সময় পাল্টাচ্ছে। সময়ের সাথে সাথে পাল্টে যাচ্ছে পুরনো বস্তাপচা ভাবধারা । ব্রিটিস শাসনামলে আশরাফ আর আতরাব নিয়ে পাড়াপড়ি কম হয়নি। একটি মানুষ আর একটি মানুষকে ছোট করে দেখার রেওয়াজটা বেশ পুরোনো। মানুষ জন্মের পর থেকে এই প্রবনতায় ভোগে। কিন্ত এই জিনিসটি আমরা বার বার ভুলে যাই যে ধর্ম মতে আমাদের আদি পিতা ও মাতা যদি মানব কুলের উৎপত্তি স্থল হয়ে থাকে তাহলে মানুষের সাথে মানুষের পার্থক্য করার আদৌ কোন যুক্তি থাকে কি? শেরে-এ-বাংলা ফজলুল হকের একান্ত প্রচেষ্টায় জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত হলেও আমরা আবার তা নতুন ভাবে আমাদের সমাজজীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে যার পর নেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। চুরি না করে ধনি হয়েছে এমন সকসের দেখা পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার। বাবার পকেট কাটা যেমন চুরি, উর্ধতন সরকারী পকর্মকর্তার পারসেন্টেজ বানিজ্যও চুরি। বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠির প্রায় সকলেই র্দুনীতির সাথে কোন না কোন ভাবে যুক্ত। কোন পেসায় চুরি বাটপারি নেই। ব্যাবসায়ীরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় মাল গুদামজাত করে চুপিসারে টাকা বানাচ্ছে, তো শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়িয়ে অনৈতিক পন্থায় হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা । ডাক্তাররা কশাই বেশী ডাক্তার কম হলেও সেবার নামে উন্নত পদ্ধতি ব্যাবহারের নামে করে চিকিৎসা ব্যাবস্থাটাকে জটিল করে দিয়ে টাকা কামাচ্ছে। মিটার রিডার. পুলিশ ও ট্যাক্স কর্মচারী কর্মকর্তারা চুরিটাকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দিয়ে লাইসেন্স ধারী চোরে রুপান্তরিত হয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে অদ্যাবধি চুরির যে মহাউৎসব দেশে চলছে তা বলাই বাহুল্য। দুদক নামে যে প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাড় করান হল তাকে নাকি আতুর ঘরেই হাতপা ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হল র্দুনীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে। আমি বলিনি, দুষ্ট লোকের বলাবলি করছে। সমাজপতিরা বিভিন্ন অজুহাতে র্দুনীতি করার চাবিটি নিজের হাতে রাখতে চাইছে। বেশী ক্ষমতা পেলে নাকি দুদক সেচ্ছাচারী হয়ে উঠতে পারে। কথাটা যৌক্তিক। দুদকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের কাজের জবাবদিহিতা রেখে কি দুদককে ক্ষমতাবান করা যায় না। ভারত পারলে আমরা পারবো না কেন। ভারতের নেতা ও নেত্রীদের সততা প্রশ্নাতীত আর আমাদের প্রধান মন্ত্রী থেকে শুরু করে সবাই "চুরি বিদ্যা বড় বিদ্যা যদি না পড় ধড়া" এই বিদ্যায় এতটাই পাকা ও পোক্ত যে, জাংলি আইন ছাড়া তাদের পাপের ভাড়া উল্টানো যায় না।তেয়াত্তর চুয়াত্তুর সালের কথা। জগন্নাথ কলেজের অধ্যক্ষ শাইদুর রহমান ছিলেন বঙ্গবন্ধুর শিক্ষক। ছাত্রশিক্ষকের একান্ত আলাপ চারিতায় বূঙ্গবন্ধু নাকি আক্ষেপ করে শাইদুর রহমানকে বলেছিলেন স্যার যেই দেশের বিচারকরা ঘুষ খায় সেই দেশ নিয়ে আপনি কি ভাবে এগুবেন । বঙ্গবন্ধু যা অবলীলায় বলতে পারতেন, বর্তমান নেতা নেত্রীরা কি তা বলতে পারবেন, পারবেন না।বেগম খা, গিয়াতো নিজেই নিজের জলন্ত উদাহরন। আর অন্যান্যদের কথা না হয় নাই বল্লাম। তারপরও তাদের ডাকে পল্টনে মানুষ গিজগিজ করে। প্রধানমন্ত্রী হাছিনা ওয়াজেদও কম যান না। আমি ভেবে পাই না তিনি এত ডিগ্রি নিয়ে কি করতে চান। নিজের বুদ্ধির অভাব থাকলেই চামচ সম্প্রদায় ঐ ফাকা জায়গাটি দখল করে নেয়। এটা বোঝার ক্ষমতা কি এদের কোন কালেই হবে না। র্দুনীতির বিরুদ্ধে কথা বললেও জীবন যাপনে সেই বিনয়ী নম্রতা ও সচ্ছতা কোথায়। যা দেখে সবাই শিখবে।মাথার পচন রোধ করতে না পরলে আমরা যে তিমিরে ছিলাম সেই তিমিরেই রয়ে যাব।
যে করেই হোক মাথার পচন রোধ করতে হবে।।
কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই বাংলা লিখুন




* প্রতিক্রিয়া *
Bangladeshi society started its degeneration process since its birth.
