালে নিরবতা
নষ্ট ভ্রষ্ট প্রেমে , কাম আর ঘামে
বিরহী নারীর বুকে গেঁথে দিলে
অস্পৃশ্য কথকতা!

যুবক তুমি তো এমন ছিলেনাকো?
কৈশোরে তুমি দৌ-ড়ে পেরোতে সাঁকো
নীল দু'চোখে তোমার আকাশ ছিল ঘন-
যুবক তুমি তো নিজেও সে কথা জানো!

নষ্ট যুবক কোথায় তোমার প্রেম?
আ-র তো সেখানে গড়ে না কোনও গৃহ
স্নান সমাপন নারীর চুলে কাম,
এখন শুধুই নষ্ট ছবি আঁকো!

আপনি কতটা ধৈর্যশীল?

প্রত্যেহ ঘটা নানা ঘটনা আপনি কিভাবে মোকাবেলা করেন? এসব ব্যপারে আপনার প্রতিক্রিয়া কি হয়?

খালেদার কাউমাউ নিয়ে যত কথা

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষে গণিত ব্যবহারিক পরীক্ষা চলছে। প্রশ্নকর্তা ঢাকা কলেজের কোন এক বয়স্ক শিক্ষক। আমার মধ্যে সঠিক উত্তর দেবার কনফিডেন্স নাই বললেই চলে। ঠিক কি কারণে জানি মনে হল, একটা কূট চাল দিয়ে দেখা যাক তো কি হয়। যেই ভাবা, সেই কাজ। আমাকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হল। আমি উত্তরটা কনফিড্যান্স সহকারে অত্যন্ত অস্পষ্ট ভাবে দিলাম যাতে উনি ঠিক বুঝতে না পারেন। উনি বললেন, একটু জোড়ে বল। কিন্তু আমার ভাবট

গোধুলী সন্ধ্যা

সূর্যটা বড় বেশী লাল টকটকে।না উদীয়মান সূর্য না,ওটা দ্যাখা হয় নি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার পর একবারও।আমি অস্তগামী সূর্যের কথা বলছি।জানালা দিয়ে দেখতে পাচ্ছি অসম্ভব মায়াবী সূর্যটা ধীরেধীরে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে।সূর্য ডোবা দ্যাখার মধ্যে ভয়ঙ্কর মন খারাপের একটা ব্যাপার আছে।বারবারই মনে হয় সারাটা দিনের সমস্ত আনন্দ,হাসি,কান্না,অপবিত্রতা নিয়ে বুঝি চলে গেলো।সবসময়ই এই দৃশ্যটা এক অদ্ভুত একাকীত্বতায় গ্রাস

বেশ্যালয় ...............।

আজকাল দুনিয়াটা ঠিক কেমন জানি লাগে ? সবকিছুই কেমন জানি অর্থহীন মনে হয় । আমরা সবাই মনে হয় প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যাচ্ছি । কোন কিছুই এখন আর ভাল লাগে না । কোন কিছুতেই তাল লয় খুজে পাই না । দুনিটা কেন জানি একটা বেশ্যালয় মনে হয় ।

স্মৃতি তুমি বেদানার পাতা থেকে ...

ভাষার মাসে (ব্যক্তিগতভাবে আমি ভাষার মাসে বিশ্বাস করি না, আমার ভাষা সারাজীবনের জন্য, প্রতিটি ক্ষণ, প্রতি মুহূর্তের জন্য।) আমার ইউনিভার্সিটি জীবনের একটা ভাষা বিষয়ক মজার অভিজ্ঞতার কথা বলতে ইচ্ছে করছে।

অভিসার

বাবুই পাখিটি প্রাচীন বাগানের একটি উঁচু ডালে আলতো করে বসে
সে বাগানটাকে ভালোবাসে, ভালোবাসতে থাকে এলোমেলো বৃক্ষদের-
বুড়ো তালগাছটার উঁচুতে তাকায়। পাখিটি নীড় বুনবে বলে একটি রজত গৃহের স্বপ্ন দেখে।

জোনাকী‌‌‍‌‌‌‌র আলোয় দেখে সে একজোড়া প্রেমময় চোখ, একটি অনন্ত গৃহ,
অনাগত সকাল, বাতাসের ঢেউ, অতঃপর বিভিন্ন আকাশের হাতছানি।

ভানু-দেব ডাক দিয়ে গেলে পর বাবুই তার নিজ আকাশে ডানা মেলে,

ভালোবেসে যদি সুখ নাহি

এটা সম্ভবত সস্তা ভ্রমণ কাহিনী টাইপের কিছু একটা। কয়েকদিন আগে স্টাডি ট্যুরে গেছিলাম রাঙ্গামাটি, সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার। এখন যদি ট্যুর সম্পর্কে ডিপার্টমেন্ট থেকে কোন ফরমাল রিপোর্ট সাবমিট করতে বলে, সেই রিপোর্ট সম্ভবত এরকমটাই দাড়াবেঃ

