কবিতা

কবিতা, ছড়া, পদ্য ইত্যাদি বিষয়ক পোস্টসমূহ

একুশের হাসি

২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১২...
নেই প্রভাতফেরীর কোমল নিস্তব্ধতা।

১২ টা ১ থেকে শুরু হওয়া
শাসক-মিলিটারি-পুলিশ-কর্পোরেট,
আর মাইক লাগানো বুদ্ধিজীবীদের হুংকার
আত্মা কাঁপানো এক হাসির মতো আওয়াজ তোলে।

পাহাড়ের কোলে জন্মানো শিশুর মায়ের মিষ্টি কথাগুলো
দূর থেকে দূরে মিলায় সেই হাসির গুমোট ধাক্কায়।
জাতীয়তাবাদের ছুরি হাতে এগিয়ে আসে কবন্ধ,
এক অসুস্থ আতংকে শূন্য চোখে সে চেয়ে রয়।

খোঁজ

স্মৃতির মত, কিংবা খানিক বিস্মৃতির মতো
তুষারের গুড়ো খসে একবেলার আকাশ থেকে,
তোমার পদচিহ্ন ঢাকে ফালি ফালি অবাক জোছনা।
সেই কবে অকারণ খোলা হাওয়ায় উড়েছিল তোমার চুল,
ধানের গন্ধে মাতাল কৃষকের মত মুগ্ধতায়
হাল-হারা নাবিকের অসাবধান স্তব্ধতায়
জীবনের মানে খোঁজা বিবাগীর স্বপ্ন-হারানোর চেনা বেদনায়
তীব্র শৈত্যে ছুঁয়ে গিয়েছিলে তুমি বারংবার।

শুদ্ধতার মত নিরেট নৈশব্দে,

ফিরে এসো

যুবক তোমার কতই না ছিল কথা,
যুবক তুমি যে ঝরালে নিরবতা
নষ্ট ভ্রষ্ট প্রেমে , কাম আর ঘামে
বিরহী নারীর বুকে গেঁথে দিলে
অস্পৃশ্য কথকতা!

যুবক তুমি তো এমন ছিলেনাকো?
কৈশোরে তুমি দৌ-ড়ে পেরোতে সাঁকো
নীল দু'চোখে তোমার আকাশ ছিল ঘন-
যুবক তুমি তো নিজেও সে কথা জানো!

নষ্ট যুবক কোথায় তোমার প্রেম?
আ-র তো সেখানে গড়ে না কোনও গৃহ
স্নান সমাপন নারীর চুলে কাম,
এখন শুধুই নষ্ট ছবি আঁকো!

ভাষা শহীদদের বৈঠক

তখন অমানিশার মাঝ রাত
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদীতে
বিশৃঙ্খল ভাবে বসা ক'জন যুবক
আর কয়েকজন তরুণ।
সবাই চুপচাপ শান্ত,কেউ এদিক ওদিক তাকাচ্ছে
কেউ গালে হাত দিয়ে নিমগ্ন।
আশে পাশে সিড়িতে আর চত্বরে
ছিন্নমূল মানুষের সুখের নিদ্রা।
কবি মন বলেই এগিয়ে গেলাম
কেউ একজন বলে উঠল কে?
বললাম আমি কবি,অনাহত এক কবি
কিন্তু মধ্যরাকত এখানে তোমরা কে?
কয়েকজন সমস্বরে বলে উঠল
আমরা বায়ান্নের ভাষা শহীদ।

ফাগুন নাকি ফেব্রুয়ারী???

**বানান নিয়ে মহা ঝামেলায় আছি এই ''ভাষার'' মাসেও, দয়া করে ভুল গুলো যদি কোন বন্ধু সংশোধন করে দেন তিনি অবশ্যই আমার "গুরু"...........