How do you cure cancer? Either cutting off the body part or kill cancer cell by chemo. Bangladesh doesn’t have the stomach for either of those two. But if you want to be the guy to reverse the rotting process, are you ready to put few thousands of the Bangladeshi dirt six feet under?
Robin
Carmel, California
ভালো প্রচেষ্টা............
.....................................................................
তবুও অবিরাম স্বপ্ন দেখে যাই....
তা ভাইজান একন আমাদের কি করতে হপে তাই তো কইলেন না। দ্যাশের দুরবস্থা নিয়া এইরাম কচকচানি না কইরা কি করা উচিৎ তা নিয়া আলোচনা করেন, কামে দিব।
_________________________________________
এলাম.........দেখলাম.........তবে এখনও জয় করিনি............
_________________________________________
সর্ব প্রধম নিজেকে ভাল হতে হপে। বুঝলেন তো প্রাগৈতিহাসিক বাবু ।
কি করতে হপে?
১) Income tax দিন যথাযথভাবে
২) ঘুষ খাবেন না আল্লাহর ওয়াস্তে
৩) সঠিক জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করুন ভেবে চিন্তে
৪) সাধ্যের মধ্যে যা আছে, তা-ই নিয়ে জনহিতকর কাজ করুন
কেননা, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসে সমাজে, দেশে।
বেকুবের পোস্ট ভালো পাইছি
...............................................................................................
Patriotism is not short, frenzied outbursts of emotion, but the tranquil and steady dedication of a lifetime. ~Adlai Stevenson
আপনার এই ধারনা সম্পুর্ন্য ভ্রান্ত।
বাংলাদেশের সাধারন শ্রমজিবি মানুষ, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ি, যারা কিনা বাংলাদেশের জনসংখ্যার ৯৫-৯৮% ভাগ তারা দুর্নিতির শিকার আর ভুক্তভোগি মাত্র। আপনি কোন যুক্তিতে বলেন "বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠির প্রায় সকলেই র্দুনীতির সাথে কোন না কোন ভাবে যুক্ত।" নাকি আপনার বাংলাদেশ অই বাকি ২% বাংলাদেশিতে সিমাবদ্ধ।
আপনি যদি বাংলাদেশের, অথবা যে কোনো দেশের দুর্নিতির গভিরে যান তবে দেখবেন এর মূলে আছে সরকার আর তার আমলাতন্ত্র (বিচার বিভাগ সহ) - এরা দুর্নিতিবাজ না হলে কোনো পাইকারি দুর্নিতিই সম্ভব না কোনো দেশেই। (হার্ডকোর ক্রিমিনালদের কিছু দুর্নিতি সব দেশে সব সমাজে সব সময়েই কিছু না কিছু থাকবেই)
