চিতায় জ্বলছে বাংলাদেশ!

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক বাংলাদেশের রাজনীতিতে সব সময়ই আগুনে ঘি ঢালার কাজ করেছে। আমাদের রাজনীতি সব সবসময় পুড়ছে এই চিতায়। বাংলাদেশের প্রিয় ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণ এই চিতার আগুন এদিক-সেদিক থেকে প্রায়শই উস্কে দিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়েছেন-গুছাচ্ছেন, ভারতীয় পণ্যের আমদানী নির্ভর চিরস্থায়ী বাজার ব্যবস্থা তৈরী করে।

এই বাজার ব্যবস্থা চালু রাখার দায়িত্ব তারা পেয়েছেন তাদের ভারতীয় প্রভুদের কাছ থেকে; প্রভূ'রাও চেষ্টা করেন তাদের আজ্ঞাবহ, ক্রীড়াণক ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণ যাতে বাংলাদেশ নামক বাজারের ভাগ্য বিধাতা হিসাবে টিকে থাকে। 'বন্ধু প্রতীম ভারত' কিংবা 'ভারত এলো-দেশ গেলো' এইসব নাটক জ়নগনের সাথে করে আমাদের প্রিয় ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণ তাদের বগল বাজান; আমরা অভাগা জনগণ বিনোদিত হই, বাজারে যেয়ে চড়া-দামে ভারতীয় পণ্য কিনে এই বিনোদনের বলীর পাঁঠা হই।

আমাদের বন্দর-সড়ক অবলীলায় চলে যায় প্রভুদের হাতে, নদী মরে যায়! আমাদের তাতে কিছু যায় আসে না। কেননা আমাদের কেউ কেউ প্রিয় ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণের চামচা কিংবা পোষা নেড়ী কুত্তা; আমরা লেজ নেড়ে আনন্দ প্রকাশ করতেই ভালোবাসি।

আমাদের মধ্যে যারা এসবের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে পারতেন সেই সব বুদ্ধিজীবিগণ ১৯৭১ থেকে আজ অবধি,দেশের প্রয়োজনে, এক সুরে কথা বলতে পারেন নি। তাদেরও টিকি বাধা পড়ে আছে ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণ পরিচালিত-প্রযোজিত কোন না কোন রাজনৈতিক নাট্যদলের কাছে; তাদেরও চাই দলের সমর্থক হিসাবে থাকার পুরস্কার উচুঁপদ-অর্থ-খ্যাতি-যশ। আমাদের এই বিভক্ত বুদ্ধিজীবিগণ ভারতীয় পণ্য আর কর্মকান্ডের সমর্থনে গলা ফাটালেও, আজ অবধি ভারতীয় জাতীয়তাবাদী শ্লোগান 'মেরা ভারত মহান হ্যায়' বা 'Proud to be an Indian' কে কপি করে হলেও বলতে-লিখতে শুনিনি 'আমরা বাংলাদেশী'। তাতে তাদের অনেক অসুবিধে। এদেশের রাজনীতির পরিচালক-প্রযোজক 'দের দৃশ্যমান অশ্লীল-অপ্রয়োজনীয় কূট-বিতর্ক 'আমাদের জাতীয়তাবাদ বাঙালী না বাংলাদেশী?' এতেই ঘি ঢেলে এসেছেন; তাতেই তাদের যত প্রাপ্তির দরজা খুলে গেছে-খুলে যাচ্ছে! এসব করা হয়েছে ন্যাপা'কে দই খাবার ব্যবস্থা করে দিতেই।

স্বাধীনতার পর থেকে আজ অবধি ভারতের সাথে আমাদের বাণিজ্য ভারসাম্য অর্জিত হয়নি। আভ্যন্তরীন বিনিয়োগ -উৎপাদন পরিকল্পনা এমন করে গড়ে তোলা হয়নি যাতে ভারতের সাথে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি কমে। বরং এটা আরো বাড়ছে প্রতিবছর ৯.৫% হারে। এখনো আমরা আমাদের মোট বৈধ আমদানী পণ্যের ১৫% আনি ভারত থেকে, অবৈধ চোরাচালান থেকেও আসে প্রায় সমপরিমান পণ্য। আমরা ভারতীয় ছবি আমদানীর বিরুদ্ধে মিছিল-মিটিং করে, ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়ে এসে ভারতীয় পেয়াঁজে রান্না করা ভারতীয় গরুর মাংস দিয়ে ভাত খেয়ে ভারতীয় টিভি সিরিয়াল বা ছবি দেখি। তারপর আমরা বিকেলে ঘুরতে বের হই ভারত থেকে আমদানীকৃত সিএনজি-চালিত অটোরিক্সায়, যাতে তেল ভরতেও ভারতীয় মেশিন লাগে!

