ব্রেকিং নিউজঃ প্রমাণ ছাড়া আর এক টাকাও ভিক্ষা নেবেন না হাসিনা

"একটি বিশেষ দাতাগোষ্ঠী আমাদেরকে ভিক্ষা দেবার সময় ভিক্ষার টাকা বণ্টন নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন। এখন তাদেরকে এই অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে - নইলে তাদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আর একটি টাকাও ভিক্ষা নেওয়া হবে ।" - মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই হুমকিতে মাথায় হাত দিয়ে পথে বসে গেছে বিশ্ব ব্যাংক। আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে এই খবর শুনে চেয়ার থেকে পড়ে জ্ঞান হারিয়েছেন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রবার্ট যলিক।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে জমায়েত হন বলে জানা গেছে । তারা প্রধানমন্ত্রীর হাতে পায়ে ধরে বিশ্বব্যাংকের অপরাধ এবারের মত মাফ করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

এদিকে পদ্মা সেতু নির্মাণে অর্থায়নের ব্যাপারে কী কী দুর্নীতি হয়েছে জানতে চেয়ে বিশ্বব্যাংক কে হাইকোর্টে তলব করা হয়েছে । সফেদ সাদা আবুল হোসেনের কোন দুর্নীতি দুদক খুঁজে না পাওয়াতে সরকারের করা মানহানি মামলায় হাইকোর্ট এই নির্দেশ দেন। অজ্ঞান যলিক স্ট্রেচারে করে আদালতে হাজিরা দেন। সরকার পক্ষ ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে সারা জীবনের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করে দেন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর ভিক্ষা না নেওয়ার হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে সারা দেশে হরতাল ডেকেছে ইসলামী ঐক্যজোট । এক বিবৃতিতে তারা বলেন, এই বেইমান কাফের সরকার এম্নিতেই পুরুষ নীতি, কুশিক্ষা নীতি করে আমাদের জন্য জাহান্নামের টিকিট কনফার্ম করে ফেলেছে । আজকে আমাদেরকে ভিক্ষা দিয়ে অন্য কেউ যাতে বেহেশ্তে যেতে না পারে, তার বিরুদ্ধেও এই সরকার এই সরকার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

বিস্তারিত

0
আপনার রেটিং: কোনোটি নয়

* প্রতিক্রিয়া *

প্রধানমন্ত্রী বেশ্যা ব্যাংক থেকে ভিক্ষা না নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করাতে আপনি মনে হয় নাখোশ হয়েছেন।

তা হয়েছি। কেন জানেন?

বিশ্ব ব্যাংক যদি দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে পারে, তবে বিশ্বব্যাংক ভিক্ষা দেবেনা।
আর বিশ্ব ব্যাংক যদি দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারে, তবে হাসিনা ভিক্ষা নেবেনা। এই দুইজনের কামড়াকামড়ির জন্য পদ্মা সেতুও কোনদিন হবেনা । আর তা না হলে আমার জন্য সুন্দরবন যাওয়াটাও সহজ হবে না। এইবার বুঝলেন?

বেঁচে থাকতে হলে হাসিনাকে এখন বেশ্যার কাছ থেকেও ভিক্ষা নিতে হবে, উপায় নেই।

যে জাতির মনোবাসনা থাকে ভিক্ষাবৃত্তির, সে জাতির উন্নতি মহাথির মুহাম্মদ এসেও করতে পারবে না। তবে সফল ভিক্ষুক সরকার হিসাবে খালেদার বেশ সুনাম আছে দাতাদের কাছে।

হাসিনাইতো বড় বেশ্যা সে আবার আরেক বেশ্যার থেকে কি নিবে। গত তিন বছরে বেশ্যামির চূড়ান্ত পর্যায়ে চলে গিয়েছে। দেশটাকে বেশ্যাপাড়ায় পরিনত করেছে। তার সন্তানেরা(কুত্তালীগ) এবং তার মন্ত্রীরা যেভাবে দেশটাকে ধর্ষন করে চলছে সেটা আর নাই বা বল্লাম। দেশের নাম কইরা ভিক্ষা নিয়ে সেই টাকাও মাইরা মাইরা এখন এমন অবস্থা হইছে যে বিশ্বব্যাংক ও দান দেওয়া বন্ধ কইরা দিছে। আবার চোরের মায়ের মত বড় গলা কইরা কয় প্রমান কইরা দিবো দূর্নীতি করে নাই। আরেহ তুই কি নিবি না তোরেই তো দিবো না। চুরি চুরি শিনাজুড়ি আরকি!

আগুন্তুক মশাইতো লীগ এর এককালের বেশ(এখনো আছে মনে হয়) ভক্ত ছিল। তার একটু খারাপ লাগেই সবচেয়ে বড় দেশ প্রেমিকের নামে কিছু শুনলে।(মাঝে মাঝে ম্যা ম্যা কইরা অবশ্য একটু আধটু প্রতিবাদ জানায় তার নেত্রীর বিরুদ্ধে(লোক দেখানো))। আবার কি জানি একটা লজিক দেখায় তুলনামূলক ভাবে বলে তাহার নেত্রি ভালো। মন্দেরভালো আরকি।

****************************************
পরিবর্তনের শুরু হোক এখান থেকেই। একটি দুর্নীতি ও রাজাকারমুক্ত সবুজ ও পবিত্র বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়ে।
+++++++++++++++++++++++++++++++++

রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের যে কোন ধরনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমি তীব্র নিন্দা জানাই। তবে দেশকে দাতা নির্ভরতা থেকে মুক্ত করার যে কোন ধরনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাতেও আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।

হাসিনার বস (মনমোহন) এই ব্যপারে কেন যে সাহায্য করছে না, বোঝা দায়।

shomudro

সমস্যা নাই! খালেদার বস সৌদি বাদশাহ আগামীতে সহযোগীতা করবে! উনার সাইজ খালেদার জন্য মানান সই!

###############################

নন্দিত এ নরক......হৃদয় আমার

* নতুন মন্তব্য লিখুন *

তথ্যটি সবাই দেখতে পাবে না। সংরক্ষিত থাকবে।