একটু খাতিয়ে দেখলেই, দেখবেন সরকার আর তার আমলাতন্ত্র ঘুষ, পার্সেন্টেজ, কমিশনসহ নানারকম ব্যাক্তিস্বার্থজনিত সুবাধিদাদি নিয়ে সাধারন মানুষ আর ব্যাবসায়িদের প্রচলিত আইন মানা নিশ্চিত করার বদলে তা ভাংতে উতসাহিত না করলে, আপনার দেওয়া উদাহরনের একটি দুর্নিতিও পাইকারি ভাবে করা সম্ভব না।
আপনার মূল বক্তব্য ঠিকই আছে, পচন ধরেছে মাথায়। কিন্তু বিশাল জনগোষ্ঠি অই পচনের ভুক্তভোগি মাত্র।
আমি আপনাকে আপনার ওই বক্তব্যটুকু অপসারন করতে আহব্বান জানাচ্ছি।
নির্বোধ
"বাঙ্গালির DNA তে প্রচন্ড মোচড় পড়ুক, সময় নাই "
http://nirbodh.wordpress.com/
আমিও নির্বোধ'র সাথে সহমত।
ব্লগার বেকুবকে ধন্যবাদ পোষ্টটির জন্য।
ভাই আপনি উনার কথাটাকে পুরোপুরি ভ্রান্ত বলে উড়িয়ে দিতে পারেন না। আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠী আসলেই কোনো না কোনো ভাবে দূর্ণীতির সাথে যুক্ত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমারা ভুক্তভোগী হলেও অনেক ক্ষেত্রে আমরা নিজেরাই দায়ী। দূর্ণীতি আমাদের রক্তে এমন ভাবে মিশে গেছে যে আমরা অনেক সময় কোনটা দূর্ণীতি আর কোনটা দূর্ণীতি না, তা নিয়ে পার্থক্য করতে হিমশিম খাই। কিছু ছোট উদাহরন দেই যদিও সিলি। যখন আমরা লাইনে দাড়াই আমাদের মধ্যে অনেকেরই ধান্দা থাকে লাইন ব্রেক করে কোনোভাবে নিজের কাজটা আগে সম্পন্ন করতে। এটা কিন্তু অবশ্যই দূর্ণীতি!! যেখানে অল্প কিছু টাকা ঘুষ দিলে কোনো কাজ তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করা যাবে সেখানে কিন্তু আমরা ঘুষ দিতে পিছপা হইনা। হয়ত ল্যান্দি ফর্মালিটি হলেও কাজটা একসময় ঠিকই সম্পন্ন হত। কিন্তু ঘুষ দিয়ে আমরা কিন্তু দূর্ণীতিকেই উতসাহিত করলাম। এছাড়া আমরা নানাভাবে ট্যাক্স ফাকি দেয়ার চেষ্টা করি। এটা কি দূর্ণীতি না? আমরা খামাখাই গ্যাস বিদ্যুত অপচয় করি-এটাও তো একপ্রকার দূর্ণীতি!! এরকম হাজারো উদাহরন আছে। সর্বোপরি আমরা অনেকেই সুযোগের অভাবেই সৎ। সুযোগ পেলে আমরা নিজেরাই দূর্ণীতি করতাম। তাই সবার আগে আমাদের নিজেদের মানসিকতা পরিবর্তন অতীব জরুরী!
----------------------------------------------------------------------------------
A man who is not afraid is not aggressive, a man who has no sense of fear of any kind is really a free, a peaceful man.
ভাই আপাতদৃষ্টিতে আপনার দেয়া সব উদাহরন গুলিই দুর্নিতি মেনে নিচ্ছি। কিন্তু একটু গভিরভাবে চিন্তা করলেই দেখবেন সর্ব সাধারনের এই ব্যাবহারগুলি দির্ঘ দিন ব্যার্থ সিস্টেমের অধিনে থাকার ফলে দৈনন্দিন জিবনে সিস্টেমের ব্যার্থতার এবং তার প্রতি অনাস্থার প্রতিফলন বা symptoms, not the root causes.
