একজন নিরীহ আবুল মকসুদ এবং হাইকোর্টের দাপুটেপনা

মহাস্থানগড় নিয়ে গতকাল ও আজ হাইকোর্ট যে আচরণ করেছে তাকে কি বলব বুঝতে পারছি না। ইদানীং আদালতের যে প্রবণতা দেখছি তা এক কথায় ভয়ঙ্কর। বেশ কিছুকাল ধরে শোনা যাচ্ছে আদালত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গদের শুনানীকালে দাঁড় করিয়ে রেখে শাস্তি দিচ্ছে। এটা কোন আইনে কিভাবে সম্ভব- তা জানি না। তবে এইটুকু আমরা জানি, ইদানীং হাইকোর্টে সংবিধান সংশোধন হচ্ছে। সেই সূত্রে বলা যায়, আদালতের পক্ষে সব কিছুই হয়তো সম্ভব। আমাদের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা ততটা শ্রদ্ধেয় নন, তাই আমরা প্রতিক্রিয়া দেখাই না। কিন্তু আদালতের দাপট গড়াতে গড়াতে অনেক দূর এগিয়েছে। বিশিষ্ট কলামিস্ট, গবেষক, বুদ্ধিজীবি সৈয়দ আবুল মকসুদকে হাইকোর্ট আজ দাঁড় করিয়ে রেখে শাস্তি দিয়েছে।

ঘটনার শুরু হয়েছে জনস্বার্থে মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। আবেদনের ফলে গত ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বগুড়ার মহাস্থানগড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনার আশপাশে নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। জানা যায় এ সময় হাইকোর্ট স্থানীয় পুরনো কিছু স্থাপনা রাখা না রাখার সিদ্ধান্তে দোলাচলে ছিলেন।
গতকাল বুধবার বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই নিয়ে শুনানীর আয়োজন হয়। এতে মহাস্থানগড় বিষয়ে স্বেচ্ছায় আদালতে লিখিত বক্তব্য জমা দেন সৈয়দ আবুল মকসুদ।
তিনি আদালতে বলেন, সীমাহীন উদ্বেগ ও বিস্ময়ের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, ওই মামলার (মহাস্থান গড়ে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা রক্ষা) শুনানিকালে এবং কয়েকদিন আগেও একই মামলার শুনানিতে আপনি (আদালত) মহাস্থান গড়ে হজরত সৈয়দ সুলতান মাহমুদ মাহীসওয়ারের মাজার প্রাঙ্গণের মসজিদটি ভেঙ্গে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া যায় কি না, সে পরামর্শ চেয়েছেন জেলা প্রশাসকের কাছে। তিনি বলেন, মসজিদ হোক, মন্দির হোক, প্যাগডা হোক বা গির্জা হোক, ভেঙ্গে সরিয়ে নেয়ার ঘটনা উপমহাদেশে নেই। মাজার প্রাঙ্গণের শতাধিক বছরের পুরনো মসজিদটি প্রত্নসম্পদেরই অংশ। আপনার মতো বিজ্ঞ বিচারক (বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী) এ কথা নিশ্চয়ই জানেন যে, পৃথিবীর কোন দেশের আদালতই সব ব্যাপারে বক্তব্য দেয়ার অধিকার রাখে না। যেমন- কোনোদিন কোনো দেশের আদালত বলতে পারে না ধর্মনির্বিশেষে রাষ্ট্রের সব পুরুষকে খাতনা করতে হবে অথবা করার প্রয়োজন নেই।
আপনি উপলব্ধি করতে পারেননি যে ওই প্রাচীন মসজিদ ভেঙ্গে অন্য জায়গায় সরিয়ে নিয়ে নতুন করে বানাতে উদ্যোগ নিলে গোটা বাংলাদেশের প্রতিটি জায়গায় আগুন জ্বলবে। সে আগুন নেভানোর সাধ্য কোনো সরকারের কোনো আইনশৃক্মখলা বাহিনীর থাকবে না। মসজিদ ভেঙ্গে সরানোর কথা বলে আপনি ইসলামী মৌলবাদীদের হাতে একটি বড় অস্ত্র তুলে দিয়েছেন। অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ হওয়ার জন্য আমাদের মন্দির-মসজিদের ওপর আঘাত হানার প্রয়োজন পড়ে না। একজন নাগরিক হিসেবে আমি আপনার কাছে বিশেষ দাবি জানাচ্ছি আপনার ওই বক্তব্য ও নির্দেশ প্রত্যাহার করুন এবং দেশকে সম্ভাব্য ভয়াবহ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করুন।
আবুল মক্সুদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আদলত। লিখিত বক্তব্যে আদালতের আদেশ ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে মর্মে আদালত অভিযোগ করেন। আদালত বলেন, আপনি দায়িত্বশীল ব্যক্তি। আদালতের আদেশ পড়ে আপনার লেখা উচিত ছিল। আদেশ তুলে ধরে আদালত বলেন, আমরা মসজিদ ভাঙার নির্দেশ দিইনি। মহাস্থানগড়ের মসজিদ, মাজারসহ প্রত্নতাত্তিক নিদর্শনগুলো সুরক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলাম। আবুল মকসুদকে উদ্দেশ করে আদালত বলেন, এটা দায়িত্বহীনতার পরিচয়। আপনার লেখার সুদূরপ্রসারী প্রভাব আছে। মসজিদ ভাঙার বিষয়ে বলেছেন। এটা মারাত্মক কথা। মসজিদ ভাঙার বিষয় কোথায় পেলেন? আবুল মকসুদ বলেন, পত্রিকায় দেখেছি।
আদালত বলেন, ‘আমাদের আদেশ ও আপনার লেখা সম্পূর্ণ বিপরীত। এটা আদালত অবমাননার শামিল। ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় হোক, এ লেখার মাধ্যমে সমাজের ও দেশের মারাত্মক ক্ষতি করেছেন। আপনার মতো দায়িত্বশীল মানুষ কীভাবে এমন দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেন! তিরস্কারের আর কোনো ভাষা নেই। মনে হচ্ছে, কারও দ্বারা মোটিভেটেড হয়ে এটা করেছেন।’ আদালত বলেন, কোর্ট সম্পর্কে আপনার কোন পরিস্কার ধারণা নেই। লিখিত বক্তব্যে যা লিখেছেন তা আদালত অবমাননার শামিল। এটা আপনার দায়িত্ববোধের বাইরে লিখেছেন। আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ। এ ধরনের একটি ভুল লেখনী আপনার মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনতে পারে। এধরণের লেখা লিখে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছেন। এ ধরনের বিভ্রান্ত ও উদ্দেশ্যমূলক লেখা সমাজে বিশৃঙখলা সৃষ্টি করতে পারে। আদালত এক পর্যায়ে বলেন, একটা লোক নিজেকে বুদ্ধিজীবী মনে করে, এটা একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য। আদালত বলেন, তিনি একটা ষড়যন্ত্রকে লালন করছেন। এ সময় সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, তিনি নিজেকে গান্ধীর অনুসারী বলে থাকেন। এ সময় আদালত বলে, কিভাবে গান্ধীর অনুসারী। তিনি একটি বুদ্ধিহীন লোক। তিনি যা লিখেছেন তা মারাত্মক। এক পর্যায়ে একজন আইনজীবী বলেন, তিনি একজন বুদ্ধিজীবী। তখন আদালত বলেন কিসের বুদ্ধিজীবী, তিনি একজন নির্বোধ। অপর এক আইনজীবী বলেন, তিনি জ্ঞানপাপী, তখন আদালত বলেন কিসের জ্ঞানপাপী, তিনি নির্বোধ। আদালত বলেন, কোর্ট সম্পর্কে আপনার কোন পরিষ্কার ধারণা নেই। আবার টেলিভিশন চ্যানেলে টক শোতে বড় বড় কথা বলেন। আদালত সম্পার্কে টিআইবির রিপোর্ট সাপোর্ট করেন। টাউট, বাটপাড়, দালাল-যারা ঘুষ নিয়েছে তাদের আদালতের অন্তর্ভুক্ত করে টিআইবি বিচার বিভাগের দুর্নীতির রিপোর্ট প্রকাশ করে। সে রিপোর্ট আপনারা সমর্থন করেন।
শেষে আদালত জানতে চান- আপনার এ বক্তব্যের জন্য আপনি দুঃখিত কি না। আদালতের এই অগ্নিমুর্তি দেখে হতভম্ব হয়ে যান আবুল মকসুদ। তিনি দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা প্রার্থনা করেন। আদালত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের জন্য রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সাথে সৈয়দ আবুল মকসুদ রাষ্ট্রবিরোধী কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন কি-না, তদন্ত করে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেয়া হয়। পাশাপাশি তাকে আজ বৃহস্পতিবার এফিডেভিট করে ক্ষমা চাইতে বলেছেন।