এই হচ্ছে আমাদের ভারত নির্ভরতার অবস্থা। ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণের পরিচালিত কোন দলই আভ্যন্তরীণ বিনিয়োগ,উৎপাদন ও বাণিজ্য কৌশল এমনভাবে এগিয়ে নেয়নি যাতে করে ভারতের প্রতি আমাদের নির্ভরতা কমে। এমন কৌশলগত বৈদেশিক-নীতি গ্রহন করা হয়নি যাতে আমরা কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতের সাথে দাবার ঘুঁটি চালাতে পারি। ভারতের উত্তর-পুর্বাঞ্চলের যে সব বিচ্ছিন্নতাকামী নিপীড়িত জনগনের আন্দোলন নিয়ে ভারত সরকার বিব্রত ছিলো, আমাদের দেশে ভারত কে বিনামূল্যে ট্রান্সিট সুবিধে দিয়ে তা দমন করতে আমরা ব্যবহৃত হচ্ছি মাত্র।

আমাদের ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণ জানেন টিপাই মুখ বাধ হলে তিস্তা মরে গেলে, ফারাক্কা দিয়ে পদ্মায় এক বিন্দু পানি না এলেও তাদের ক্ষতি নেই; তারা আমদানীকৃত 'ভারতীয় জল' খেতে পারবেন, জলের ব্যবসা করতে পারবেন। তা না হলেও অন্তত নিজেদের টয়লেটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য 'ভারতীয় প্লান্ট' বসিয়ে শোধন করে নিয়ে সেই পানি খেতে পারবেন।

আমাদের মধ্যে যারা এখনো এই ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণের কাছে আত্ব-সম্মান বিকিয়ে দেন নি, তাদের কেউ কেউ প্রতিবাদ করছেন-করে যাচ্ছেন। কিন্তু তাদের যারা পরিচালনা করেন সেই রাজণৈতিক দল গুলোর অনেকেই ভারতের এই অর্থণৈতিক আগ্রাসনকে পূঁজির সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন হিসাবে বিবেচনা করে সঠিকভাবে তাদের কর্ম-কৌশলের মধ্যে নিতে নিদারুনভাবে ব্যর্থ। তাদের কারো-কারো মধ্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদানের স্মৃতি উস্কে উঠে, তাদের আবেগ তাড়িত করে; তারা নিজেদের অজান্তেই ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণের পরিচালিত দলের লেজুড়ে পরিণত হন।

ভুলে যান ইতিহাসের ঐ প্রেক্ষাপটে ভারতের ভূমিকা ছিলো নেহাতই ভূ-রাজণৈতিক কৌশল। ভারত কৌশল নির্ধারনে তখনো ভূল করেনি, আজো না। তাইতো পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী তার সাম্প্রতিক বক্তৃতায় জন সমক্ষে বাংলাদেশকে ভারতের বাজার হিসাবে দেখাতে গর্ব করেন। আমরা তার ভূগোল জ্ঞান নিয়ে বিনোদিত হই, কিন্তু আমাদের সর্বনাশের দিকটা বুঝতেই পারি না কিংবা এড়িয়ে যাই।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় বিএসএফ কর্তৃক এক বাংলাদেশীকে নির্যাতনের ভিডিও-চিত্র দেখে আমারা আবেগ তাড়িত হয়েছি; কারো কারো ফেসবুক স্ট্যাটাস দেখলাম ভারতের দালালদের মারতে বন্দুকের খোঁজে আছেন! কেউ কেউ তাদের আবার পিঠ চাপড়ে দিচ্ছেন। বেশী দূরে যাবার দরকার নেই, নিজের ভেতরে খুঁজুন। প্রত্যেকেই আমারা ভারতের দালাল।

যতদিন না আমরা নিজেদের মধ্যে জাতিয়তাবাদী ঐক্য গড়তে না পারবো ততদিন আমাদের এই ভারতীয় আগ্রাসনের মধ্যেই থাকতে হবে। এই করেই সোনালী আঁশ গেছে, আমাদের পাটকল গেছে, চিনিকল গেছে, আমাদের শ্রমিকের কর্মসংস্থান গেছে! আমরা এখন স্থল বন্দরে বসে দেখি ট্রাকের পর ট্রাক পাট চলে যাচ্ছে ভারতে, দেখি ট্রাকের পর ট্রাক চিনি আমাদের দেশে ঢুকছে। এমন চলতে থাকলে আমাদের সব যাবে, সব শিল্পই যাবে। তারপর একদিন ভোরে আমরা আবিস্কার করবো আমাদের বাজারের নুনও ভারত থেকে আসছে।

