সাদামাটা কথা-১

দেশের ক্রান্তিকালে ছাত্ররাই এগিয়ে আসবে এই দোহাই তুলে ছাত্র রাজনীতিকে বহাল রাখার চেষ্টা বাদ দেওয়ার সময় হয়েছে বোধ হয়। দেশের প্রয়োজনে ছাত্র, শ্রমিক সাধারন মানুষ, আপনি-আমি এগিয়ে আসবো সেজন্য দলবাজীর দরকার আছে কি? বিগত দুই দশকে ছাত্ররাজনীতির লাভ ক্ষতির খতিয়ান হিসাব করলে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ না করার পেছনে জোড়ালো যুক্তি কেউই দেখাতে পারবেন না।

ছাত্র রাজনীতির কারনে দেশে দুর্নীতিবাজ তৈরী হচ্ছে বেশী। মূলত ছাত্র রাজনীতিই আমাদের দেশের দূর্নীতিবাজ তৈরীর প্রধান কারখানা(একমাত্র নয়)। ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশ থেকে শুরু হয় একজন ছাত্রের দূর্নীতিবাজ হিসাবে গড়ে ওঠার মহড়া। হলে বরাদ্দ না থাকা স্বত্তেও ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে একজন ছাত্র উঠে যায় হলে। ক্যাম্পাসে প্রবেশ ঘটে দূর্নীতির মাধ্যমে। ক্যান্টিন ক্যাফেতে বিল টিল না দিয়ে উঠে চলে আসা যায় অনায়াসে, যদি ছাত্রনেতার লেবেল লেগে যায়। সেখানে একজন ছাত্র উচ্চমাধ্যমিকের পর থেকেই প্র্যাক্টিস করতে থাকে দূর্নীতির, হয়ে ওঠে বেপরোয়া। আরো একটু পরিপক্ক হওয়ার পর, পকেট মানির ব্যবস্থাও করে ছাত্র রাজনীতি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশেপাশের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান শিকার হয় চাদাবাজীর, ছাত্র হয়ে ওঠে আরো বেশী আক্রমনাত্বক। এরপর আছে বিভিন্ন দপ্তরের টেন্ডারবাজী, টেন্ডার ছিনতাই। ছাত্র হয়ে উঠলো পুরোদস্তর সন্ত্রাসী। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে একসময়। রাজনৈতিক নিয়োগে কোন সরকারী দপ্তরে ভালো কোন চাকরী পায় সে। সে ছাত্র ব্যক্তি থেকে 'চেয়ার' হয়ে ওঠে, সেই চেয়ারে বসে থাকে পুরো ছাত্রজীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অসৎ প্রাক্টিস করা একজন মানুষ। আবার হয়ত সে নেতা হয় মূল দলের, নির্বাচনে জয়ীও হয়। আমরা পাই পুরো ছাত্রজীবন জুড়ে দুর্নীতি করা একজন জননেতাকে।

ছাত্র রাজনীতি একজন ছাত্রকে(ব্যক্তিকে, ছাত্র অর্থে নয়) ব্যক্তিগত ভাবে লাভবান করে এতে কোন সন্দেহ নেই, আর দেশকে উপহার দেয় আপাদমস্তক দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, জননেতা এবং মানুষ। (সব ক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম আছে, তবে ব্যতিক্রম কখনো উদাহরন নয়।)

ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে একটা আবেদন করতে চাই।বন্ধুরা যারা ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের পক্ষে আছে তারা আওয়াজ দিন।

4.333335
আপনার রেটিং: কোনোটি নয় গড়: 4.3 (6 ভোট)

* প্রতিক্রিয়া *



থাম্বস আপ থাম্বস আপ প্রত্যেক লাইনে লাইনে একমত! এক মিলি সেন্টিমিটার দ্বিমত-ও নাই!!! থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




সহমতের জন্য ধন্যবাদ দাদা।




কঠিনভাবে সহমত। সবচেয়ে বড় কথা হলো, একটা মহৎ উদ্দেশ্যের কথা বলে একটা নোংরা রাজনীতি ছাত্রদের মাঝে টিকিয়ে রাখা হয়েছে। এমনকি সাধারন ছাত্ররাও এই রাজনীতির বিরুদ্ধে। ক্যাম্পাসে সকল রাজনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ করার সময় হয়েছে। রক অন রক অন রক অন রক অন




সাধারন ছাত্রদের জীবন হুমকির মুখে এই সহজ যুক্তি তুলে কোর্টের মাধ্যমেও ক্যম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করা যায়। এই ব্যাপারে শক্তিশালী সাংবাদিক এবং শিক্ষকরা এগিয়ে আসবেন বলে আশা করি।




আমি শিওর কোর্টে একটা পিটিশন দাখিল করলে কোর্ট ক্যম্পাসে ছাত্ররাজনীতি কেনো নিষিদ্ধ হবে না জানতে চেয়ে রুল দেবে। চলেন আমরা একটা রিটের ব্যাবস্থা করি। ভেবে দেখবেন।




ভালো বুদ্ধি ম্যান! এইটা করা যায়! আমাগো ব্যারিস্টার-রা কোই, কানা-পুলা- নিঝুমঝুম... তারা কি ঘুমাইতেছে?!

