লক্ষ লক্ষ কোষ (cell) দ্বারা গঠিত মানব দেহ সৃষ্টি নৈপুন্যতায় এক জটিল ও অসাধারণ সৃষ্টি। এসব কোষ কিন্তু বিস্তৃত হয়েছে একটি মাত্র কোষ থেকে। জীবনের শুরুতে একটি পুংজনন কোষ, যার নাম শুক্রাণু (sperm), এবং একটি স্ত্রী প্রজনন কোষ যার নাম ডিম্বানু (ovum)। দুই জনন কোষের মিলনকে বলা হয় নিষেক। আল- কোরআনে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেন- “ হে মানবজাতি ! কর্তব্যনিষ্ঠ হও তোমাদের প্রভুর প্রতি যিনি তোমাদের সৃস্টি করেছেন একটি মাত্র নাফস থেকে।” ( সূরা নিসা-১)
আরবী “নাফস” শব্দের অর্থ হচ্ছে প্রাণশক্তি, জীবন স্পন্দন। এসব শব্দের অন্তর্নিহিত বিজ্ঞান ভিত্তিক অর্থ হচ্ছে কোষ বা cell.
“ হে মানব সকল ! আমরা তোমাদের সৃষ্টি করেছি পিতৃ ও মাতৃ (জনন কোষ) থেকে।”
(সূরা হুজরাত-১৩)
“ নিশ্চয়ই আমরা মানুষকে সৃস্টি করেছি সংমিশ্রিত নুৎফা থেকে। (সূরা দাহর-২)
বিশেষ দ্রষ্টব্য : আরবী ভাষায় আমরা শব্দটি সম্মানবাচক সর্বনাম অর্থে ব্যবহৃত হয়।
“ আল্লাহ মানুষ কে সৃষ্টি করেছেন নুৎফা থেকে।” (সূরা নাহল-৪)
“অতঃপর নুৎফা কে প্রতিস্থাপন করেছি একটি সুরক্ষিত আধারে যা দৃঢ়ভাবে সংরক্ষিত।”
(সূরা মু’মিনূন-১৩)
আরবী নুৎফা শব্দের দ্বারা Sperm বা Ovum অথবা Sperm/Ovum উভয়কে বুঝানো হয়। নুৎফা শব্দের আরো অনেক অর্থ হতে পারে। যেমন Zygote। একজন ইহুদী পন্ডিত মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞাস করলেন, হে মুহাম্মাদ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মানুষ কি দ্বারা সৃস্টি হয়েছে ? জবাবে রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, পুরুষ ও নারী উভয়ের নুৎফা থেকে। (মুসনাদে আহমদ)
তথ্যসূত্রঃ
১- বিজ্ঞানময় কোরান, লেখকঃ মোহাম্মাদ আবু তালেব, ঢাকা বুক কর্ণার।http://facebook.com/farabi.shafiur.rahman






* প্রতিক্রিয়া *
আরজ আলী মাতুব্বরের বিরুদ্ধে আমার কিছু Note আছে Facebook এ, নাম হলো- " আরজ আলী মাতব্বরের যুক্তি খন্ডন" পড়লে ভালো লাগবে। in Facebook i have an account by that- Farabi1924@gmail.com
farabi
রে ফারাবি, সুরা হিজরের ২৬ নম্বর আয়াতের অন্তর্নিহিত অর্থটা কী!!!!
আর আপনার পালনকর্তা যখন ফেরেশতাদেরকে বললেনঃ আমি পচা কর্দম থেকে তৈরী বিশুষ্ক ঠনঠনে মাটি দ্বারা সৃষ্ট একটি মানব জাতির পত্তন করব।
সুরা ত্বা-হা ৫৫ নম্বর আয়াত:
এ মাটি থেকেই আমি তোমাদেরকে সৃজন করেছি, এতেই তোমাদেরকে ফিরিয়ে দিব এবং পুনরায় এ থেকেই আমি তোমাদেরকে উত্থিত করব।
আমি বুঝলাম না, আল্লাহ বেহেস্তে মাটি দিয়া মানুষ বানায়া দুনিয়াতে এমন ক্যাচাল ক্যান করতে গেলো! ফুৎকার সিস্টেমটাইতো ভালো ছিলো!!
