উত্তরাধিকারের ক্ষেত্র্র্রে নারী ও পুরুষের সমানাধিকার ইসলাম সম্মত ?

যারা মন্ত্রী পরিষদে পাশকৃত নারী নীতিমালায় উত্তরাধিকারের ক্ষেত্র্র্রে নারী ও পুরুষের সমানাধিকারের বিরোধীতা করছেন আমি মনে করি, বিষয়টা নিয়ে তাদের আরো ভাববার আছে। তাদের আলোচনায় সুরা নিসার ১১ ও ১৭৬ নম্বর আয়াতসহ মীরাস সম্পর্কীত অন্যান্য আয়াতের রেফারেন্স দিতে দেখি ।

আমি ইসলাম দরদী সেই সব বন্ধুদের বলতে চাই, কুরআন শরীফ খুলুন এবং দেখুন মীরাস এর আয়াতগুলো অবতীর্ণের সময়। সকল আয়াতই মদীনায় অবতীর্ণ। কেন ? কারণ এগুলো বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত ক্ষেত্র দরকার । একটা ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সেই ক্ষেত্র তৈরি হয়েছিল বলেই এই আয়াতগুলো মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।

কুরআন অবতীর্ণের পদ্ধতিটিও কিন্তু লক্ষ্যনীয়। অন্যান্য আসমানী কিতাবের মত এক সঙ্গে অবতীর্ণ না হয়ে ধীরে ধীরে অবতীর্ণ হওয়ার কারণ কি ? কারণ হলো- ইসলামী আইনগুলো অনেক বেশি ফ্লেক্সিবল এবং তা অবশ্যই পরিবেশ-পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ । যখন যে পরিবেশ তৈরী হয়েছে তখনই সে সংক্রান্ত আইন অবতীর্ণ হয়েছে।

ইসলাম আপনাকে শুকরের গোস্ত খাওয়ারও অনুমোদন দেয় যদি জীবন বাঁচানোর জন্য অন্য কোন উপকরণ আপনার কাছে না থাকে। কেন ? কারণ মানবতা। ইসলাম মানবতাকে সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়। মানবাধিকার লংঘন হলে ইসলামের প্রচলিত বিধি-বিধান অবশ্যই শিথিলযোগ্য।

যারা মনে করেন, অবতীর্ণ হয়ে যাবার পর কুরআনের সব আয়াত সব জায়গায় পালন করা ফরজ। তাদেরকে বলব, তাহলে আপনার এই মনে করাটাকে ইসলামের আলোকেই আরেকবার যাচাই করে নিন। ইসলাম কোন কিছুকেই আপনার উপর বোঝা হিসেবে চাপিয়ে দেয়না ।

এবার আসি ইসলামে নারীর অধিকার এবং মন্ত্রীপরিষদে পাশকৃত নারী নীতিমালা প্রসঙ্গে।

ইসলামী রাষ্ট্রে নারীর ভরণপোষনের দায়িত্ব সব সময় পুরুষের উপর ন্যস্ত থাকে। স্বামী-পিতা-ভাই-চাচা-মামা এমনকি শেষ পর্যন্ত যদি তার দায়িত্ব নেয়ার মত কোন পুরুষ জীবিত না থাকে তাহলে রাষ্ট্র সে দায়িত্ব নেয়। এ কারণেই ইসলাম দরদী বন্ধুগণ বলেন, ইসলামে আর্থিক সুবিধা পুরুষের চেয়ে নারীর বেশী।

কিন্তু আমাদের দেশে কি ইসলামী রাষ্ট্র্রের সে ব্যবস্থা বিদ্যমান ?

সুরা নিসায় বলা হয়েছে (আয়াত নং-৩৪)"পুরুষগণ নারীর তুলনায় মর্যাদাবান।কেননা আল্লাহ একজন থেকে আরেকজনকে বিশেষায়িত করেছেন (এটা এজন্য করা হয়েছে) যেহেতু পুরুষ নারীর জন্য অর্থ ব্যয় করে।" এই আয়াতাংশে স্পষ্ট করে নারীর উপর পুরুষের কর্তৃত্বের কারণ ব্যাখা করা হয়েছে। ইসলামী রাস্ট্রে নারীর কখনোই অর্থনৈতিক দায় নিতে হবেনা। এটা সবসময় পুরুষকেই বহন করতে হবে। আর এ কারণেই (ইসলামী রাষ্ট্রে)পুরুষ নারীর চেয়ে মর্যাদাবান।

আয়াতাংশে যে শর্তে পুরুষকে নারীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে (অর্থ ব্যয় করা) সে শর্ত যদি পুরুষ পালন না করে তাহলে কি হবে ? আরবীতে একটা কথা আছে " ইজা ফাতাশ-শারতু ফাতাল মাশরুত"। অর্থাৎ শর্ত অনুপস্থিত থাকলে মাশরুত (শর্ত প্রযোজ্য হলে যে কাজ করতে হত) পালনও দরকার নেই। একটা উদাহরণ দেই: নামাজ ফরজ হল সময় (ওয়াক্ত) হওয়া সপেক্ষে। এখানে ওয়াক্ত হল শর্ত আর নামজ পড়া হল মাশরুত। সুতরাং সময় না হলে নামাজ পড়তে হবেনা। এই আলোচনার পর আমরা কি বলতে পারি যে, পুরষ যদি নারীর জন্য অর্থ ব্যয় না করে তাহলে সে নারীর চেয়ে মর্যাদাবান হতে পারেনা ?

একই কথা কিন্তু মীরাসের ক্ষেত্রেও খাটে। আল্লাহ নারীকে কেন পুরুষের চেয়ে অর্ধেক সম্পদ দেবার কথা বলেছেন ? কারণ, ইসলাম দরদী সবাই বলবেন, ইসলামে আসলেই পুরুষের চেয়ে নারীর অর্থনৈতিক সুবিধা বেশী। কিন্তু যে সমাজে/রাষ্ট্রে এই আইন প্রয়োগ করতে চান সেই সমাজে/রাষ্ট্রে যদি নারী পুরুষের চেয়ে বেশি অর্থনৈতিক সুবিধা ভোগ না করে ? তাহলেও কি সে অর্ধেক সম্পত্তি পাবে ? আগের প্যারায় আমাদের প্রদর্শিত যুক্তি বলছে পাবেনা । যদি পায় তাহলে কি তা ন্যায় বিচার পরিপন্থী হবেনা ?