সবাই বলো ফেব্রুয়ারী
আমি বলি ফাগুন
৫২'তে কৃষ্ণচুড়ায়
লেগেছিল আগুন।

বাংলার জন্য হলো শহীদ
রফিক,শফিক,জব্বার
বুকের রক্ত ঢেলে দিয়ে
বাংলা করলো সবার।

এখন ভিন্ন দেশে'র ভাষা
বুক উঁচিয়ে চলে
কষ্টে আছি ভীষন কষ্টে
বাংলা কেঁদে বলে।

বাংলা ভাষার জন্য সবার

অভিসার

বাবুই পাখিটি প্রাচীন বাগানের একটি উঁচু ডালে আলতো করে বসে
সে বাগানটাকে ভালোবাসে, ভালোবাসতে থাকে এলোমেলো বৃক্ষদের-
বুড়ো তালগাছটার উঁচুতে তাকায়। পাখিটি নীড় বুনবে বলে একটি রজত গৃহের স্বপ্ন দেখে।

জোনাকী‌‌‍‌‌‌‌র আলোয় দেখে সে একজোড়া প্রেমময় চোখ, একটি অনন্ত গৃহ,
অনাগত সকাল, বাতাসের ঢেউ, অতঃপর বিভিন্ন আকাশের হাতছানি।

ভানু-দেব ডাক দিয়ে গেলে পর বাবুই তার নিজ আকাশে ডানা মেলে,

একগুচ্ছ নতুন কবিতা

ব্যক্তিগত বলে কিছু থাকতে নেই!

মানুষ তাঁর ছায়ার চেয়ে বড় নয়
তারপরও আকাশ ছুঁতে চাই আলোর সঙ্গমে!

আজ বাদে আগামীর কথা চিন্তা করো না,
আর তুমি ব্যতিত সবকিছুই অর্থহীন। কেননা,
তুমি না থাকলে আমি নিশ্চিত বিপন্ন হবো।
যদি বিশ্বাস না হয়
নিজের ছায়ার উপর পা মাড়িয়ে দেখো
নিশ্চিত ছুঁতে পারবে না।

আর কে না জানে?

সুনীল শক্তি এবং প্রিয়তমা

নাগরিক সকল কে শুভেচ্ছা। নাগরিক ব্লগের লেখাগুলো অনেক আগে থেকেই পড়ি। অনেক সময় ফেসবুক এ শেয়ার করি। অনেক আগে একটা ছদ্মনাম নিয়েছিলাম নাগরিকে, শুধুমাত্র সেই কারনেই একটা ই-মেলও খুলেছিলাম, আর সেটাই বোধহয় ভুল হয়েছিলো। অনিয়মিত ব্যাবহারের কারনে পরে দু'টারই পাসওয়ার্ড ভুলে গেছি, কখনও কখনও মন্তব্য করার খুব ইচ্ছে হলেও আলসেমি করে আর সে সব খুঁজে পাওয়া হয়নি।

এক দুপুরের গল্প

এক দুপুরে কার্জন হলের বারান্দায়
সাদা ওড়নায় নিজেকে ঢেকে রেখেছিলো যে মেয়েটি,
আমি বসেছিলাম তার ঠিক পাশে,
কনামাত্র সময়।
বুড়ি ছুয়ে যেতে লোকের যতটুকু সময় লাগে প্রায় ততটুকু ।

শুধু কি বসেছিলাম, দেখিনি কি তাকে?
দেখেছি তো।
সুন্দরের পাশে বসে অন্ধ সেজে থাকবো!
আমি কি অবধূত নাকি?
কথা কি কিছুই বলি নি?
বলেছি তো।

মৌণতা কে স্বাক্ষী রেখে
বলেছি অনন্তের কথা ।

‘আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে,

আমার এই ছবিটা তে কি আপনার ফেইসবুক একাউন্ট থেকে একটা 'লাইক' ভোট দেয়া যায়?