এর প্রেক্ষিতে আজ আবার আদালতে হাজির হন আবুল মকসুদ। আজও আদালতের ব্যবহার ছিল আলোচনায় আসার মতো। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে বেলা দেড়টা পর্যন্ত তাকে আদালতে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। পরে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের বিশেষ অনুরোধের প্রেক্ষিতে আদালত তাকে আজকের মতো অব্যাহতি দিয়ে পুনরায় হাজির হবার নির্দেশ দেন।
এটর্নি জেনারেলের অনুরোধে আদালত তার পূর্বের আদেশও সংশোধন করেছেন। পরিবর্তিত নির্দেশনা অনুযায়ী আবুল মকসুদের বিরুদ্ধে আদালতের (বিচারকদ্বয়ের) জীবন ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলার অভিযোগে মামলা দায়েরের জন্য সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া আবুল মকসুদের লিখিত কপি পুলিশের কাছে প্রেরণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ওই লেখায় রাষ্ট্রবিরোধী কোনো উপাদান আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার এবং শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দীন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন। সকাল সাড়ে ১০ টায় সৈয়দ আবুল মকসুদ বগুড়ার মহাস্থানগড় নিয়ে আদালতের আদেশের সমালোচনা করে লিখিত বক্তব্য হলফনামা আকারে আদালতে পেশ করতে আসেন। এ সময় আদালত তাকে তীব্র ভাষায় ভৎসনা করে দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত এটর্নি জেনারেল এম কে রহমান আদালতের কাছে আবুল মকসুদকে মার্জনা করার আবেদন জানালে আদালত তাকে সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, এ ধরনের বুদ্ধিজীবীর জন্যই দেশের আজ এ অবস্থা।