ধূর!! দরকার আছিলো এগো! ভাবতেছি

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




আলোচনা করেন ওদের সাথে, আমি আমারব্লগেও প্রস্তাব দিচ্ছি একই পোষ্টে। এভাবে আর চলতে পারেনা, চলা উচিত নয়।




এটা একটা ভালো আইডিয়া, ফেসবুকে অথবা পরিচিত কোন আইনজীবি গ্রুপ কি আপনার জানা আছে? বিভিন্ন ব্লগ থেকে এই আওয়াজ তোলা যেতে পারে। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের বিরুদ্ধে রীট। হাইকোর্ট ইচ্ছা করেলে সুয়োমুটো রুল জারি করতে পারে, কাউকে রিট করতে হবে না।




হাইকোর্ট সুয়োমটো রুল দিতে পারে, তবে সেটা অনিশ্চিত। আমরা আবেদন জানাবো রুলের জন্য। নাগরিক ব্লগ সঙ্গে আছে। প্রস্তাবনার সাথে সাথে এমন সাড়া পাওয়া অভাবিত। দেখা যাক কি হয়, হারি বা জিতি চলুন লড়াইটা করি।




আমি এখানকার যা ব্যবস্থা দেখেছি... ইউনিগুলোর স্টুডেন্টস ইউনিয়ন আছে- কিন্তু তারা শতভাগ দলীয় প্রভাব মুক্ত! তাদের নির্বাচন হয়, ক্যানভাস হয়- কিন্তু নোংরামি হয় নাহ! এখানকার NUS-এর মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে এইসব ছাত্র নেতাদের গাইড করা হয়! এবং NUS চলে সরকারী ফান্ড-এ। অর্থাৎ, ছাত্র-রা উন্নয়ন্মূখি রাজনীতি শিখছে সরকারী তত্তাবধানে- দলীয় তত্ত্বাবধানে নয়!

আর এর বিপরীতে যখন দেখি আমাদের দেশের অবস্থা- তখন কান্তেও আর মন চায় না! মনে মনে বলি- বাআআআআআআআআআআআআআআল! ক্ষেপছি মাথা ঠুকি

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




ভালো একটি ইস্যু সামনে এনেছেন , নাগরিক ব্লগ কর্তৃপক্ষ এই ব্যাপারে চিন্তা করবে এবং ইস্যুটি নিয়ে কাজ করবে। পোষ্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।




অনেক ধন্যবাদ নাগরিক ব্লগ কর্তৃপক্ষকে। চলুন এ নিয়ে ভাবি এবং পরবর্তী করনীয় ঠিক করি, অন্যন্য ব্লগেও এব্যাপারে জনমত গড়ে তুলতে হবে।




রিট অবশ্যই করা যায়। এই ব্যাপারে আইনগত ভাবে কেমন কি করা যায় আমার স্বচ্ছ ধারনা নাই ( যেহেতু আমি এখনো দেশী ল সব গুলার সাথে পরিচিত না।) তবে দেখি খবর নিতাছি।

****************************************************
একদিন মাটির ভিতরে হবে ঘররে মন আমার, কেন বান্ধো দালান ঘররে মন আমার...... প্রানপাখি উড়ে যাবে পিঞ্জর ছেড়ে, ধরাধামে সবই রবে তুমি যাবে চলে...




ওকে।




shomot......tobe janen ki,chatrora jokhon (chatro hishebe) shorkarer kono shidhante ,ba je kono khetrei hok na kano,di-mot prokash korte jay....akta platform er dorkar hoy........eta hote pare je,shorkari doler kono chatro shongothon thakbe na...

yes!!!!!!




সরকারী দলের সঙ্গঠন থাকবে না এই দাবি করলে আমরা একটা দলকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলবো। যদিও সব দলই আমাদের প্রতিপক্ষ হয়ে যাবে এই লড়াইয়ে। তারপরেও আমাদের চেষ্টা থাকবে যতটা সম্ভব কম প্রতিপক্ষ তৈরী করা। আমার পাতায় স্বাগতম ভাবী।




নৃত্য নৃত্য নৃত্য বাউলদা মিসফায়ার হইছে, উনি মিসেস না মিস!! নৃত্য নৃত্য




খাইছে! সর‌্যি।




এই প্রস্তাব-টা বাস্তবতা-বিবর্জিত! এমনতো না যে, সরকার জীবনভর একটি দল থকেই গঠিত হবে! আমাদের দেশের ক্ষেত্রে এটা অনেকটা অবশ্যম্ভাবী ভাবে প্রতি পাঁচ বছর পর পর চেঞ্জ হয়! সেক্ষেত্রে প্রতি পাঁচ বছর পর পর একটা দলীয়-ছাত্র-সংগঠন-কে পাঁচ বছরের জন্য আঙুল চুষতে হবে! এটা সম্ভব কি!? যদি বন্ধ হয়, সেক্ষেত্রে সব দিক থেকেই বন্ধ হওয়া উচিত!

আর ছাত্রদের দাবী-দাওয়া পেশ করতে যে একটা দলীয়-রাজনৈতিক প্লাটফর্ম দরকার হবেই এটা ভুল! যে তমুদ্দুন-মজলিশ-এর হাত ধরে আমাদের ভাষা আন্দোলন হয়েছে- তা মোটেই কোনো রাজনৈতিক দলের অঙ্গ-সংগঠন ছিলো নাহ!