মানুষ মাত্রই স্বার্থপর, এটা তার জ়িনে আছে সারভাইভাল instinct হিসাবে, এটা অস্বিকার করার কোনো ঊপায় নেই। দুনিয়া চলে মুলত ব্যাক্তি স্বার্থের ইনসেন্টিভ (পুরস্কার) আর ডিজইনসেন্টিভে (শাস্তি)। সভ্যতার শুরু থেকেই (ভালো) আইন আর সামাজিক রিতির উদ্ভব মানুষের স্বল্প মেয়াদি ব্যাক্তি স্বার্থের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে সমাজ ও ব্যাক্তির দির্ঘ মেয়াদি স্বার্থ সংরক্ষন করতে। সফল আইন আর সামাজিক রিতি মানুষের ব্যাক্তি স্বার্থের instinct উপেক্ষা করে না, বরং এই instinct কে চ্যনেল করে সমাজ ও ব্যাক্তির দির্ঘ মেয়াদি স্বার্থ রক্ষায়। এটা করা হয় আইনে সঠিক ব্যাবহারের জন্য পুরস্কার বা বেঠিক ব্যাবহারের জন্য শাস্তি বা উভয় ব্যাবস্থা রেখে।
এখন যদি আইন প্রোয়গকারিরা বা রেগুলেটররা নিজ স্বার্থ উদ্ধারে বা অন্য কারনে এই পুরস্কার আর শাস্তির ব্যাবস্থা যথাযথ প্রয়োগ না করেন তবে সময়ের সাথে সাথে যে কোনো দেশেই আইনের প্রতি সাধারন মানুষের অনাস্থা বাড়তে থাকবে এবং মানুষ তার স্বল্প মেয়াদি ব্যাক্তি স্বার্থ দেখবে। এই অবস্থা দির্ঘদিন চলতে থাকলে স্বল্প মেয়াদি ব্যাক্তি স্বার্থ দেখাটাই স্বাভাবিক ব্যাবহারে পরিনত হবে; যেখানে আইন আর বিধি না মানলে আপাতত নিজের ক্ষতির চেয়ে লাভ বেশি - যা এখন আমরা দেখছি বাংলাদেশে, আরো অনেক দেশে।
বাঙ্গালিরে সিঙ্গাপুর বা অন্য কোনো দেশ যেখানে আইনের কোঠোর প্রোয়োগ আছে সেইসব দেশে দেখেন।, সে সেইখানকার সিস্টেমের পুরস্কার আর শাস্তির ব্যাবস্থা আর তার যথাযথ প্রয়োগ অতি তাড়াতাড়ি বুঝে যায় এবং সেই মতো তার ব্যাবহারও বদলে যায়। যদিও দির্ঘদিনের বদভ্যাসে খারাপ ব্যাবহারগুলো মাঝে মধ্যেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়।
এই প্রেক্ষাপটেই আমার বিশ্লেষনে আইন, প্রোয়গকারির দ্বায়িত্বে থাকা সরকার (সংসদ সহ) আর তার আমলাতন্ত্রই (বিচারবিভাগ সহ) বাংলাদেশের সব দুর্নিতির মূল উৎস, সব কিছুর গোড়া।
সাধারনের জন্য যেমন আইনে সঠিক ব্যাবহারের জন্য পুরস্কার বা বেঠিক ব্যাবহারের জন্য শাস্তি বা উভয় ব্যাবস্থা রাখা আছে, তেমন ব্যাবস্থা আইন-প্রোয়গকারি আমলাতন্ত্রের জন্যও ছিল উপনিবেশিক আমল থেকেই। ওইসব আইন যুগোপোযোগি করা তো দূরে থাক, তাদের তদারকির দ্বায়িত্বে থাকা সরকার, আর সরকারের তদারকির দ্বায়িত্বে থাকা সংসদ, উভয়ই ব্যাক্তি এবং গোষ্ঠি স্বার্থে আমলাতন্ত্রের সাথে একাট্টা হয়ে সেইসব আইন হয় অপ্রোয়োগযোগ্য ভাবে শিথিল করেছে আর নাহয় সেগুলিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের আখের গোছাচ্ছে।
পচন সত্যিই মাথায়, মাথার ব্রেন সার্জারি না কইরা, হাত পাও লতা পাতারে ভালো কথা কইয়া কোনো লাভ নাইরে ভাইরে।
নির্বোধ
"বাঙ্গালির DNA তে প্রচন্ড মোচড় পড়ুক, সময় নাই "
http://nirbodh.wordpress.com/