উল্লেখ্য, বেশ কিছুকাল ধরে আবুল মকসুদ আদালত, সরকার, বিচার ব্যবস্থা, ক্রসফায়ার নিয়ে কড়া সমালোচনা করে চলেছেন। গত ৩১ আগস্ট ২০১০ তারিখের প্রথম আলোতে তিনি লেখেন, ''কয়েক মাস ধরে আমাদের আদালত প্রচুর কাজ করছেন। রিটের পর রিটের শুনানি হচ্ছে। ত্বরিত রায় দেওয়া হচ্ছে বা রুল জারি হচ্ছে। ২৬ আগস্ট হাইকোর্ট সরকারের প্রতি রুল জারি করেছেন: রাজধানীর যানজট নিরসনে অবহেলা ও অদক্ষতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, ছয় সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে জবাব দিতে হবে। আমাদের পত্রিকা অনবরত লিখছে, মামলাজটের কারণে জনগণের ভোগান্তির শেষ নাই। আমি খুশি হব যদি আদালত তাঁর নিজের ওপর এমন একটি রুল জারি করেন: এত মামলাজটকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি ঢাকার যানজট দূর না হয়, তাহলে আমরা কী বুঝব? আমাদের সরকার ‘অদক্ষ’ ও ‘ব্যর্থ’? আদালতের হুকুমও?''
২৫ জানুয়ারি ২০১১ তারিখের প্রথম আলোতে তিনি লেখেন, ''২২ জানুয়ারি প্রথম আলোর মতামত জরিপের প্রশ্ন ছিল: টিআইবির জরিপ ভ্রান্ত ধারণার ভিত্তিতে করা, সুপ্রিম কোর্টের মূল্যায়ন কমিটির এ বক্তব্যের সঙ্গে কি আপনি একমত? ১১.২৪ শতাংশ বলেছেন ‘হ্যাঁ’। ৮৬.৭১ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, তাঁরা একমত নন। এখন যদি কেউ মামলা ঠুকে দেয়, উত্তরদাতাদের নাম-সাকিনসহ উপাত্তের বান্ডিল বগলে নিয়ে সম্পাদক ও বিভাগীয় সম্পাদককে ছুটতে হবে কোনো প্রত্যন্ত জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে।''
০৮ জানুয়ারী ২০১১ আবুল মকসুদ এক আলোচনায় বলেন, ''রাষ্ট্রে কি হচ্ছে তা জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে গুম ও হাজতখানায় মৃত্যুর ঘটনায় সরকার দায়ী। আসামি বা রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে চালানো হচ্ছে বর্বরতা। সীমান্ত এলাকায় পাখির মতো বাংলাদেশীদের হত্যা করছে বিএসএফ। এর বিরুদ্ধে সরকার কোন টু শব্দ করছে না।''

আবুল মকসুদ হচ্ছেন সেই ব্যক্তি, যিনি স্বদেশী আন্দোলনের ধাঁচে সেলাই ছাড়া লুঙ্গি ও এক প্রস্থ কাপড় গায়ে জড়িয়ে চলাফেরা করেন। লেখালেখি এবং তৎপরতার মধ্য দিয়ে প্রবীণ এই বুদ্ধিজীবি বাংলাদেশে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। আপনারাই বলুন, তার সঙ্গে আদালতের এই আচরণকে কিভাবে ব্যাখ্যা করা যায়?

0
আপনার রেটিং: কোনোটি নয়

* প্রতিক্রিয়া *

দার-ওয়ান মাইন্ড খাইয়েন না। প্রথম পাতায় আমার দুটো লেখা হয়ে গেছে। কিন্তু কি করব বলেন, দুপুরে খবরটা শুনে আর শান্ত থাকতে পারলাম না। আশা করি বিষয়টাকে ফ্লাডিং বলবেন না।

--------
হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, মাঝ রাতে ঘরে ফেরার পথে।
কোনো এক ব্যস্ত মহাসড়কের, পাশের গলিতে
ওরা আমাকে ডেকে নেবে।

হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, তবে নিজেকে আমার খুব ভয়।
হয়তো মরে যেতে যেতে ওদেরও, দু-একটা ধড়
কেটে নিতে পারি খুব নৃশংসতায়।

প্রিয় নাগরিক,
প্রথম পাতায় দুটি পোষ্ট করতে করতে বাধা নেই। নাগরিক বিধির ৬ নং ধারা মতে-

যে কোনো ধরনের ফ্লাডিং, স্প্যামিং, কোডিং মুছে দেয়া হবে। প্রথম পাতায় একজন ব্লগারের একটি পোস্ট-ই দেবার অনুরোধ করা হচ্ছে; তবে প্রথম পাতায় একজনের দুই-এর অধিক পোস্ট এলে তা ফ্লাডিং বলে গণ্য হবে এবং এই ক্ষেত্রে তৃতীয় পোস্ট-টি প্রথম পাতা হতে সরিয়ে দেয়া হবে।

সুতরাং আপনার পোষ্টটি ফ্লাডিং এর পর্যায়ে পড়ে না।
ধন্যবাদ।

__________________________________
হাল ছেড়ো না বন্ধু, বরং কণ্ঠ ছাড়ো জোরে . . . . .

আবুল মকসুদকে উদ্দেশ করে আদালত বলেন, এটা দায়িত্বহীনতার পরিচয়। আপনার লেখার সুদূরপ্রসারী প্রভাব আছে। মসজিদ ভাঙার বিষয়ে বলেছেন। এটা মারাত্মক কথা। মসজিদ ভাঙার বিষয় কোথায় পেলেন? আবুল মকসুদ বলেন, পত্রিকায় দেখেছি।

পত্রিকায় দেখা কোন সংবাদের ভিত্তিতে আদালতে বক্তব্য দেয়াটা বেশ বড় গাফেলতি। আদালতের অবস্হা যাই হোকনা কেন নিজের প্রস্তুতি ঠিক হওয়া উচিৎ ছিল। ছিদ্রান্বেষিরা ওনার এই একটা ভুলকে বারবার তুলে ধরে সঠিক কথাকেও ভুল প্রমান করার চেষ্টা করবে। দুঃখজনক ঘটনা।

রাজধানীর যানজট নিরসনে অবহেলা ও অদক্ষতাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, ছয় সপ্তাহের মধ্যে সরকারকে জবাব দিতে হবে। আমাদের পত্রিকা অনবরত লিখছে, মামলাজটের কারণে জনগণের ভোগান্তির শেষ নাই। আমি খুশি হব যদি আদালত তাঁর নিজের ওপর এমন একটি রুল জারি করেন: এত মামলাজটকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না। কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি ঢাকার যানজট দূর না হয়, তাহলে আমরা কী বুঝব?

এই ব্যাপারটাও বোধগম্য হল না। আদালত যদি যানজট নিরসনের জন্য সরকারকে নোটিশ পাঠায় তাতে সমস্যাটা কোথায়। নাকি বিচারবিভাগকে কম্পিউটারের মত হতে হবে যে ইনপ্যুট না দিলে আউটপ্যুট দেয়া যাবে না? আর ইনপ্যুট দেবার লোকই বা কোথায়? মামলাজটে ভোগা মানুষের চেয়ে যানজটে ভোগা লোকের সংখ্যা কি এতই নগন্য? একটা সিএনজির ভাড়া নিয়ন্ত্রনে আনতে পারার ব্যর্থতা বা যেখানে সেখানে বাস থামিয়ে যানজট বাধানো ঠেকানোর ব্যর্থতার ভার তবে কার?

