
'স্বাধীনতা' আমাদের ইতিহাসে অনেক বেদনা ভাড়াক্রান্ত একটি অধ্যায় এবং একটি শব্দ। কিন্তু আমরা সবাই কি এই শব্দটির মানে বুঝি? স্বাধীনতা বলতে কি "আমার যা ইচ্ছা তাই করার অধিকার" কেই বোঝায়? যদি তা না হয়, তাহলে স্বাধীনতার আসল মানে কী ? আমার মতে "স্বাধীনতা একটি শব্দ যার চারপাশে যেমন একটি অদৃশ্য বেড়াজাল আছে, ঠিক তেমনি আছে এর নিজস্ব সীমা-পরিসীমা। স্বাধীনতা কোন সীমাহীন অধিকার নয় যে যা খুশি তাই করতে পাড়বে কিংবা নিজের ইচ্ছা মত স্বেচ্ছাচারী হতে পাড়বে। যদি কেউ তাই মনে করে তাহলে সে কোন অপব্যাখ্যার শিকার বৈ আর কিছু নয়। কারণ স্বাধীনতার মূল ভিত্তিই হচ্ছে জন সাধারণের মৌলিক চাহিদা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তার ব্যক্তি জীবনে সামগ্রিক নিরাপত্তা বিধান করা। আর সেই ভিত্তির উপর ইটের গাঁথুনি বলতে যা কিছু বুঝায় তা হচ্ছে, সকল স্তরে সাধারণ জনগনের মানে নাগরিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করার পাশাপাশি স্বার্বভৌমত্ত বজায় রাখা এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রিয় আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা"। তবে এই সংগা সম্পূর্ণই আমার ব্যক্তিগত অভিমত, এতে কেউ দ্বিমত পোষণ করতেই পাড়েন।
তবে আসল কথা হচ্ছে সেই ৩৯টি বছর আগে বর্বরদের হাত থেকে আমরা স্বাধীন হয়েছি ঠিকই কিন্তু কালের ধারাবাহিকতায় কতটুকু রক্ষা করতে পেড়েছি আমাদের স্বাধীনতা? কতটুকু আদায় করতে পেড়েছি আমাদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া? কতটুকু নিশ্চিত করতে পেড়েছি আমাদের মৌলিক চহিদার সুষম বিণ্যাষ? জ্বি প্রিয় পাঠক বা পাঠিকা, অতিথি বা নাগরিকগণ আপনার/আপনাদের কাছে আমার এই প্রশ্নগুলো রাখলাম আপনারই/আপনাদেরই প্রতিউত্তরের প্রত্যাশায়।
সংশোধিত বিজিবি আইন প্রসঙ্গে:
বিডিআর হত্যাযগ্যের প্রসঙ্গে কম বেশি আমরা সবাই জানি। তাই এই প্রসঙ্গে ভূমিকা বা সেই দিনের ব্যাখ্যা দেয়ার কোন প্রয়োজন অনুভব করছি না। তবে বর্তমানে সেই কালো অধ্যায়ের সর্বশেষ কি পরিণতি হল তাই নিয়েই মূল আলোচনা শুরু করছি। দেখা যাক কোন স্বাধীনতার ভিত্তিপ্রস্তর নতুনকরে স্থাপন করা হল আরেক বার !
সম্প্রতি সংশোধিত হয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন পেল বর্ডার গার্ড আইন। অতএব এই আইনের আওতায় বিডিআর মানে বাংলাদেশ রাইফেলস্ এখন থেকে বিজিবি মানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বলে পরিচিত হবে।তিন ধরনের আদালত গঠন, বিদ্রোহের সর্বোচ্চ শাস্তি সাত বছরের কারাদণ্ডের পরিবর্তে মৃত্যুদণ্ড এবং আপিলের সুযোগ রেখে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আইন ২০১০-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে মন্ত্রিসভার গত সোমবারের বৈঠকে। নতুন আইনে বিজিবি সদস্যরা সহকারী পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন পদে পদোন্নতি পাবেন। এ ছাড়া বিজিবিকে আধাসামরিক বাহিনী'র বদলে শুধু বাহিনী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
গত বছরের ২৫ ও ২৬ ফেব্রয়ারি পিলখানায় সংঘটিত 'বিডিআর বিদ্রোহের' প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে রাইফেলসের সদস্যদের আরো বেশি শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এবং বাংলাদেশ রাইফেলস অর্ডার ১৯৭২ এবং বাংলাদেশ রাইফেলস অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬-কে আরো যুগোপযোগী ও আধুনিকায়ন করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন তৈরি করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল এবং তা সফল ভাবেই সম্পন্ন করা হয়েছে। বাংলাদেশ আর্মি অ্যাক্ট ১৯৫২, এয়ারফোর্স অ্যাক্ট ১৯৫৩, নেভি অর্ডিন্যান্স ১৯৬১, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স ১৯৭৯, কোস্ট গার্ড আইন ১৯৯৪ এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) ১৯৬৮ পর্যালোচনা করে আইনের খসড়াটি তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর সংস্থাপন ও প্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের নেতৃত্বে গঠিত ছয় সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আইনের খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়েছে। গত ১ মার্চ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশ রাইফেলসে কোনো পর্যায়েই চুক্তিভিত্তিক কোনো কর্মকর্তা নিয়োজিত না থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে খসড়ায় বলা হয়, সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে জুনিয়র কর্মকর্তাকে অনারারি কর্মকর্তা পদে পদোন্নতি এবং অসামরিক ব্যক্তিদের বর্ডার গার্ড সদস্য পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে। ১৬টি অধ্যায় ও ১৩৭টি ধারা সংবলিত এ আইনের খসড়ায় আদালতে বিচারযোগ্য সামরিক ও অসামরিক অপরাধকে ৩০টি ধারায় অন্তর্ভুক্ত করে বিভিন্ন ধরনের শাস্তির প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান আইন বাংলাদেশ রাইফেলস অর্ডার ১৯৭২-এ মাত্র দুটি ধারায় বিদ্রোহসহ অন্যান্য অপরাধ অন্তর্ভুক্ত করা আছে। শুধু দু’টি ধারায় একটি শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সব ধরনের অপরাধ সুনির্দিষ্ট হয় না বলে মন্তব্য করা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।
অপরাধসংক্রান্ত ধারাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বিদ্রোহ ও অবাধ্যতা অথবা যুদ্ধাবস্থায় শত্র“পক্ষকে সহযোগিতার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এবং সর্বনিন্ম শাস্তি লঘু দণ্ড"। এ ছাড়া ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার আইনসম্মত আদেশ অমান্য করলে সর্বোচ্চ ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, কোনো কর্মকর্তার প্রতি বল প্রয়োগ অথবা হুমকি প্রদর্শন করলে যুদ্ধাবস্থায় সর্বোচ্চ ১৪ বছর এবং অন্য সময় সর্বোচ্চ সাত বছর, মর্যাদাহানিকর আচরণ করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, কোনো কারণে পলাতক থাকলে অথবা পলায়নে কাউকে সহায়তা করলে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড এবং সীমান্তে কর্তব্যে অবহেলা অথবা উৎকোচ গ্রহণ বা প্রদান করলে সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড।
নতুন এই আইন অনুযায়ী, বিজিবি সদস্যরা কোনো রাজনৈতিক দল, বাহিনীর স্বীকৃত নয় এমন কোনো সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের সদস্য হতে পারবেন না। গণমাধ্যমের সঙ্গেও তাঁরা কথা বলতে পারবেন না। এ নিষেধাজ্ঞা দেশের অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীতে কার্যকর রয়েছে।
সংশোধিত আইনে লুকিয়ে থাকা একটি শুভংকরের ফাঁকি:
আপাতদৃষ্টিতে এই অধুনা আইন বিডিআর হতাযজ্ঞের বিচার কাজ ত্বরান্বিত করার জন্য প্রয়োজন ছিল এবং যদি সত্যিকার ভাবেই কোন প্রকার পক্ষপাত বিবর্জিত হয়ে এই জঘন্য হত্যার মূল পরিকল্পনাকারীদের উপুযুক্ত শাস্তির বিধান করা হয় তাহলে দেশবাসী এবং সংক্রমিত পরিবার পরিজন ন্যায় বিচার পাবে বলেই আমরা আশা রাখি। তবে কথায় আছে না, "আইনের ফাঁক", ঠিক তেমনি একটি উল্লেখযোগ্য ফাঁক এই সংশোধিত আইনেও পরিলক্ষিত হয়েছে যা হচ্ছে "ক্ষমা ও শাস্তি লাঘব" এই প্রসঙ্গে: সাত বছর বা তদূর্ধ্ব যেকোনো দণ্ডের ক্ষেত্রে সরকার বা অন্যান্য দণ্ডের ক্ষেত্রে মহাপরিচালক বা তাঁর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দণ্ডিত ব্যক্তির দণ্ড শর্তযুক্ত বা শর্তহীনভাবে সম্পূর্ণ মওকুফ, আংশিক বা হ্রাস করতে পারবেন। এমনকি দণ্ড পরিবর্তন করতে পারবেন। দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্যারোলে মুক্তিও দেওয়া যাবে।
জাতীয় তদন্ত কমিশেনের সেই রিপোর্টের লিংক:
নিচে জাতীয় তদন্ত কমিশেনের সেই রিপোর্টের প্রথম ১০টি পেইজ দেয়া হল, যদি পড়তে আগ্রহী হন দয়া করে প্রত্যেকটি পেইজের নিচে যে zoom অপশান টি আছে তাতে আপনার মাউছ ইন্ডিকেটরটি রেখে রাইট বাটন ক্লিক করুন এবং scroll menu থেকে 'open link in new tab' টি বেছে নিন। তারপর পেইজটি ছবি আকারে আসলে ছবির উপর আপনার মাউছ ইন্ডিকেটরটি রেখে left button ক্লিক করুন এবং পড়ুন। ধন্যবাদ।
সম্পূর্ণ রিপোর্টটি পাবেন "We Want Justice" এই গ্রুপটিতে।
সম্প্রতি অভিযুক্তদের একজন বলির পাঠা সুফি সেলিম রেজা:
নিচের এই সাধারণ গ্রেডের একজন বিডিআরকে দেখুন যা নাম সুফী সেলিম। অজস্র ঘৃণা আর ধিক্কার রইল তার প্রতি।