ঠিক এ কারণেই আমি মনে করি, মন্ত্রী পরিষদ কর্তৃক পাশকৃত নারী নীতিতে নারীকে সম্পদের উত্তরাধিকারের ক্ষেত্র্র্রে পুরুষের সমান দেয়াটা ঠিকই আছে। কারণ সমাজ/ রাষ্ট্র যদি ইসলামের অনুসারী না হয় তাহলে সেখানে ইসলামের আইন মানতে গেলে ইসলামের সৌন্দর্য যেমন নষ্ট হয় তেমনি জনজীবনে দুর্ভোগ নেমে আসতে পারে। আমাদের বুঝতে হবে, এই দেশ ইসলামের নিয়মে চলে না।

পরিশেষে, আমি ইসলাম দরদী বন্ধুদের বলতে চাই, আপনারা এ সমাজ/রাষ্ট্রকে ইসলামী সমাজ/রাষ্ট্রের সাথে গুলিয়ে ফেলে নারী নীতির বিরোধীতা করে প্রকারন্তরে নারী এবং ইসলাম উভয়েরই ক্ষতি করছেন। আসুন আরো ভালো করে ইসলাম সম্পর্কে জানি।

0
আপনার রেটিং: কোনোটি নয়

* প্রতিক্রিয়া *



আশ্চর্য ব্যাপার না?! এই লেখাটাতে কোনো কমেন্ট নাই... কোনটাতে আছে?! যেইখানে ধর্মকে ব্যবহার করে ফায়দা লোটার চান্স আছে, সেই লেখাতে হাজারে হাজারে কমেন্ট আর স্তুতি। ধর্মজীবীদের এসব ফাত্রামোর কারণেই যে- ধর্ম ক্রমশই বাতিলের খাতায় চলে যাচ্ছে- তাতে আর সন্দেহ কী?!

এই পোস্টটিকে কি কোনোভাবে স্টিকি করা সম্ভব?! চৌকিদার সাহেব...?! কনফিউজড




ব্যাপারটা মোটেও আশ্চর্যজনক না। কারন এই পোস্টে আলোচনা বা কমেন্ট করা হলে এই পোস্ট হিট খাবে। আর এই পোস্ট হিট খাওয়া মানে যারা ধর্মের নামে শোষন আর বানিজ্য করে এসেছে এতোদিন, যারা ধর্মের নামে লুটে পুটে খেয়েছে দেশ-মানুষ-নারী তাদের তো হাহাকার শুরু হয়ে যাবে। তাই এই পোস্ট নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা নাই!!
সেইসব ধর্মব্যাবসায়ীদের মুখে চপেটাঘাত করার জন্য এই পোস্ট স্টিকি করা হোক!!




আমি এই বিষয়ে আমার পরিচিত একজন মাওলানার সাথে আলাপ করেছিলাম। তিনিও দেখলাম যুক্তির চেয়ে রাজনীতিতে বেশি আগ্রহী।

ব্লগার যারা ধর্মের পক্ষে লেখেন তারাও দেখছি একই মানসিকতার! সামুতে দু-একজন আলোচনায় এসেছিলেন। তাও তেমন প্রবলভাবে নয়।

প্রথম মন্তব্য এবং স্টিকির অনুরোধ সব মিলিয়ে অনেক বড় ধন্যবাদ পাওনা রইল আপনার।




এই লেখাটা দেখে লগ-ইন না করে আর পারা গেলো না। অনন্য হয়েছে... এই ইস্যুতে এতো চমৎকার লেখা আর চোখে পড়েনি। ধর্ম নিয়ে ফায়দা লোটার চক্রের কারো যে এই লেখা পছন্দ হবার কথা নয়- তা বলাই বাহূল্য। পোস্টটি স্টিকি হোক।




কৃতজ্ঞতা। অনেক অনেক...




এটা মিস করলাম কিভাবে?! খাইছে! মাথা নষ্ট

চমৎকার একটি পোস্ট। ইসলামী রাষ্ট্রের অনুপস্হিতি ও ইসলামের বিধানের নমনী‌য়তা যদি ধর্মপ্রচারক বা ধর্মের ধামাধারীরা বুঝতো তাহলে আজ ইসলামের এই অবমুল্যায়ন হতো না।

অসংখ্য ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য। আমি ধর্মের পোস্টগুলো এড়িয়ে চলি আস্তিক ও নাস্তিকদের গোড়া মানসিকতার কচকচানি এড়াবার জন্য। আপনাকে অনুরোধ এই ধারার আরো পোস্ট করার জন্য যাতে মানুষ আরো জানতে পারে। থাম্বস আপ

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________




চমৎকার গঠনমূলক মন্তব্য।

অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।

চেষ্টা করব যতটুকু সাধ্যে কুলায়।




যে সময় এক শ্রেনীর ফতোয়াবাজ মোল্লা গোষ্টী সদ্য মন্ত্রীপরিষেদে অনুমোদিত নারীর অধিকার বিল নিয়ে ধর্মের কান্নায় বুক ভাসাচ্ছেন, ঠিক সে সময় এমন একটি লিখা আমাদের কাছে অবশ্যই অতীব গুরুত্বপুর্ণ। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার গুরুত্ব অপরিসীম।




ধন্যবাদ একাত্মতা প্রকাশের জন্য।




চিন্তায় আছি চশমা দিয়া দেইখ্যা লই বুখে আয় বাবুল

------------------------------------------------------------------------------
Stop business (politics) by liberation war & war criminals. We want to see the punishment of all the real war criminals as soon as possible.
---------------------------------




চকিদার সাহেব, পোষ্টটি কি স্টিকি করা যায় ?




আমিও স্টিকি করার অনুরোধ করলাম। গত কয়েকদিনের লাদিবর্ষনের মাঝে এই পোস্টটা হাইলাইট হওয়া দরকার।

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________




দুই দিনের দুনিয়া। মরে গেলে এসব বিষয়-সম্পত্তি-জায়গাজমি-সঞ্চয়-বাড়ি-সাম্রাজ্য-ক্ষমতা সবই তো হাওয়ায় মিলাবে...সঙ্গে যাবে সৎকর্মটুকু। আর এই অর্থহীন সম্পত্তির দখলবাজি নিয়ে বাঙ্গালী মুসলিম পুরুষগুলা লুঙ্গিতে গিট্টু দিয়া কী আস্ফালনটাই না প্রদর্শন করছে।

ছিঃ।

...............................................................................................

Patriotism is not short, frenzied outbursts of emotion, but the tranquil and steady dedication of a lifetime. ~Adlai Stevenson




অনেক দামী কথা বলেছেন।

হায়! যদি তারা বুঝতো!




ব্লগারদের অনুরোধের ভিত্তিতে পোস্টটি স্টিকি করা হলো।

ধন্যবাদান্তে
কর্তৃপক্ষ নাগরিকব্লগ।

____________________________
হাল ছেড়োনা বন্ধু, বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে...




অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা।




ফতোয়ার কারনে যখন হেনার মৃত্যু হয়েছিল তখন মডারেট মুসলিমরা বলেছিল, ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম না করে শুধু একটি আইনের প্রয়োগ আসলে ইসলামকে বিকৃতভাবে তুলে ধরার চলমান আন্তর্জাতিক এজেন্ডার অন্তর্ভূক্ত।কিন্তু ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম না থাকলেও উত্তরাধিকার আইন বলবৎ রাখতে তারা খুবই আগ্রহী।কেননা সমানাধিকারে মুসলমান পুরুষদের স্বার্থ ব্যহত হয়।

আর এই পোস্টের ব্যাপারে বলতে পারি,
ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম নাই।তাই ইসলামি আইনেরও দরকার নাই।

এইটাই পোস্টের মূল বক্তব্য হইতে পারত।কেবল উত্তরাধিকার ইস্যুতে নারী-পুরুষ সমানাধিকারকে টিকিয়ে রাখার জন্য ইসলামকে মানবিক করে দেখানোর কোন প্রয়োজন ছিল না।কেননা আরো অনেক ইস্যু আছে যেখানে ইসলামের অমানবিকতা দেখার মতোন।