এখন যদি কেউ মামলা ঠুকে দেয়, উত্তরদাতাদের নাম-সাকিনসহ উপাত্তের বান্ডিল বগলে নিয়ে সম্পাদক ও বিভাগীয় সম্পাদককে ছুটতে হবে কোনো প্রত্যন্ত জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে।

দরকার হলে তা করতে হবে বৈকি। বিজ্ঞাপনের কেন্দ্র থাকতে পারলে তথ্য সরবরাহ কেন্দ্র হিসেবে সেগুলো কে ব্যবহার করতে বাধা কোথায়? পত্রিকার প্রকাশিত তথ্যের জন্য দায়বদ্ধতা থাকতে হবে অবশ্যই।
বিভাগীয় সম্পাদকের বদলে লিগ্যাল বা নতুন একটি বিভাগ খুললেই হয় যাদের কাজ হবে এই ধরনের তথ্যবিষয়ক যেকোন ব্যাপারে পত্রিকার মুখপাত্র হিসেবে কাজ করা। এটা এমন কোন ব্যয়বহুল বা ঝামেলার কাজ নয় কিন্তু পত্রিকার জবাবদিহীতার ধারা শুরু করার ফলাফল সুদুরপ্রসারী হবে বলেই আমার বিশ্বাস। প্রমানসহ ঠিক খবর প্রচার করলেই তো আপনি নিরাপদ।

কনফিউজড ভাবতেছি

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________

আপনার এক নম্বর পয়েন্টের সঙ্গে আমি একমত। অবশ্যই মকসুদ স্যারের বক্তব্য রাখার আগে আরো জেনে নেয়া উচিৎ ছিলো।

দ্বিতীয় পয়েন্টে আপনি বলেছেন-

আদালত যদি যানজট নিরসনের জন্য সরকারকে নোটিশ পাঠায় তাতে সমস্যাটা কোথায়। নাকি বিচারবিভাগকে কম্পিউটারের মত হতে হবে যে ইনপ্যুট না দিলে আউটপ্যুট দেয়া যাবে না? আর ইনপ্যুট দেবার লোকই বা কোথায়? মামলাজটে ভোগা মানুষের চেয়ে যানজটে ভোগা লোকের সংখ্যা কি এতই নগন্য? একটা সিএনজির ভাড়া নিয়ন্ত্রনে আনতে পারার ব্যর্থতা বা যেখানে সেখানে বাস থামিয়ে যানজট বাধানো ঠেকানোর ব্যর্থতার ভার তবে কার?

আপনি এর আগে মকসুদ স্যারের পুরো বক্তব্যটা উদ্ধৃত করেননি। গুরুত্বপূর্ণ শেষ লাইনটা এড়িয়ে গেছেন। কেন- এটা একটা প্রশ্ন। তিনি বলেছিলেন-

কোনো নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি ঢাকার যানজট দূর না হয়, তাহলে আমরা কী বুঝব? আমাদের সরকার ‘অদক্ষ’ ও ‘ব্যর্থ’? আদালতের হুকুমও?''

আসলে সরকারকে নোটিশ পাঠানোর মধ্যে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে, এইখানে, এইসব নোটিশে আদৌ কোনো কাজ হচ্ছে না। এই দিয়ে কি বোঝা যায়? আমাদের সরকার ‘অদক্ষ’ ও ‘ব্যর্থ’? আদালতের হুকুমও? ঠিক এই প্রশ্নটাই তুলেছিলেন মকসুদ স্যার। ঘটনা হচ্ছে এই যে, মামলাজটের কোনো সমাধান আদালত দিতে পারছে না। পারছে না যানজটেরও। তবে সরকারকে ঠিকই আদালত রুল জারি করছে। কিন্তু নিজের বেলায় কোনো রুল নাই।

তৃতীয় পয়েন্টে আপনার বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত। তবে মকসুদ স্যার আদালতে যাবার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন নি। তিনি 'প্রত্যন্ত জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে'র বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এটা একটা সিস্টেমেটিক সমস্যা। একটি সংবাদ করে কোথায় কার কী মনে হলো আর সে মামলা ঠুকে দিল। সম্পাদক, প্রকাশককে যদি তাই নিয়ে জেলায় জেলায় ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা জজদের দরজায় ধর্ণা দিয়ে বেড়াতে হয় তাহলে তারা কাজ করবেন কখন?

পরিশেষে আপনার বক্তব্য থেকে কোনো উত্তর না পেয়ে প্রশ্ন করতে বাধ্য হচ্ছি, আবুল মকসুদের প্রতি আদালতের যে আচরণ তা আপনি কিভাবে দেখছেন?

--------
হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, মাঝ রাতে ঘরে ফেরার পথে।
কোনো এক ব্যস্ত মহাসড়কের, পাশের গলিতে
ওরা আমাকে ডেকে নেবে।

হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, তবে নিজেকে আমার খুব ভয়।
হয়তো মরে যেতে যেতে ওদেরও, দু-একটা ধড়
কেটে নিতে পারি খুব নৃশংসতায়।

আপনি এর আগে মকসুদ স্যারের পুরো বক্তব্যটা উদ্ধৃত করেননি। গুরুত্বপূর্ণ শেষ লাইনটা এড়িয়ে গেছেন।

আমি এড়িয়ে যাইনি। ঐ কথাটা বলার দরকার ছিলো বলে মনে হয়নি। না পারলে অবশ্যই সরকার ব্যর্থ এই বিষয়ে। সরকারের জবাবদিহীতাও প্রয়োজন। তবে একটি বিষয়ে ব্যর্থ হলেই সরকার সম্পুর্ন ব্যর্থ তা বলাও সমিচীন নয়।

তবে মকসুদ স্যার আদালতে যাবার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন নি। তিনি 'প্রত্যন্ত জেলার ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে'র বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। এটা একটা সিস্টেমেটিক সমস্যা। একটি সংবাদ করে কোথায় কার কী মনে হলো আর সে মামলা ঠুকে দিল। সম্পাদক, প্রকাশককে যদি তাই নিয়ে জেলায় জেলায় ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা জজদের দরজায় ধর্ণা দিয়ে বেড়াতে হয় তাহলে তারা কাজ করবেন কখন?

