পার্বত্য চট্রগ্রাম এ সহিংসতা। একটি ঘোষনা এবং ছবি ব্লগ।

ব্লগের অনেকে পার্বত্য চট্রগ্রামের সাম্প্রতিক সময়ের সহিংসতা নিয়ে বিস্তারিতো জানতে চেয়েছেন। ইংরেজীতে বেশ কিছু ডকুমেন্ট এর লিংক আমি এর আগে দিয়েছিলা। বিশেষ করে সি এইচ টি কমিশনের ওয়েব এড্রেস। আমার মনে হয় না এই লিংক টি কেউ খুলে দেধেছেন। গতকাল এবং আজ কিছু সহব্লগারদের কথা শুনে আমি আসলেই মর্মাহত। আমার কাছে যেটা মনে হয়েছে, এই ইস্যু তে আমাদের ধারনা বা জ্ঞান স্পষ্ট নয়। লন্ডনে কিছু সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে পার্বত্য চট্রগ্রাম ইস্যুতে এক আলোচনা সভা আয়োজনের চেষ্টা চলছে। আমি অতিসত্বর এর আপডেট জানাবো।

মুক্তমনায় বিপ্লব রহমানের একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে। নাগরিক ব্লগের ব্লগারদের জন্য লিংক টি সংযুক্ত করা হলো। তাছাড়া বিপ্লব রহমানের ই বুক এ পাহাড়ের অনেক অজানা কাহীনি তুলে ধরা হয়েছে।

গত কয়েক দিনে আমার শ্রদ্ধেয় কয়েক বন্ধুর উক্তি এবং অবস্থানে আমি খুম মর্মাহত। অনেকের মতে পাহাড়ী দের সায়েস্তা করা উচিত। অনেকে বলছেন এই ব্যাপারে চুপ থাকা উচিত। প্রকৃত পক্ষে চুপ থেকে এর সমাধান কতটুকু সম্ভব জানিনা। অনেকে আবার মনে করছেন আমি পাহাড়ি দের পক্ষে কথা বলে বাংগালীদের স্বার্থ পায়ে ঠেলে দিচ্ছি। এ নিয়ে কটুক্তি শুনেও খুব একটা বিচলিতো হইনি। কারন আমি জানি সত্য একদিন প্রকাশ হবেই। আমরা অন্ধকার থেকে মুক্ত হবো। পার্বত্য অঞ্চলের সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে আমাদের বাংগালী ভাই বোনেরা। তবে তুলনা মুলক বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে আমাদের পাহাড়ী ভাই-বোনেরা। রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদ অথবা নিরব ভুমিকা সৃষ্টি করছে বর্বরতার নতুন অধ্যায়। এ নিয়ে কথা বলার কেউ নেই। কথা বললে শুনতে হয় ভন্ড মানবাধিকার কর্মীর মতো গালাগাল। যা হোক আমার এক আদি বাসী বন্ধু আমাকে আজ কিছু ছবি পাঠালো। ব্লগার আপনারাই বলুন এসব ছবি কি আমাদের বিবেক কে আঘাত করে কিনা।

মাটিরাংগা গনহত্যা।

মাটিরাংগা গনহত্যা।

মাটিরাংগা গনহত্যা।

মাটিরাংগা গনহত্যা।

ধর্ষনের শিকার এক বোন

হিরাছর বর্বর হামলা

লোগাং মেসাকার

মাটিরাংগা মেসাকার

নানিয়াচর মেসাকার

পানছরি মেসাকার

টিনডং মেসাকার

তারাবনছরি মেসাকার

পাহাড়ীদের উপর কয়েক দশক ধরে যে বর্বরতা চলেছে তার সামান্য কিছু নমুনা। আরো এমন কিছু বিধগুটে ছবি আছে যা ব্লগে প্রকাশ করলাম না সার্বিক দিক চিন্তা করে।

আমি এসব হানাহানি চাইনা। আমি চাইনা সামান্য ভুমির কারনে খুন হোক আরেক টি তাজা প্রান। আমি চাইনা বাংগালী- আদিবাসীদের মধ্যে আরেকটি সংঘাত।

