ছাগছানাদের হাস্যকথা -০২
গোলাম অসুস্থ! সে নাকি হাঁটতে পারে না! এবং যেহেতু হাঁটতে পারে না সেহেতু তার চলাফেরার জন্য হুইলচেয়ার দরকার হয়। কিন্তু দেশের জালিম সরকার-এর পোষা আদালত এই সহজ ব্যাপারটি বুঝতে না পেরে তাকে "বেইল" দ্যায় নাই। তাকে হাজতে পাঠায়ে দিছে। ব্যরিস্টার রাজ্জাক বলছে এইটা অসাংবিধানিক হইছে, এইটা ব্যক্তির অধিকার খর্ব হইছে... হ্যান হইছে, ত্যান হইছে। বিরাট অন্যায় হইছে...
কিন্তু মাঝ দিয়ে চাচী এইটা কী বইলা বসলেন?! ওরে!!! চাচীরে কি কেউ তোরা একটু শিখায়ে পড়ায়ে দিস নাই? বুড়া মানুষ কী কইতে কী খাইয়া ফালাইছে... তোরা তাই বইলা এইগুলা করবি?! আহারে দুষ্ক!!!
তগো উপ্রে ঠাডা পড়ব!!!! ঠাডা...






* প্রতিক্রিয়া *
কে মিথ্যা বলেছেন? ব্যারিস্টার রাজ্জাক না মিসেস আজম? আদালতে মিথ্যা বলার অপরাধে কি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যাবস্থা নেয়া যায়না?
আমার ধারণা আইনত অনেকের অনেক চলমান কার্যক্রমের বিরূদ্ধেই ট্রাইবুনাল চাইলেই ব্যবস্থা নিতে পারে। সে উপায় ট্রাইবুনালে রাখা হয়েছে। কিনতি এই মুহূর্তে যদি ছোটবড় সব বিষয়েই ট্রাইবুনাল স্বতপ্রণোদিত হয়ে এভাবে অভিযোগ আনতে থাকে তাহলে ট্রাইবুনালের মূল কাজ, 'বিচারকার্য' সেটা বাধাগ্রস্থ হবে। সময় হাতে এমনিতেই অল্প- এর ভেতরেই জনদাবী মেটাতে ট্রাইবুনালকে অসামান্য দ্রুততায় কাজ করতে হচ্ছে- বাধ্য হয়ে আইন মন্ত্রী নতুন আরেকটি ট্রাইবুনালের ঘোষণা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে যদি সব ধরণের অভিযোগ নিয়েই ট্রাইবুনাল মাথা ঘামাতে যায় তাহলে লঘুপাপের বিধান করতে করতেই গুরুপাপ রেহাই পেয়ে যাবা সম্ভবনা তৈরী হতে পারে।
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
আদালতে ভং ধরাও এক ধরনের অপরাধ, এবং তা সত্য গোপন করার সমপর্যায়ের, এই ধরনের ভং ধরে সাধারনত জামিন নেয়া হয়, এর বিরুদ্ধে আইন আছে এবং শাস্তির বিধানও আছে, ডাক্তারের রিপোর্টকে প্রমাণ ধরে এবং চাচীর বক্তব্যকে এভিডেন্সের সাপর্ট ধরে বুইড়ার জামিন পার্মানেন্টলি বাতিল সহ হাসপাতাল ত্যাগ করাতে বাধ্য করা উচিত!!
সেটাই ওপরের কমেন্টে বলতে চেয়েছি। সম্ভবত কোর্ট সুয়োমোটো দিতে পারেন- কিন্তু সেই কাজগুলোতে সময় দেবার মতো সময় ট্রাইবুনালের আছে কিনা সেটাই মূল প্রশ্ন!
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
চাচীর এই সত্যকথনে চাচার এখন হপে???
ধর্মের কথা বলে এই মিথ্যাচারণ জাতীয়তাবাদী ইসলামের মুল ভিত্তি। এখন জাতীয়তাবাদী ইসলামপন্থীরা বলবে রাজনৈতিক কৌশলগত কারনে মিথ্যা বলা জায়েজ আছে। ইজমা ও কিয়াস মুসলমানদেরকে মাঝে মধ্যে মিথ্যা বলার সুযোগ দিয়েছেন নিয়ামত হিসাবে। সেই নিয়ামত গ্রহন করা প্রত্যেক দ্বীনদার মুসলিম ভাইদের নৈতিক দায়িত্ব। বলুন আমিন।
ভিডিওতে ইউটিউবে একজন কমেন্ট করছে-
কী বুঝলেন?!
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
আদালতে ভং ধরাও এক ধরনের অপরাধ
সব বিড়াল ই ম্যাও বলে
---------------------------
|রাজাকার, কবি আর দালাল বাদে
|সবার জন্য আছি
---------------------------
আদালতে ভং ধরলে কোন গুনাহ্ নাই! সহসা এ বিষয়ে একটা হাদিস নাজিল হয়ে যাবে জামায়াতের জন্য।
* নতুন মন্তব্য লিখুন *