এর সমাধান আমি আমার পোস্টে দিয়েছি। সম্পাদককে নয়, আদালত চাইবেন পত্রিকার মুখপাত্রকে। তার সমাধানটা বেশ সহজ। কার জন্য কাজটা কঠিন হবে বলে আইনের ব্যবহার সীমিত করা কোন সমাধান হতে পারে না।

পরিশেষে আপনার বক্তব্য থেকে কোনো উত্তর না পেয়ে প্রশ্ন করতে বাধ্য হচ্ছি, আবুল মকসুদের প্রতি আদালতের যে আচরণ তা আপনি কিভাবে দেখছেন?

আদালতের ব্যবহার নিয়ে রাজকুমারীর পোস্টে আমার উত্তরগুলোই কি যথেষ্ট নয়? অবশ্যই ভাষার ব্যবহারে আর শালীনতা আশা করা উচিৎ। তবে বিচারকের মসজিদ বিষয়ক কার্য্যকলাপ নিয়ে যে বক্তব্য পেশ করা হয়েছে তা কিন্তু প্রমানীত হয়েছে কিনা তা এই পোস্ট পড়ে বোঝা গেল না। যদি তা প্রমান না হয় তাহলে নিজের আঙিনায় এসে কেউ অপবাদ দিলে মাথা ঠান্ডা রাখা একটু কঠিন। তবে তারপরও এই ব্যবহার এবং ভাষা কাম্য নয়।

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________

পত্রিকার মুখপাত্র বলেন আর নতুন যাই বলি, মোটকথা হচ্ছে, এভাবে পত্রিকা অলাদের না দাবড়ে এই বিষয়াওক একটা সিস্টেম দাঁড় করানো উচিৎ। সব আদালতে না করে নির্দিষ্ট একটি আদালত এইজন্য ঠিক করে দিলে পত্রিকা অলাদের আর সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে হয় না।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

--------
হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, মাঝ রাতে ঘরে ফেরার পথে।
কোনো এক ব্যস্ত মহাসড়কের, পাশের গলিতে
ওরা আমাকে ডেকে নেবে।

হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, তবে নিজেকে আমার খুব ভয়।
হয়তো মরে যেতে যেতে ওদেরও, দু-একটা ধড়
কেটে নিতে পারি খুব নৃশংসতায়।

সব আদালতে না করে নির্দিষ্ট একটি আদালত এইজন্য ঠিক করে দিলে পত্রিকা অলাদের আর সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতে হয় না।

এটাও চলতে পারে। ভাল সমাধান। কেস যেখানেই হোক, ট্রান্সফার হয়ে ওখানে চলে আসবে।

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________

আদালতের এই বিষয়টা নিয়ে আমার মনে হয় প্রত্যেকের কথা বলা উচিৎ

--------
হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, মাঝ রাতে ঘরে ফেরার পথে।
কোনো এক ব্যস্ত মহাসড়কের, পাশের গলিতে
ওরা আমাকে ডেকে নেবে।

হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, তবে নিজেকে আমার খুব ভয়।
হয়তো মরে যেতে যেতে ওদেরও, দু-একটা ধড়
কেটে নিতে পারি খুব নৃশংসতায়।

"এক পর্যায়ে একজন আইনজীবী বলেন, তিনি একজন বুদ্ধিজীবী। তখন আদালত বলেন কিসের বুদ্ধিজীবী, তিনি একজন নির্বোধ।

অপর এক আইনজীবী বলেন, তিনি জ্ঞানপাপী, তখন আদালত বলেন কিসের জ্ঞানপাপী, তিনি নির্বোধ।

আদালত বলেন, কোর্ট সম্পর্কে আপনার কোন পরিষ্কার ধারণা নেই। আবার টেলিভিশন চ্যানেলে টক শোতে বড় বড় কথা বলেন। আদালত সম্পার্কে টিআইবির রিপোর্ট সাপোর্ট করেন। টাউট, বাটপাড়, দালাল-যারা ঘুষ নিয়েছে তাদের আদালতের অন্তর্ভুক্ত করে টিআইবি বিচার বিভাগের দুর্নীতির রিপোর্ট প্রকাশ করে। সে রিপোর্ট আপনারা সমর্থন করেন।"

......ভদ্র এবং বিনীতভাবেও অন্যের সমালোচনা করা যায়, এটা দেশী আইনজীবিরা আজও শিখলো না। ভরা আদালতে প্রকাশ্যে কাউকে 'নির্বোধ'..'জ্ঞানপাপী' বলা কতটা অশালীন, আনপ্রফেশনাল এটা ওনারা কবে বুঝবেন?!

'RESPECT' জিনিসটার চর্চা আর কেউ বোধয় করে না।

...............................................................................................

Patriotism is not short, frenzied outbursts of emotion, but the tranquil and steady dedication of a lifetime. ~Adlai Stevenson

বুর্জোয়া রাষ্ট্রে আদালত অনেক উর্ধ্বে। তার কোনো দোষ নাই। কথা বার্তায় সাবধান। আদালত অবমাননার কিন্তু বিশাল সাজা...

--------
হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, মাঝ রাতে ঘরে ফেরার পথে।
কোনো এক ব্যস্ত মহাসড়কের, পাশের গলিতে
ওরা আমাকে ডেকে নেবে।

হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, তবে নিজেকে আমার খুব ভয়।
হয়তো মরে যেতে যেতে ওদেরও, দু-একটা ধড়
কেটে নিতে পারি খুব নৃশংসতায়।

......ভদ্র এবং বিনীতভাবেও অন্যের সমালোচনা করা যায়, এটা দেশী আইনজীবিরা আজও শিখলো না। ভরা আদালতে প্রকাশ্যে কাউকে 'নির্বোধ'..'জ্ঞানপাপী' বলা কতটা অশালীন, আনপ্রফেশনাল এটা ওনারা কবে বুঝবেন?!