সেই চিন্হিত ২৭ জন ঘৃণ্য হত্যাকারীদের মধ্যে এই ব্যক্তিও একজন। তার নির্দেশেই সেদিন দরবার হল থেকে বেড় হয়ে যেতে হয়েছিল সে দিনকার সূর্য সন্তানদের এবং পরবর্তিতে যার বর্বর বাহিনীর গুলিতেই শহীদ হয়েছিলেন তারা। সম্প্রতি এই সুফি সেলিম রেজাকেই এই মহা হত্যাযজ্ঞের মূল পরিকল্পনাকারী বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু আপনি কি মনে করেন, একজন অতিসাধারণ বিডিআর কর্মির পক্ষে এত বড় মাপের একটা পরিকল্পনা করা সম্ভব? যদি তা না হয়, তাহলে কি অন্য কাউকে আড়াল করার জন্য এই নাটক সাজানো হচ্ছে? কোন রাঘব বোয়ালদের কালোহাত সেদিন কেড়ে নিয়ে ছিল এমন সব তাজা প্রাণ? কার কলকাঠি ঘুড়ানোর ফলে আইন সংশোধিত হলেও থেকে যাচ্ছে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড ক্ষমা করার মতো ও আরেকটি আইনি ফাঁক-ফোকড়?
আমরা সঠিক তদন্ত চাই, স্বাধীন বাংলার মাটিতে এই বর্বর হত্যাযজ্ঞের মূল পরিকল্পনাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। অনেক প্রহস দেখেছি আর নয়। জেনে রাখবেন "সত্য, সে ধোঁয়ার মত, তাকে যতই চাপিয়ে রাখুন না কেন কোন না কোন ভাবে তা প্রকাশিত হবেই"। অন্তত নিচের এই মুখ গুলোর জন্যে হলেও তা প্রকাশিত হবে:
যাদের বিদেহী আত্মা এবং পরিবারগুলো আজও ন্যায় বিচর প্রত্যাশি:
শহীদ বিগ্রডিয়ার জেনারেল বারি