1
আপনার রেটিং: কোনোটি নয় গড়: 1 (2 ভোট)

* প্রতিক্রিয়া *

ছবিগুলোর ক্যাপশান কোথায়, বর্বরতার অনেক ছবিইতো দেখেছি, এগুলো কোথায় কিভাবে কেন হয়েছে তা জানা জরুরী! আলোচনা সভার আপডেট দিয়েন।

কাউসার ভাই বইলেন না। আমি কম্পু ব্যাপারে একদম মগা হাজী। ক্যপশন কেমনে দিতে হয় তা জানি না। হ্যা সভার আপডেট জানাবো।

সকাল ভাই, একটা ব্যাপার প্রথমেই পরিষ্কার করে নেয়া ভালো-

ব্লগের স্লোগান এর সাথে একাত্বতা প্রাকাশ করে ব্লগে আশা। কিন্তু আমাদের কন্ঠ যে এভাবে রুদ্ধ হয়ে যাবে তা ভাবিনি।

আমার জানামতে এবং দেখামতে কোনোরকম মতের-ই কণ্ঠরোধের কোনো চেষ্টা করা হয়নি! যে যার যুক্তিবোধ অনুসারে কথা বলেছে! বরং আমার জানামতে অসুস্থ তর্কের দিকে মোড় নেবার সম্ভনায় বাঁধ সাধা হয়েছে...
তবে যুক্তিবোধের তারতম্যের কারণে যদি আপনার মনে হয় কণ্ঠরোধ করা হচ্ছে- তাহলে সেটা আপনার বিবেচনা...

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================

আমাদের বলতে এখানে সবার কথা বুঝানো হয়েছে। যা হোক আমি লাইনটি মুছে দিচ্ছি। দুঃখিত।

ছবিগুলোর ক্যাপশান দেখে শরীর শিরশির করা উঠল ।কিন্তু এগুলো কোথায় কিভাবে কেন হয়েছে তা জানা দরকার

অনেক অজানা কাহীনি আমদের অজানা। আদীবাসি রা বিনা কারনে অস্ত্র হাতে তুলে নেয়নি। আগে পাহাড়ে সহিংসতা ছিলো না। সব শুরু হয়েছে ৭৯ এর পরবর্তী সময়ে। ভাই আরো এমন কিছু ছবি দেখেছি যা ব্লগে প্রকাশ করার মতো না। পৃথিবীর ইতিহাসে বাংগালীর প্রতি যে অবিচার হয়েছে তা নজীরবীহিন। আর সেই অত্যাচারিত আমরা যদি আমাদের পাহাড়ী ভাইদের উপর বর্বর হামলা চালাই তাহলে কি হয়?

ভাই চুপ থাকার সময় নেই।

পাহাড়ে বাঙালী অন্যায় করেছে সত্য । ৭,০০০ পাহাড়ী হত্যা করেছে । অবশ্যই এটা অন্যায় ।
তা স্বীকারও করছি ।
কিন্তু সমান তালে অন্যায় তো পাহাড়ীরাও করছে । ৩৭,০০০ বাঙালী হত্যা করেছে ।
কিন্তু সকাল দা , আপনি বা, আপনাদের মত মানবাধিকার কর্মী বা, সংস্থাগুলো কোন অজানা কারণে সব সময় পাহাড়ীদের সাপোর্টে কাজ করেন । কিন্তু নিপড়িত বাঙালীদের নিয়ে কিছু করেন না । এটাই কিন্তু আমার বক্তব্যর সারমর্ম । আমি চাই না আমার দেশটা আরেকটা বসনিয়া-হার্জেগোবিনা হোক । যেখানে এক রাষ্ট্র কিন্তু দুটি নাগরিক জাতীয় সত্বা ।

৩৭০০০ এর তথ্যসুত্র টা দেন।

ভাই আমি কোন মানবাধীকার কর্মী নই। আপনি সমস্যার গভীরে জান। এই সমস্যার জন্য দায়ী আমাদের সরকারগুলো। আদিবাসীদের ভুমিহীন করার এক সুক্ষ পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়েছে আমাদের শাসক শ্রেনী।