'RESPECT' জিনিসটার চর্চা আর কেউ বোধয় করে না।

বড় বড় রাজনৈতিক মামলার সময় ওনারা নিজেদের সংগে নিজেরা যে ব্যবহার করেন এবং ভাষা প্রয়োগ করেন তার তুলনায় এটা কিছুই না। যারা স্বগোত্রের কলার চেপে মুখে জুতা মারতে দ্বিধা করেন না তাদের কাছে ভদ্রতা আশা করাই বাতুলতা। আর উছিলা পেলে তো কথাই নেই।

পুরো দেশটাই এমন। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মিছিলে এক ছাত্রীকে ক্যামেরার সামনে পুলিশ বলেছিলেন "পড়ালেখা তোর হোগার মইধ্যে ভইরা দিমু"। এই দেশে এখন ভদ্রতা/সম্মান প্রদর্শনকে দুর্বলতা প্রদর্শন বলে ধরা হয়।

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________

জানি।

ব্যক্তিগত জীবনে এত লাথ্থি গুতা খাই, শুধু মাত্র ভদ্র হবার কারনে মন খারাপ আমার বাবা আট বছর আগে একটা বাণী দিয়েছিলেন, "তুমি এই সমাজে অচল"...

"এই দেশে এখন ভদ্রতা/সম্মান প্রদর্শনকে দুর্বলতা প্রদর্শন বলে ধরা হয়"...খুব সত্য এই কথাটা।ঠিকই বলেছেন।

ও হ্যাঁ, আনিসকে অনেক ধন্যবাদ এই পোস্টের জন্য ফুল

...............................................................................................

Patriotism is not short, frenzied outbursts of emotion, but the tranquil and steady dedication of a lifetime. ~Adlai Stevenson

ব্যক্তিগত জীবনে এত লাথ্থি গুতা খাই, শুধু মাত্র ভদ্র হবার কারনে মন খারাপ আমার বাবা আট বছর আগে একটা বাণী দিয়েছিলেন, "তুমি এই সমাজে অচল"...

এটার আরেকটা কারন ভদ্রতার সংগে কাউকে ধুয়ে দিতে মেধা লাগে। গালিগালাজ বা অসম্মান ওই কোর্টের উকিলও পারে আবার কারওয়ান বাজারের রেললাইনের পাশে পরে থাকা মাদকাসক্ত মানুষটাও পারে। মেধাহীনরাই আজ মেজরিটি। আর মেধাবী মানুষদের প্রতি তাদের ঘৃণাও অপরিসীম।

সমাজে অচল হবার মাঝে লজ্জার কিছু নেই। আমি লজ্জিত সমাজটা অচল হয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে।

_______________________________________________________
I am the flail of god.. Had you not committed great sins, God would not have sent a punishment like me upon you..
_______________________________________________________

আরো খারাপভাবে বলে। আপনি ঠিক বলছেন।

--------
হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, মাঝ রাতে ঘরে ফেরার পথে।
কোনো এক ব্যস্ত মহাসড়কের, পাশের গলিতে
ওরা আমাকে ডেকে নেবে।

হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, তবে নিজেকে আমার খুব ভয়।
হয়তো মরে যেতে যেতে ওদেরও, দু-একটা ধড়
কেটে নিতে পারি খুব নৃশংসতায়।

comments dite chai na tarporo kichkichu bepare comments na die akebarei thakte pari na......ato joghonno akta biased post ami r dekhi nai...na bujhe shune ultapalta boltesen.....akta jinish mone rakhben akta desher puro merudondo venge pore jokhon kono bichar babostha ar upar aghat ashe.....apni nishchoy law ar kono student na....tai law na jenei post diechen....jaihok torko korle onek bepare torko kora jai....ai jemon apni jodi mone koren adalot kano golam azam ar moto rajakar ke citizenship dilo????aita jante hole ar sathe related law apnake jantei hobe(jemon constitution,passport act etc)....akta kotha mone rakhben,plz,kokhono law nd morality ke ak korben na...tara kokhonoi ak na......

ami manchi je adalot nirbodh ba gyanpapi kotha gulo bole thik koren nai....tobe aitao mone rakhben mohamanno adalat ke, ki language janab maksud saheb treat korechen......age to vai cause then effect.....valo kore maksud saheb ar lekha pore dekhun.....ai jemon janab asif ar comment ta dekhen....paper dekhe keu masjid vangar kotha nie adalat a kono bekti jodi ashe abong jodi adalat sheita na bolen abong proman nie ashte bolen abong amon akjon lok kothata bolen jini society te khub namkora intellectual aishob hisheb thik rekhe adalat unake nirbodh ba gyanpapi bole kom e bolechen....ami thakle bekub chara r kichu boltam na......

akta kotha boli onek kothaito bolte echche kore...ai engli/banglish a valo lage na...shikhe newar time o nai.....adalat kon context nd kon situation ai kotha gulo bolchen tao lekhar time a apnar uchit chilo valo kore jana....society hochche amader main priority.....

aita thik je bangladesh a inferior court gulo te onek onek corruption hoi...aita shobaiu jane...tarporeo shesh asroy akjon bangladeshi hishebe amader court e.....

nagorik blog a akta mojar jinish lokhkho korlam je kono negative news nie keu likhlei sheita hoi sticky hoi r na hoi khub read hoi....r valo kono khobor ba deshe keu korle nagorik ar keu sheita nie leke na nd likhleo sheita sticky hoi na.....aitar karon ki?????