সহমত




কখনো শাস্তি দেয়া মানবিক আবার কখনো অমানবিক। কখনো মাফ করে দেয়া মানবিক আবার কখনো অমানবিক। তবে এই সুক্ষ্ম বোধটুকু সহজেই এড়িয়ে গিয়ে নিজের পছন্দমত সময়ে এতে অমানবিকতার লেবাস জুড়ে দেয়া খুবই সম্ভব ।

আমি আপনার সাথে তর্কে জড়াতে চাইনা। ধর্ম নিয়ে যারা ধর্ম মানেননা তাদের সাথে তর্কে জড়াবার কোন বাসনা আমার নেই।

আমি শুধু ইসলাম পালন করেন এমন ব্যক্তিদের সাথে নিজের মতগুলো যাচাই করার জন্য আলোচনা করতে আগ্রহী। যদি আমার ভুল থাকে যাতে নিজেকে সুধরিয়ে নিতে পারি। আর যদি তারা মনে করেন তাদের ভুল হচ্ছে তাহলেও যেন তারা শুধরে নিতে পারে নিজেদের।

তবে আপনার বক্তব্যের প্রথম প্যারাটার সাথে একমত পুরোপুরি।




আপনার প্রতি অনুরোধ রইল কুরানের বাংলা তরজমা নিজে পড়ে দেখার জন্য। সেখানে কোন অমানবিক কিছু লেখা নেই। মানুষ ইসলামকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে অমানবিক কাজ করে। নিজেদের অশুভ ইচ্ছা চরিতার্থ করার জন্য কুরানের দোহাই দেয়।

অবিচল আমি
*************************************
শুধু স্বাধীনতার গান গাই.
*************************************




প্রস্তাবিত জাতীয় নারী নীতিতে উত্তরাধিকার সম্পদে নারীর সম-অধিকারের কথা বলাই হয়নি। এটি নিতান্তই রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষীদের নোংরা অপ-প্রচার। নীতিমালাটির বিরোধিতা করার আগে তারা এটি পড়ে দেখারও দরকার মনে করেনি। পত্রপত্রিকায় ভুল বা বিকৃত খবর পড়েই তারা 'চিলে কান নিয়েছে' ধরণের একটা চিৎকার দিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে।

যারা সম্পূর্ণ নীতিমালাটি পড়তে চান, তারা ডাউনলোড করতে পারেন নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mowca.gov.bd) থেকে (কয়েকবার চেষ্টা করেও ডাইরেক্ট লিংক যোগ করতে পারলাম না বলে দুঃখিত)।




ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আমিও নির্দ্বিধায় বলতে পারি- লেখাটা তৈরির আগে নারী নীতিমালা পড়িনি। আসলে চেষ্টা করেও সুযোগ করে উঠতে পারিনি।

লিংকের জন্য কৃতজ্ঞতা।




আগেই পড়েছিলাম মোবাইলে, তাই মন্তব্য করতে পারিনি। কে কি বললো তা নিয়ে মাথা ব্যথার কারন দেখিনা। একই বাবা-মায়ের সন্তান দুজনেই, সে ছেলে বা মেয়ে হোক, ভাগ তো সমান ই দেওয়া উচিৎ.........
আর বোনকে অর্ধেক ভাগ দিলে সমস্যা কোথায়? স্ত্রী-ও তো অর্ধেক আনবে শয়তান

__________________________________

হয়তো তুমি পাশেই আছো, তবু তোমায় ছুতে কি পাই?




বত্রিশপাটির হাসি




খুব চমতকার একটা পোস্ট.




আলোচনার সুবিধার্থে জাতীয় নারীনীতি' ২০১১ এখানে দিয়ে দিচ্ছি। চাইলে এখান থেকেই পড়ে নিতে পারেন, কিম্বা নামিয়েও নিতে পারেন দরকারে...

জাতীয় নারীনীতি' ২০১১

=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================




থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ থাম্বস আপ
চমৎকার জিনিস ভাই!!! থ্যাঙ্কস... খুশি




বড় উপকার করলেন ভাইডি। খুইজা পাইতাছিলামনা। উপরের লিংকটা দিয়াও নামাইতে পারতাছিলাম না।




সামুতে এই পোস্টটি দিয়েছিলাম। কয়েকজন এর বিরুদ্ধে কিছু যুক্তি দিয়েছিলেন। জানিনা সেগুলো এখানে তুলে ধরা ঠিক হবে কিনা ! তবু কয়েকটি তুলে দিলাম-

কুয়াশা বলেছেন: লেখক খুব সুন্দর আলোচনা করেছেন। যদি নারী পুরুষের সমান সম্পিত্ত পায় তাহলে নারীর কি কি সমস্যা হবে তা একটু বলি। এই আলোচনাটা আমার শোনা। দুইজন নারীর মধ্যে আলোচনার সারসংক্ষেপ তুলে ধরলাম। তাদের একজন আবার আইনজিবী আর অপর জন ফার্মাসিস্ট। দুই জনেই টিচার। তাদের স্বামীরাও প্রতিষ্ঠিত। তাদের আলোচনার মূল বিষয় বস্তু হচ্ছে

(১) নারীকে যদি স্বাধীনতা দিতে হয় তাহলে সবার আগে তাকে রান্না করার কাজ থেকে মুক্তি দিতে হবে তাহলেই তারা স্বাধীনতার কিছু সুফল ভোগ করতে পারবে। ল'ইয়ার ম্যাডাম একটা উদহারণ দিলেন তিনি কোন কাজে তার ভাইয়ের সাথে বাইরে গিয়েছিলেন সেখান থেকে ফিরতে প্রায় ১১টা বেজে যায়। বাসায় ফিরেই প্রথমে তাকে যে কাজটা করতে হয়েছে সেটা হচ্ছে তার স্বামীর জন্য রুটি বানাতে হয়েছে। কারণ তার স্বামী ডায়বেটিসর রোগী।

(২) নারী যদি সম্পত্তিতে সমান অধিকার পায় তাহলে পারিবারিক বন্ধন ভেঙ্গে যাবে। কারণ সে সমান অধিকারের ভিত্তিতে তার সম্পত্তি নিয়ে গিয়েছে। তার ভায়েরা তাকে আর দেখার দায়িত্ব মনে করবে না। এখন ঐ নারী যদি কখনো কোন বিপদে পড়ে তবে ভাইয়ের ফ্যামিলি থেকে কোন সাপর্ট পাওয়ার সম্ভবনা শূণ্য %। যদি কোন ভাই নারীর বিপদে এগিয়ে আসে তাহলে এটা হবে ঐ ভাইয়ের করুনা বা দয়া।

(৩) বর্তমান অবস্থাতেও নারী যতটুকু সম্পদ পায়, সাধারণত ঐ সম্পদে নারীর কোন কর্তীর্ত থাকেনা। সেটার দেখভাল স্বামীকেই করতে হয়। স্বামী যদি জোর করে বা অন্য কোন উপায়ে স্ত্রীর কাছ থেকে ঐ সম্পদ নিয়ে নিতে পারে তাহলে ঐ নারী হয়ে গেল একেবারে অসহায়। কারণ সে তার ভাইয়ের কাছ থেকেও কোন সহানুভূতি পাচ্ছে না তার স্বামীর কাছ থেকও পাবেনা। তাহলে সম্পদে সমান অধিকার থেকে তার লাভটা কি হল।