শহীদ ল্যাফটেনেন্ট কর্ণেল কাজি রবি

শহীদ ল্যাফটেনেন্ট কর্ণেল এনশাদ ইবনে আমিন

শহীদ ল্যাফটেনেন্ট কর্ণেল মুহাম্মদ দেলওয়ার হোসেইন (অব:) এবং শহীদ মিসেস দেলওয়ার হোসেইন

শহীদ ল্যাফটেনেন্ট কর্ণেল এলাহি মন্জুর চৌধুরি

শহীদ ল্যাফটেনেন্ট কর্নেল সাজ্জাদ

শহীদ কর্ণেল নাফিছ

শহীদ কর্ণেল কুদরত এলাহি রহমান শফিক

শহীদ কর্ণেল এমদাদ

শহীদ কর্ণেল নাকিব

শহীদ কর্ণেল মুজিবুল হক

শহীদ কর্ণেল গুলজার

শহীদ কর্ণেল কাজি এমদাদুল হক

শহীদ কর্ণেল বি এম জাহিদ

শহীদ কর্ণেল শওকত ইমাম

শহীদ কর্ণেল আনিছুজ্জামান

শহীদ মেজর মাহমুদ হাসান

শহীদ মেজর ইকবাল

শহীদ মেজর মাকসুমুল হাকিম

শহীদ মেজর আজাহার

শহীদ মেজর মুশতাক

শহীদ মেজর ছালাম

শহীদ মেজর তানভির হায়দার নুর

শহীদ মেজর শাহনেওয়াজ

শহীদ মেজর মাহবুবুর রহমান

জীবনের শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত আঁকড়ে রাখা মেজর মাহবুবুর রহমানের কিছু সম্পদ-

শহীদ মেজর ছালেহ

শহীদ মেজর আছাদ

শহীদ মেজর হুমায়ূন কবির সরকার

ঘটনার দশদিন পূর্বে Visitors Registerএ কমেন্ট সহ Sign করেছিলেন শহীদ মেজর হুমায়ূন কবির

শহীদ মেজর আবু সাইদ গাজ্জালী

শহীদ মেজর মামুন

শহীদ মেজর খালিদ

ক্যাপ্টেন মাজাহারুল হায়দার: বিয়ের মাএ ২ মাস ২০ দিনের মাথায় যাকে হত্যা করা হয়

সর্বশেষ যে প্রশ্নগুলো আমাকে ব্যক্তিগত ভাবে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয় সেগুলো হল - এইসব সূর্য সন্তানদের রক্ত কি এমনিতেই বৃথা যাবে???
আমরা কি পাড়বো এই অঝোড়ে ঝড়ে যাও অশ্রুর ঋণ খানিকটা হলেও শোধ করতে ???

সে দিন সাহায্যের প্রর্থনায় উঁচু হয়ে ছিল যে হাত, আমরাকি পাড়বো সেই দিন তার কাছে আমাদের অপারগতার দায়ভাড় সামান্য হলেও ফেরত দিতে?