হুদাই বিশাল একটা কমেন্ট দিয়া বইসা আছেন। আবার কন কমেন্ট দিতে চাই না। আরে মিয়া, একটা লোক পত্রিকায় পড়ছে, পইড়া আদালতে ছুইটা গেছে। এটা দায়িত্বশীলতার পরিচয় না? আদালতের উচিৎ ছিলো তাকে স্বাগত জানানো। যে পত্রিকা ভুল তথ্য দিয়েছে তাদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার ব্যবস্থা নেয়া। তা না কইরা আদালত ভাব লইলো- হু, আমারে চিনো? আমার ওপরে কোনো কথা চলে না। আদালতের এই মারমুখি আচরণটা লইয়াই আমার মাথাব্যথা। আপনি কন আদালত এই, আদালত সেই। কিন্তু সেটা তো ধ্রুব কিছু না। আদালত কি বদলায় না? তার দৃষ্টিভঙ্গি, নীতি অনুযায়ী সে একেক ধরণের সিদ্ধান্ত দেয়। বুর্জোয়া রাষ্ট্রে এক রকম, সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আরেক রকম। ইসলামি বা অন্য কোনো মতাদর্শের দেশে তা হবে আরেক রকম। সুতরাং আদালত, বিচার ব্যবস্থা এমন কোনো পবিত্র বিষয় না যা নিয়ে কেউ কথা বলতে পারবে না। বা বললে তাকে দাঁড়িয়ে থেকে শাস্তি পেতে হবে।

আরেকটা কথা, নাগরিকে লিখি দীর্ঘদিন। কেউ বলতে পারবে না, কোথাও কখনো কোনো বাজে মন্তব্য করেছি। আমার লেখায়ও কোনো বাজে মন্তব্য আমি পছন্দ করি না। আপনি লিখেছেন-

ami thakle bekub chara r kichu boltam na......

সংযত ভাষায় বক্তব্য রাখার চেষ্টা করবেন। নইলে মন্তব্য করতে আসবেন না।

--------
হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, মাঝ রাতে ঘরে ফেরার পথে।
কোনো এক ব্যস্ত মহাসড়কের, পাশের গলিতে
ওরা আমাকে ডেকে নেবে।

হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, তবে নিজেকে আমার খুব ভয়।
হয়তো মরে যেতে যেতে ওদেরও, দু-একটা ধড়
কেটে নিতে পারি খুব নৃশংসতায়।

asif hasan ar shob comments ar sathe ami akmot....vai bangla likhte pari na r comments lekhar time o nai....vai asif apni ai post lekhok ke bolen to na bujheshune adalat nie ultapalta kichu na likhte....ai mr moksud akjon nirbodh noi shudhu bekub o bote.....

remand ar system nie mohamanno HIGH COURT ar akta chomotkar judgement ache 25 DLR nie...Bangladesh vs Rubel hossain......ai case shob bole dewa ache je kivabe remand theke manush ke udhdhar korte hobe nd remand ar system nie....but afsos je Bangladesh govt ai judgment implement korche na....ai decision pupuri executive ar judiciary department ar kichui korar nei....

rule jari kora ki apni bujhen vai saheb?????rule jari kora manei je govt k bartho ba r kiki bolche ta bola ai definition apni koi paisen????law na jene adalat nie ultapalta post dewa thik na re vai....

Abaro boli je amara shobai jani je onno developing countries gulor moto bangladesher judiciary to corruption hoi....aita na manar kono upai nei.....but adalat ar boktobbo valo kore kheal koren...adalat bole nai je apni upojukto proman anle amra apnar TIB report manbo na....but adalat shudhu bolche je apnader report vranto biswas nie kora....jeheto unara kono shothik proman dite pare nai report nie....tai adalat report ta ke puropuri oshotto bolen nai...but bolchen je vranto biswas nie kora...apni shothik proman nie jan .....honourable HIGH COURT thik e apnar report accept korben....

ধিক,ধিক,লজ্জা।লজ্জা। আমরা লজ্জিত মকসুদ স্যার, এ জাতি কখনোই গুণীর কদর করতে শিখলোনা।মাননীয় বিচারপতি মহোদোয়,সময় একদিন আসবে যেদিন আপনাদের সাথে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে।ইতিহাস কাউকে ছেড়ে কথা বলেনা।

___________________
মুক্ত চিন্তায় মুখরিত হোক যুক্তির জয়গান।

কখনো কখনো আমাদের আত্মসম্মান পাকা পুঁজের মত ফুলে উঠে টনটন করে। কখনো কখনো আমাদের পাছা বা দরজায় লাথি মেরেও কেউ কেউ পুরস্কৃত হয়। আবার কখনো বন্দুকের নলের মুখে আমাদের আত্মসম্মান কাছিমের মত খোলের ভেতরে গুটিয়ে গিয়ে 'ডকট্রিন অব নেসেসিটি' তত্ত্বে আড়াল খোঁজে।

কখনো আমরা চরম অহঙ্কারী ঈশ্বর, কখনো বা ভৃত্য। যখন ঈশ্বর দশা চলে তখন আত্মসম্মানের জ্বালায় কোষ্ঠকাঠিণ্যে ভুগি। আর যখন ভৃত্য দশা চলে তখন বুট জুতার পলিশটাকে স্বহস্তে চকচকে করে দি।

সেলুকাস ভাইজান কি ধারেকাছে কোথাও আছেন ?

