ছাত্র রাজনীতির দায় ভার জাতি বহন করতে করতে আজ যখন ভিষণ ক্লান্ত, ঠিক তখনই কোমল মতি শিশুদের মাঝে এই বিষ ছড়িয়ে দেয়ার কি দারুণ এক অভিনব প্রচেষ্টা-
প্রথমআলোয় প্রকাশিত রিপোর্ট:
"সকাল থেকে সুশৃঙ্খলভাবে দীর্ঘ সারি। কক্ষে ঢুকলে পোলিং কর্মকর্তারা হাতে দিচ্ছে অমোচনীয় কালি। সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তার কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে ভোটাররা ঢুকছে বুথে। বুথ তৈরি করা হয় কাপড় ও বেঞ্চ দিয়ে।
সবকিছুই ছিল সাধারণ নির্বাচনের মতো। পার্থক্য শুধু এই ভোটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই শিশু। প্রার্থী থেকে ভোটার, এমনকি নির্বাচন কমিশনার, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং এজেন্ট সবাই তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
শিশুদের ছাত্র সংসদ (স্টুডেন্ট কাউন্সিল) গঠনের জন্য গতকাল মঙ্গলবার শিশু ভোটাররা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেয়। এর আয়োজন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ নজরুল ইসলাম খান গতকাল কাপাসিয়া ও মনোহরদি উপজেলায় এই নির্বাচন দেখতে যান। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগতভাবে কাজ করা, গণতান্ত্রিক পরিবেশে বড় হওয়া এবং সহনশীল আচরণ শেখানোর জন্য এই নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১০০ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এটা সফল হলে ভবিষ্যতে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ গঠিত হবে বলে জানান নজরুল ইসলাম খান।
গতকালের নির্বাচনে প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে সাতজন প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছে। নিয়মানুযায়ী এই সাতজনের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়ার ভিত্তিতে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর দুজন করে শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে। আরেকজন নির্বাচিত হয়েছে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া শিক্ষার্থী। এই সাতজনের সঙ্গে পরে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত দুজন করে শিক্ষার্থী নিয়ে ১৭ জনকে সহযোগী হিসেবে মনোনীত করা হবে। তাদের সমন্বয়ে সাতটি পদ গঠন করে বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কাজ করা হবে। এগুলো হলো পরিবেশ (বিদ্যালয়ের আঙিনা, টয়লেট ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা), পুস্তক ও শিখন সামগ্রী, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি, পানিসম্পদ, দুপুরের খাবার (মিড ডে মিল), অভ্যর্থনা ও আপ্যায়ন। নির্বাচিত ব্যক্তিদের কার্যক্রম পরিচালনার মেয়াদ থাকবে এক বছর। এক বছরে প্রতি মাসে তারা একটি সভা করবে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়ায় শিক্ষকদের কোনো ভূমিকা থাকবে না।
ঢাকার বাইরে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক, আঞ্চলিক কার্যালয় ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর:
রাজশাহী: পুঠিয়া উপজেলার সুরেশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কান্দ্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বানেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেলপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচন হয়েছে। শিবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী লাকি খাতুন জানায়, ‘নিজেরা ভোট দিয়ে নিজেদের নেতা নির্বাচন করছি। খুব মজা পাচ্ছি।’
উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ): ‘আমার গ্যাদার নাইগ্যা গেরামের ব্যাবাক বাড়িতে গেছি ভোট চাইতে, ছাত্তরগরে চকলেট খাওয়াইছি, গ্যাদা আমার লেতা হবি, হুগলি ভালাই ভোট দিতাছে।’ গতকাল সকালে উল্লাপাড়া উপজেলার বাঁখুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ও নির্বাচনের প্রার্থী আবু হানিফের মা হালিমা খাতুন এ কথা বলেন। বাঁখুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়াও গতকাল উপজেলার জুংলিপুর, কালীগঞ্জ, হাওড়া ও ঘোনা কুচিয়ামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচন হয়েছে।
রংপুর: নির্বাচন উপলক্ষে সদর উপজেলার পাঁচটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সকাল থেকেই ছিল উৎসবের আমেজ। খুদে শিক্ষার্থীরা বাদ্য বাজায়। সবার চোখ-মুখে ছিল হাসির ছটা। সদর উপজেলার বড়বাড়ি, চন্দনপাট, খাসবাগ, রথিরাম ও মৌলভী আবদুস সাত্তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচন হয়েছে।
ফলাফল ঘোষণা শেষে অনেক প্রার্থী আনন্দ প্রকাশ করতে এবং অনেক প্রার্থীকে কাঁদতে দেখা গেছে।
বরিশাল: সদর উপজেলার পাঁচটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়। এগুলো হলো সিস্টার্স ডে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এ কাদের চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব রূপাতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চানপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সিস্টার্স ডে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রার্থী অর্ঘ্য রায় জানায়, মনোনয়নপত্র দাখিলের পর আমরা সব প্রার্থী এক দিন এক মঞ্চে থেকে প্রচার চালিয়েছি।
গোপালগঞ্জ: গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার পাঁচটি বিদ্যালয়ের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট দিয়েছে। বিদ্যালয়গুলো হলো নিলফা বয়ড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুয়াদানা-সিলনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ডুমরিয়া বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচন হয়েছে। এ ছাড়া জিটি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কেড়াইল কোপা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটি পদের বিপরীতে একাধিক প্রার্থী না থাকায় আগেই প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।
খুলনা: ‘জীবনে প্রথম ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আরও ভালো লাগছে আমার প্রার্থী নির্বাচনে জিতেছে। আজ স্কুলে ভোট দিয়ে জানতে পারলাম ভোট কীভাবে হয়।’ জেলার ফুলতলা আলকা পল্লীমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পর এভাবেই অনুভূতি জানায় বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী মেহজাবীন হক তানহা। ওই বিদ্যালয় ছাড়াও গতকাল উপজেলার ফুলতলা, আটরা শ্রীনাথ, শিরোমনি ও ডাওকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়েছে।
নোয়াখালী: বেগমগঞ্জ উপজেলার মধ্য করিমপুর, কিসমত করিমপুর, পশ্চিম নরোত্তমপুর, মিয়াপুর ও জে কে মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে। জে কে মডেল বিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান প্রথম আলোকে জানান, ‘প্রথমবার হওয়ায় কিছুটা অসুবিধা ও কষ্ট হয়েছে সবকিছু বুঝে উঠতে। তবে ভবিষ্যতে যখন বড় হব, তখন নির্বাচনের এই ধারণা আমাদের কাজে আসবে।’
মির্জাপুর (টাঙ্গাইল): মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের গোড়াই, মঈননগর ও দেওহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফতেপুর ইউনিয়নের শুভুল্যা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং জামুর্কী ইউনিয়নের জামুর্কী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়েছে। গোড়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম বলেন, খুদে ভোটারদের মধ্যে প্রচুর উৎসাহ ছিল।