এই ব্যাপারে আপনার সাথে আমার বিন্দুমাত্র দ্বিমত নেই। তবে আপনি সব দোষ সিস্টেম ও সরকারের নীতিনির্ধারকদের উপর চাপিয়ে দিলেন। কিন্তু ভাই আইন-প্রয়নয়নকারী, রেগুলেটর, সরকারী আমলা এরা আসলে কারা? এরা তো আমাদেরই কারো আত্নীয়, ভাই বা বন্ধু। আপনি বলছেন ব্যাক্তি মাত্রই সে তার নিজ স্বার্থ দেখবে সেক্ষেত্রে আপনি আইন-প্রয়নয়নকারী বা রেগুলেটরদেরই বা দোষ দিবেন কিভাবে? তারাও তো নিজেদের স্বার্থই দেখছে।
মূল্যবোধ বা নৈতিকতার চর্চা রুট লেভেল থেকেই হওয়া উচিত বলে মনে করি। রুট লেভেল বলতে আমি অবশ্য মাথা না বুঝিয়ে শিকড়কে বুঝাচ্ছি। শিকড়ের পরিচর্যা সুষ্ঠভাবে হলে তার প্রতিফলন মাথাতেও দেখতে পাওয়া যাবে। তাছাড়া আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং তার যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য আইন প্রয়োগকারীর পাশাপাশি সাধারন মানুষেরও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আমরা আইনের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল তা নিয়ে আমি যথেষ্ঠ সন্দিহান। আর শিক্ষককে যে সবসময়ই ছাত্রকে কড়া শাষনের উপর রাখতে হবে এমন তো কোনো কথা নেই। ছাত্রদের কি নিজেদের দায়িত্ববোধ বলে কিছু থাকতে নেই?
ব্রেন সার্জারি কারা করবে তার উত্তর আছে আপনার কাছে?
----------------------------------------------------------------------------------
A man who is not afraid is not aggressive, a man who has no sense of fear of any kind is really a free, a peaceful man.
জল রঙ, আমার টু সেন্টস:
বাংলাদেশের মানুস বাংলাদেশী সিস্টেম বানিয়েছে. সিস্টেম বাংলাদেশের মানুস বানায়নি.
বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল ডিফেকটিভ "হাত পাও লতা পাতা" নিয়ে. তখনই যদি মুজিব সাহেব রেড ক্রস এর গাজী গোলাম সাহেবের কল্লা টা কেটে ফেলতেন তাহলে মুজিব সাহেব বাংলাদেশকে একটা ভালো ম্যাসেজ উপহার দিতে পারতেন. এই window of opportunity র সত ব্যবহার মুজিব সাহেব করেন নাই.
এখন আর একটা window of opportunity ক্রিয়েট করতে হবে. সেখানে কল্লা কাটার পুরস্কারটা চালু করতে হবে. তা না হলে বাংলাদেশ মাছ টা পচে শুধু ফিসবোন হয়ে বেচে থাকবে.
বাংলাদেশের জনগণ কি রেডি এক কল্লা কাটা জল্লাদ কে পাচ বছরের জন্য বাংলাদেশকে লিজ দেয়া? এটি ই হল মিলিয়ন ডলার কোয়েস্চেন.
Robin
Carmel, California
রবিনহুড,
আপনিতো ভালই বাংলা জানেন। মাঝে মইধ্যে ইংরেজী চোদান ক্যা? বাংলা ব্লগে ইংরেজী ঝাইড়া কি বার্তা দিবার চান? আপনার আমেরিকান প্রীতি কত জ্বলজ্বলে তা ষ্টিকি পোষ্টে চোখ বুলাইয়া অবগত হইলাম। একখান সোস্যাল সিকিউরিটি কার্ড পকেটে লইয়া কি হনুরে ভাব বাংলা ব্লগে না মারাইয়া আমেরিকান ব্লগে যাইয়া ঘেউ ঘেউ করতারেন। এখানে চিল্লাইতে অইলে বাংলায় চিল্লান। আমরা জ্ঞান লাভ করি।
Watch your language, pal.
You can skip my post. Using foul language doesn't make you any smarter.
Robin
Carmel, California
ইংরেজী বুঝি না............