"Small acts, when multiplied by millions of people, can transform the world." - Howard Zinn

আপনার কমেন্ট পইড়া ব্যফক মজা পাইলাম... হা হা হা

--------
হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, মাঝ রাতে ঘরে ফেরার পথে।
কোনো এক ব্যস্ত মহাসড়কের, পাশের গলিতে
ওরা আমাকে ডেকে নেবে।

হয়তো আমিও খুন হয়ে যাব, তবে নিজেকে আমার খুব ভয়।
হয়তো মরে যেতে যেতে ওদেরও, দু-একটা ধড়
কেটে নিতে পারি খুব নৃশংসতায়।

akta lok paper pore adalat a gese r adalat sheita nia matamatai korbe....ato simple vai adalat na....amader desher moto airokom gorib deshe jodi sheirokom kichu budhdijibi ke adalat airokom kichu ultapalta subject nie ashte dei tahole prithibir onnano desher moto amader deshe adalat ke aishob matters 'pandora's box' bolte hobe or 'floodgate propositions'bolte hobe.airokom chollte thakle deshe jeihare intellectuals bridhdhi pachche tate kore adalat ar r kono kaj thakbe na aishob 'meresome busybody'ar jhamela mitano chara.....

r vai law shomporke apnar fundamental concept clear na bolei mone hochce...apni bollen je adalat dhrubo kono bishoy na....apnar kothar sathe amio aksho vag akmot.....kintu problem ta aijaigai na......apni bollen bichar babostha nie ki criticism kora jabe na????kano jabe nare vai ....oboshshoy jabe......but akta bepar mone rakhun bichar babostha nie criticise kora r kono bicharik adalat ar judgement misquote kora kokhonoi ak bishoy na....apni akta kotha kano bujhte parchen na je aikhane jini case nie ashchen tini bolechen ai justices ra mosque vangar kotha boleche r justices ra bolechen i mean Honourable HIGH COURT bolechen amara kokhon bollam mosque vangar kotha????apni amader dekhan je amra mosque vangar kotha bolechi...tini tokhon paper ar kotha bolen jeita shudhu absurd na...akta foolhardy matter.....jodi kono paper judgement ar kono kichu bikkrito kore sheita prokash koren then jonab(?)maksud shaheb ar uchitchilo adalat theke tar akta clarification cheae request kora.....sheita na kore uni adalat a ashe bolchen....adalat aita koreche oita koreche.....akhon jodi kono extremist aita shotti vebe justices der upar attack kore tar dai daitto ke nebe re vai.....shomgro bichar babosthar criticise kora r kono judges ar judgement misquote kore adalat ta nie hajir hoe ultapalta bola duita ak jinish nare vai....bichar babostha nie bolar jonno unake shasti pete hoi nai unake shasti pete hoeche justices ar judgement misquote kora abong justices ra jokhon bollen apni proman koren amra kokhon amader judgement a mosque venge felar kotha bollam tokhon uni kichu e bolte paren nai...uni paper cutting(hahahaha)ar kotha bollen....bangladesh a onek paper ache jodi ai mohamanno adalater akmatro kaj paper dekhe aishob ulpalta boktobbor jonno 'suo moto' rule jari kora then ato kom judges die desh cholbe na....r o judges lagbe jeita shudhu matro tax payer der(mane amra)bojha barabei na......khub e absurd akta matter hobe....tobe aita shotto ai dhoroner boktobbo jodi kono bhul procharito or desher bapok shonkhok lok ke influenced korar khomota rakhe then justices ra hoito bishoy tike amole nite parten....tar mane ai na je janab moksud ar moto lok adalat a gie prothom ai bolbe apni aita bolchen oita bolchen then adalat jokhon bolbe je proman dekhan tokhon paper cutting ber korbe....airokom anecdoctal evidence prithibir kono adalat nei na......

abaro boli akta desher bichar babostha,judges selection,judgements tinta tin dhoroner matter aigulu ke ak kore dekhar kono mane hoi na.....

vai meghna apnar bangla shahitto amar khub valo lage.....tobe ai comments ta apni kake uddesho kore bolchen thik bujhte parlam na!!!!!bicharok ar dorjai shudhu laththi kano....pooh....kore ashleio jodi govt. oi pooh kora bekti ki bicharok niog dei then adalat ar kichuie korar nei constitution ar aloke...adalat constitution mante badhdho....r amader HOLY CONSTITUTION ar HOLY PREAMBLE a bola ache '...this constitution is the will of the people.....'justices der baper shadhdho nai jei constitution ignore kore utmost grave concern chara.....ai HOLY CONSTITUTION a bola ache je judges appointment korar khomota executive ar mane govt. ar.....apni jodi doctrine of necessity ar moto falto(karon ai doctrine ar necessity 100 years agei necessity haraise)matter na pore separation of power poren then kaje lagbe....akebare simple language bola jai je...executive,judiciary nd legislative organs akta state ar ai tin MOHAN organs kokhoni karo matter a nak golabe na....but kichu kichu checks nd balances thakte pare....judges der appoint korar power govt ar justices der kaj hoilo tader ke shopoth bakko path korano....tobe aita thik je jodi bichar karjokrom cholar khetre kono judges and justices ar kono kaj adalat ar shomman khunno kore then akta 'supreme judicial council' form kore shei bicharok ke oposharon kora jai.....abaro boli oi bicharok ke oboshshoi bichar karjokrom chalanor shomoy othoba bicharok thaka obosthai oi kaj korte hobe.... apex court ai decision nite parbe but HCD ar appointment dewar khetre govt e supreme power reserve kore.kintu jokhon akjon bicharok HCD theke AD te promotion pan tokhon chief justice ar suggestion preference pai....mojar bishoy holo je aita atodin amader deshe chilo na nd constitution ai bepare kichui bole nai...poroborti te akjon lawyer ar akta writ koren tar e prekhkhite AD ai adesh den....prithibir onnnano deshe jemon india or usa akhono govt. ar suggestion e preference pai!!!!

r akta kotha boli shita hochche amader desher jonogon e prokito khomotar malik......amader constitution ar ai matter gulo jonogon e akmatro vote die mitate pare...orthath public jodi dekhe je awami govt or bnp ultapalta lok ke judges bananchche then tara echche korlei next election tader vote na dite pare....kintu ai rokom jonogon banate hole tader k age educated korte hobe....but amader desher politician ra chan na je tara educated hoe ato kichu jene feluk....

onek kichu bolle bola jai.....tobe akta kotha boli...je kono sophisticated matter a comment korar age shei matter shomporke aktu valo kore study kore ashle akata desher bichar babostha nd akta desher akta adalat ar justices der judgement ak kore talgol pakie felar shomvobona thakbe na!!!!!

* নতুন মন্তব্য লিখুন *

তথ্যটি সবাই দেখতে পাবে না। সংরক্ষিত থাকবে।