* প্রতিক্রিয়া *
.................................
.................................
!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
চাঁদ-তাঁরা আমার আন্দোলিত করেনা। লু’হাওয়া আমায় শিহরিত করেনা। বৈশাখের ঝড়ো তান্ডবে আমি ভীত নই। সুনসান রাত্রির গভীরতায় আমি ভয়ে কুকড়ে উঠিনা...... মানুষ আমায় আন্দোলিত করে, শিহরিত করে, ভীত করে,
অবাক করে...... বড়ই অবাক করে ......।
!!
মানুষ সব কিছুর পরেও মানুষ-ই! তাই হত্যাকে পজিটিভ বল্বার কোনো উপায়-ই নেই। কিন্তু, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং তাদের কর্মকর্তাগনের ব্যপারে আমার মুল্যায়ন হচ্ছে- তাদের পাপের বোঝাটা ঠিক এতোটা হাল্কা ভাবা বোকামী যেটা শ'খানেক অফিসার মেরে ফেলে মাথা থেকে নামিয়ে নেয়া সম্ভব...
যাহোক, বলির পাঁঠাদের ব্যাপারে সহানুভূতি ছাড়া কিছু জানাবার নেই। তবে, আরেকটা ব্যপার জানাবার ছিলো- বিডিআর হত্যাকান্ড কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসের এক বিরল ভ্রাতৃবন্ধনের দৃষ্টান্ত!! বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে- বলছি তাহলে-
এটাই বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরের একমাত্র একশান- যেটাতে প্রায় সকল প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সক্রিয়, সর্বাত্মক এবং স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিলো- সম-উদ্দেশ্যে!! হাউ ফানি...
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
ও! আরেকটা জরুরী বাত বাদ গেছে- বেশকিছু টাইপো এইখানেও নজরে আইলো- এট্টু চোখ বুলাইয়েন...
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
বিডিআর হত্যাকান্ডে বেশিরভাগ মানুষ আফসোস করে এতোগুলো আর্মি অফিসার মারা গেলো, আহা উহু!! আমি অফিসার মারা যাওয়ায় আমি মোটেই দু:খিত নই। বরং এতগুলো "মানুষ" বিনা কারণে মারা গেলো সেটা ভাবলে কষ্ট পাই।
বাংলাদেশের আর্মি একটি অসভ্য শ্রেণী। যদিও তদের গালিগালাজ করা বাংলাদেশে রাষ্ট্রদ্রোহিতার সমপর্যায়ে ধরা হয়। তারপরও আমার বলতে বাধা নেই বাংলাদেশর আর্মি একটি অসভ্য শ্রেণী। নাগরিকবোধ, দায়িত্বশীলতা, নিজের অবস্থান সম্পর্কে বাংলাদেশ আর্মির কোন ধারণা নেই। তারা জানেও না বিশেষ উন্নত এবং সভ্য দেশগুলোতে আর্মির দায়িত্ব এবং সামাজিক অবস্থান কোথায়। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী পৃথিবীর সব দেশের চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি সামাজিক অর্থনৈতকি সুবিধা গ্রহণ করে। গ্রহণ নয় , বরং আদায় করে নেয়।
সেনাবাহিনী পৃথিবীর কোন দেশে এভাবে বাড়ি গাড়ি উন্নত রেশন, ব্যবসা বাণিজ্য, শহরের মাঝে জায়গা ফ্ল্যাট, দখল করে বসে থাকে না। একটা ফকিরকেও যদি জিজ্ঞেস করা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে এলিট শ্রেণী কারা, সবাই বলবে আর্মিরা। কারণ কি? উত্তর একটাই তাদের হাতে অস্ত্র আছে। অস্ত্র হাতে থাকার ফলে যদি একটি শ্রেণী দেশের সবেচেয়ে বেশি সুবিধা আদায় করে, তারা অসভ্য নয়তো অসভ্য কারা?
যাই হোক, সেনাবাহিনী নিয়ে লিখতে গেলে মহারভারত হয়ে যাবে। আমি আশা করবো এই হত্যকান্ডের সুষ্টু তদন্ত হবে, দোষীরা শাস্তি পাক, কোন মানুষ যেনো এভাবে কাপুরুষের হামলার শিকার না হয়। নিহত সেনাবাহিনীর সদস্যদের পরিবারের প্রতি সহানুভূতি রইলো।