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




একটা কাজ করলে কেমন হয়?! এই লেখাটা আমরা যে যেভাবে পারি। পরবির্তি পদক্ষেপ সম্পর্কিত কমেন্টগুলো সহকারে অন্যান্য ব্লগে এবং কমিউনিটি সাইটগুলোতে শেয়ার করি! যার যার সাথে সম্ভব! এটার একটা ইংরিজি অনুবাদ-ও করা হোক! সেটাও প্রয়োজনে শেয়ার করা হোক! আর কিছু না হোক, অন্তত মানুষ জানুক! এমনটা যে হতে পারে- করা যায়- সেটা নিয়ে ভাবুক!...

আমি ফেসবুকে শেয়ার দিচ্ছি- গুরূত্বপূর্ণ কমেন্ট সহকারে...আর আমার সব পরিচিত জন-কে মেইল করছি!!!

কাজ বরং আজকেই শুরু হোক! এখানেই...

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




অবশ্যই, আমি পোষ্ট এডিট করে প্রস্তাবটা পোষ্টে দিয়ে দিচ্ছি।




It's shared everywhere form my side, now it's your turn!!! আমি কিন্তু চুপচাপ

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




দেখেছি।




আগেই গুরুকে স্বাগতম বলে (লেইট) নেই নৃত্য পার্টি

কাইল সারাদিন রাজনীতি করছি, এখন গুরুর লেখা পড়ে নিজেরে মাইনাচ দিতেচ্ছা করতেছে। তবে কিছু দ্বিমত অবশ্যই আছে, তবে (সব ক্ষেত্রেই ব্যতিক্রম আছে, তবে ব্যতিক্রম কখনো উদাহরন নয়।) তাই আর কিছূ বলার নাই। রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত ছাত্র রাজনীতি চালু হউক। দলীয় স্বার্থে নয় ছাত্রদের স্বার্থে যে দল বা গ্রুপ বা ইউনিয়ন কথা বলবে, দাবী আদায় করবে। এখনই সময় কিছু একটা করার, একসাথে কন্ঠ মেলাবার- রাজনৈতিক ছাত্ররাজনীতি বন্ধ হউক। টাইম শ্যাষ

__________________________________

হয়তো তুমি পাশেই আছো, তবু তোমায় ছুতে কি পাই?




হ্যা, এখন আসলেই সময় এসেছে ছাত্ররাজনীতির নামে এই লেজুড়বৃত্তি বন্ধ করার।




সহমত ! থাম্বস আপ

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
চাঁদ-তাঁরা আমার আন্দোলিত করেনা। লু’হাওয়া আমায় শিহরিত করেনা। বৈশাখের ঝড়ো তান্ডবে আমি ভীত নই। সুনসান রাত্রির গভীরতায় আমি ভয়ে কুকড়ে উঠিনা...... মানুষ আমায় আন্দোলিত করে, শিহরিত করে, ভীত করে,
অবাক করে...... বড়ই অবাক করে ......।
!!




অহ! ভোট দিয়া গেলাম !

!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
চাঁদ-তাঁরা আমার আন্দোলিত করেনা। লু’হাওয়া আমায় শিহরিত করেনা। বৈশাখের ঝড়ো তান্ডবে আমি ভীত নই। সুনসান রাত্রির গভীরতায় আমি ভয়ে কুকড়ে উঠিনা...... মানুষ আমায় আন্দোলিত করে, শিহরিত করে, ভীত করে,
অবাক করে...... বড়ই অবাক করে ......।
!!




নতুন কিছু চিন্তা করলাম, কিছুটা দ্বিমত বের করলাম, এতো টায়ার্ড যে এখন লিখতে হচ্ছে করছে না, এটা নিয়ে অন্যধরনের আলোচনার অনুরোধ করলাম বাউলদাকে।




ভিন্নমত শোনার অধীর প্রতিক্ষায়। দ্বিমতটা প্রকাশ করা খুব জরুরী।




এই পোস্ট-টা স্টিকি হওয়ায় কর্তৃপক্ষকে অসংখ্য ধন্যবাদ!!! অসংখ্য!! তালিয়া তালিয়া তালিয়া

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




পোষ্ট স্টিকি হওয়াই ভালো লগাছে, এডমিনকে ধন্যবাদ, কারন এটি নিয়ে আরো অনেক ধরনের আলোচনা হওয়া জরুরী। সহমত এবং দ্বিমত সব কিছুই আসবে আশা করি। থাম্বস আপ




অবশ্যই, বিতর্ক হলে আমরা এই বিতর্ক থেকে প্ল্যান ঠিক করতে পারবো।




এই বিষয়ে সবগুলো দ্বি-মত-ই খন্ডনযোগ্য এটা আমি নিশ্চিৎ! সো বি প্রিপেয়ার্ড টু বি অন দা রোড, উইথ আস! অপেক্ষায় আছি চশমুদ্দিন