মাথার পচন রধ করার দায়িত্ব আমাদের সবার।
পরিনতির কথা জেনেই ৫ বছর পর পর আমরা নির্দিষ্ট দুই রাজনৈতিক দলের কাছে এই দেশটাকে তুলে দেই। বার বার একই ভুল করেও আমাদের শিক্ষা হয় নাহ আমারা এমন ই অপদার্থ । এই দেশের তরুন যুব সমাজ রাজনীতিতে আগ্রহ বোধ করে না সেই কারনে ভবিষ্যতে এই দুই দলের গন্ডি ছেড়ে বের হতে পারব বলে আশা রাখতে পারি নাহ।
সরকারি মেডিকেল /ইঞ্জিনিয়ারিং /বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পরে যখন এক এক জন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন কেউ প্রবাসে গিয়ে আপন নিবাস গড়ে কেউ দেশেই নিজের জন্যে বাঁচে ।
অথচ যেই দেশের সাধারন মানুষের টাকায় তাদের পড়াশোনার খরচ যোগান হয় সেই দেশের জন্যে কয়জনই বা ভাবে????
রাজনীতিবিদরা দেশের চেয়ে দল আর তারও আগে ব্যক্তি স্বার্থ উদ্ধারে তৎপর ।
দেশের প্রতি মমতা সবার কাছ থেকেই সততার সাথে কাম্য।
আপনার পোস্ট ভাল লাগলো।
আশাহত গাংচিল
@জল রঙ
আপনি আমার মূল পয়েন্টাই মিস করে গেছেন মনে হচ্ছে। আমিতো বলেছিঃ
"সভ্যতার শুরু থেকেই (ভালো) আইন আর সামাজিক রিতির উদ্ভব মানুষের স্বল্প মেয়াদি ব্যাক্তি স্বার্থের ধ্বংসাত্মক প্রভাব থেকে সমাজ ও ব্যাক্তির দির্ঘ মেয়াদি স্বার্থ সংরক্ষন করতে। সফল আইন আর সামাজিক রিতি মানুষের ব্যাক্তি স্বার্থের instinct উপেক্ষা করে না, বরং এই instinct কে চ্যনেল করে সমাজ ও ব্যাক্তির দির্ঘ মেয়াদি স্বার্থ রক্ষায়। এটা করা হয় আইনে সঠিক ব্যাবহারের জন্য পুরস্কার বা বেঠিক ব্যাবহারের জন্য শাস্তি বা উভয় ব্যাবস্থা রেখে।"
আর
"সাধারনের জন্য যেমন আইনে সঠিক ব্যাবহারের জন্য পুরস্কার বা বেঠিক ব্যাবহারের জন্য শাস্তি বা উভয় ব্যাবস্থা রাখা আছে, তেমন ব্যাবস্থা আইন-প্রোয়গকারি আমলাতন্ত্রের জন্যও ছিল উপনিবেশিক আমল থেকেই। ওইসব আইন যুগোপোযোগি করা তো দূরে থাক, তাদের তদারকির দ্বায়িত্বে থাকা সরকার, আর সরকারের তদারকির দ্বায়িত্বে থাকা সংসদ, উভয়ই ব্যাক্তি এবং গোষ্ঠি স্বার্থে আমলাতন্ত্রের সাথে একাট্টা হয়ে সেইসব আইন হয় অপ্রোয়োগযোগ্য ভাবে শিথিল করেছে আর নাহয় সেগুলিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নিজেদের আখের গোছাচ্ছে।"
সমস্যা তো ভাই আইনের অভাব না, সমস্যা আইনের প্রয়োগ নিয়ে। আমাদের সর্ষের মধ্যেই ভুত।
আমাদের সরকার য়ার সংসদ যদি রেগুলেটরদের জন্য প্রযোজ্য আইনগুলি (সার্ভিস রুল এবং ক্রিমিনাল কোড) সঠিক ভাবে তাদের উপর প্রোয়োগের ব্যাবস্থা করতে পারেন, তবে দেখবেন আমলাতন্ত্র আর রেগুলেটররা ব্যাক্তি স্বার্থে, জেলে যাওয়া আর চাকরি হারানো এড়াতে সুর সুর করে ঘুষ আর দুর্নিতি ছাড়াই তাদের দ্বায়িত্ব পালন করছেন, আইনের যথাযথ প্রোয়োগ করছেন আমাদের উপর। আর আমরাও আমাদের ব্যক্তি স্বার্থেই শাস্তির ভয়ে ঠিক হয়ে যাব - যেমন হই সিঙ্গাপুর গেলে।
আমি কি ব্যাক্তি স্বার্থের ব্যাপারটা আপনাকে বোঝাতে পারলাম?