আরেক টা কথা ভাই। আপনি বার বার বলছেন আমি পাহাড়ীদের পক্ষে কথা বলছি কোন এক অজানা কারনে। এর উত্তরে আমি বলবো আপনি কিছু না বুঝে কথা বলছেন। কয়েক দিন অপেক্ষা করেন, সহ ব্লগার রা আপনার কথার উত্তর দেবে।

আপনি বার বার বলেন বাস্তবতা অন্যধরনের। এর উত্তরে বলবো, পত্রিকার নিউজ এর উপর ভিত্তি করে কোন কথা বলিনা। আর সাংবাদিক দের অতিরঞ্জিত সংবাদ পরিবেশনের কথা বলছেন? তাহলে আপনার ধারনাই নাই।

আর আপনি যেখানে বলছেন শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন হলে দেশ ভাগ হয়ে যাবে, সেখানে আর কথা না বাড়ানো ভালো। প্লিস এ নিয়ে আরো জানার চেষ্টা করুন। তর্কের খাতিরে তর্ক আমার পছন্দ নয়।

ভালো থাকবেন।

চট্টগ্রাম পাহাড়ী-বাঙালী ছাত্র ঐক্য ফোরাম (৩৬,৪৫৪ জন) ।
পাহাড়ী-বাঙালী মুক্তি সংঘ (৩৫,৪৫৪ জন) ।
বাংলাদেশ পূর্বাঞ্চল ঐক্য সমিতি (৩৫,৫৫২ জন) ।

***** শান্তিচুক্তি বা, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের বিরোধীতা আমি কখন করলাম ???

শান্তিচুক্তি হৰেয়ছে ঠিকই কিন্তু এর বাস্তবিক বাস্তবায়ন হচ্ছে না ।

পার্বত্য বিষয়ে আমার আগ্রহ প্রধানত: একজন বাংলাদেশী হিসেবে এবং দ্বিতীয়ত: একজন ভিক্টিমের পরিবার হিসেবে । আর সেই ভিক্টিম পাহাড়ে ব্যবসা করতো কোনো আবাসন তিনি পাহাড়ে গড়েননি ।

আমি সামগ্রিক পাহাড়ীদের বিপক্ষে কোন পোস্ট বা, মন্তব্য করিনি । যেকোন অমানবিক কাজই অন্যায় । আরেক জনের সম্পত্তি দখল করা অবশ্যই অন্যায় কাজ । কিন্তু কিছু ঘটনা বাদে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাধারণ সেটলার বাঙালী এই ধরণের ঘটনার সাথে জড়িত নয় ।
পাহাড়ে নিপীড়িত বাঙালীই আমার লিখার মূল বিষয় । আমি পাহাড়ীদের বিপক্ষে লিখছি না । পাহাড়ে নিপীড়িত বাঙালী নিয়ে কোন কাজই করছে না মানবাধিকার সংস্থাগুলো ।
মানবাধিকার সংস্থা আর মিডিয়ার একপেশে ভাবে পাহাড়ীদের পক্ষ অবলম্বনের কুফল :
১ । বাঙালীদের উপর নিপীড়ন বাড়ছে , কারণ , নিপীড়িত বাঙালীদের কথা মানবাধিকবার সংস্থাগুলো বলছে না ।
২ । জাশিরা নিপীড়িত বাঙালীদের জন্য শেল্টার খুলে , সাহায্য দিয়ে , নিপীড়িত বাঙারীদরে সহানুভূতি আদায় করছে ।
৩ । দেশের পূর্বাঞ্চলে দুটি আলাদা নাগরিক জাতিস্বত্তা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে । আর এর চুড়ান্ত পরিণতি খুবই ভয়ানক ।

এ রক্ত ভাই,

১ । বাঙালীদের উপর নিপীড়ন বাড়ছে , কারণ , নিপীড়িত বাঙালীদের কথা মানবাধিকবার সংস্থাগুলো বলছে না ।