হঠাৎ একটা প্রশ্ন জাগলো মনে। যখন একজন মানুষ বাঙলাদেশের মেজর হয় অথবা কর্নেল হয় তখন তাদের পরিবারের সদস্যরা সবাইকে বলে পরিচয় হিসাবে আমার ভাই কর্ণেল আমার ভাই মেজর। কিন্তু মারা যাওয়ার পর কিন্তু কেউ বলে না, সবাই তখন আমার ভাই মারা গেছে বলে। আমর কর্ণেল ভা্ই মারা গেছে বলে না। ব্যাপারটা ইন্টারেস্টিং, তারকা খচিত সবুজ রংয়ের শার্ট পেন্ট কিভাবে একজন মানুষকে "আর্মিতে" বদলে দেয়!!
আমি নির্বাক... হা করে চেয়ে থাকি...
=========================
হাল ছাড়ি নাই বন্ধু আমি...আছি তোমার সাথে..
=========================
কাওছার আহমেদ এর সাথে একমত পুরোপুরি...
তবে এর মাঝে ও আর একটি বিষয়...শহীদ প্রসঙ্গ...আমার মনে হই শহীদ কাকে বলে আমরা কেও তা বুঝি না...যারা মারা গেছেন, তারা বীর হতে পারেন, কিন্তু শহীদ কিভাবে???
উনাদের শহীদ বলে আমরা আসল শহীদ দের নিচু করছি যা আমাদের করা উচিত না...
The shahid is considered one whose place in Paradise is promised according to these verses in the Qur'an:
“ Think not of those who are slain in Allah's way as dead. Nay, they live, finding their sustenance in the presence of their Lord; They rejoice in the bounty provided by Allah. And with regard to those left behind, who have not yet joined them (in their bliss), the (martyr's) glory in the fact that on them is no fear, nor have they (cause to) grieve. ”
“ Allah hath purchased of the believers their persons and their goods; for theirs (in return) is the Garden (of Paradise): they fight in His Cause, and slay and are slain: a promise binding on Him in Truth, through the Torah, the Gospel, and the Quran: and who is more faithful to his Covenant than Allah? Then rejoice in the bargain which ye have concluded: that is the achievement supreme. ”
Prophet Muhammad is told to have said these words about Martyrs:
“ The martyrs requested of Allah the following; "For the sake of you, o Allah, send us back to the world again so that we may be martyred once more". ”
Muslims also believe that Allah grants the reward of martyrdom to those who die in a variety of ways, including death during childbirth, accidents such as fires and drownings, and epidemic diseases such as the plague.
Regardless of how death occurred, Muslims believe that the reward of martyrdom is contingent upon proper belief, sincerity, perseverance and thankfulness to God. More importantly, Shahid or Shaheed means a struggle, whether internal for the betterment of one's self, or external, relating to the betterment of society.
"আমার মনে হই শহীদ কাকে বলে আমরা কেও তা বুঝি না...যারা মারা গেছেন, তারা বীর হতে পারেন, কিন্তু শহীদ কিভাবে???"...
I totally agree with your explanation. হত্যা হওয়া আর্মিরা 'casualties'...শহীদ বা বীর নয়।
...............................................................................................
Patriotism is not short, frenzied outbursts of emotion, but the tranquil and steady dedication of a lifetime. ~Adlai Stevenson
* নতুন মন্তব্য লিখুন *