সিলেট: ‘বড় হয়ে আমি এখন সত্যিকারের নির্বাচন কমিশনার হতে চাই!’ কথাগুলো জানায় সিলেট নগরের জিন্দাবাজার এলাকার সরকারি কিন্ডারগার্টেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্বাচন কমিশনার আয়েশা বেগম। গতকাল তার বিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ গঠনের জন্য নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালনের সময় আয়েশা এ কথা বলে। সদর উপজেলার জিন্দাবাজারের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ নবীন চন্দ্র, সোনারপাড়া, রাধারানী ও লাখাউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচন হয়।
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার): শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া, পশ্চিম ভাড়াউড়া, সাতগাঁও, আশীদ্রোণ ও চন্দ্রনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচন হয়েছে। ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি পরিমল চন্দ্র মল্লিক নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, ‘এটা ভালো উদ্যোগ। শিশুকাল থেকে গণতন্ত্রের চর্চা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি আমাদের শিশুরা শ্রদ্ধাশীল হবে।’
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ): নরসিংদী জেলার মনোহরদী উপজেলার মনোহরদী মডেল, কাছিকাটা, নারান্দি জাহানারা, গাঙকুলকান্দি ও নোয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গতকাল নির্বাচন হয়। বিজয়ী মাসরুয়া সুলতানা হ্যাপি ও তাসনিম আলম আকন্দ জানান, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে আমাদের সঙ্গে কোনো সহপাঠী যেন পড়াশোনা বন্ধ করে না দেয় সেদিকে খেয়াল রাখা।’
শেরপুর (বগুড়া): বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সদর মডেল, পৌরসভা, বিশালপুর ও সীমাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচন হয়েছে।
সুত্র: দৈনিক প্রথম আলো
এই উদ্যোগের কারণে অনেকেই হয়ত বাহবা দেয়া জন্য উন্মুখ হয়ে থাকবনে, কিন্তু আমি ধিক্কার ছাড়া কিছুই দিতে পাছিনা। এর একমাত্র কারন সময়।
বর্তমান রাজনৈতিক ধারা যে রনাঙ্গন ভূমিষ্ঠ করেছে, তাতে দলীয়করন আর আত্মিয়করণ ছাড়া রাজনীতির কথা ভাবাই যায় না।
সেই প্রেক্ষাপটে এই প্রচেষ্টা কি খুব বেশি কার্যকর হবে?
আমাদের পরিবারতন্ত্র নামক অমায়িক গণতন্ত্রের কড়াল গ্রাসের বিষাক্ত আঁচড় থেকে কি এই কোমলমতি শিশু কিশোর গুলো রেহাই পাবে?
হ্যা, উদ্যোগের পরিকল্পনা করার জন্য কল্পনাকারিকে ধন্যবাদ। কিন্তু গণতন্ত্রের চার্চা করানোর জন্য বাংলাদেশে এখনও কোন প্রস্তুত পটভূমি নেই। যেদিন বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে একটি দূর্নিতীমুক্ত, পরিবারতন্ত্রমুক্ত একটি স্বাধীন ও অধিকার সচেতন রাষ্ট্রে পরিনত হবে, সেদিন এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করার সময় আসবে। কিন্তু র্বতমান প্রচেষ্টা যে হিতে বিপরীত ছাড়া আর কোন কিছুই নয় তাতে কোন সন্দেহের অবকাশ অন্তত আমি দেখতে পাচ্ছি না।






* প্রতিক্রিয়া *
এটাতে খারাপের কিছু আছে বলে আমার বা কোন সুস্থ মানুষের মনে হবে না। বরঙ্চ এটা চমৎকার উদ্যোগ। আমাদের শিশুরা গনতন্ত্র মুখী হলেই তবে দূর্নীতি অনেক অংশে কমে যাবে।চমৎকার উদ্যোগ! স্বাগত জানাই।
** ঔঁ চিন্তার সুতাকে বর্ধিত করুন। জানি ট্রাফিক বাড়ানোর জন্য বাজে একটা টাইটেল দিয়েছেন। পারলে এটা পরিবর্তন করুন।
যাই হোক। চিন্তার সুতিকা কে টানিয়া অতিকায় প্রশস্ত করিয়া যা দেখিতে পাইতেছি যে, এহেন কোমল মতি শিশু গুলো না আবার রাজনৈতিক তামাসার শিকার হইয়া যায়। After all পরিবার তন্ত্র বলিয়া যাহা চলিতেছে, তাহা শাখা প্রশাখা বিস্তার করিয়া সামাজিক মর্জাদা এবং দলিয় ইজ্জত রক্ষার নিমিত্তে ইহাতে ভুল করিয়া আঘাত করিয়া বসিলে সর্বনাশের আর অন্ত রহিবে না যে, তাহা নিশ্চই আপনি অস্বীকার করিতে পারেন না; না কি জানিয়া, শুনিয়া, বুঝিয়া, কোন এক অজ্ঞাত কারণে তাহাই করিবেন?