(৪) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা সেটা হচ্ছে মা বাবারা সাধারণত থাকে ছেলে সন্তানের দিকে। কখনও মেয়ে সন্তানের দিকে থাকে না। ৯৯% ক্ষেত্রে মা বাবার দেখাশুনা ছেলে সন্তানকে করতে হয়। মেয়েরা চাইলেও অনেক সময় কিছুই করতে পারেনা। তাহলে সম্পদে সমান অধিকার নিয়ে নারী পিতামাতার প্রতি কি দায়িত্ব পালন করবে সেটাও এই খসড়ায় উল্লেখ থাকা দরকার।

পরিশেষে দুই ম্যাডামের ঘোষনা আমরা ইসলামী আইনেই আমাদের সম্পত্তি নিব। আমরা শান্তি চাই।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন

১০ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনি যে চারটা পয়েন্ট উল্লেখ করলেন সেগুলোকে আপাত: দৃষ্টিতে ভাল যুক্তি বলে মনে হলেও প্রকৃত পক্ষে অপযুক্তি। একটু লক্ষ্য করুণ-

০১. কোন কোন বাসায় একাধিক কাজের লোক থাকে । কেন ? কারণ স্বামী-স্ত্রী দুজন মিলেও সব কাজ শেষ করতে পারেনা এজন্য অতিরিক্ত কাজের লোক দরকার। অথবা তাদের সংগতি আছে কাজের লোক রাখার। যেমন-রান্না করার জন্য, বাজার করার জন্য, বাগান পরিচর্যা, গাড়ী চালানো, বাচ্চাদের দেখাশোনা ইত্যাদি। এখন স্ত্রী যদি ইউনিভার্সিটির টিচার হয় তাকে আপনি রাতে এসে আপনার জন্য রুটি বানাতে বলতে পারেননা। এজন্য আপনাকে অবশ্যই একজন কাজের লোক রাখতে হবে। যেমনটি আপনাকে রাখতে হবে গাড়ীর জন্য ড্রাইভার। কোন নারীর এটা আশা করা ঠিক হবেনা তার স্বামিটিই গাড়ী ড্রাইভ করবে সব সময়।

০২.
কোন ফ্যামিলিতে দুই ভাই আছে। বাবার সম্পদ তারা সমান দুভাগে পেল। এখন যদি একজনের কোন বিপদ হয় তাহলে আরেকজন তার সাহায্যে আসবেনা ? কারণ দুজন সমান ভাগ পেয়েছে ? ভাই সমান পেলে যদি সমস্যা না হয় বোন সমান পেলেও সমস্যা হবার কথা নয়।

০৩.
স্বামী স্ত্রীর সম্পদ কেড়ে নিয়ে যাবে একারণে তাকে তার প্রাপ্য দেয়া হবেনা ? তাহলে তো ব্যাংকের লোকেরা গ্রাহকদের টাকা দিতে অস্বীকার করতে পারে । কারণ টাকা নিয়ে বের হলেই সে ছিনতাইকারীর কবলে পড়তে পারে।

০৪.
এখনকার বৃদ্ধাশ্রম গুলো কেনো ভরে যাচ্ছে ? ছেলেরা মা-বাবার সম্পদ পাচ্ছেনা বলে ?

আপনি আপনার মা-বাবার খেদমত করবেন তার সম্পদ পাবেন বলে নাকি কর্তব্যের খাতিরে ?

আপনার বাবা-মার কোন সম্পদ না থাকলে আপনি তাদের খেদমত করবেন না ?

যে যুক্তিগুলো দিলেন সেগুলো আদতেই যুক্তির মধ্যে পড়েনা সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। আসলে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন জরুরী। তাহলে দেখবেন যেগুলোকে সমস্যা মনে করছি সেগুলো আদতেই কোন সমস্যা নয়।
মুছে ফেলুন

৪. ১০ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৫:১২
শান্তি প্রিয় মানুষ বলেছেন: আপনি ওলামা লীগ করেন না কি?আপনার অবস্থা খুব একটা সুবিধার মনে হচ্ছে না। ইসলাম নিয়ে ফাযলামি করা থেকে বিরত থাকুন। আপনি সুরা নিসার মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়ে কি বোঝাতে চাচ্ছেন???

আমাদেরকে কি ফিডার খাওয়া শিশু মনে হয়?
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন

১০ ই মার্চ, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:০২

লেখক বলেছেন: সুরা তওবার ৪১ নং আয়াতটা দেখুন-এই আয়াতে বলা হয়েছে-

তোমরা বেরিয়ে পড় হালকা অথবা ভারী অবস্থায় (যে অবস্থায় থাকো সে অবস্থায়ই) এবং আল্লাহর পথে জেহাদ কর মাল ও জান- দিয়ে এটাই তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা বুঝতে পার।

এই আয়াতে ব্যবহৃত ইনফিরু (বেরিয়ে পড়) শব্দটি আমর বা আদেশবাচক। এর মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ এই আয়াত অনুযায়ী আপনার বাসায় বসে থাকা আল্লাহর আদেশের পরিপন্থী। তবু আপনি বাসায় বসে আছেন কেন ?

কারণ এই আদেশটা একটা বিশেষ প্রেক্ষিতে এসেছে। তাবুক যুদ্ধের আগে।রোমানদের সাথে সেই যুদ্ধে যাতে সবাই অংশগ্রহণ করে সে জন্য এই ব্যাপক আদেশ দেয়া হয়। (আরো ভাল হয় যদি আপনি সুরাটি ব্যাখ্যা সহ পড়েন)

অর্থাৎ কুরআনের আয়াত সর্ববস্থায়ই পালন করা ফরজ এটা মনে করা ঠিক নয়। এর জন্য ক্ষেত্র আছে পরিবেশ-পরিস্থিতি আছে।
মুছে ফেলুন

৫. ১০ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১০:১৭
পাগলমামা বলেছেন: আপনি নিজে সুরা নিসার ব্যাখ্যা ভাল করে দেখুন । আপনার কাছে যদি সুরা নিসার ১১ ও১৭৬ নং আয়াত রহিত হওয়ার শরয়ী কোন প্রমান থাকে তা উল্লেখ করুন । আপনি যে সমস্ত মনগড়া যুক্তি দিয়ে এই আয়াত দুটির হুকুম বাতিল বলতে চান এমন যুক্তি দিয়ে পবিত্র কুরআনের অনেক আয়াতের হুকুমকে আপনি বাতিল বলতে পারবেন । আল্লাহ তাআলা শরীয়তের বিধানাবলী পর্যায়ক্রমে অবর্তীন করেছেন । মীরাসের আয়াতগুলো মদীনায় কি প্রেক্ষাপটে অবতীর্ন হয়েছে ? যার কারনে আপনি সুরা নিসার এই দুই আয়াতের হুকুমকে বাতিল বলার দুঃসাহস দেখাচ্ছেন অনুগ্রহ করে তা স্পষ্ট করে বর্ণনা করুন । পরিশেষে একটি কথা বলি ঘুমন্ত ব্যাক্তিকে ঘুম থেকে জাগানো যায় ।কিন্তু যারা জেগে থেকে ঘুমানোর ভান করে তাদের জাগ্রত করা খুবই কঠিন ।
জবাব দিন|মুছে ফেলুন | ব্লক করুন