আর মূল্যবোধ বা নৈতিকতার চর্চা মুখের কথায় আসে না - কঠোর আইনি প্রয়োগেই এইগুলি আস্তে আস্তে প্রতিষ্ঠিত হয়, আর সেটা মাথা থেকেই শুরু করতে হয় (মানুষের মাথা আর গাছের শেকড় একই কথা)। মানুষ সাধারনত তার শাসক শ্রেনিকে অনুকরন করেই চলে - তারাই তার সাফল্যের মান্দন্ড।
না তার উত্তর আমার জানা নেই। এই ব্রেন সার্জারি বা ব্রেন ট্রন্সপ্লান্ট আদৌ কোনোদিন হবে কিনা তাই জানিনা।
তবে এইটুকু জানি এই ব্রেন সার্জারি বা ব্রেন ট্রন্সপ্লান্ট যদি কোনোদিন ঘটে, তা ঘটাবে এইদেশেরই মানুষ নতুন কোনো রাজনৈতিক উত্থানের মাধ্যমে - বিদেশিরা না। আর যদি তা না ঘটে, a failed state definitely awaits us; যখন অনেক দেরিতে, অনেক মূল্য দিয়ে আমাদের শাসক শ্রেনিও বুঝবে তাদের দির্ঘমেয়াদি ব্যাক্তি স্বার্থ, দেশের মানুষের সমষ্টিক স্বার্থের সাথে এক সুত্রে গাথা।
নির্বোধ
"বাঙ্গালির DNA তে প্রচন্ড মোচড় পড়ুক, সময় নাই "
http://nirbodh.wordpress.com/
_________________________________________
এলাম.........দেখলাম.........তবে এখনও জয় করিনি............
_________________________________________
বেসিক instinct যদি হয় স্বার্থ তাইলে আমি ঘুষ না দিয়াই কাজ করতে চাব তাই না? সরকারী কর্মচারী কে সরকার টাকা দেয় কাজ করার জন্য, ঘুষের বিনিময়ে কাজ করার জন্য নয় | সুতরাং জনগণ এখানে এক ধরনের শৃঙ্খল এ আবদ্ধ হয়ে আছে | এই ঘুষ নেয়াটা কারা শিখাইল? ব্যবসায়ীরা, অগরে ধইরা জেলে ঢুকান দরকার |
সরকারী কর্মচারীরা ঘুষ খায় কেন? বেতন কম বলে? বেতন কম কেন? রাজস্ষ কম বলে? রাজস্ষ বাড়ানো দরকার |
সরকারের একটা প্রতিষ্ঠান ও ঠিকভাবে কাজ করে না, একটি উদাহরণ:
BRTC, সরকার ইচ্ছা করলেই ঢাকা শহরের সব রুটে সরকারী বাস চালু করে বাসের ভাড়া কমায়ে আনতে পারে | BRTC বাসে ৫ টাকায় উঠলে কেউ ১২ টাকায় অন্য বাসে উঠবে না, একই কথা সারা দেশের জন্য |
আরেকটি উদাহরণ:
TCB কে শক্তিশালী করে সরকার সব ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কম দামে/সঠিক দামে দিতে পারে | sindicate যারা করে তাদের ব্যবসা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে তাইলে |
তত্বাবধায়ক সরকার ওদেরকে জেলে ঢুকিয়ে ছিল। ফলাফল নিম্নচাপ। যার খেসারত সাধারণ জনগন এখনো দিচ্ছে। যদি ধরে নেই, ব্যবসায়ীরাই ঘুষ খাওয়ার প্রচলন করেছে। যাদেরকে ঘুষ দেওয়া হচ্ছে, তারা খাবে কেন? বেতন কম বলে? ঘুষ খাওয়া বন্ধ করলেই রাজস্ব আয় বেড়ে যাবে। রাজস্ব আয় বাড়লেই সরকারের পক্ষে বেতন বাঁড়ানো সম্ভব। কেননা সকল দুর্নীতির মুখ্য উদ্দেশ্যই হচ্ছে ফাঁকি দেওয়া। এই ফাঁকি দেওয়াটার প্রধান পৃষ্টপোষনকারী হিসাবে আমি রাষ্ট্রকেই সর্বপ্রধান দুবৃর্ত্তকারী হিসাবে চিহ্নিত করব