* দেশের আনাচে কানাচে ছাত্র-রাজনীতির সুফল বলে ওয়াজ করা
* নির্বাচিত পিচ্চি নেতা-নেত্রীদেরকে সংবর্ধনা দেয়া (সংবর্ধনাটা হলে হবে পুরাই রাজনৈতিক সংবর্ধনার মতো, মানে আমার ভাই তোমার ভাই টাইপ আরকি...)
* পিচ্চি নেতা-নেত্রীদেরকে ভবিষৎ কিভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করতে হবে তা শিখানো, সাথে সাথে কিভাবে ভোট চুরি আর ভোট কেনা-বেচা করতে হবে সে সম্পর্কে ধারনা দান করা
* এখন থেকেই কোন কোন কলেজে গেলে ভবিষ্যতে রাজনীতির পথ সুগম হবে তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা
* পিচ্চি নেতা-নেত্রীদের বাবা-মাদেরকে রাজনীতির উপকারীতা সম্পর্কে অবহিত করা, সাথে এও বলা যেতে পারে, একজন রাজনীতিবিদ বছরে কত টাকা জনগনের কাছে থেকে চুরি করতে পারে
* দেশের কনডম পাবলিক হিসেবে, আমাদের ভবিষ্যৎ নেতা-নেত্রীদের চিনে রাখা, আর পারলে এখন থেকেই উনাদেরকে তৈলাক্ত পদার্থ দিয়ে মালিশ করা
কেননা, এরা এখনই রাজনীতি করার সুফল বুজে গেছে। তারা ভবিষ্যতে এই ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য যা যা করতে দরকার তাই করে বেড়াবে আর এক সময় এই ছাত্র-রাজনীতি থেকে আসল রাজনীতি, আর সেখান থেকে এক সময় টিভিতে তাদের হাসি হাসি মুখ দেখা যাবে। কারন ততদিনে উনারা কোনো দলীয় নেতা বা মন্ত্রীও হয়ে যাবেন
এই হচ্ছে আমার বালের দেশ, যেখানে স্কুল থেকেই রাজনীতি নামক নোংরা জিনিষ শেখানো হয়...
++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
বেঁচে থাকা ভালো, মৃত্যু অধিকতর ভালো, কিন্তু সবচেয়ে ভালো না জন্মানো
==============================================
ভাই দেশের তো কুনো দোষ নাই। খামাখা মরা দেশটারে আর গাইল দিয়েন না। গাইল দেন যারা দেশটারে মাইরা ফালানের পরিকল্পনা করতাছে, আর যেই বেশ্যার বাচ্চারা এগো মদত জুগাইতাছে।
যেইখানে গনতন্রের নামে এই অঞ্ছলের বাঙ্গালি জাতটাকে ২ টা ভাগ করে রেখেছে-- এই ২ পরিবার -- তা থেকে অবুজ শিসুরাও আর পরিত্রান পাবেনা...।39 বছর পরেও যে কোনো জাতীয় ইসু্তে আমরা এক হতে পারিনা । বিভকতীর এই বেরথোতা এখন শিসুদের মাজেও সঙ্ক্রামন করার বন্দবশ্ত হচছে । হাইরে আমার জম্মভুমি!!কবে যে এই ঘূমিয়ে পরা জাতীটা আবার জেগে উঠবে? এই সপনো টা বুজি সপনোই থেকে যাবে? .....গনোতন্রের নামে আর কতোকাল এই বিভকতী,হানাহানী......
তা তো আমিও ভাবি রে ভাই।
সারা জীবন ভেবে ভেবে মরবেন! আপনার বাবা মরেছেন! দাদা মরেছেন!! তার দাদা! তারও দাদা! কোন লাভ হয় নাই!
লাভ কোথায় সেই চিন্তা করতে হবে তাই না।
শিশুরা গনতন্ত্র শিখছে একথা অনস্বীকার্য নাকি? এখন তাদের সঠিক পথে পরিচালিত করার দায়িত্ব আপনার কারন আপনি সত্যের পথে আছেন। ভূল বললাম নাকি?