প্রিয় সুধী,
আসসালামু আলাইকুম। আজ আপনাদের কাছে একটা আবদার নিয়ে আসছি। ছোট ভাই হিসেবে বড় ভাই-বোনদের কাছে আবদার, একজন ব্লগার হিসেবে আরেকজন ব্লগার এর আবদার।

বস্তুত আমি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার। কিছুদিন আগে আমি কিছু টি-শার্ট ডিজাইন করেছিলাম। সেগুলোর মধ্যে একটি টি-শার্ট একটি কনটেস্ট এ আছে।

ওই টি-শার্ট টি তে কি আমি আপনাদের একটা লাইক পেতে পারি?

বিষণ্ণতা-(হাইকু প্রয়াস ৩)

কিছু নিস্তরঙ্গতা

ছলকে ওঠা চাঁদের আলো

শুকনো পাতার মর্মর ধ্বনি।

বয়ে চলা সময়

পুরনো কঙ্কাল

পাবলো নেরুদা'র কবিতা অনুবাদ

নৈরাশ্যের গান

আমার চারপাশে রাতের অন্ধকার থেকে তোমার স্মৃতিরা ভেসে আসে
সাগরের সাথে মিশে যায় নদীর একগুঁয়ে আর্তচিৎকার
প্রথম প্রত্যুষের পরিত্যাক্ত জাহাজঘাটের মতো
এখন আমার প্রস্থানের মুহুর্ত, ও আমার নি:সঙ্গ জন!

আমার হৃদয়ে মৃত শুষ্ক ফুলেরা ঝরে পড়ে
ভগ্ন হৃদয়ের গহবরে,
সেখানে জাহাজডুবি নাবিকের নির্মম ধ্বংসস্তুপ।
তোমার মাঝেই ধ্বংস আর সৃষ্টি মিশে যায়,

গল্পকবিতা জানুয়ারি ২০১২ সংখ্যা : ‘শীত’ এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নতুন প্রজন্মের প্রতিভা ও সৃষ্টিশীলতা বিকাশে সাহিত্য বিষয়ক ওয়েব পোর্টাল গল্পকবিতা ডট কম আয়োজিত ‘শীত’ সংখ্যার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বিচারক ও পাঠকের ভোটে গল্প বিভাগে প্রথম বিজয়ী হয়েছেন মোঃ শামছুল আরেফিন তাঁর ‘হঠাৎ চৈতন্যোদয়’ গল্প নিয়ে। দ্বিতীয় বিজয়ী বিষণ্ণ

আবোল-তাবোল

একটু একটু কইরা সপ্ন নিয়া বাঁইচা আছি
মাথার তার বলে ছিইড়া গেছে
আমিও ইলেক্ট্রিশিয়ান দিয়া সাভিসিং করাইছি
নাট-বল্টু টাইট দেওয়াইছি

সপ্ন তো মুক্তি সামছুও দেখছিলো বলে
যুদ্ধও বলে করছিলো-অহন হে কয়
দেশের বলে বারোডা বাইজা গেছেগা
দেশ বলে সাধীন থেইকা অধীন হইছে
আগে বলে আছিন একটা দেশের
অহন বলে কয় কয়ডা দেশের

"খাওন" পাইনা,একটা "রুডিও" বলে "পাঁচ টেহা"

ফ্যান্টাসী

গত ভ্যালেন্টাইনে ও তোমাকে কিছু দিতে পারিনি ।
না একটা গোলাপ,না কোন সতেজ,সুগন্ধী কার্ড ।
গত ভ্যালেন্টাইনে ও তোমাকে কিছু দিতে পারিনি ।
না কোন দামী কানের দুল,
রবীন্দ্র সংগীতের ক্যাসেট , কোন প্রিয় কবিতার
বই
গত ভ্যালেন্টাইনে ও তোমাকে দিতে পারিনি কিছু
তোমার প্রিয় বুটিক হাউসের প্রিয় কোন পোষাক,
তোমার পছন্দের ক্যাডবেরী চকোলেট ।
গত ভ্যালেন্টাইনে ও
তোমাকে নিয়ে যেতে পারিনি কোখাও
ডিসি হিল,ভিসি হিল