কমেন্টের জবাব দেয়ার মত ধনের জোড় নাই এমুন ব্লগার আমি জীবনেও দেখি নাই। কপি পেস্ট মাইরা ব্লগ লেখলে অবশ্য এমনি হবে।
-------------------------------------------
আমি অধম তাই বলে তুমি উত্তম হইবানা কেন
“নাফস” শব্দের অর্থ হচ্ছে প্রাণশক্তি, জীবন স্পন্দন। এসব শব্দের অন্তর্নিহিত বিজ্ঞান ভিত্তিক অর্থ হচ্ছে কোষ বা cell.
কোথায় পেলেন প্রানশক্তি মানে সেল (cell) বা কোষ ?
আগে ভাই মানব দেহের সেলের গঠন টা জানুন। বিজ্ঞান কোণ মনগড়া জিনিষ না ,আপনি যা বলে বলে দিবেন সেটাই হবে।
যার শুরুতেই গলদ সেই রকম লেখা না আর না লিখাই ভালো
Biswajit
স্বাধীনভাবে বিজ্ঞান চর্চা করতে কোরআন বাধা দেয় না। তবে কোরআনে ভ্রূণতত্ত্বের এনসাইক্লোপিডিয়া থাকবে এমনটি আশা করা উচিৎ নয়। মানুষকে ভ্রূণ বিজ্ঞানে পণ্ডিত করে তোলাও কোরআনের উদ্দেশ্য নয়। তাই কোরআনে ভ্রূণতত্ত্বের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ না পেয়ে আনন্দিত বা হতাশ হবার কোন কারণ নেই।
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
হুমম, কোরআন কোনো কিছুই "স্বাধীনভাবে" করতে বাধা দেয় না. যতক্ষণ না এই "স্বাধীনতা" লাইনে থাকে. অনেকটা বিচার মানি, কিন্তু তালগাছটা আমার. যেই মুহুর্তে কোরআন থেকে ভুল বের করা হয়, তখনি সেই "স্বাধীনতা" উড়ে যায়.
পরস্পরবিরোধী কথা পেয়েও যদি আপনি মনে করেন যে কোরআনএ "ভ্রুণতত্তের বিবরণ" আছে. আপনি তা দেখেন কারণ আপনি চান তা দেখতে. আর অন্যরা দেখে না কারণ তারা দেখে নিরপেক্ষ ভাবে. আর এই কারণেই তাদের চোখে পরস্পরবিরোধী কিছু থাকলে তা এড়ায় না যেটা আপনাদের এড়িয়ে যায়.
"If the presidents dont do it to their wives, they do it to their countries"-Mel Brooks
চমৎকার বলেছেন, কোরআন দায়িত্বজ্ঞানহীন স্বাধীনতায় বিশ্বাসী নয়।
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
মুশকিল কি জানেন? কোরআন নিজে থেকে কখনই কিছু বলে না, কারণ এটা শুধুই একটা বই, তারমানে হলো বলাবলির দায়িত্ব হলো মানুষের. আর যারা এরকম ধর্মগ্রন্থ দিয়ে দৈনন্দিন কাজকর্ম চালায়, তাদের কেউই বিশ্বাস করে না কখনই. আমি সবার কথা বলছি না, আমি বলছি তাদের কথা যারা আক্ষরিক অর্থেই ধর্মীয় বইকে কাজে লাগায়. এরকম মানুষের উদাহরণ চান? ৭১এ রাজাকাররা, ২০০১এ আল কায়েদা, মধ্যযুগে ক্রুসেড, ১৮৫০ সালে বুদ্ধিস্ট বার্মাতে, নরবলি, এরকম অভাব নেই. আর কোনটা স্বাধীন, আর কোনটা "দায়িত্বজ্ঞানহীন স্বাধীন," তাও ঠিক করে হচ্ছে এই একই মানুষদের দ্বারা. সুতরাং, সেই স্বাধীনতা যে কতটা আসল স্বাধীনতা হবে তা তো বলাই বাহুল্য.