একটা খুব পুরাতন but এখনও নতুন একটা গল্প বলি আপনাকে শুনুন:
যাক সে কথা। আকাল মান্দ কে লিয়ে ইশারাই কাফি হ্যায়।
এবার আসি পরবর্তি প্রসংগে-
নাহ্ ভুলতো এক বিন্দুও বলেন নাই।
শুধু সমস্যা হল সত্যের পথ দেখাতে গেলেই বেড় হয়ে আসবে একুশ আগস্ট বোমা হামলার সাথে এর যোগ সূত্র, আলামত পাওয়া যাবে যঙ্গি তৎপরতায় এর ভূমিকা, বিডিআর বিদ্রোহ এবং লস্করে তৈয়েবা নামাক বিবিধ জঙ্গি সংগঠনের সাধে আঁতাত আরও কত কি !!!!
সত্যের পথ দেখাতে গেলে তো এভাবেই আমাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করবেন, যেমন ইতোপূর্বে এখানটায় করেছেন।
সুন্দর গল্প বলেছেন। ভাল লাগলো। গল্পটা আপনি মনে রাখেন তো।
ওখানে তাওহীদ এখানে ঔঁ(নাম কেন পরিবর্তন করলেন বুঝতে পারলাম না। এখানকার নামটা হিন্দুয়ানী হয়ে যায় তাই? নাকি সেন্টিমেন্ট খাড়া করার চেষ্টা করছেন।) এক এটা জানতাম না। যাই হোক দুই বক্তব্যে পরস্পর বিরোধীতা আছে।
তো আমি যদি সত্যের পথ দেখাতে যাই তবে কি কি সমস্যার সম্মুক্ষিন হতে পারি বলবেন কি?
পূর্ণ ঠিকুজি ভ্রমন করার আহ্বান রইল।
আপনার ক্ষেত্রেও
একই
তাই বলছি, আমাদের সচেতনতা যতদিন না গণ আন্দোলনে রূপ নেবে ততদিন আঙুল তুলে সত্যি দেখাতে গেলে বলির পাঠা হয়ে ক্রস ফায়ারে মরতে হবে। বরাবরের মত মিডিয়ার দৌড়াত্বে আসল ঘটনা অন্তরালেই চাপা পরে থাকবে। তাই গায়ের জোরে কিংবা গলার জোরে নয় এবারের স্বাধীনতার আন্দোলন কে তথ্য প্রযুক্তি দিয়ে শুরু করি। একটি প্রকান্ড গণ সচেতনতা তৈরী করি।
পূর্নঠিকুঝিতে কিছুই নেই। ভ্রমণ কইরা ভাড়াটাই নষ্ট করলাম!!
সত্য ছড়াতে গেলে কেউ আমাকে বাকশালী বলবে না! কেউ বলবে না আমি ইসলাম বিরোধী! সেক্যুলার বলবে না কেউই! আমার মৃত্যুতে কেউই বলবে না আল্লার মাল আল্লায় নিছে!! হাসালেন এবং চেনালেনও বটে।
আপনি সচেতনতার কথা বলছেন!! আপনি নিজে কি সচেতন? একেক জায়গায় একেক নাম ও বক্তব্য ব্যাবহার করেন।
ভয়ের চোটে কোথায় নিজের আসল নামও ব্যাবহার করেন নি আবার সত্য কথা মানুষকে বলে বেড়াবেন বেক্ষাপ্যা ঠেকছে। মনে রাখবেন নিঝুম মজুমদারদের কোন ভয় নেই। অমি পিয়াল রহমান দের কোন ভয় নেই।
টপিকটা তো আপনি দাড় করেছেন। তো নিজে গিয়ে বলেন না। আপনার বংশদন্ডে কি পরিমাণ মাল আছে দেখা যাবে। কালক-পরশুর পত্রিকায় নজর রাখবো। দেখি আপনার বিখ্যাত হওয়ার খবর পাই কি না!