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




একমত প্রকাশ করলাম।
তবে একটু ভিন্ন আরেকটা দৃষ্টিভংগি দেই।
ছাত্রাবস্থা এমন একটা সময় যখন আমরা প্রচন্ড সচেতন থাকি সবকিছু নিয়ে। নিজের মত প্রকাশে উন্মুখ থাকি। এবং এই সময়টাতে একজন ছাত্র নিজের মতের কোন দলের সংগে সংশ্লিষ্ট থাকতে চাইবে সেই ব্যাপারটা অস্বীকার করার কিছু নাই।
ছাত্র রাজনীতি একেবারেই বন্ধ করে দেয়া আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে কতোটা সম্ভব সেটাও ভেবে দেখার বিষয়।
তবে তাই বলে আমি আমাদের ছাত্র রাজনীতি এইভাবে চালু রাখারও পক্ষপাতী না। ছাত্ররা নিজেদের দলকে সাপোর্ট করুক, ঠিক আছে। ক্যাম্পাসে ছাত্র নির্বাচন হোক, তা-ও ঠিক আছে এবং দরকারও আছে। কিন্তু এইসব দল বা নির্বাচন যেন কোনভাবেই সক্রিয় মূলধারার রাজনীতির সংগে গিয়ে না মেশে সেটা নিশ্চিত করার আমি পক্ষপাতী।
বাইরের দেশেও ছাত্র নির্বাচন হয় এবং ক্যান্ডিডেটদের গায়ে তখন থেকেই কোন দলের বা মতের একটা তকমা আঁটা থাকে। কিন্তু তাদের রাজনীতি হয় ক্যাম্পাস-কেন্দ্রিক - কিভাবে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা যায়, ছাত্রদের অবস্থার উন্নতি ঘটানো যায় - এইসব থাকে তাদের কিছু মূল দায়িত্ব। দেশের বিভিন্ন দুর্যোগ কিংবা চরম সময়গুলোতেও তারা কন্ট্রিবিউট করে। এইরকম কোন রূপ কি আমাদের ছাত্র রাজনীতিকে দেয়া যায়?
এরকম কিছু করা কতোটা সম্ভব কিংবা আদৌ কি সম্ভব? তবে এটা স্রেফ আমার নিজের একটা চিন্তা। বাস্তব প্রয়োগ করতে হয়তো কয়েক বছর লেগে যাবে। তার আগে আপনাদের লড়াইয়ে অবশ্যই সংগে আছি।

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ,,,




অবশ্যই সম্পূর্ণ দ্বিমত পোষণ করছি ....
সঙ্গত কারণেই ১ রেটিং দেয়া হলো ...




অবশ্যই সঙ্গত সেই কারণ-গুলো আশা করছি!

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




আগেই সহমত জানাইছি, আবার জানায়া গেলাম।




### দেশের প্রয়োজনে ছাত্র, শ্রমিক সাধারন মানুষ, আপনি-আমি এগিয়ে আসবো সেজন্য দলবাজীর দরকার আছে কি?
===>> ১। দেশের প্রয়োজন মানে কি বুঝিয়েছেন? সে প্রয়োজন কখন আসবে?
২। ইতিহাস কি বলে? দেশের প্রয়োজনে কারা আসে? কিভাবে আসে? এখনো কারা আসছে? সংগঠিত হয় কিভাবে? কি করে?

### বিগত দুই দশকে ছাত্ররাজনীতির লাভ ক্ষতির খতিয়ান হিসাব করলে ছাত্র রাজনীতি বন্ধ না করার পেছনে জোড়ালো যুক্তি কেউই দেখাতে পারবেন না।
===>> ১। "ছাত্র রাজনীতি"র ক্ষতির খতিয়ানটা দেখান তো?
২। "ছাত্র রাজনীতি" বলতে আপনি কি বুঝাচ্ছেন- সেটাই আগে পরিস্কার করা প্রয়োজন।

### ছাত্র রাজনীতির কারনে দেশে দুর্নীতিবাজ তৈরী হচ্ছে বেশী। মূলত ছাত্র রাজনীতিই আমাদের দেশের দূর্নীতিবাজ তৈরীর প্রধান কারখানা(একমাত্র নয়)।
===>> ১। কেমন করে?
### ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশ থেকে শুরু হয় একজন ছাত্রের দূর্নীতিবাজ হিসাবে গড়ে ওঠার মহড়া। হলে বরাদ্দ না থাকা স্বত্তেও ছাত্ররাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে একজন ছাত্র উঠে যায় হলে। ক্যাম্পাসে প্রবেশ ঘটে দূর্নীতির মাধ্যমে। ক্যান্টিন ক্যাফেতে বিল টিল না দিয়ে উঠে চলে আসা যায় অনায়াসে, যদি ছাত্রনেতার লেবেল লেগে যায়। সেখানে একজন ছাত্র উচ্চমাধ্যমিকের পর থেকেই প্র্যাক্টিস করতে থাকে দূর্নীতির, হয়ে ওঠে বেপরোয়া। আরো একটু পরিপক্ক হওয়ার পর, পকেট মানির ব্যবস্থাও করে ছাত্র রাজনীতি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আশেপাশের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান শিকার হয় চাদাবাজীর, ছাত্র হয়ে ওঠে আরো বেশী আক্রমনাত্বক। এরপর আছে বিভিন্ন দপ্তরের টেন্ডারবাজী, টেন্ডার ছিনতাই। ছাত্র হয়ে উঠলো পুরোদস্তর সন্ত্রাসী। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে একসময়। রাজনৈতিক নিয়োগে কোন সরকারী দপ্তরে ভালো কোন চাকরী পায় সে। সে ছাত্র ব্যক্তি থেকে 'চেয়ার' হয়ে ওঠে, সেই চেয়ারে বসে থাকে পুরো ছাত্রজীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অসৎ প্রাক্টিস করা একজন মানুষ।
===>>> ১। এগুলোকে আপনি "ছাত্র রাজনীতি" হিসাবে অভিহিত করছেন?
২। সিট নিয়ে দখল দারিত্ব- দুর্নীতি, চাঁদাবাজী, কেন্টিনে ফাও খাওয়া, টেণ্ডারবাজী, ক্ষমতাসিনন দলের আনুগত্যশীলদের নানা সুযোগ সুবিধা পাওয়া ..... এগুলোর বিরুদ্ধে না বলে "ছাত্র রাজনীতি"র বিরুদ্ধে কথা বলাটা কি কাজের কিছু?