আমদানীকৃত ভারতীয় নুনের স্বাদ পেতে না চাইলে আমাদের এখন প্রয়োজন নিজের দেশ ও দেশীয় পণ্য নিয়ে গর্বিত হওয়া; দেশীয় কৃষি ও শিল্প সহায়ক বিনিয়োগ পরিকল্পনা গ্রহন ও বাস্তবায়নে জনমত সংগঠন। কেবল তাহলেই আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে ভারতীয় আগ্রাসনের বিপরীতে মোক্ষম বৈদেশিক নীতি প্রনয়ণের। তা নইলে কেবল এরকম করে চিতায় জ্বলবে বাংলাদেশ।

5
আপনার রেটিং: কোনোটি নয় গড়: 5 (1 টি ভোট)

* প্রতিক্রিয়া *

জন্ম থেকেই জ্বলছি। জানিনা এর শেষ কোথায়? মাথা ঠুকি

আপনার লেখাটা এই কারনেই খুব ভালো লাগল যে, আপনি যথেষ্ট আবেগবিবর্জিত হয়ে লিখেছেন। ফেসবুকে দেখছি গত কয়েকদিন ধরে আবেগের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। হেন করেঙ্গা, তেন করেঙ্গা। অতঃপর যেই লাউ সেই কদু। বাঙ্গালী পাছা চুলকাতে চুলকাতে আবার নতুন কোন আগেবের বন্যায় গা ভাসাবে। আমাদের পা চাটা দালাল সরকারগুলো কখনই কিছু করবে না এটা বুঝে গেছি। একদল ভারতের পা চাটবে, আরেকদল সৌদি-পাকী পা চাটবে। এখন আবেগ বিসর্জন দিয়ে সত্যিকার অর্থেই এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে থেকে যথাসম্ভব ভারত বর্জনের কর্মসুচি নিলে অনেকখানি কাজ হয়ে যেত। এটা তেমন কোন কঠিন কাজও নয়। দরকার ইচ্ছা শক্তি। আসুন নিজের ঘর থেকেই কাজ শুরু করা যাক।

পোস্ট স্টিকি করা যায় কিনা নাগরিক মডু প্যানেল বিবেচনা করতে পারেন।

###############################

নন্দিত এ নরক......হৃদয় আমার

যেমন পোষ্ট তেমন কমেন্ট।

সবাই নিজ নিজ ক্ষেত্রে থেকে যথাসম্ভব ভারত বর্জনের কর্মসুচি নিলে অনেকখানি কাজ হয়ে যেত। এটা তেমন কোন কঠিন কাজও নয়। দরকার ইচ্ছা শক্তি। আসুন নিজের ঘর থেকেই কাজ শুরু করা যাক।

থাম্বস আপ

আজ রাতের কোলগেট টুথপেষ্ট থেকেই শুরু হোক।

লেখাটি পড়বার ও মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

এখন আবেগ বিসর্জন দিয়ে সত্যিকার অর্থেই এই বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

থাম্বস আপ

থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ
বাস্তবধর্মী বিশ্লেষন। আলোচনার স্বার্থে পোষ্টটি স্টিকি করার দাবী জানিয়ে গেলাম। বিস্তারিত আলোচনা সহসাই অংশগ্রহন করার ইচ্ছে প্রকাশ করে গেলাম।

ধন্যবাদ।

অসাধারন। খুব ভাল লাগল। আমরা ভারতকে অনুকরণ ও অনুসরণ করি। কিন্তু যেই ন্যুনতম দেশাত্মবোধ তারা বুকে ধারন করে আমরা সেটাও করি না।

ভাইরে, এই জন্যেই সব সময় ভাবি আমার কিস্যু হবে না! আমি যা বলি দুই পাতায় আপনি বল্লেন দুই-লাইনে! ধন্যবাদ।

আমরা ভারতকে অনুকরণ ও অনুসরণ করি। কিন্তু যেই ন্যুনতম দেশাত্মবোধ তারা বুকে ধারন করে আমরা সেটাও করি না।

থাম্বস আপ

ভাইরে, এই জন্যেই সব সময় ভাবি আমার কিস্যু হবে না! আমি যা বলি দুই পাতায় আপনি বল্লেন দুই-লাইনে! ধন্যবাদ।

আমরা ভারতকে অনুকরণ ও অনুসরণ করি। কিন্তু যেই ন্যুনতম দেশাত্মবোধ তারা বুকে ধারন করে আমরা সেটাও করি না।