"If the presidents dont do it to their wives, they do it to their countries"-Mel Brooks
ধূর্ত রাজনীতিবিদরা ধর্মকে সবসময় ব্যবহার করে। ভবিষ্যতেও করবে। এ প্রক্রিয়ায় ধর্ম বিকৃত হয় আর সাধারণ মানুষ এই বিকৃতিকেই মূল ধর্ম হিসেবে গণ্য করে। সামান্য কাণ্ডজ্ঞান আছে এমন যে কেউ বুঝতে পারবে একাত্তরে পাকিস্তানী ও তাদের দোসর রাজাকার বাহিনী কর্তৃক যে হত্যা ও ধর্ষণযজ্ঞ চালানো হয় তার সাথে ইসলামের নূন্যতম সম্পর্ক নেই। মদ্যপ, মাতাল ও দুশ্চরিত্র ইয়াহিয়া-ভুট্টোদের লেলিয়ে দেয়া কুকুরদের খোদার মুজাহিদ ভেবে তাঁদের অপকর্মের সমস্ত দায়ভার ইসলামের কাঁধে বসিয়েছেন যারা তাঁরা ভয়ানক ভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন।
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
আপনার বক্তব্য আমার কাছে পরিষ্কার হয়নি। আমারই ব্যর্থতা হবে সম্ভবত! আপনি কি বলতে চাইছেন যে- ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহার অনুচিত?!
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
ধর্মের এমন রাজনৈতিক ব্যবহার যা ধর্মকে বিকৃত করে অথবা স্বীয় রাজনৈতিক বা ব্যক্তি স্বার্থ চরিতার্থ করবার জন্য ধর্মের এমন প্রয়োগ যা অযথা বিশৃঙ্খলা ও নিরীহ জনসাধারণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় তা অবশ্যই অনুচিত।
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
অর্থাৎ, থিওরিটিক্যালি আপনি চলমান "খিলাফাত" মুভমেন্টকে অসমর্থন করেন না?!
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
চলমান খিলাফাত মুভমেন্ট বলতে আপনি কী বোঝাতে চাইছেন?
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
নাগরিকব্লগে আমার দ্যাখামতে আপনিই সবথেকে ম্যাচিউরড ব্লগার। অন্য অনেকের কাছেই আমি গত প্রশ্নের এমন বুদ্ধিদীপ্ত প্রতিত্তোর আশা করতাম না। আপনার কাছে করেছিলাম। যাহোক- "চলমান" খিলাফাত আন্দোলন বলতে আমি বলতে চাইছি (নাম উল্লেখ ব্যতিরেকে) একাধিক রাজনৈতিক সংগঠন বিশ্বব্যাপি কাজ করে যাচ্ছে একটি "গ্লোবাল মুসলিম নেশানহুড" তৈরি করতে! তাদের কার্যক্রমের প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ক্যামন!?