আপনার জবাবটি লিখুন

১৫ ই মার্চ, ২০১১ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: সময় কম থাকাতে আপনাকে আগের উত্তরটিই কপিপেস্ট করেছিলাম। আগের উত্তর যথেস্ট থাকলেও আরেকটা উদাহরণসহ জবাব দিলাম-

সুরা আল-মায়েদাহ্ এর ৩৮ নম্বর আয়াতে মহান রব্বুল আলামীন বলছেন- “চোর-পুরুষ বা নারী যেই হোক না কেন,উভয়ের হাত কেটে দাও। এটা তাদের কর্মফল এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত শাস্তি। আল্লাহ পরম পরাক্রান্তশালী এবং সর্বজ্ঞ।”

এই আয়াতের আদেশ আমরা কেন মানছিনা ? এর সম্ভাব্য যে উত্তরগুলো হতে পারে, সেগুলো হলো-
০১. এটা ইসলামী রাস্ট্র নয়। তাই এখানে ইসলামের এই হুকুম পালন করা যাবেনা।
০২. তখনি এই হুকুম প্রযোজ্য যখন চুরি করার কোন কারণ থাকবেনা। এবং চোর তার কোন প্রয়োজন মেটানোর জন্য নয় বরং বদঅভ্যাসের বশবর্তী হয়ে চুরি করবে। যেহেতু আমাদের দেশে মানুষের অভাব বেশী এবং সম্পদ বন্টনে রয়েছে অনেক অনিয়ম তাই এখানে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। ইত্যাদি।(এগুলো এদেশের আলেমরাই বলেন)

যত উত্তরই দেইনা কেন, এটা কিন্তু ঠিক এই আয়াতের হুকুম মানছিনা। এখন কথা হলো এই না মানাটা কি ইসলাম সম্মত হচ্ছে নাকি ইসলাম বিরুদ্ধ হচ্ছে ?

উপারের দুটি উত্তর যদি ঠিক হয়ে থাকে তাহলে এই না মানাটাও কিন্তু ইসলাম সম্মত হচ্ছে। আমরা আরো নিশ্চিত হই যখন দেখি এই আয়াত বাস্তবায়নের জন্য কোন আলেমকে কোন বিবৃতি দিতে না দেখি। সুতরাং কুরআনের আয়াত পালন না করাটাও ইসলাম সম্মত হতে পারে !

এরকম অনেক কুরআনী বিধান আমরা ইসলাম সম্মতভাবেই পালন করছিনা উপযুক্ত ক্ষেত্রের অভাবে। এমনকি অনেক আলেমও মনে করেন এদেশে ফতোয়া প্রদান করা ঠিক নয় কারণ এটা ইসলামী রাস্ট্রের কাজ।

যাহোক আর কথা বাড়াচ্ছি না । আমার ঘুম নিয়ে চিন্তা না করে নিজের দিকে তাকিয়ে দেখুন তো আপনি কি জেগে আছেন নাকি ঘুমিয়ে পার করছেন সময় ?




আপনার ইসলামের ব্যাপারে স্বচ্ছ ধারনা দেখে মুগ্ধ হলাম। চমৎকার উদাহরন দিয়েছেন। আমরা বেশীরভাগ তথাকথিত মুসলমান অক্ষরে অক্ষরে ইসলাম পালনের চেষ্টা করি কারন ইসলাম আমাদের চিন্তা করার যে আদেশ দেয় তা করায় আমাদের অনীহা অথবা শর্টকাটে মুসলমান হবার ইচ্ছা আমাদের মধ্যে প্রবল। প্যালেস্টাইনের মুসলিম ভাইয়ের জন্য অশ্রু বিসর্জন সহজ কারন তা কোন দায়বদ্ধতার জন্ম দেয় না কিন্তু নিজের চল্লিশ বাড়ীর মধ্যে যে মুসলমানটি না খেয়ে মারা যাচ্ছে তাকে নিয়ে আমরা বিব্রত নই কারন তাহলে তার ভরনপোষনের দায়ভারটি আমার কাধে চাপবে। মহানবী নামাজ পড়বার সময় তার নাতি তার পিঠ থেকে ঝুলে থাকতে পারলেও আমরা নামাজ পড়বার সময় নিয়মের বেড়াজালে নিজেদের আবদ্ধ করি। এখানেই আরেক পোস্টে আরেক তথাকথিত মুসলিম আমাকে জানালেন ইসলামিক রাষ্ট্রের অবনতির কারন বিধর্মীদের প্রবেশ অথচ যখন প্রমান দিলাম যে ইসলাম শুধু বিধর্মীদের বাসের অধিকারই দেয়না সংগে প্রচলিত আইনের বাইরে তাদের রাখে তখন উনি ডুব দিলেন। হাহাপগে

নারীকে সমাধিকার না দেয়ার পেছনে ঠুনকো আত্মাভিমান কাজ করে। যারা নিজেদের অবস্হানের ব্যাপারে নিজেরাই সন্দিহান তারাই জোর করে অন্যকে দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করে।এরা কি জানে যে ইসলামিক রাষ্ট্রেও স্বামীর জন্য রান্না বা শাশুড়ির সেবা যত্ন নারীর জন্য বাধকতা নয়? নারীকে যে ইসলামে নিজের সন্তানের যত্ন নেয়াকেও অপশনাল হিসেবে দেয়া হয়েছে তা কি এরা জানে? স্ত্রী যদি রাজী না হয় তাহলে এসবের জন্য লোক ভাড়া করা যে স্বামীর দায়িত্ব তা না জেনেই এই মুর্খরা চায় সম্পত্তির বেশীভাগ। বেশীভাগ যে এই কাজগুলো করার অর্থনৈতিক ক্ষমতার জন্য তা তারা সাবধানে এড়িয়ে যায়। ভন্ড মুসলমান কাফিরের চেয়ে বিপদজনক। আমি খাটি মুসলমান না, কিন্তু আমি ইসলাম নিয়ে পড়ালেখা করি বলেই আমি এদের জন্য করুণাও বোধ করিনা। লিংকটা দিলাম ভবিষ্যতে আপনার ব্যবহারের জন্য যদি আপনার কাছে না থেকে থাকে।

ইসলামে স্ত্রীর অধিকার

রাজকুমারী পড়ে দেখতে পারেন। মুসলমান পুরুষরা সবাই খারাপ না। ফেরেশতা

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________




দারুণ একটা মন্তব্যের জন্য প্রথমেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আর ইসলাম সম্পর্কে ধারনা কতটা স্বচ্ছ তা এখনো বলতে পারছিনা। আসলে যতটা ব্যাপক পড়াশোনা দরকার ততটা করা হয়ে উঠেনি।

আমি শুধু আল্লাহর কাছে একটা প্রার্থনাই করি যাতে আমি গোমরাহ হয়ে না যাই।




ওহহো! লিংকটার জন্য ধন্যবাদ জানাতে ভুলে গেছিলাম।




আপনার বক্তব্যের মূল প্রতিপাদ্য এই যে রাষ্ট্র যেহেতু ইসলামী আইনে চলে না সেহেতু অনৈসলামিক আইন চাপিয়ে দিলে তা মেনে নিতে হবে! আমার প্রশ্ন মানুষের জন্য রাষ্ট্র না রাষ্ট্রের জন্য মানুষ?