### আবার হয়ত সে নেতা হয় মূল দলের, নির্বাচনে জয়ীও হয়। আমরা পাই পুরো ছাত্রজীবন জুড়ে দুর্নীতি করা একজন জননেতাকে।
===>>> জননেতা নির্বাচনকে- নির্বাচন পদ্ধতিকে না ধরে আবার ধরলেন- "ছাত্র রাজনীতি"কে! আজব তো!!! ছাত্র রাজনীতি না করা ঋণখেলাফি- চুরি-চামারি করা ব্যবসায়ীরা, সুবিধাভোগী দুর্নীতিবাজ আমলারা, পেশাজীবীরাও তো জননেতা হয়ে যান- তাদের ক্ষেত্রে আপনার ফর্মুলারে কেমনে কাজে লাগাবেন?

### ছাত্র রাজনীতি একজন ছাত্রকে (ব্যক্তিকে, ছাত্র অর্থে নয়) ব্যক্তিগত ভাবে লাভবান করে এতে কোন সন্দেহ নেই, আর দেশকে উপহার দেয় আপাদমস্তক দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তা, জননেতা এবং মানুষ।
===>>> সন্ত্রাস-চাঁদাবাজী-দখলদারিত্ব-টেন্ডারবাজী-দুর্নীতি.... এগুলো ব্যক্তিগতভাবে ছাত্ররে, যুবকরে, পেশাজীবী মানুষরে- যেকোনজনরেই লাভবান করে,- আপনি এইসবের বিরুদ্ধে কথা কইলেই এগুলানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে পারলেই কেবল- সামনে ভালো কিছু হতে পারে। নচেত নয়। সব কিছু বাদ দিয়ে যখন ছাত্র রাজনীতিরে মুখ্য করবেন- তখন, আসল কারণ আড়ালেই কেবল পড়তে পারে- আর কিছু না।




সন্ত্রাস-চাঁদাবাজী-দখলদারিত্ব-টেন্ডারবাজী-দুর্নীতি.... এগুলো ব্যক্তিগতভাবে ছাত্ররে, যুবকরে, পেশাজীবী মানুষরে- যেকোনজনরেই লাভবান করে. ব্যক্তিগত ভাবে ছাত্র করে, সেটা খুবই নগন্য। রাষ্ট্রে এসব অপ্অরাধ থাকে, থাকবেই, তাই বলে ছাত্ররা রাজনীতির নামে এগুলি করবে আর এগুলি অন্যরা করে বলে এদেরটা বলা যাবেনা? এগুলির বিরুদ্ধে জনমত গড়ার কিছু নেই জনমত এগুলির বিরুদ্ধে আছে। ছাত্র রাজনীতির নামে নিত্য নিত্য গোলাগুলি হলে আমি গোলাগুলির বিরুদ্ধে জনমত গড়বো না, গড়বো যে কারনে গোলাগুলি হয় তার বিরুদ্ধেই।




এ এক আজব অবস্থা! বিশ্ববিদ্যালয়ে বা শিক্ষাঙ্গনে একটা করে ঘটনা ঘটবে- আর সবাই মিলে ধুমায় প্রচারণা চালাবে- ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করে দেয়া হোক। সেই নব্বই এর দশক থেকে দেখে আসছি। অদ্ভুদ লাগে আমার। ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের হল দখল নিয়ে কামড়া কামড়ির ফলে ঢাবিতে আবু বকর মারা গেল। সাথে সাথে শোরগোল- ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। কি আশ্চর্য!!! নাগরিকব্লগের একমাত্র পোস্ট- সেখানে কেউ ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের ব্যবস্থা নেয়া হোক- এই কথা জোরে শোরে বলছে না। আদালতে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে- সংবিধান স্বীকৃত অধিকার রদের দাবী করা হচ্ছে, অথচ যেটা আমাদের আইনে আছে- সেই বিচারের দাবী কেউ তুলছে না!!! খুবই আজব। রাগ থাকলে- রাগ ঝারতে হলে- সবাই বলুক- সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগরে নিষিদ্ধ করা হোক। সেইটা কেউ বলছে না। ঘটনা যেখানে বিশেষ- সেখানে সাধারণ করে বলার উদ্দেশ্য অথবা ফলাফল হচ্ছে সেই বিশেষরে আড়াল করা। যার ফলভোগ আমরা করছি।




