সমসাময়িক

জালিয়াত জাজিরা

নিকোলাস হক একটি মনুষ্যচর্মাবৃত্ত শুকরের নাম। এই লোকটিকে মানুষের চামড়াচ্ছাদিত শুকরের সাথে তুলনা করায় শুয়োরের কিছুটা অপমান হতে পারে, তবে এতে করে লোকটির প্রতি তার প্রাপ্য ঘৃণাটুকু প্রকাশ করা সম্ভব হয় না। এই লোকটিকে ঘৃণা করার অনেকগুলো কারন আছে এই মুহূর্তে- কেবল মাত্র জামায়াতের পক্ষে আল জাজিরার সাম্প্রতিক তার রিপোর্টে জামাতের পক্ষে সাফাই গাওয়া ছাড়াও। কিছুক্ষন আগে লোকটির কুৎসিত সেই ভিডিওটি দেখতে

এ লড়াই কি তবে আমাদের নয়?

বিকশিত পুঁজিবাদ যখন পৃথিবী নিয়ন্ত্রণ করতে আরম্ভ করলো ঠিক তখন থেকেই পৃথিবীজুড়ে সামরিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ট্রেন্ড এ ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। পরিবর্তন এসেছে যুদ্ধনীতিতেও। এখন যুদ্ধ শুধু জলে স্থলে বা অন্তরীক্ষে সীমাবদ্ধ নয়। যুদ্ধের নতুন কৌশল হিসেবে যুক্ত হয়েছে কোন অঞ্চলের বাজার দখলের নিয়ম। একে ফলপ্রসু করবার পথ আরও সহজ করে দিয়েছে মুক্তবাজার অর্থনীতি। আছে বিভিন্ন ব্যবসায়িক চুক্তির নানারকম ভাঁওতাবাজির

ডঃ হাসানের ট্রাইবুনাল সংক্রান্ত সন্দেহ পোষণ এবং আমাদের উত্তর...

সহব্লগার আনিস রায়হানের ধারণকৃত ডঃ এম এ হাসানের সাক্ষাতকারটি পড়বার পরেই একটি প্রবল তাগিদ থেকে এই লেখাটি লেখা। লেখাটির কাজে যুগপৎভাবে কাজ করেছি আমি জনৈক বাঙাল এবং সহব্লগার নিঝুম মজুমদার। ট্রাইবুনালের কাজকর্মের সাথে নিয়মিত সংস্পর্শ থাকবার প্রেক্ষিতে এজাতীয় অবিবেচক বক্তব্যসমূহের বিপরীতে এটা নিয়ে লেখা একধরণের দায়িত্ব বলেও মনে হয়েছে আমাদের। <

এক মুঠো ভাত...

এটা নিতান্তই একটি ব্যক্তিগত রচনা।
কিছুদিন আগে পত্রিকায় বোন সোনাবরুর মৃত্যুর খবর পড়ে দু’চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি।
আমার নিকট অতীত যেন আমার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল।
হটাৎ করে বাবা মারা যাওয়ায় আমরা নিদারুণ অভাবে পড়েছিলাম।এমন ও দিন গেছে,আমাদের বাসায় খাবার জন্য এক মুঠো ভাত ও ছিলনা।সে সময় পাশের বাসার প্রতিবেশি রা আমাদের নানা ভাবে অনেক সাহায্য করেছেন।

"আমাকে ধর্ষণ করুন"……বাংলাদেশ বলছি

আমি বাংলাদেশ। আমার অবস্থান দক্ষিন এশিয়া তে। ভারত ও মায়ানমারের মাঝে ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি দেশ আমি। ১৭৫৭ সালে পলাশির প্রান্তরে নবাব সিরাজুদ্দউলার পরাজয়ের পর ১৯০ বছর ধরে আমাকে ধর্ষণ করেছে ব্রিটিশরা। কিন্তু আমার তৃপ্তি হয়নি।

১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকে ২৪ বছর ধরে আমাকে ধর্ষণ করেছে পাকিস্তানিরা। তখন আমার নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান। তারপরেও আমার তৃপ্তি হয়নি।

কাওসার আহমেদ এর "দেশপ্রেম ডী",আমার ভাবনা

কাওসার ভাইয়ের লেখাটা অনেকবার পড়লাম,শুধু তার বলেই করলাম কাজটা।নাহলে ঝটপট মন্তব্য করে ফেলতাম। তারপর থেকেই প্রসব বেদনা শুরু হইলো কিছু লেখার জন্য।তাই শুরু করলাম।কাওসার আহমেদ খুবই সাহসী ব্লগার হিসেবেই পরিচিত।তাই তিনি পেরেছেন এইরকম একটা লেখা দিতে।লেখার মুল বক্তব্যের সাথে আমি একমত হলেও উপস্থাপনের সাথে একমত হতে পারছি না।

প্রথম আলো, বাঙালি জাতিসত্তা ও ভারতীয় আগ্রাসন

আজকে প্রথম আলো খুলেই একটা ধাক্কা খেলাম। প্রথম পাতায় 'ভারত, দরজা খুলে দাও' নামের শিরোনামটা দেখার সাথে সাথেই আমার একটু গা জ্বালা করে উঠল। অবশেষে মিডিয়া এবং কিছু পা চাটা বুদ্ধিজীবীদের ব্যাবহার করে এই চামচা রাষ্ট্র এখন প্রকাশ্যেই সাম্রাজ্যবাদী ভারতের বিজ্ঞাপন দেওয়া শুরু করেছে।