এ নিয়ে ভোটাভুটি হলে কয়টা ভোট এর পক্ষে পড়বে তা চিন্তার বিষয়, যদি ভোটদাতা আওয়ামী ভাদারা বাদে সাধারণ মানুষ হতো।

সে যাই হোক, আপনার পোস্টটি সাম্প্রদায়িক ভন্ডদের খোরাক হয়েছে।

ওহে গরুচোদা!!!!

এই বক্তব্য দানকারী হিপোক্রেটটা এখানে প্রথম কমেন্ট করেছে। যদিও তারা এখনো পর্যন্ত তাদের নারীদের পিতৃসম্পত্তিতে এক পয়সা দেয়া তো দূরের কথা, তালাকের অধিকারও দেয়নি। এমন অনেক নাটক সিনেমা আছে যেখানে দেখানো হয় মেয়েটা বাসররাতে আবিষ্কার করে স্বামী পাগল, নপুংসক কিন্তু ফেরার পথ নেই।

পুরোটা দেয়া যায় কিনা এ চিন্তা বাদ দিয়ে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের রক্তচক্ষু এড়িয়ে হিন্দু নারীদের পিতৃসম্পত্তিতে এক পয়সার অধিকার পারলে নিশ্চিত করুন।

আর হিপোক্রেটদের বলবো নিজের চরকায় তেল দাও।




যে মানুষ একজন বৃদ্ধের নরম "সুঁই" দিয়ে যুবতির তরুণ চামড়া "সেলাই" করবার পোস্ট দিয়ে ব্লগে গালি খায়, যে মানুষ ইউসুফ নবী কর্তৃক চৈনিক কুমারীর কৌমার্যহরণের লেখাকে পূজি করে সাহিত্যপ্রেম দেখায়... সে একই মানুষ যখন সৈয়দ হক-কে অশ্লীল বলে, হুমায়ূন আজাদকে শ্লীলতাহীন বলে এবং সর্বোপরি ইসলামিক আইন নিয়ে কথা বলতে আসে- তখন কি তাকে "ফাকিং হিপোক্রিট" বলা যায়?!

জ্বী হ্যাঁ, মিস্টার সত্য(!)কথন!!! উপরে দেয়া তিনটি লিঙ্ক-ই আপনার কর্ম ও কুকর্মের প্রমাণ! মজার ব্যাপার হলো... নাগরিকব্লগে পোস্ট মোছা যায় নাহ!!! হাহাহ... ধরাটা তাই খেতেই হলো... তাইনা?!

কর্তৃপক্ষের প্রতি আবেদন, একটি বিষয়ভিত্তিক পোস্টে উদ্দেশ্যমূলকভাবে ব্যক্তি আক্রমণের উষ্কানীদানের অভিযোগ করছি আমি। আপনারা ব্যবস্থা নিন, নইলে হয়তোবা আক্রমণের সামর্থ আমাকেও প্রমাণ করতে হতে পারে। স্টিকি হয়ে ঝুলে থাকা কোনো পোস্টে এজাতীয় পরিস্থিতি তৈরী হওয়াটা আশা করি আপনারা খুব ভালোভাবে নেবেন না!

বিঃদ্রঃ এই লোকটির আচরণ কিন্তু আসলেই সন্দেহজনক!! এডমিন খিয়াল কইরা...




আমি ভেবেছিলাম সত্যকথন, বা রসকথনের আর কোন কমেন্টে রিপ্লাই দেবো না। কিন্তু একটা কথা পরিষ্কার করা দরকার মনে হলো। সত্যকথনের যাবতীয় এক্টিভিটি (নাগরিকব্লগের) মূলত ইঙ্গিত দেয় তার নারী শরীরের প্রতি অসম্ভব বাসনাকে, এবং তার মূল আগ্রহের জায়গা হচ্ছে শারীরিক ভোগ বিলাস। এরপরেই আসে অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ মোচন, তাও ঐ একই সূত্র ধরে, নারী শরীর!
যে নারীকেই সম্পত্তি মনে করে, সে নারীদের সম্পত্তি ভাগ দিতে তা ইসলামী শর্ত মোতাবেক হোক, আর রাষ্ট্রীয় আইনেই হোক, আপত্তি জানাবে তাতে তো কোন দ্বিমত থাকার কথা না! আর এই পোস্ট নিয়ে সত্যকথনের অবশ্যি আপত্তি থাকবে, যেভাবে লেখকের অন্যব্লগে বিরূপ অভিজ্ঞতা হয়েছে, এই পোস্ট প্রকাশের পর। কারন, কেও যদি কারো ব্যবসায়িক স্বার্থে আঘাত করে, তাদের মূলধনে হাত দেয়, তখন তার ক্ষেপে ওঠাই স্বাভাবিক! সত্যকথন ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে, আগামী ধর্মকে বিশ্বাস করে এর পজিটিভ দিকগুলো তুলে ধরেছে, মূল পার্থক্য এখানেই! সত্যকথনের গাত্রহাদ এখানেই!




ভালো জিনিস খেয়াল করছেন চাচা!! আসলেও তো! আরেকটা ব্যপার দেখছেন? এই পোস্টে কেউ কিন্তু বিরূপ কোনো কমেন্ট করেনি যাতে করে ঝামেলা লাগতে পারে, কিন্তু এই লোক হুট কইরা আইসাই ফাযলামি কমেন্ট করে বসলো... আর দেখেন- কথায় কথা বাড়তে বাড়তে পোস্টের মূলবক্তব্য অন্য দিকে মোড় নিচ্ছে!!! আশ্চর্য...




সবাই বলুন ব্যা ব্যা। তারপর কাজের কথায় ফেরত আসুন। ফেরেশতা

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________




আমি কিন্তু কোন নবীর কথাই বলি নাই।

আমাদের নবীকে কি আপনাদের কৃষ্ণ পেয়েছেন? যার চরিত্রচিত্রণ করতে গিয়ে বড়ু চন্ডীদাস বলেছিলেন

দৃঢ় করি দুয়ি তনে
নখ দিল ঘন ঘনে

অর্থাৎ মামী রাধার দুই স্তনে ভাগ্নে কৃষ্ণ নখ গেঁথে দিল।

আপনারা কি মনে করেন যে আমরা আপনাদের দেবতার মত ঘাস খাই?কিছু জানি না?

আমি আমার পোস্টটায় নূর নবী দুলালের কমেন্টে কিন্তু হিন্দুধর্ম নিয়ে কিছুই বলি নি।কিন্তু আপনাদের হিপোক্রেসি সহ্য হয় না। তাই বলতে হয়।

ওইসব পোস্টগুলো ব্লগের পরিস্থিতি বাজিয়ে দেখার জন্য দিয়েছিলাম।




@ সত্যকথন - আপনার বক্তব্যকে কি কোন অর্থেই প্রাসঙ্গিক বলা যায় ?