কেউ বলছে না- হলের সিট নিয়ে দখলদারিত্ব বন্ধ ঘোষণা করা হোক, কেউ বলছে না- আবাসন সংকট নিরসিত হোক- কেউ বলছে না - মেধার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তৃত্ব সিট বন্টন নিশ্চিত করা হোক। এগুলো নিয়ে আদালতে যাওয়ার কোন কথা নাই। খুব আশ্চর্য বিষয়!!! আদালতে যাবেন- ছাত্র রাজনীতি বন্ধ করতে? কি হবে তাতে? তার চেয়ে বরং আদালতে গিয়ে আবু বকরকে খুনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে - পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেন না। একটা ছাত্রের জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারে না এই অপদার্থগুলো। ছাত্রলীগের ক্যাডারেরা যেসব অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিলো ও দিতে পারলো- সেগুলো কোন আইনে বৈধ? অবৈধ জিনিস, অবৈধ কাজ কাম দেদারসে হচ্ছে- সেগুলো নিয়ে কোন কথা-বার্তা নেই- বৈধ অধিকারকে অবৈধ করার ইচ্ছা কি সুন্দর মানুষের মাঝে ছড়ায়ে দিতেছেন। অবাক ব্যাপার!!!




@নাস্তিকের ধর্মকথা, আপনার সবগুলো পয়েন্ট পড়লাম! এই যক্তিগুলোই আশা করছিলাম। আসলে আপনি যে বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করেছেন সেগুলো সম্পর্কে আমার মতে স্বয়ং পোস্ট লেখকের-ও কোনো দ্বি-মত নেই! আপনি এখানে এক পর্যাযে অবশ্য, স্বীকার করেছেন "সন্ত্রাসী সনহগঠন ছাত্রলীগ-কে" নিষিদ্ধ করা হলে সে সিদ্ধান্ত ভুল হবে নাহ! এটা নিয়েও আমার অন্তত কোনো দ্বিমত নেই!

আমার যেটা বলার তা হোলো ছাত্র রাজনীতি-র যেমন্টা হওয়া উচিত তা করতে হলে একে প্রথমেই দলীয় রাজনীতি বা রাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতি থকে ডিটাচড করতে হবে। এছাড়া আর কোনো পথ আছে বলে আপনি মনে করেন কি?

এই প্রশ্নের উত্তরের ওপর নির্ভর করছে বাকি কথাটুকু- যে আপনার সাথে আমি কোথায় যুক্তিগত দ্বিমতে যাবো সে ব্যাপারটা! উত্তরের আশায় রইলাম!

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




//আপনি এখানে এক পর্যাযে অবশ্য, স্বীকার করেছেন "সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ-কে" নিষিদ্ধ করা হলে সে সিদ্ধান্ত ভুল হবে নাহ! এটা নিয়েও আমার অন্তত কোনো দ্বিমত নেই! ////
===>>>> আমি সেটা বলেছিলাম- স্পেসিফিক করে বলতে বলার জন্য। এইখানে দায়ী হলে সেটা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা, প্রথম দাবীতো হওয়া উচিৎ তাদেরকে জেলে পুরা। এগুলোর সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও যদি দেখা যায়- সেই সংগঠনটা বিপজ্জনক- তাইলে সেটারেও নিষিদ্ধ করতে পারেন। কিন্তু- ছাত্রলীগ তো খালি ছাত্রলীগ না- নিষিদ্ধ করলে তার দায় ভার বর্তায় আওয়ামিলীগের উপরেও- আগে তো নিষিদ্ধ করতে আওয়ামিলীগরে- তার সমস্ত অঙ্গ সংগঠন সমেত। যেমনটা বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনরে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দরকারে- সন্ত্রাসের দায়ে আওয়ামিলীগ-বিএনপি'রে তার সমস্ত অঙ্গ সংগঠন সমেত নিষিদ্ধ করেন। কিন্তু দায় কোনমতেই পুরা ছাত্র রাজনীতি বা রাজনীতির ঘাড়ে দিতে আমার যত আপত্তি।

আর, ছাত্রলীগ বা ছাত্রদল বা শিবিরের অপকর্ম সামনে আসলেই যখন ছাত্র রাজনীতির বিষোদগার করা হয়, তখন আসলে সুকৌশলে আওয়ামিলীগ- বিএনপি বা জামাতের কীর্তিকলাপরে ঢাকার চেষ্টা করা হয়; যেনবা সমস্ত অপকর্ম-দুষ্কর্মের জন্য খালি ছাত্র সংগঠনগুলোই দায়ী, মাদার সংগঠনগুলোর কোন ভূমিকা নাই, কোন তত্তাবধান নাই!!!!

//আমার যেটা বলার তা হোলো ছাত্র রাজনীতি-র যেমন্টা হওয়া উচিত তা করতে হলে একে প্রথমেই দলীয় রাজনীতি বা রাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতি থকে ডিটাচড করতে হবে। এছাড়া আর কোনো পথ আছে বলে আপনি মনে করেন কি? ////
===>>>> এটা আরেক ধরণের অপিনিয়ন বটে। একদল আজ বলছে- না পুরা ছাত্র রাজনীতিরেই নিষিদ্ধ করতে হবে, আরেক দল বলছে- না ছাত্র রাজনীতি ঠিক আছে- থাকুক, কেবল এরে মূল ধারার রাজনীতি থেকে সম্পর্কচ্যুত করতে হবে, লেজুড়বৃত্তি বন্ধ করতে হবে।

আমি এই দু রকমের প্রচারণারই বিরোধিতা করি।




ধরেন- আপনার কথামত আইন করে "ছাত্র রাজনীতি" নিষিদ্ধ করা হলো। আর তাহলেই কি সমস্ত দুর্নীতি- সিট বাণিজ্য, সন্ত্রাস- চাঁদাবাজী, অস্ত্রবাজী - টেণ্ডারবাজী বন্ধ হয়ে যাবে? এই নিশ্চয়তা দিতে পারবেন?

ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে এই যে মারামারি হানাহানি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী এগুলোর আসলে মূল কারণ কি? স্রেফ ছাত্র-সংগঠন নামক এক একটা সাংগঠনিক কাঠামোর মধ্যে থাকার কারণেই কি তাদের মধ্যে এই সমস্যা?




আবারো প্রশ্ন করছি- সাংগঠনিক কাঠামো বাতিল করে দিলে বা abolish করে দিলেই কি এগুলো বন্ধ হয়ে যাবে? ছাত্রলীগ-ছাত্রদল নিষিদ্ধ করে দিলেই কি এদের হয়ে কাজ করা ছাত্র-যুবকরা সব নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বে? ধরেন- এরা যুবদল-লীগে কাজ করা আরম্ভ করলো (এখনো যুবদল-যবলীগ কম কুকর্মের সাথে যুক্ত না) এবং একইরকম কুকর্মে যুক্ত হলো, তখন কি বলবেন এইবার যুবদল-যুবলীগ এইবার বন্ধ হোক? যুবদল-যুবলীগ বন্ধ করার পরে তারা যখন আওয়ামিলীগ-বিএনপি'র হয়ে কাজ করবে- তখন কি বলবেন আওয়ামিলীগ-বিএনপি বন্ধ হোক? সেইটা যদি বলতে পারেন, তবে এখনই সে দাবী তুলেন না কেন?

ছাত্রদল/ছাত্রলীগ/শিবির টাইপের সংগঠনগুলো সন্ত্রাস-চাঁদাবাজী-টেন্ডারবাজী সহ যেসব অপকর্মের সাথে যুক্ত- সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন ছাড়া, সংগঠন নামক জিনিসটারে তুলে দিয়ে মুশকিল আশানের চিন্তা করাটা ইউটোপিয়ো ছাড়া কিছুই না। নিউমার্কেট অঞ্চলের মার্কেটগুলোতে চাঁদাবাজী করে যেরকম লাভবান হওয়া যায়, টেন্ডার আদায় করে কন্ট্রাকাটারিতে চুরি চামারি করে যেমন লাভবান হওয়া যায় - সেগুলো থেকে ছাত্রদল/ছাত্রলীগ নামক সংগঠনগুলোরে নিষিদ্ধ করে দিলেই ঐসব সংগঠনের যারা এসবের সাথে যুক্ত- এসবের ভাগ বাটোয়ারা যে লেভেল পর্যন্ত তারা- সবাই হাত-পা গুটায় বসে থাকবে?




আপনার যুক্তিগুলোর সাথে দ্বিমত পোষণ কঠিন... কিন্তু এন্টি পয়েন্ট তৈরী-র বহু সুযোগ রয়েছে! এই মুহূর্তে আসলে কিছু কাজ নিয়ে এতই বেশি ব্যস্ত যে ভেবে চিন্তে লিখতে পারছি নাহ! তবে কথা দিচ্ছি এই পোস্টেই আমার যুক্তিগুলো দিয়ে যাবো... ততক্ষণ পর্যন্ত ধন্যবাদ এবং অন্য কেউ খন্ডনের চেষ্টা করলে তাকে সু-স্বাগতম!!! খুশি

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




আলোচনা চলুক_গ্যালারীতে বইলাম। আর
বাউলদারে স্বাগুতম জানাইগেলাম...............