খৎনা এবং আমাদের কিছু ভ্রান্ত ধারণা

অনেকদিন ধরেই লিখব ভাবছিলাম ।কিন্তু বিষয়টা একই সাথে “আমাদের” সমাজে চিন্তা উদ্রেককারী বিষয়বহির্ভূত এবং এতো স্বাভাবিক ধরা হয় যে লিখতে সাহস পাচ্ছিলাম না। কিন্তু বিভিন্ন মানুষের ভ্রান্তির পরিমাণ দেখে অনুপ্রাণিত হয়েই লিখতে শুরু করলাম।আশা করছি সবার ভালো লাগবে লিখাটি এবং চিন্তার উদ্রেক ঘটাবে ।

ভারতের সাংস্কৃতিক আগ্রাসন,আমাদের দেশ বা ভাষাপ্রেমের ভন্ডামী এবং জনমানসিকতা…

১.
নিজের ঘর থেকেই আগে শুরু করি…
আমার আট বছর বয়সি গ্রাম্য ছোটো খালাত ভাই,যে কিনা শুদ্ধ করে বাংলা বলতে পারেনা,তার মুখে যখন “কাল মিলুঙ্গি” জাতীয় হিন্দি মিক্সচার ভাষা শুনি,আমার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠে।অনেক আধুনিক মা-বাবা হয়ত তাদের বাচ্চাদের মুখে এমন কথা শুনে পুলকিত হন,গর্বিত হন…

খালেদার কাউমাউ নিয়ে যত কথা

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শেষে গণিত ব্যবহারিক পরীক্ষা চলছে। প্রশ্নকর্তা ঢাকা কলেজের কোন এক বয়স্ক শিক্ষক। আমার মধ্যে সঠিক উত্তর দেবার কনফিডেন্স নাই বললেই চলে। ঠিক কি কারণে জানি মনে হল, একটা কূট চাল দিয়ে দেখা যাক তো কি হয়। যেই ভাবা, সেই কাজ। আমাকে একটা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হল। আমি উত্তরটা কনফিড্যান্স সহকারে অত্যন্ত অস্পষ্ট ভাবে দিলাম যাতে উনি ঠিক বুঝতে না পারেন। উনি বললেন, একটু জোড়ে বল। কিন্তু আমার ভাবট

নাগরিকের একুশের ব্যানার এবং একটি রিপোস্ট

[একুশের প্রথম প্রহরে প্রিয় নাগরিকে ঢুকে ব্যানার দেখেই অন্যরকম একটা অনুভুতি হল। তাই প্রাসঙ্গিক হবে মনে করেই আমার কিছুদিন আগে দেওয়া একটা পোস্ট, যেখানে টাইটান ঘড়ির একটি বিজ্ঞাপন আমার বর্নমালাকে অবমাননা করেছে এবং তার সহযোগী হয়েছে প্রথম আলো। এই সুক্ষ ব্যাপারটা নাগরিকব্লগ মনে করে ব্যানারে থীম হিসেবে ব্যাবহার করেছে। খুব ভালো লাগল দেখে। আসুন টাইটানের এবং প্রথম আলোর এই ঘৃন্য কাজের প্রতিবাদ করি। নাগরিকে

সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার..........আমরা জেগে আছি

****
মহান ভাষা আন্দোলনে আত্ম-উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একুশের প্রভাত ফেরি লাখো কণ্ঠের মৌন মিছিলে এগিয়ে চলে! ফুলে ফুলে সুশোভিত বাঙালির চেতনার মিনার, শহীদ মিনার।

১৯৫২ থেকে ২০১২, পথ পরিক্রমায় ৬০ বছরে পদার্পণ করেছি আমরা।
এই ৬০ বছরে আমাদের অর্জন গোটা বিশ্বের দরবারে আমরা সমাসীন হয়েছি আত্ম-মর্যাদাবান এক জাতি হিসেবে।

একুশ নিয়ে পুরনো প্যাচাল

অলস বাঁচে পূর্বপুরুষের সম্পদে ,গৌরব গর্বে এবং ঐতিহ্যের রোমন্থনে।অক্ষম বাঁচে স্বকালে ও স্বনামর্থে এবঙ বুদ্ধিমান বাঁচে স্বকালে এবং ভবিষৎ প্রত্যাশায়। -অধ্যাপক আহমদ শরীফ

একুশ ফেব্রুয়ারী আজ আর শোক নেই, উৎসব হয়ে গেছে। পৃথিবীতে কী এমন ঘটনা ঘটেছে যে শোক উৎসব হয়ে যায়? ১ ফাল্গুন আসে ফেব্রুয়ারীতে আর একটা কৃত্তিম দিবসও আছে তার একদিন পরে।

মেঘের কাছে এক পশুর চিঠি

সেদিনে রাতে তুমি ঘুমিয়ে পরেছিলে কি স্বপ্নের হাত ধরে?
মায়ের আদর নিয়ে পরীদের সাথে কি খেলতে নেমেছিলে
অতি দ্রুত যেন- তোমার খুব বড় কাজ আছে সকালে।
মেঘ, তুমি সকালে কী দেখলে?
মেঘ, তুমি সকালে কী দেখলে?
ঘাতকের নির্মমতা তোমার শৈশবকে ফেলল মেরে
যেন একনিমিষেই পাঁচ থেকে পঞ্চাশ পেরুলে
তুমি রক্তের মাঝে দাঁড়িয়েই ফোন করলে-
নানুভাই, আমার মা-বাবা মারা গিয়েছে।
নানুভাই, আমার মা-বাবা মারা গিয়েছে।