সুনীল শক্তি এবং প্রিয়তমা

নাগরিক সকল কে শুভেচ্ছা। নাগরিক ব্লগের লেখাগুলো অনেক আগে থেকেই পড়ি। অনেক সময় ফেসবুক এ শেয়ার করি। অনেক আগে একটা ছদ্মনাম নিয়েছিলাম নাগরিকে, শুধুমাত্র সেই কারনেই একটা ই-মেলও খুলেছিলাম, আর সেটাই বোধহয় ভুল হয়েছিলো। অনিয়মিত ব্যাবহারের কারনে পরে দু'টারই পাসওয়ার্ড ভুলে গেছি, কখনও কখনও মন্তব্য করার খুব ইচ্ছে হলেও আলসেমি করে আর সে সব খুঁজে পাওয়া হয়নি।

আমার এই ছবিটা তে কি আপনার ফেইসবুক একাউন্ট থেকে একটা 'লাইক' ভোট দেয়া যায়?

প্রিয় সুধী,
আসসালামু আলাইকুম। আজ আপনাদের কাছে একটা আবদার নিয়ে আসছি। ছোট ভাই হিসেবে বড় ভাই-বোনদের কাছে আবদার, একজন ব্লগার হিসেবে আরেকজন ব্লগার এর আবদার।

বস্তুত আমি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার। কিছুদিন আগে আমি কিছু টি-শার্ট ডিজাইন করেছিলাম। সেগুলোর মধ্যে একটি টি-শার্ট একটি কনটেস্ট এ আছে।

ওই টি-শার্ট টি তে কি আমি আপনাদের একটা লাইক পেতে পারি?

আসেন মুহাম্মদের আদর্শে ঐ জায়গাটা আলোকিত করি

আমার জন্ম এমন এক পরিবারে যেখানে আমাকে আগে মানবতা শেখানো হয়েছে, ধর্ম নিয়ে কোনদিনই কথা বলতে শুনি নি। আমাদের পারিবারিক শিক্ষা শুধু মানবতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। আমার বাবা মা বিশ্বাস করেন যে, একটা ছেলে বা মেয়ের খারাপ হবার পেছনে বাবা-মাই দায়ী থাকেন। সেগুলা নিয়ে না হয় আরেকটা পোস্ট দিব। (ইনশাল্লাহ বললাম না, কারণ আমি একজন মানুষ)। ঈদ আর পূজা না আসলে আসলে আমার বাবার বাবা কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন সেটা বুঝতেই

গোলাম আযমের কিছু অমৃত!(ভুতের মুখে রাম নাম)

এমনিতে এইহানে ছিঁচকা কবি তই এই বিনুদন দেখার পর নিজেরে ঠেকাইতে পারলাম না। আইজকা একটু গদ্য পড়েন
মহান(!) (তা)পির বাবা গোয়ার লেহা বই (পলাশী থেকে বাংলাদেশ) এর
অধ্যায় ০৫ : স্বাধীন বাংলাদেশ আন্দোলনের পটভূমি থেইকা এইডা পোস্ট দিলাম নিচে লিঙ্ক আচে মন কুইলা কতা কন
">
স্বাধীন বাংলাদেশ আন্দোলনের পটভূমি

কেন মুহাম্মদ সবচেয়ে ভালো দার্শনিক

আমি যখন ক্লাস ৭ এ ছিলাম, তখন এক স্যারের কাছে গণিত পড়তে যেতাম। তো দেখা যেত, স্যারকে কোন প্রশ্ন (অন্য চ্যাপ্টারের) করলে স্যার খ্যাঁএএএএক খ্যাঁএএএএক থু থু করে বারান্দায় গিয়ে থু থু ফেলে পাসের রুমে মানে শোবার ঘরে (উনি ব্যাচেলর ছিলেন) ঢুকে পানি খেয়ে আসতেন। তারপর প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আবার অংক করানো শুরু করতেন। কিন্তু প্রতিদিন ঘণ্টায় ৪/৫ বার করে খ্যাঁক খ্যাঁক থু থু বিরক্ত লাগতে শুরু করল। তো বন্ধুদেরকে কথাট

অর্বাচীনের কন্সপিরেসি থিওরি

অনেকদিন হল ব্যক্তিগত কাজে এতোই ব্যস্ত ছিলাম যে, কিছুই লিখতে পারছিলাম না। এমনকি ব্লগে লগইন করার সময়টাও পাইনি। কিন্তু কেন যেন নিজেকে নিজের জগৎ থেকে অনেক দূরে মনে হচ্ছে। তাই আজ আবার লিখতে বসে গেলাম।