থাম্বস আপ

জানিনা আমাদের বোধোদয় কবে হবে, বা আদৌ হবে কিনা? যেসব পন্য বাংলাদেশেই তৈরি হয়, সেক্ষেত্রে কেন ভিন দেশী পন্য ব্যবহার করব? যার নুন্যতম দেশপ্রেম আছে সে কখনও এমন কাজ করতে পারেনা।
ভালো লাগে আপনার লেখাটা। নিয়মিত আশা করছি আপনার লেখা। থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ

_________________________________________
এলাম.........দেখলাম.........তবে এখনও জয় করিনি............
_________________________________________

ধন্যবাদ। চেষ্টা করবো ব্লগে নিয়মিত হবার। শুভেচ্ছা।

আর ভারতীয় পন্য! সেনাবাহিনীকে পর্যন্ত বিক্রি করে দেয়া হয়েছে ভারতের হাতে, সেখানে আর অন্য কিছুতো কিছুই না।ভারতের গোয়েন্দারা খোলা হাওয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে আমাদের ক্যন্টনমেন্টে। মনমোহনসিং সদম্ভে বলছে তার গোয়েন্দারা নাকি নস্যাৎ করেছে ক্যান্টন্মেন্টের কথিত ক্যু নাটক!

সার্বভৌমত্বই যেখানে বিক্রি হয়ে গেছে সেখানে ভারতীয় পন্য নিয়ে কান্নাকাটি এখন ন্যাকামির সামিল।

shomudro

মনমোহনসিং সদম্ভে বলছে তার গোয়েন্দারা নাকি নস্যাৎ করেছে ক্যান্টন্মেন্টের কথিত ক্যু নাটক!

মনমহোন সিং কি বলেছে জানি না। কিন্তু সেনাবাহিনীর কিছু বিপদগামী হিযু ও জামায়াতপন্থী অফিসার ও সৈনিকদের ক্যু বাস্তবায়ন হলে আপনি খুশী হতেন মনে হয়? আপনার মধ্যে এ জন্য বিরাট হাহাকার দেখা যাচ্ছে!

কেন ভাই মনমোহন্সিং কি বলল, তাতে কেন কোন উৎসাহ নাই? এইটাই কি আমাদের আসল চিন্তার বিষয় হওয়া উচিৎ নয়? ক্যু নিয়ে সরকার বা বিরোধি দলের কারো বক্তব্যই নিয়ে আমার কোন মাথাব্যাথা নেই। কারন এই দুই দলই চুরান্ত মিথ্যাবাদী।কিন্তু মনমোহন সিং যে ধরনের বক্তব্য রেখেছে তা অত্যন্ত চিন্তার বিষয়। জামাত,ফামাত, হিজবুত,মিজবুত নিয়ে মাথা তারাই ঘামায় যারা এদের সময় সময় ব্যবহারের ধান্দায় থাকে।শেখ ও জিয়া পরিবার যতদিন এদেশের ক্ষমতায় থাকবে ততদিনই এদের স্বার্থে এইসব দলের অস্তিত্ব বজায় থাকবে।আইনের শাষন প্রতিষ্ঠিত হলে এইসব দল এক নিমেষেই ভ্যানিশ হয়ে যেতে বাধ্য হবে।কারন প্রপার আইনের আওতায় যুদ্ধপরাধিদের প্রাপ্য শাস্তি তারা পাবেই।ট্রাইবুনাল বা বিচারকদের রায় বা সরকারী দলের জোড়পুর্বক জোড় খাটানোর কোন অভিযোগ ওঠার উপায়ই তখন থাওকবে না।আর হিজবুত তাহ্রীতো এমনিতেই নিশিদ্ধ ঘোষিতদল। তবে তারা তাদের কার্যক্রম বজায় রাখতে পারে কি করে? একটি সভ্য, সুশৃংখল দেশেতো নিশিদ্ধ ঘোষিত দলের অস্তিত্বই থাকার কথা নয়।কাজেই সমস্যার শিকড়ে না গিয়ে যদি আমরা কেবল ডালপালা নিয়ে কথা বলি তবে লাভ কেবল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারিদেরই হবে।

shomudro

কেন ভাই মনমোহন্সিং কি বলল, তাতে কেন কোন উৎসাহ নাই? এইটাই কি আমাদের আসল চিন্তার বিষয় হওয়া উচিৎ নয়?