অবশ্যই মানুষের জন্য রাষ্ট্র। আর তাই বাংলাদেশের আইন বর্তমান বিশ্বের এবং বর্তমান কালের উপযোগী করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। আর তাই, বিশ্ব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশকেই নিরপেক্ষ মুসলিম দেশ মনে করে। সবাইকে ঢালাও গালি দেয়া ঠিকনা। আমি এই পোষ্ট পছন্দ করেছি। কিন্তু আমি আওয়ামী কিংবা কোন রাজনৈতিক দল-ই সমর্থন করিনা।

বিঃ দ্রঃ আপনার মাথাটা ভাই ঠিক আছেতো?

অবিচল আমি
*************************************
শুধু স্বাধীনতার গান গাই.
*************************************




সত্যকথনের মাথাকি ঠিক আছে? তার প্রতি মন্তব্যেই সাম্প্রদায়িকতার বহিঃপ্রকাশ।
সত্যকথন, সাম্প্রদায়িকতার প্রসঙ্গ না টেনে যুক্তিতর্কের মাধ্যমে কথা বলা শিখেন নি ?

------------------------------------------------------------------------------
Stop business (politics) by liberation war & war criminals. We want to see the punishment of all the real war criminals as soon as possible.
---------------------------------




"আগামি" আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এতো সুন্দর একটা পোস্টের জন্য। আমার মনে হয় মীরাস-এর আয়াতগুলো মদীনায় অবতীর্ণ কারণ নবীজি তখন মদিনায় ছিলেন। যাহোক, আপনার লেখা পড়ে মনে হয় আপনি ইসলাম সম্পরকে অনেক কিছুই জানেন। আমার একটা ব্যাক্তিগত প্রশ্ন আছে। জাপানে শুকরের চর্বি অনেক কিছুতেই ব্যাবহার করে। ধরেন, অনেক instant noodles-এ, কিছু snacks-এ, জাপানিজ সবধরনের ন্যুডলস, তরকারি, fast-food, বাচ্চাদের দুধ (চর্বি ও হারের গুঁড়া ) ইত্যাদি। তাহলে সেক্ষেত্রে, আমাদের বাঁচার উপায় কি? আমরা হালাল ফুড শপ থেকে মাংস কিনে খাই। কিন্তু সবসময় ঘরের খাবার খাওয়া যায়না। বাইরে থেকে কিনতে হয়। সেক্ষেত্রে আমি নাহয় মাংস খেলামনা। কিন্তু, মাছের তরকারি যে মশলা দিয়ে রাঁধা, তাতেও যদি শুকরের কিছু মেশান থাকে? যেমন, এখাঙ্কার McDonalds-এ আমি হয়ত ফিশ বারগার আর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই খেতে পারি, কিন্তু এগুলোও নাকি অর্ধেক ভেজিটেবল অয়েল ও অর্ধেক শুকরের চর্বি মিশিয়ে, তাই দিয়ে ভাজে। অবশ্য সবই শোনা কথা। তারপরেও কি করব, বলুনতো?

আপনার প্রতি নিয়মিত লেখার অনুরোধ রইল। শুভকামনা।

অবিচল আমি
*************************************
শুধু স্বাধীনতার গান গাই.
*************************************




আপনার হালাল খাবার প্রিতী প্রশংসনীয়। অনেকেই এটা এখন আর মানেন না।

তবে ইসলামের বিধান হলো- (আমি যতদুর জানি) জীবন বিপন্ন হবার আশংকা থাকলেই কেবল শুকর বা মদ খাওয়া যেতে পারে। এবং ততটুকু পরিমান যতটুকু হলে বেঁচে থাকা যায়। অর্থাৎ প্রয়োজনাতিরিক্ত নয়।এছাড়া অন্য কোন অবস্থায় খাওয়া যাবেনা। তবে ঔষধে প্রয়োজন হলেও তা গ্রহণ করা যায় বলে জানি।




ভাই দুঃখিত্‌, কিছু না বলে পারলাম না। আমার মনে হয়ে আপনার উদ্দেশ্য ভাল, কিন্তু আর ও ভাল করে জেনে কিছু বলা উচিত। আপনি যা বললেন তার বেশির ভাগই অনেক টা মোল্লাদের মত, কারন মোল্লাদের আরবি আর কুরানের জ্ঞান এর একটা অহঙ্কার থাকে, আর তারা ধরা কে সরা জ্ঞান করতেও তারা পিছপা হয়ে না,আমি মোল্লাদের hate করি। আমি ALLAH কে ভাল বাসি। যাই হোক আপনি যেহেতু কুরান এর কিছু কথা বলছেন। আমি জানিনা আপনি কুরান কত টুকু জানেন। আপনি কি sure করে বলতে পারবেন, কুরান এর আলিফ-লাম-মিম, এর মানে কি? মোল্লারা বলে ALLAH ই ভাল জানে। জানি আপনি মোল্লা না। just try করেন। যদি না জানেন তাইলে জানার চেষ্টা করেন। আসলে অরা বাল ও জানে না। সালারা জানে কেমনে ভণ্ডামি করতে। আর তাদের লেখা তাআফসির নিয়ে আজ আপনার,আর আমার মত ছেলেরা বিপাকে পরে যায়ে। যাই হোক যেখানে প্রথম শব্দে গণ্ডগোল সেখানে পুরা কুরান ই একটা গোলক ধাঁধা, যাই হোক আপনি সুরা নিসার কথা বলছেন । আপনি শুধু ১০ বাজারে পাওয়া কুরান নেন তার পর তাদের মানে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন। আর কুরআন অবতীর্ণের পদ্ধতিটিও কিন্তু লক্ষ্যনীয়। অন্যান্য আসমানী কিতাবের মত এক সঙ্গে অবতীর্ণ না হয়ে ধীরে ধীরে অবতীর্ণ হওয়ার কারণ কি ? কারণ হলো- ইসলামী আইনগুলো অনেক বেশি ফ্লেক্সিবল এবং তা অবশ্যই পরিবেশ-পরিস্থিতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ । যখন যে পরিবেশ তৈরী হয়েছে তখনই সে সংক্রান্ত আইন অবতীর্ণ হয়েছে। আপনার এই লাইন তি নিয়ে আমার সমস্যা কুরান অবতিরন মানে টা কি আপনার জানা আছে? যদি থাকে দয়া করে জানাবেন কেমনে কুরান আর আগের গুলা অবতিরন হয়েছে, দয়া করে যদি না জানা থাকে তাইলে তাও জানাবেন, প্লিজ মোল্লাদের মত জবাব দিবেন না। আর আসমান তাও কি তাও জানাবেন। আগের কিতাবের ভিতর জাবুর নামে একটা কিতাব ছিল যা কিনা দাউদ (আঃ) এর উপর নাজিল হয়, ১০৪ এর মাঝে ওটা অনেক বড় কিতাব, টা জাবুর কে লিখছিল তাও জানাবেন। বাকি ১০০ খানা নাকি সহিফা, টা সহিফা গুলা কি সহিফার সময় কি কোন কলম আবিস্কার হইছিল। তাইলে সহিফা আর কিতাব মানে টা কি? আর সুতরাং সময় না হলে নামাজ পড়তে হবেনা। আপনার বেক্তিগত মতা মত এটা জানি। তার পর ও আমি বলি যে আগের নাবিরা কি আপনার এই কথা অনুযায়ী নামাজ পরসে নাকি? কুরান ে ৮২ জায়েগাএ সালাত কায়েম এর কথা বলা আসে, টা কিনা সবার জন্য ফরজ, নাবী দের জন্য ও , আগের নাবিরা ৫৫ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করছেন, আর আমরা নাবিজির মেরাজ এর উসছিলাএ discount হিসাবে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পাইসি, জা কিনা আমাদের মোল্লা গুস্তির আসল পুজি, অহঙ্কারের বিষয়, তাইলে কি আগের নাবিরা আর তাদের সাথিরা জাহান্নামি? আর যদি না জানা থাকে তাইলে জানার চেষ্টা করাই ভাল। আমাদের ধর্ম কে পুজি করে কোন মন্তব করা উচিত না। যদি না জানি। আমি নিজেও অনেক কিছু জানি না। কিন্তু আমি জানি আমার আল্লাহ কে আমার রাসুল কে আমার কুরান কে আমার আহ্লে বায়াত কে আমার মুরশিদ কে, তারাও আমাকে সমান ভাবেই চেনে, বাঙালি কিছু কুত্তার বাচ্ছা দের জন্য আর ভণ্ড মন্ত্রী দের জন্য আল্লাহর কুরান এর টানাটানি দরকার না। ইসলাম দরকার নিজের জন্য। আল্লাহ দরকার নিজের জন্য। আমি ঠিক হলে অন্যকে বলার অধিকার রাখি। না হলে কেমনে বলি ভাই। ভাই আমাকে মাফ করে দিয়েন। অনেক আজে বাজে কথা বলে ফেলসি। প্লিজ mind করবেন না। আপনি আমার ভাই as well as me also. আমি চাই আপনারা সবাই ঠিক টা বুঝুন, যদি জানতে চান আমাকে প্লিজ contact me in FB johnsmile123456789@yahoo.com অনেক কথা ছিল কিসসু বলতে পারলাম না। বত্রিশপাটির হাসি আমাকে মাফ করে দিয়েন। দয়া করে মনে কিছু নিবেন না। দেখা হবে brother.