আপনার এক কথাটা সম্পুর্ন সত্য নয়। আমার জানা মতে সেখানে বেশ কিছু মানবাধিকার সংস্থা বাংগালী সেটেলার দের নিয়ে কাজ করছে। আর আমি যেহেতু মানবাধিকার সংস্থার সাথে জড়িত নয় সেহেতু তাদের সম্পর্কে বিস্তারিতো বলতে পারবো না।

২ । জাশিরা নিপীড়িত বাঙালীদের জন্য শেল্টার খুলে , সাহায্য দিয়ে , নিপীড়িত বাঙারীদরে সহানুভূতি আদায় করছে ।

এ কথা গলা ফাটিয়ে অনেকবার বলেছি। এখনো বলছি। গরীবদের ধর্ম নামক আফিম খাওয়ানো খুব সহজ। জাশি রা তা ব্যবহার করে বাংগালীদের সহিংস কাজে ব্যবহার করছে।

৩ । দেশের পূর্বাঞ্চলে দুটি আলাদা নাগরিক জাতিস্বত্তা ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে । আর এর চুড়ান্ত পরিণতি খুবই ভয়ানক ।

পাহাড়ীদের জাতিসত্বা বাংগালী সত্বা থেকে ভিন্ন। আপনি তাদের বাংগালী বলতে পারেন না। আর যেভাবে তাদের উপর বর্বব হামলা চলছে তাতে এর পরিনতি ভয়াবয় হবে তা নিশ্চিত। আর সে কারনেই আমাদের এতো উতকন্ঠা। তাদের কে তাদের মতো থাকতে দিন। তাদের উপর অন্যায় আচরন বন্ধ করুন। আগে পাহাড়ী বাংগালীতে ভালো সম্পর্ক ছিলো কারন কোন বাংগালী তাদের ক্ষেত খামার বা ভিটা মাটি দখল করে নি। এখন সেনাবাহীনির মদদে তা হচ্ছে। আমি সাধারন বাংগালীর দোষ দেইনা। কারন তারা না বুঝে ব্যবহার হচ্ছে। আমি দোষ দেই আমাদের লোভী রাজনৈতিক নেতাদের। যাদের কারনে নষ্ট হচ্ছে আমাদের শান্তি। সো প্রতিবাদ করতেই হবে।

ভাই বাংগালী জাতির ইতিহাস দেখেন। ঐতিহাসিক ভাবে আমরা মার খাওয়া জাতি। আমরা এতোই নির্বোধ যে নিজের জাতিসত্বা পর্যন্ত অস্বীকার করতে সংকোচ বোধ করিনা। আমরা এতোই অসহায় যে নিজের ভুমি নিজের বলে দাবি করতে পারিনা। নিজের জাতিকে গালি দেই ক্যলকেশিয়ান চামার আর আসামী বলদ বলে। ধিক...। ধিক...।

ভাই অনেক কাজ বাকি। অনেক দূর যেতে হবে। বজ্র কন্ঠে দাবী করতে হবে আমাদের ভুমি। একত্রিতো করতে হবে আমাদের বাংলাকে। অনেক পরিপুর্ন হতে হবে আমাদের। অন্যের অধিকার ধংস করে এসব সম্ভব নয়। আমরা নিজেদের পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ট জাতি হিসেবে প্রতিষ্টিত করতে পারি। আমি মনে প্রানে বিশ্বাস করি, বাংগালী তার মানবিক গুন দিয়ে বিশ্ব জয় করবে। নিজেকে বদলাতে হবে আগে।

খাইছে! কোথায় ৭ হাজার, কোথায় ৩৭ হাজার! হাহাপগে

এই লৈয়া মাতৃযোনীসম্ভোগী-মানবাধিকারকর্মী আর সকাল ভ্রাতঃগণ এত্তো চীৎকার-চ্যাঁচামেচি করিয়া তুলকালাম কাণ্ড বাধাইয়া ফেলিতেছেন। মাথা ঠুকি মাথা ঠুকি মাথা ঠুকি

মৃতের সংখ্যা নিয়ে কন ব্যপারে সিধান্ত নিয়ে নেবার ব্যাপার টা আসলেই হাস্যকর......