ক্যু বিষয়ে মনমোহন সিং বাংলাদেশে সম্পর্কে কোন নেতিবাচক মন্তব্য করেনি। করলে অবশ্যই উৎসাহ দেখাতাম। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে ভারতের প্রতি যতটুকু বিশ্বাস রাখা উচিত, তারচেয়ে একবিন্দুও বেশী আমার নেই। তাছাড়া ভারত ও বর্তমান সরকারের দেশ সম্পর্কে যে কোন নেতিবাচক মনোভাবের তীব্র বিরোধীতা আমি বরাবরই করে এসেছি, করছি এবং করব। সেনাবাহিনীর এই ক্যু নাটক মঞ্চায়ন হওয়ার আগে কারা সেনানিবাসে ভারতীয় 'র' গন্ধ পেয়েছিল? কারা সেনা নির্যাতনের দাবী তুলেছিল আমরা সবাই জানি। তাদের গলার সুরের সাথে আপনার সাদৃশ্যতা দেখে আপনার পরিচয় প্রকাশ হয়ে গেছে। আপনার কাছে ভারতীয় পন্য বর্জন করার চেয়ে ভারত বিদ্বেষ মুখ্য।

জামাত,ফামাত, হিজবুত,মিজবুত নিয়ে মাথা তারাই ঘামায় যারা এদের সময় সময় ব্যবহারের ধান্দায় থাকে।

আপনার কাছে জামাত-ফামাত-হিযু নিয়ে মাথা ঘামানো অনর্থক মনে হতে পারে। কিন্তু সেনাবাহিনীর ঐ ক্যু'টি সংগঠিত হতে যাচ্ছিল জামাত-বিএনপি-হিযু কর্তৃক। সেনা ক্যু নাটকটি সংগঠিত হওয়ার আগে আপনি ব্লগে এক মন্তব্যে সেনাশাসনকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। এদিকে পাকিস্তানও গোলাম আজমদের বিচার ইস্যুতে জামায়াতের পাশে থাকার মনোভাব প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের বক্তব্যের সাথে আপনার চিন্তাধারার আমুল মিল দেখা যাচ্ছে।

কারন প্রপার আইনের আওতায় যুদ্ধপরাধিদের প্রাপ্য শাস্তি তারা পাবেই।

এ ধরনের কথা কারা বলে তা আমরা জানি। তাছাড়া পৃথিবীর কোন দেশে যুদ্ধঅপরাধের বিচার প্রচলিত আইনে করা হয়েছে বলে আমার জানা নেই। এ ধরনের বিচার ট্রাইব্যুনাল করেই করা হয়।

কাজেই সমস্যার শিকড়ে না গিয়ে যদি আমরা কেবল ডালপালা নিয়ে কথা বলি তবে লাভ কেবল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারিদেরই হবে।

ঠিক বলেছেন। বর্তমানে সমস্যার শিকড় হচ্ছে জামায়াত-হিযু ও যুদ্ধ অপরাধী। সাথে আছে এদের কর্মকান্ডকে সমর্থনকারী আপনার মত কিছু নপুংসক।

আমিও ব্লগার সমুদ্রের কর্মকান্ড পর্যবেক্ষন করার জন্য মডারেশন প্যানেলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

আমি সরকার প্রসুত ক্যু নাটকে বিশ্বাশ স্থাপন করিনি, আমি দেশে আইনের শাশন চাই তাই আমি জামাত/ বিএনপির সমর্থক ! সুতরাং আমার নিক ব্যান হওয়া উচিত
।হা হা হা

আর যারা দেশের দুর্নীতিতে চ্যম্পিয়ন বিচার ব্যবস্থার ওপড় পুর্ন বিশ্বাষ স্থাপন করে, সরকারী যে কোন বক্তব্য চোখ বন্ধ রেখে বিশ্বাষ করে অন্যের বাক স্বাধণতা কেড়ে নিতে চায়, তাদের নিক যেন আজীবন চালু থাকে তার আবেদন জানালাম।
হ্যাপী ব্লগিং।

shomudro

আমি মডূ প্যানেলের কাছে আবেদন জানাচ্ছি "সমূদ্র" নিকধারী এই ব্লগারটির ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে। এই ব্লগারটির গত কিছুদিনের গতিবিধি অত্যন্ত সন্দেহজনক। সে, শিবিরের কার্যক্রমের ভুল ধরা নিয়ে প্রশ্ন তোলা থেকে শুরু করে, চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এর ব্যাপারে কথা বলা ব্লগারদের নিয়ে জামাতি কায়দায় বিভ্রান্তিমূলক কথাবার্তা বলা এবং ধর্মান্ধ কিছু দলের উদ্দেশ্যকে ঠারে-বারে প্রচ্ছন্ন সমর্থনদান জাতীয় কাজ কর্ম করেছে, করছে। এর ব্যাপারে সাবধান হবার আবেদন জানাচ্ছি!!!