ঘুষ বলেন আর দুর্নীতি বলেন, সব কিছুরই পৃষ্টপোষকতা হচ্ছে রাষ্ট্রীয়ভাবে চক্রাকারে দুবৃর্ত্তায়নের মাধ্যমে। তাই পরিবর্তনটি প্রয়োজন রাষ্ট্রের মাথা থেকে। রাষ্ট্র যখন কল্যানকামী হয়ে উঠবে, জনগন তখন কল্যানকামী চক্রে আবদ্ধ হতে বাধ্য।
ঠিক। কিন্তুঃ
লক্ষ্য করেন দুর্নিতির ব্যাপারে সরকারি আর বেসরকারি ক্ষেত্রে একটা মৌলিক পার্থক্য আছে।
সেইজন্যই আমদের সর্বসাধারনের মাথাব্যাথা শুধু সরকার ও তার আমলাতন্ত্রের দুর্নিতি নিয়া, আমাদের সমষ্টিগত স্বার্থে।
এই খোড়া যুক্তি বহু পুরোনো। বেতন কম কার চেয়ে, দেশের লক্ষ কোটি বেকারের চেয়ে কম? তাদের গড় বেতন এইদেশের মানুষের গড় আয়ের অনেক উপরে। তাদের যদি আরো বেশি বেতন পাওয়ার যোগ্যতা বা দক্ষতা থাকে বাংলাদেশের বা বাইরের বাজারে, তাইলে তারা সরকারি চাকরি ছাইড়া সেইখানে যায় না কেনো? তারা কি ঘুষ খায় তাদের কল্পিত ন্যায্য বেতন পর্যন্ত, তারপর ঘুষ খাওয়া থামাইয়া দেয়?
না, চাকরি হারানোর আর জেলে যাওয়ার ভয় না থাকাতে তাদের লোভের সিমা নাই। কালকে সকালে একশটা টপ ঘুষখোররে ফাসিতে লটকাইয়া দেন, দুপুরের মধ্যেই (ব্যাক্তি স্বার্থে) বাংলাদেশে ঘুষ বন্ধ হইয়া যাবে।
আর দুর্নিতি চলতে থাকলে আপনি রাজস্ব বাড়াইবেন কেমনে? প্রায় সব ঘুষ আর কমিশন তো হয় সরকারের টাক্স ফাকির বখরা নতুবা সরকাররে দিয়া ন্যায্য দামের চেয়ে বেশি দামে কিছু কিনানোর বখরা। তার উপরে দুর্নিতি সবচে বড় ক্ষতি করে অর্থনিতির, আপনি রাজস্ব বাড়াইবেন কেমনে?
নির্বোধ
"বাঙ্গালির DNA তে প্রচন্ড মোচড় পড়ুক, সময় নাই "
http://nirbodh.wordpress.com/
আইনের শাসন ও প্রয়োগ তো গোড়ার কথা, এটা থাকতেই হবে |
সরকারী অফিসাররা কথায় কথায় বলে বেতন কম, এজন্য আমি রাজস্ব বাড়ানোর কথা বলেছিলাম যাতে তাদেরকে পর্যাপ্ত বেতন দেয়া যায়, বেকারদের কর্মসংস্থান করা যায়, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রবর্তন করা যায় |
রাজস্ব বাড়ানো একদম সোজা, আমি বুঝি না এটাকে এত কঠিন মনে করে কেন সরকার, আমাকে দায়িত্ব দিলে ৬ মাসের মধ্যে tax collection ডাবল করে dibo |
দুলাল ভাইয়ের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমার একটি প্রতিমন্তব্য ডিলিট করা হয়েছে কেন বুঝলাম না?
* নতুন মন্তব্য লিখুন *