নাস্তিকের ধর্মকথা, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ পয়েন্টগুলি তুলে আনার জন্য। আপনি দ্বিমত প্রকাশ করেছে পুরো পোষ্টের, তার পেছনের যুক্তি গুলিও দারুন ভাবে দিয়েছেন। রাষ্ট্রের প্রয়োজন মানে যেকোন প্রয়োজন, সংগঠিত হয় সংঠনের মাধ্যমে আর সংগঠন মানেই কোন দলের ছায়া হয়ে থাকা রাজনৈতিক সংগঠন নয়। ক্ষতির খতিয়ান অবশ্যই দেওয়া যাবে তার জন্য প্রয়োজনীয় তারিখ সমেত তথ্যগুলি হাতে নেই, তবে বিগত দুই দশকে ছাত্ররাজনীতির লাভ গুলি জানলে ছাত্ররাজনীতিকে বিরোধিতা করা থেকে সরে আসলেও আসতে পারি। ক্ষতির খতিয়ান চাইলেন, লাভের খতিয়ানটা দেবেন আশা করি। ছাত্র রাজনীতি বলতে এখন ছাত্ররা যে রাজনীতি করছে সেটাকেই বুঝাই। ছাত্রাবস্থায় সে রাজনীতি হল দখল, টেন্ডারবাজী, চাদাবাজী শেখায়, সেসব ছাত্ররা দুর্নীতির মাধ্যমেই বড় কর্তা হয়। কর্তা হওয়ার পর ছাত্রাবস্থার প্র্যাকটিস ভুলে সে সাধু হয়ে যায় না। দূর্নীতিবাজই থাকে। হ্যা এগুলিকেই ছাত্র রাজনীতি বলছি, অন্য কিছুতো চোখে পড়েনা। ছাত্র রাজনীতি না করা ঋণখেলাপী- চুরি-চামারি করা ব্যবসায়ীরা, সুবিধাভোগী দুর্নীতিবাজ আমলারা, পেশাজীবীরাও তো জননেতা হয়ে যান এদের ক্কেত্রে আমার ফর্মূলা? তাহলে একেক করে শুরু করুন দখলদার দের ব্যাপারে আমার ফর্মূলা কি, সন্ত্রাসীদের ব্যাপারে আমার ফর্মূলা কি, টেন্ডারবাজদের ব্যাপারে আমার ফর্মূলা কি, চাদাবাজদের ব্যাপারে আমার ফর্মূলা কি, দেখুন এইযে দখল্বাজ, চাদাবাজ, টেন্ডারবাজ, সন্ত্রাসী, দূর্নীতিবাজ আমলা(সবাই ছাত্ররাজনীতির বাইরে থেকে আমলা হয়েছে ধরে নিলাম), পেশাজীবি(এরাও ছাত্র রাজনীতি করেনি ধরে নিলাম), ঋণখেলাপী এগুলি ভিন্ন ভিন্ন ব্যাপার আর ছাত্র নেতা (ঢালাও ভাবে নয়, যারা এগুলির সাথে যুক্ত) শ্রেনীর মধ্যে দখলবাজী থেকে শুরু করে এই জননেতা হওয়া পর্যন্ত কমন। এখন আলাদা ভাবে প্রত্যেকটির সাথে ছাত্ররাজনীতির বন্ধের ফর্মূলা তুলনা করতে যাওয়াটা ঠিক হবেনা হয়ত। হল দখল থেকে শুরু করে দূর্নীতির মাধ্যমে কর্তা হয়ে যাওয়া সব কিছুর পেছনেতো আজকের ছাত্ররাজনীতিই রয়েছে, ছাত্ররাজনীতির কারনেই সংঘবদ্ধ ভাবে ছাত্ররা এগুলি করে চলেছে। ছাত্র রাজনীতির কারনেই দলগুলি এদেরকে আশ্রয় প্রশয় দিচ্ছে।




ছাত্রলীগ, ছাত্রদল এবং শিবির ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করে চলেছে প্রতিনিয়ত, তাই আজ ছাত্র রাজনীতিই কলুষিত হয়ে গেছে। এদেরকে নিষিদ্ধ করার উপায় কি হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? ছাত্ররাজনীতির বিগত দুই দশকের অর্জনগুলিও জানতে চাই। এই তিনটি দল বাদে অন্য যে দলগুলির রাজনীতি বহাল রাখা উচিত বলে মনে করেন, তাদের অর্জন গুলিও বলুন, প্রয়োজনীয়তাও।




কাল আবার কথা হবে।




প্রত্যেক লাইনে লাইনে একমত! এক মিলি সেন্টিমিটার দ্বিমত-ও নাই

কিন্তু কথা হইতেছে, যে যা যারা এই মামলা কোর্টে তুলবে তাদের জানের নিরাপত্তা কতটুকু বা নিরাপত্তা কে দিবে?
এটাকে বাস্তবিক রূপ দিতে গেলে হয়তো কেউ ফুল বিছিয়ে দেবেনা বাট প্রতিপদেই আঘাত হানবে চশমা দিয়া দেইখ্যা লই

**************************************************
বিষণ্ন অবসাদে সময়ের মালা গাঁথি ঐশ্বরিক ক্লান্তিতে; আহ্লাদি বিষাদে .........
**************************************************




কোথাও কোন দ্বিমতের কোন অবকাশ নেই। কিন্তু দেশের বিঞ্জ(?) রাজনীতিকরা কি তা করতে দিবে? কেন ফাও ফাও ভোট হারাতে চাইবে তারা? যেখানে ভোট স্বার্থই তাদের কাছে মুক্ষ্য এবং অসংক্ষবার তা প্রমানিত।




ভাই রে, কিছু মনে কইরেন না। কিন্তু দুই লাইনে তিনটা বানান ভুল দেখে কিছুতেই না লিখে থাকতে পারলাম না।

বিজ্ঞ = বি জ+ঞ

মুখ্য

অসংখ্য

মাফ কইরা দিবেন চশমা দিয়া দেইখ্যা লই

-------------------------------------------------------------------------------------------------------------

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ,,,




আওয়ামী লীগ, বি এন পি, জামাতের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেন।


* নতুন মন্তব্য লিখুন *

তথ্যটি সবাই দেখতে পাবে না। সংরক্ষিত থাকবে।
  • ওয়েবপেজের ঠিকানা এবং ইমেল ঠিকানা স্বয়ংক্রীয়ভাবে সংযুক্তিতে (লিংক) রূপ নেবে।
  • লাইন এবং প্যারাগ্রাফ স্বয়ংক্রীয়ভাবে ব্রেক করবে
  • টেক্সচুয়াল ইমোটিকন স্বয়ংক্রীয়ভাবে ইমেজে রূপ নেবে।

আরো বিস্তারিত ফর্ম্যাটিং অপশন (আবশ্যক নয়)

কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই বাংলা লিখুন





(বাংলা ও ইংরেজী পরিবর্তন করতে Ctrl+G চাপুন)