ছি!ছি! আগে বলবেন না! তাহলে আপনার পোষ্টে শুধু শুধু মাথা ঘামাতে আসতাম না! নিজেকে ছোট মনে হচ্ছে।(যদিও আমি ছোটই
)
for your kind information, আজ পর্যন্ত যারা জিজ্ঞেস করেছে, তাওহিদ কি আপনিই, কোথাও দেখাতে পারবেন আমি অস্বীকার করেছি? শুধু মাত্র নাগুতেই আমার নিক ঔঁ। তবে এই নিয়ে আপনার দেখি মাথা ব্যাথার অন্তনাই। কাহীনি কি একটু খোলাসা কইরা কনতো?
জনে জনে জিজ্ঞাস করেন,
নৃ আপা আপনার পরিচয়? অফসাইড, আপনার পরিচয়? ওয়াচডগ, আপনার পরিচয়? পাখি ভাই, আপনার পরিচয়?
আর বলুন "আমি তামিম 69, একজন লাজুক মেয়ে, পরিচিত ছাড়া আমি কথা বলি না।"
অফটপিক: আপনি কি আওমিলীগ করেন নাকি? ভাবে সাবে তো তাই বুঝাইতে চাইতেছেন।
আমি জামাতকে ঘৃনা করি। আমার কাছে মনে হয় কিছু বিষয় ছাড়া বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের আদর্শ প্রায় এক। বামপন্থীদের নিয়ে গবেষনা করছি! ভবিষ্যতে হয়ত খাদি পান্জাবী পড়া অবস্থায় বামপন্থী ছাপমারা অবস্থায় আমাকে কোথাও দেখবেন। তো আপনি নিশ্চই জামাত ছাগুদের বিশিষ্ট সদস্য!
তাহলে নাগুতে আমার প্রথম পদক্ষেপের কাহিনী পড়ুন এইখানে।
সেই যে কি এক মোহ পাইয়া বসল, অদ্যাবদী হাল ছাড়ি নাই। আপনের মত ঘুরতে ঘুরতে উইরা আইসা জুইরা বসি নাই।
মনে রাখবেন, একটা সংগ্রাম করতে করতে আইছি, সংগ্রাম চলতেই থাকবে।
সেই সক্কাল থেইক্কা আমার পিছে পিছে ক্যান ঘুরতাছেন কনতো। আপনেরে না কইছি "আগে যান ভাই, ভাংতি নাই"। তারপরেও তো বেশ নাছোর বন্দা। যা মুখে থুক্কু মনে হইতেছে তাই বলতেছেন খুক্কু লিখতেছেন।
আশাকরি ভদ্রতা বোধ টুকু বজায় রাখবেন।
দলীয় তকমা গায়ে না এঁটে যদি এটাকে শুধুমাত্র ছাত্রদের জন্য চালু রাখা যায়, তবে চর্চাটাকে আমি খারাপ ভাবি না। কিন্তু, সেটার-ও একটা বয়স আছে। তাই বলে প্রাইমারী স্কুলেই বাচ্চাদের মনে এই জাতীয় প্রতিযোগীতে ঢুকিয়ে দেবার মানে হচ্ছে বাচ্চাদেরকে আরেকটি গবেষনার গিনিপিগ বানানো। যযে পদ্ধতিতে ভোট হচ্ছে দেখলাম- ঠিক এই পদ্ধতিতেই ভোট হবার কথা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদগুলোতে। কোনো দলের আন্ডারে না থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে শুধুমাত্র ছাত্রদের ভালোর কথা ভেবে যারা নির্বাচন করবে তাদের হেতরে। অথচ, হাস্যকর ব্যপার হলো সেখানে এটা না হয়ে হচ্ছে পদলেহনের ছড়াছড়ি। চুদিরভাই সরকারের রাইত-দিন হোগা মারা দরকার...
=====================================
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার "চাই" আবার কী?! বিচার না করলে মাইরে মিস নাই...
=====================================
কি হইতাসে এইখানে?
এইখানে কাবাডি খেলা হইতাছে,
বঅঅঅঅঅললল- কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি কাবাডি