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================

সমূদ্র ভাইরে অনেক কথা জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করছিলো। কিন্তু দুলাল ভাই আর বাঙাল ভাইয়ের কমেন্টসের পর আর তা করা চলে না, ছাইড়া দিলাম!

ভাল, ভাল, খুব ভাল।শাকিলের পরে আপনারে বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়া উচিৎ।যেভাবে সরকারী দলের পক্ষ নিয়ে অন্যর বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেবার রাস্তায় হাটছেন! একেবারে চুরান্ত বাকশালী কায়দা।

shomudro

এ পর্যন্ত সরকারের করা নেতিবাচক একটি কাজেরও সমর্থন দিয়েছি তার যেকোনো অন্তত একটা উদাহরণ যদি দিতে না পারেন- আমি এবার মডারেটর সমিপে আপনাকে ব্যান করবার আবেদন জানাবো! আপনার বিরূদ্ধে আমার অভিযোগ সুনির্দিষ্ট- প্রমাণ যে আমার কাছে রয়েছে সেটাও আপনি ভালো মতো জানেন! সো বি স্পেসিফিক! অত্যন্ত সহজ বাংলায় কথাটা বলা হলো আপনাকে! বাই দ্য ওয়ে, "বাকশালি" শব্দটিও যে কোন গোষ্ঠী গালি হিসেবে ব্যবহার করতে পছন্দ করে সেটাও চমৎকার প্রকাশিত হচ্ছে- ল্যাঞ্জা ইজ দ্যা টাফেস্ট থিং টু হাইড!

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================

''আপনার বিরূদ্ধে আমার অভিযোগ সুনির্দিষ্ট- প্রমাণ যে আমার কাছে রয়েছে সেটাও আপনি ভালো মতো জানেন! সো বি স্পেসিফিক''

আসুন সেই প্রমান সাবুদ নিয়ে হাজির হন।

আমি আপনার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ তুলিনি।আপনি আমাকে ব্যান করাতে চাইছেন তাই ,আমি আপনার বিরুদ্ধে আমার বাক স্বাধীনতা রুখে দেবর জঘন্য প্রয়াসকে ঘৃনা জানিয়েছি মাত্র।

shomudro

১. এই পোস্টে আপনার বলা ইনানো-বিনানো বক্তব্য হচ্ছে- শিবির স্বাধীনতার পরবর্তী প্রজন্ম এবং তাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত আবেগকে পজেটিভলি দেখতে হবে। তাছাড়া, জামাতের বিরোধীতা করবার অর্থই যে আম্লীগ/বিম্পির সমর্থন করা- সেটা বলতেও ভোলেননি।

২. এই পোস্টে আপনার মন্তব্যের সারকথা হচ্ছে- আসিফ নরজুল এবং ডঃ কামাল হোসেন একই ঘরাণার মানুষ। কেননা দু'জনই দেশের চলমান রাজনৈতিক স্টেরিওটাইপিং এর ব্যাপারে বলেছেন। অথচ সুক্ষভাবে এড়িয়ে গ্যাছেন যে- কামাল হোসেন সাহেব কখোনো এমন কোনো কথা বলেননি যা আইনগতভাবে ট্রাইবুনালের বিরূদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে।

৩. এই পোস্টে নিঝুম মজুমদার-এর বক্তব্যকে সুক্ষ চেষ্টায় সরকারদলীয় বলে ট্যাগিং করবার চেষ্টা করেছেন এবং উদ্দেশ্যমূলক ভুল তথ্য উপস্থাপন করেছেন। এবং এমন কথাবার্তা বলেছেন যেগুলো আইনগত ভিত্তিহীন জামাতি অপপ্রচারের স্পষ্ট প্রতিধ্বনী।

আপনার আরেকটি উল্লেখযোগ্য প্রবণতা হচ্ছে- জামাতবিরোধী বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হলেই সেটাকে ঘুরিয়ে আওমী-বিএনপি আর পরিবারতন্ত্রে নিয়ে গিয়ে- আলোচনার মুখ ঘুরিয়ে দেয়া। এই কৌশলটি কাদের সেটাও এদেশের ব্লগারদের চমৎকার জানা আছে। প্রমাণ তো অক্ষিত সম্মুখে বর্তমান... নয়কি!?