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
ইসলামকে ঘিরে যে টিপিকাল ট্রেন্ড চালু হয়েছে তার পথ ধরেই ' আমি চলমান খিলাফাত মুভমেন্ট' কে সমর্থন করি কিনা সে প্রশ্ন তুললেন। ইসলাম নিয়ে বাতচিত করা একজন মানুষকে অবশ্যই জামায়াত, তাহরীর অথবা তাবলীগ হতে হবে এ চিন্তায় বদ্ধমূল থাকা উচিৎ নয়।
আপনি প্রশ্নটি করেছেন আমার ধর্মকে পুরোপুরি রাজনীতি থেকে খারিজ করবার অনিচ্ছা দেখে। রাজনীতি থেকে ধর্মকে অসম্পৃক্ত রাখতে গেলে কয়েকটি অসুবিধে হয়। প্রথমত, ধর্ম আর রাজনীতিকে আলাদা করতে গেলে দুটোর যে কোন একটিকে অপবিত্র গণ্য করতে হয়। অথচ রাজনীতি বা ধর্ম দুটোর একটিকেও অপবিত্র জ্ঞান করবার কোন সুযোগ নেই। কারণ সমাজপরিবর্তনের ধারায় এ দুটোর অবদান অপরিসীম। একজন মুসলিম আস্তিক হিসেবে আমি যদি ইসলামের জন্য রাজনীতিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করি তাহলে আমি রাজনীতিকে অপবিত্র বা অচ্ছুৎ জ্ঞান করলাম। কিন্তু আমার সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান তা মানতে নারাজ। রাজনীতি বলতে আমি চুরি বাটপারি খুন ডাকাতিকে বোঝাচ্ছি না (রাজনীতি সম্পর্কে যা আমাদের প্রচলিত যে ধারণা), পারিভাষিক অর্থে রাজনীতির যে অর্থ আলোচনা তা নিয়েই। এই পয়েন্ট থেকেই আমি রাজনীতি থেকে ধর্মকে আলাদা করতে ব্যর্থ হই। কোন পলিটিক্যাল এ্যাফিলিয়েশানের কারণে নয়।
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
আপনার ছ্যুৎ-অচ্ছ্যুৎ সংক্রান্ত ব্যাখাতে সন্তুষ্ট হতে পারলাম না। এটা কোনো যুক্তি হতে হতে পারে যে- কোনো দুটো ব্যাপারকে আলাদা রাখতে হলে একটাকে অতি অবশ্যই ছ্যুৎ এবং অন্যটাকে অতি অবশ্যই অচ্ছ্যুৎ বলে বিবেচনা করতে হবে। তবে হ্যাঁ- এর আগে যেটা বলেছেন, "সমাজপরিবর্তনের ধারায় এ দুটোর অবদান অপরিসীম।" সেটা না মানার কোনো যুক্তি নেই। কিন্তু সেই যুক্তিটুকু কি "গ্লোবাল মুসলিম নেশানহুড"কে জায়েজ করে বলে আপনি মনে করেন?! আমার মূল প্রশ্ন এটাই!
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
আমার পূর্বোক্ত আলোচনা রাজনীতি ও ধর্মের সম্পৃক্ততাকে জায়েয করেনি বরং ধর্ম আর রাজনীতি যে ব্যবচ্ছেদযোগ্য নয় তার স্বপক্ষে কিছু বলতে চেয়েছে। এখানে কোন অর্থেই 'গ্লোবাল মুসলিম ন্যাশনহুডকে' জায়েয করার চেষ্টা করা হয়নি। আর তা যদি কারও কাছে জায়েয করার চেষ্টা বলে প্রতিপন্ন হয় তাহলে তা আমার অজান্তেই হয়েছে।
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
__________________________________
হয়তো তুমি পাশেই আছো, তবু তোমায় ছুতে কি পাই?
আল কোরানে সব তত্বই আছে! আপসোস! এসব তত্ব বের হয় বিজ্ঞানীরা যখন আবিস্কার করে। মোল্লারা শুধু তেলোয়াত করে। আর বিজ্ঞানীরা আবিস্কার করার পর মোল্লারা গলা ফাটায় ইউরেকা ইউরেকা বলে।
গলা ফাটানোর অভ্যাস এতই যদি থাকত তাহলে মানুষ যে আদিবানর বিজ্ঞানের সে তত্ত্বও ইউরেকা ইউরেকা বলে স্বাগতম জানাতো মোল্লারা। কিন্তু মোল্লারা তা তো করেনি!