সকাল...আপনার সাথে সহমত থাম্বস আপ থাম্বস আপ

yes!!!!!!

‌এই ভয়টাই আমি করছিলাম । এই পোস্টের ছবিগুলো দেখে আবেগী হয়ে যাবে অনেকে ।
মৃতের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে কোন সিদ্ধান্ত কেউ নেয়নি । বরং পুরো ব্যাপার না জেনে আপনার কমেন্টাই বেশি হাস্যকর ।
নগরে এই আলোচনার বিষয়বস্তু হল :
পাহাড়ে বাঙালীদের উপর করা নিপীড়ণের ক্ষেত্রে মানবাধিকার সংস্থাগুলো নীরব থাকে কেন ?

নগরের কেউই পাহাড়ীদের উপর করা নিপীড়ন যেমন সমর্থন করে না । পাহাড় সমস্যার বাস্তবভিত্তিক সমাধান প্রয়োজন ।

ভাই মানবাধিকার সংস্থা চুপ কেন তা আমি কি করে বলবো? আমি তো কোন মানবাধিকার সংস্তা চালাই না। আমি আমার অবস্থান বলতে পারি।

পাহাড়ি রা অন্যায় ভাবে বাংগালীদের মারুক আমি তার প্রতিবাদ করবো।

আপনার বিষয়খানা আরো বেশী হাস্যকর হৈয়া গ্যালো না, ভগিনী খাইছে! ?

আপনি দুই-চারিখানা চিত্র দেখিয়াই সিদ্ধান্ত লৈয়া ফেলিলেন, বর্বরতার পরিমাণ বিবেচনা করিতেও বিন্দুমাত্র সময় লৈলেন না! আসলেই কি এইটা ব্যাপার নহে যে, ৭ সহস্রের বিপরীতে ৩৭ সহস্র খাইছে! !!

আপনি আবার মুক্তিযুদ্ধ লৈয়া কদাচন এই কথা বলিয়া বসিবেন না তো যে, মুক্তিযোদ্ধারাও তো হাজার হাজার পাকিস্তানী নাগরিককে হত্যা কোরে বর্বরতা করেছে ভাবতেছি ?

আমার বিবেচনা হৈলো যে, সর্বপ্রকার দাঙ্গা, সর্বপ্রকার সশস্ত্র-যুদ্ধ এবং সর্বপ্রকার নিপীড়নই বর্জনীয়। কিন্তু, যুদ্ধ আরম্ভ হৈয়া গ্যালে হত্যা-আর-গণহত্যা'র পরিমাপের জন্যও কি সংখ্যা বিচার্য নহে কনফিউজড

এই কয়খানা চিত্র দেখিয়া যেই ৭ সহস্রের প্রতি মমতায় আপনার দরদ উথলাইয়া উঠিলো, একটিবারও চিন্তা করিবার চেষ্টা করিলেন না যে, এইরূপ/অধিকতর বর্বরতা ও নিপীড়নের শিকার হৈয়াছে আরো ৩৭ সহস্র মানুষ, যাহারা আপনার-আমার ন্যায় বাঙ্গালী! তাহারা কিন্তু "আর্মি" সদস্য নহে, তাহারা "ব্লাডি সিভিলিয়ান"ই বটে! একটিবারও মনে হৈলো না যে, একজনকে হত্যা করিবার দায়ে হত্যাকারীর পরিবারের "আবালবৃদ্ধবণিতা" সকলকে হত্যা করাটা অধিকতর অমানবিক ? ? ?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আকমল হেসেন বলেন, সমতলে যারা বাঙালিত্বকে অস্বীকার করে, শুধু মুসলমান হতে চায়, তারাই পাহাড়ে গিয়ে নিজেদের বাঙালি পরিচয় দেয়। রাষ্ট্রের প্রশ্রয় পাওয়ার জন্য সেই পরিচয় নিতে অসুবিধা হয় না।

এই মন্তব্যটা কিছুই প্রমাণ করে না সকাল দা । এটা সামগ্রিক ক্ষেত্রে প্রযোয্য নয় ।