তাছাড়া আপনার আচরণের সন্দেহজনকতা যারা টের পাচ্ছেন তাদেরকে কৌশলে সরকারদলীয় বলে ট্যাগিং এর পেছনে কিন্তু কোনো একটি প্রমাণও এখনো আপনি আনতে পারেননি। স্বভাবের পিচ্ছিলত্বটা কমাবেন বলে আশা রাখছি।

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================

আমার বক্তব্যর ভাবসম্প্রসারন করছেন আপনি আপনার নিজস্ব কায়দায়, নিজের ইচ্ছামাফিক।

shomudro

রকিবুল ভাই,
আপনি সব কিছু কাভার করেছেন। নতুন করে কিছু এ্যাড করার নাই। ভারত আমাদের সাথে এমন আচরন করবে এটাই স্বাভাবিক। বাজার সম্প্রসারন এর জন্য তাদের এহেন আচরন জরুরী। আর আমরা চাইলে হয়ত দিন কয়েকের জন্য তাদের পন্য বর্জন করতে পারি। তাতে ভারত কতটুকু বিচলিত হবে জানি না। তবে আমাদের সারভাইবালের জন্য তাদের আগ্রাসনকে রুখে দিতে হবে। ১লা মার্চ এ আমরা ভারতীয় পন্য বর্জন করে একটা ট্রাই দিতে পাই।

আমাদের রাজণৈতিক ভাবে সচেতন হওয়াটা খুব জরুরী। "বিএনপি-জামায়েত-আওয়ামী লীগ-জাতীয় পার্টি" এসব নষ্টদের বিনা নোটিশে বর্জন করতে হবে। তারা সবাই এক। বিএনপি জামায়েত এর আমলে ভারত বাংলাদেশের বানিজ্য বৈষম্যের রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিলো। আওয়ামী লীগ এসে তা কনটিনিউ করছে। সুতারাং তাদের আমাদের সিরিয়াসলী রিফিউট করতে হবে।

প্রথমতো, আমাদের লীডার শীপ প্রয়োজন। এই কঠিন কাজটি এই মুহুর্তে সবচেয়ে জরুরী বলে মনে হচ্ছে।

দ্বীতিয়ত, তৃতীয় শক্তি সৃষ্ট করতে হবে। তানাহলে গনজাগরন ঘটিয়েও লাভ নেই। সুযোগে মৌলবাদী শক্তির উত্থান ঘটবে। যেমনটা ঘটছে মিশরে, তিউনিশিয়ায়।

তৃতীয়ত, এই মুহুর্তে যেহেতু রাষ্ট্র ব্যার্থ বলে প্রতিয়মান হচ্ছে। সেহেতু আমাদের সাধারন মানুষকেই কালেক্টিভলী কাজ করতে হবে। তানাহলে আমাদের সাফারিংস বাড়তেই থাকবে।

ধন্যবাদ। আপনার বুলেট পয়েন্টসগুলো ভালো লেগেছে! থাম্বস আপ
শুভেচ্ছা।

রাষ্ট্রনীতির পরিবর্তন লাগবে...

আমাদের দেশে যে শাসন চলে তা হল বিদেশী শক্তিদের পা চাটা কুকুরদের শাসন। তা সে সৌদি হোক কিংবা ভারত। দাদাভাই আমেরিকা তো আছেই। এরা খুব পরিকল্পিত ভাবে দেশের উৎপাদনকে একমুখী করে দেশকে বিদেশী কর্পোরেটদের বাজারে পরিণত করে।

রাজনীতির পট পরিবর্তন করতে হবে। আগে দালাল খেদাতে হবে। নতুবা চামচামি যাবে না, অবস্থারও কোন পরিবর্তন হবে না।

আমরা হইলাম পোংটা জনগন। নিজে সংশোধন না হয়ে উপদেশ দিতে পছন্দ করি। আমি শিওর এই পোষ্ট যতজন পড়ছে তার অধিকাংশই ভারতীয় পণ্য ভোগ করতে করতে মনমোহনের আকাট্টা শীশ্নের চৌদ্দগোষ্টি উদ্ধার করছে। ইচ্ছে মত ভারতকে চোদার পর মুখ পবিত্র করার জন্য কলগেট টুথপেষ্ট দিয়ে ব্রাশ করে ঘুমাতে যাবে। যে জাতি ঘুম ভাঙ্গার পর দিন শুরু করে ভারতীয় পণ্য দিয়ে এবং দিন শেষ করে বেড-এ যায় ভারতীয় পন্য ব্যবহার করে, তাদের ভারত বিদ্বেষী মনোভাব দেখলে হাসি পায়। এরা হচ্ছে সৌখিন ভারত বিদ্বেষী। পারলে আগে ভারতীয় পন্য বর্জন করে ইতিহাস তৈরী কর। তারপর এসে জ্ঞান কপচাও।

ভাল লাগল আপনার পোষ্ট!