আর কোরআনের প্রত্যেকটি তত্ত্বই মোল্লাদের-ই ল্যাব বানিয়ে প্রমাণ করতে হবে এ কথার যৌক্তিকতা কী?
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
সেটা বলার ত স্কোপ নাই। কারণ আদম-হাওয়া নাকি বান্দরজাতীয় ছিলেন না। আর মোল্লা( জাকির মোল্লা সহ) রা কিন্তু সেইসব তত্ত্বকেই কোরানের সাথে সম্পৃক্ত বলে যেগুলোতে কোন সন্দেহ আরোপ করা যায়না। কিন্তু হাইপথিসিস লেভেলে থাকলে আবার ঐ তত্ব নিয়ে কোরান বন্দনা চলেনা। আচ্ছা, রাতের বেলা সূর্্য আল্লাহর আরসের নিচে থাকে এই হাদিসের ব্যাখ্যাটা কি জানা আছে?? আর আরেকটা কথা, আমরা জানি আকাশ বলতে কিছু নাই শুধুই চোখের ভুল ,কিন্তু আল্লাহ নাকি ৭ আসমান উপর থাকেন। তাহলে ৭ আসমানের কোরানিক ব্যাখ্যাটা কি হবে??
ডারউইনের মতবাদ কিছুদিনের মাঝেই কোরানে পেয়ে যাবেন;অপেক্ষা করুন
-------------------------------------------
আমি অধম তাই বলে তুমি উত্তম হইবানা কেন
দুই দিন আগে এক রাস্তার টং এ চা খেতে গিয়ে আদম হাওয়ার কাহিনী শুনলাম। আদমের তিন বিচি ছিল, আর হাওয়ার মুখে দাড়ি ছিল- এই জ্ঞানটা অর্জন করলাম।
ফারাবি ভাইরে উৎসর্গ করে একটা অপদার্থ- বিজ্ঞান ছাড়বো, কুরানের আলোকে অপদার্থদের বিজ্ঞান!
কারণ মোল্লারাই গলা ফাটায় এই বলে যে "নতুন আবিষ্কার না, কোরানে এইটা অলরেডি দেয়া আছে," এই কথা বলে কোরানের মহত্ব বুঝায়. আপনি কোনো দাবি করলে সেইটা প্রমান করার দায় আপনার কাধেই পরে. দাবি প্রমান করবেন আপনি আর সেইটা ভুল প্রমান করবে আরেকজন তাতো হয় না, তাই না? আর বিবর্তনবাদ নিয়া চুপ আছে কে কইলো আপনেরে? মোল্লারা তো এইটা যে ভুল, এই দাবি কইরাই গলা ফাতায়তেছে কারণ এইটা মানলে তাদের নিজেদেরই সমস্যা.
"If the presidents dont do it to their wives, they do it to their countries"-Mel Brooks
মোল্লারা ডারউইনের তত্ত্ব পেয়ে 'ইউরেকা' 'ইউরেকা' বলে গলা ফাটিয়েছিল কবে? আপনাদের কথানুযায়ী তো মোল্লারা যে কোন আবিস্কার কোরআনে আছে বলে দাবি করে কৃতিত্ব নেয়। কিন্তু ডারউনের ক্রমবিকাশবাদ আজ পর্যন্ত কোরআনে আছে বলে কোন মোল্লাকে বলতে শুনেছেন? আমি তাই বলতে চেয়েছি।
আপনাদের কথা শুনলে মনে হয় বিজ্ঞানীরা বিগব্যাং, ভ্রুণতত্ত্ব আর হাতেগোনা কিছু জিনিষ ছাড়া আর কিছু্ আবিস্কার করেনি। অথচ এগুলোর পাশাপাশি আবিস্কৃত হয়েছে অনেক তত্ত্ব ও সূত্র। যেমন, আলোর তরঙ্গ ও কণিকা তত্ত্ব, মহাবিশ্বে কৃষ্ণগহ্বর এর অস্তিত্ব, আলোর গতি, অতিবেগুনী রশ্মি আর বিভিন্ন প্রকার মহাজাগতিক রশ্মির অস্তিত্ব, পদার্থের প্লাজমা অবস্থা, ডার্ক মেটার, ডার্ক এ্যানার্জি আরও কত কী! কই এগুলোর ব্যাপারে কোন মোল্লাকে তো কোনদিন বলতে শুনিনি যে ওগুলো আগে থেকেই কোরআনে ছিল? আপনার কথানুযায়ী টমাস আলভা'র বৈদ্যুতিক বাতি থেকে স্টিভ জব্সের এ্যাপেল ফোন এসব কিছুই কোরআনে আছে বলে দাবী করবার কথা ছিল মোল্লাদের! কিন্তু মোল্লারা তো তা করেনি। এসব কিছু আপনার চোখ এড়িয়ে গেল কীভাবে জনাব? নাকি মোল্লাফোবিয়াতে ভুগছেন?