আপনি যেইভাবে জগাখিচুরি কইরা কথাগুলা বইলা গেলেন তাতে মোললাগো থেকে বড় মোল্লা মনে হইতাছে আফনারে।(একটা ভেটকির ইমো হইপে)

আলিফলাম মীমের অর্থ জানার চেষ্টা করতে মানা করছে আল্লাহ নিজেই। আপনে কুরআন শরীফের সুরা আল-ইমরানের ৭ নম্বর আয়াতটা একবার ভাল কইরা পইড়া বুইঝ্যা লন।

নামাজের ওয়াক্ত যদি না হয় নামাজ পড়বেন কেম্নে ? জোহরের টাইম হইলেই জোহরের নামাজ পড়বেন। টাইম হবার আগে নামাজ পড়বেন কেম্নে ? এইটা আমার কতা মনে করতাছেন নাকি ?

যাইহোক যে বিষয়ের লেখা সে বিষয়ে যদি কোন জিজ্ঞাস্য থাকে তাইলে উত্তর দেবার আশা রাখি (যদি জানি, আরেকজনের কাছ থেকে জাইনা জানানোর কোন টাইম আমার নাই)




হা হা হা হা আমার হাসি পাচ্ছে যে "সত্যকথন" নামে এক bloger এর জন্য। আসলে তাদের কোন দোষ দেয়া যাবে না। উনি জানে না hypocrite (মুনাফেক) কারা? আসলে কাফের(অবিশ্বাসীদের) কোন দোষ নাই। তারা বোকা। আল্লাহ কে?এই কথাটা বলা কোন অন্যায় না। আর আপ্নারা সবাই ওনাকে যে ভাবে charge করছেন সেটাও ঠিক না। ইসলাম তাও বলে না। মুনাফেক রা কাফের দের থেকেও dangerous. বত্রিশপাটির হাসি ভাই রা ওনাকে বকবেন না। আমার মনে হয়ে উনি হুমায়ুন আজাদ সাহেবের ভক্ত। তাতে কিছু যায়ে আসে না। হুমায়ুন আজাদ সাহেব বেচারা ও কিসসু জানত না। বত্রিশপাটির হাসি । কিন্তু উনি সত্য বলার চেষ্টা করেছেন যতটুক তার মাথায়ে ধরেছে। আসলে ওটাও সত্য। কিন্তু আল্লাহর কুরান (not মোল্লাদের কুরান) অর থেকে বড় সত্য। ছোট মারবেল আর বড় মারবেল দুইটা সংঘর্ষ হলে কোনটা টিকবে বলেন? উনি যখন আসল সত্য কে জানবে তখন আর হুমায়ুন আজাদ এর ভক্ত থাকবে না আল্লাহ ভক্ত ই হবে আশা করি। যাই হোক শেষ কথা আপনার ছদ্ম নাম টা আমার পসন্দ না। আপনার গুরু হুমায়ুন আজাদ থাকলে সে এটা পসন্দ করতেন না। যারা নিজেকে সত্তবাদি বলে প্রচার করে তারাই আসল HYPOCRATE. যাই হোক ভাল থাকেন আমার ভুল হলে মাফ করে দিয়েন। পরে কথা হবে ভাই।







চাচা, আপনাকে স্যালুট। স্যাটায়ার সবাই পারে না। আপনি পারেন। আমি মুগ্ধ। মুগ্ধৈছি

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________




হাহাপগে হাহাপগে হাহাপগে হাহাপগে হাহাপগে হাহাপগে হাহাপগে হাহাপগে হাহাপগে হাহাপগে হাসি হাসি হাসি হাসি হাসি হাসি হাসি হাসি হাসি হাসি :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:

এত্তবরো বদ... !!!!!!




যাই হোক শেষ কথা আপনার ছদ্ম নাম টা আমার পসন্দ না। আপনার গুরু হুমায়ুন আজাদ থাকলে সে এটা পসন্দ করতেন না।

-কারে কইলেন ভাই ?




হাহাহাহা chowdhury uncle বত্রিশপাটির হাসি আমার কিসসু হবে না। oi hoga jo manjure KHUDA hoga,,,,,,,, বেশি হলে মোল্লারা মারবে। কিন্তু সহজ সরল মানুসের ভালবাসা পাব কারন ধোঁকাবাজ দের থেকে ওদের বাচাতে হবে।


* নতুন মন্তব্য লিখুন *

তথ্যটি সবাই দেখতে পাবে না। সংরক্ষিত থাকবে।
  • ওয়েবপেজের ঠিকানা এবং ইমেল ঠিকানা স্বয়ংক্রীয়ভাবে সংযুক্তিতে (লিংক) রূপ নেবে।
  • লাইন এবং প্যারাগ্রাফ স্বয়ংক্রীয়ভাবে ব্রেক করবে
  • টেক্সচুয়াল ইমোটিকন স্বয়ংক্রীয়ভাবে ইমেজে রূপ নেবে।

আরো বিস্তারিত ফর্ম্যাটিং অপশন (আবশ্যক নয়)

কোনো সফটওয়্যার ছাড়াই বাংলা লিখুন





(বাংলা ও ইংরেজী পরিবর্তন করতে Ctrl+G চাপুন)