যে জাতি ঘুম ভাঙ্গার পর দিন শুরু করে ভারতীয় পণ্য দিয়ে এবং দিন শেষ করে বেড-এ যায় ভারতীয় পন্য ব্যবহার করে, তাদের ভারত বিদ্বেষী মনোভাব দেখলে হাসি পায়। এরা হচ্ছে সৌখিন চোদনবাজ। পারলে আগে ভারতীয় বর্জন করে ইতিহাস তৈরী কর। তারপর এসে জ্ঞান কপচাও।

ওস্তাদি বয়ান! থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================

আগন্তুক এর মন্তব্য সত্যি উস্তাদি বয়ান! থাম্বস আপ থাম্বস আপ

(ইন্ডিয়ান পণ্য ঘরে ঘরে বন্ধ ). এটা হোক আমাদের MOTO

OUR LIVES BEGIN TO END THE DAY WE
BECOME SILENT ABOUT THINGS THAT METTER

একজন ভারতীয় নাগরিকের করা এই মন্তব্যটা খেয়াল করে পড়ুন।
ভারত আমাদের প্রতিবাদ বিক্ষোভ আন্দোলন নিয়ে সঙ্গত কারণেই চিন্তিত নয়!

Arpita Bhattacharya: bdeshis r habituated with this in their own country. they beat themselves in university, hostel, road etc. their rab kill them..they always quarl with each other and give 'gali'. they r uncivilised,dirty,selfish, arogant 'gandu'. they hve nothing in themselves but always criticise others..so dont worry about them.

****************************************
পরিবর্তনের শুরু হোক এখান থেকেই। একটি দুর্নীতি ও রাজাকারমুক্ত সবুজ ও পবিত্র বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিয়ে।
+++++++++++++++++++++++++++++++++

সবুজ ভাই অর এই মন্তব্য চোদার TIME কোনো বাঙালির নাই

OUR LIVES BEGIN TO END THE DAY WE
BECOME SILENT ABOUT THINGS THAT METTER

সবুজ ভাই অর এই মন্তব্য চোদার TIME কোনো বাঙালির নাই

সহমত

_________________________________________
এলাম.........দেখলাম.........তবে এখনও জয় করিনি............
_________________________________________

ভারত বা ভারতের জনগন কি চিন্তা করছে সেটা নিয়ে ভাবার কি আছে? মুখে যাই বলুক, বাংলাদেশ হচ্ছে ভারতের জন্য এক বিশাল বাজার। শুধু ভারতীয় পণ্য বর্জন করা শুরু হোক। তখন দেখবেন ভারত আমাদের তোয়াজ করে, নাকি আমরা ভারতের তোয়াজ করি। ভারতীয় জনগন আমাদের মত হিজড়া না। তাদের মধ্যে যথেষ্ঠ দেশপ্রেম আছে। পাশাপাশি আমাদের সম্পর্কে তাদের ধারনা, আমরা যতই লম্পজম্প করি না কেন; ভারতীয় পন্য জীবনেও বর্জন করতে পারব না। তাই, ওদের দেখিয়ে দেওয়ার সময় এসেছে।

যথার্থ বলেছেন! থাম্বস আপ

ওস্তাদী বয়ান রে,,,,,,,,, তালিয়া তালিয়া তালিয়া তালিয়া

---------------------------
|রাজাকার, কবি আর দালাল বাদে
|সবার জন্য আছি
---------------------------

ভারতের সাথে বাংলাদেশের বানিজ্য ১৫% বাকি ৮৫% কার সাথে ?

সস্তা ভারত বিরোধিতা না করে এটা ভাবুন.....
বাংলাদেশ ভারতের কাছে যত বড় বাজার, ভারত বাংলাদেশের কাছে তারথেকে অনেক অনেক বড় বাজার.

valo acho

ভারতের সাথে বানিজ্য ১৫% বলা হয়নি, বলা হয়েছে বাংলাদেশের মোট বৈধ আমদানীর ১৫% আসে ভারতে থেকে।

জনাব সুবল সাহা, আমি একমত আপনার সাথে যে ভারত বাংলাদেশের কাছে অনেক বড় বাজার, এই ব্লগের কোথাও আপনার এই কথার সাথে দ্বিমত-পোষণ করা হয়নি। বরং এই বানিজ়্য অসাম্য দূর করতে আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় অথচ অবহেলিত কিছু দিকে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহন ও তা বাস্তবায়নের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে মাত্র।

আপনি এখানে 'সস্তা ভারত বিরোধিতা' কোথায় খুঁজে পেলেন জানার আগ্রহ রইল? আশাকরছি, আপনি 'দামী ভারত বিরোধিতা' শেখাতে কলম ধরবেন! প্রতীক্ষায় রইলাম। শুভেচ্ছা।

* নতুন মন্তব্য লিখুন *

তথ্যটি সবাই দেখতে পাবে না। সংরক্ষিত থাকবে।