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
ইসলামের পক্ষে হলে নিশ্চয় ইউরেকা ইউরেকা করতো
__________________________________
হয়তো তুমি পাশেই আছো, তবু তোমায় ছুতে কি পাই?
নক্ষত্র অক্ষরিকর্থেই আমার মনের কথাটা বলে দিয়েছেন.
"If the presidents dont do it to their wives, they do it to their countries"-Mel Brooks
মোল্লাদের সমস্যা হল, ইসলামের সপক্ষে কথা কইলে সেটা মহান বিজ্ঞানীর কোরান গবেষনা করে পাওয়া বলে ফেনা তুলে ফেলে। অমুক শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ইসলাম মেনে নিয়েছেন। আবার সেই বিজ্ঞানী যখন কোরানের বিপক্ষে বলেন তখন সে মহা পাগল হয়ে যান মোল্লদের কাছে। এইরাম চ্রম একটা উদাহারন স্টিফেন হকিংন্স
আজিব দুনিয়া, আজিব মানুষ, আজিব ধর্মবাজি..........
__________________________________
হয়তো তুমি পাশেই আছো, তবু তোমায় ছুতে কি পাই?
আমার সবথেকে মজা লাগে মানুষের কষ্ট করে রিসার্স করতে না চাওয়ার স্বভাব. কোথাও কিছু দেখল ধর্মীয়, আর সাথে সাথে নগদে সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিলাহ, হ্যান, ত্যান বৃষ্টির মত শুরু হয় আর লাইক আর শেআর যে হয় কয় হাজার তার কোনো ইয়ত্তা নাই, অথচ একজনও দেখি না যে আসলেই এটা সত্তি না মিথ্যা. আমি এখন পর্যন্ত কোনো "অলৌকিক" কোনো ঘটনার খোঁজ পাইলাম না. সবগুলানই ভুয়া. এত কিছুর পরও এইসব তথাকথিত মুমিনদের হুঁশ হয় না, নুতন আরেকটা পাইব আর নগদে সেই একই ঘটনার পুনারবৃত্তি হুরপরীর আশায়.
"If the presidents dont do it to their wives, they do it to their countries"-Mel Brooks
'রিসার্স' কী জিনিষ মহদাশয়?
------------------------------------------
"মানুষকে ঘৃণা করার অপরাধে কখনো কাউকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়নি অথচ মানুষকে ভালবাসার অপরাধে অতীতে অনেককেই হত্যা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও হয়তো হবে"- নিশো
------------------------------------------
রিসার্স=পিসলামি
"If the presidents dont do it to their wives, they do it to their countries"-Mel Brooks
নাহ্। আজকে কাম কাজ হাতে নাই কোন। একটা মুভি দেইখা পরে ফারাবি ভাইরে নিয়া লেখা নামাইবাম। আমার পোস্টের খরা কাটুক। ফারাবি ভাই ব্লগে বিছমিল্লা বলে ঢুস দিয়েন একটা সময় কইরা।
* নতুন মন্তব্য লিখুন *