কক্সবাজার যাওয়ার পথে, নিজেকে এক নীল চক্ষু মানবীর নামে উতসর্গ করে, একটা পথ তৈরী করে যাচ্ছিলাম। আমি সবসময়ই একটা পথ তৈরী করি। এই পথগুলো আসলে নিজেরাও জানে না, যে তারা ঠিক কতোটা দীর্ঘ। মিটার, মাইলের মতোন স্কেলের সাহায্যে যেমন এগুলোর পরিমাপ করা যায় না, তেমনি পথচারীর গতির উপরও সেগুলো নির্ভর করে না। ব্যাপারটা যেন সম্পূর্ণই মনস্তাত্ত্বিক। কখনো কখনো নিজের ঘর থেকে মায়ের ঘর পর্যন্ত পথটুকু ঠিক যতোটা দীর্ঘ
নষ্ট শিশু -এর ব্লগ
The Fifth "P"
আমার সেই একই সাথে ভালো লাগা এবং ভালো না লাগার জগতটিতে অর্চনাকে প্রায় এনেই ফেলেছিলাম, আরেকটু সময় শুধু দরকার ছিল, ঠিক সেই সময়ে বগা বলে উঠল, “চল দোস্ত, খোজা-খুজি শুরু করি” লম্বাদের বুদ্ধি থাকে হাটুতে, আর বগার বুদ্ধি যেন পায়ের গোড়ালিতে। সবে মাত্র সন্ধ্যা নামতে শুরু করেছে, এই সময় কেউ খোজাখুজি করে!
প্রজাপতিটা যখন তখন, উড়ে উড়ে ঘুরে ঘুরে রাঙা মেঘের মতোন (১৮+)
দুনিয়ার সব মেয়েগুলা হলো এক একটা আস্ত শুয়োপোকা। শুয়োপোকার সব ধরণের স্বভাব চরিত্রই তাদের মাঝে বিরাজ করে। শুয়োপোকাদের মতোন তাদেরও একটা বিশাল থলথলে রসালো শরীর থাকে। তারা সেই বিশাল থলথলে রসালো শরীরটা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় এবং সর্বক্ষণ শুয়োপোকা-খেকোদের দুর্গন্ধে ঠাসা খাদ্যে পরিণত হয়। তবে নিষ্পাপ মেয়েটিকে প্রথম যেদিন ক্লাসে প্রবেশ করতে দেখলাম, তখনই বুঝে গিয়েছিলাম, আমাদের ভেতরেও একই ধরণের সম্পর্ক রচ
wakefulness
আমি রক্ত-লাল চোখে ঘুমিয়ে থাকা চৈতির দিকে তাকাই। আমার হাতে এক কাপ বিষাদ চা। এই চা আমি নিজে তৈরী করেছি এবং এখন পর্যন্ত এই চায়ে চুমুক না দিয়েও, এর তিতকুটে স্বাদটা অনুভব করতে পারছি। চা জিনিসটা আমার কাছে বরাবরের মতোই বিষাদ লাগে। মনে হয় যেন পানির বদলে এক শিশি বিষের মধ্যে দুধ, চিনি, লিকার মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে এই চা জিনিসটা বানানো হয়।
জ্যোৎস্নায় কিংবা জ্যৈষ্ঠের চান্দি ফাটানো রোদে
একটা বিশাল সমস্যা হয়ে গেছে। আমি একটা ১২-১৩ বছরের দোকানদারনীর প্রেমে পরছি। কেমনে পরছি জানি না, আবার এইটা প্রেম কিনা তাও ভালো মতোন বুঝে উঠতে পারি না। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যহীন ভাবে, ব্যাপারটাকে জোর করে প্রেম হিসেবে চালিয়ে দিয়ে “আমার কোনই দোষ নাই” টাইপের একটা ভাব ধরে বসে আছি। কাহিনীর শুরুটা এরকমঃ
দশাওন কেহেম থেকে অনুবাদিত
(১)
ঘুমাতো না মেয়েটা
আবার ঠিক যেন জেগেও থাকতো না।
একটা আজিব সময়ে জন্মে, তার পুরো জীবন্টাই ঘুম এবং না-ঘুমের মাঝামাঝি পর্যায়ে চলে গিয়েছিল।
তাই যখন সে রাস্তা দিয়ে হাটছিল
তখন হঠাত করেই রাস্তাটাকে বেশ অচেনা বলে মনে হল
এরকম অচেনা মনে হতো শহরের প্রতিটা রাস্তাই
আর এই ঘুম এবং না-ঘুমের মাঝামঝাই থেকে কিছুক্ষণের জন্য জেগে উঠলে,
অনুভব করল পথ রোধ করে দাঁড়িয়ে থাকা লোকটাকে
(২)
সুখের শূন্যতা
সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দিনটা সম্পর্কে কোনই পরিকল্পণা থাকেনা সাদেকের। দিনটা ভালো যাবে, নাকি খারাপ যাবে, এ সম্পর্কেও কোন চিন্তাভাবনা তার মাথাতে আসে না। তার চিন্তাভাবনার জগতটা যেন ঘিরে রাখে শুধু সাদা জামা পড়া সেই পরীটা। পরীটা আবার কবে দেখা দেবে, এই অপেক্ষাতেই তার দিন কেটে যায়।
ভালোবেসে যদি সুখ নাহি
এটা সম্ভবত সস্তা ভ্রমণ কাহিনী টাইপের কিছু একটা। কয়েকদিন আগে স্টাডি ট্যুরে গেছিলাম রাঙ্গামাটি, সেন্টমার্টিন, কক্সবাজার। এখন যদি ট্যুর সম্পর্কে ডিপার্টমেন্ট থেকে কোন ফরমাল রিপোর্ট সাবমিট করতে বলে, সেই রিপোর্ট সম্ভবত এরকমটাই দাড়াবেঃ
১
বই এবং কিছু ভালো লাগা ........!!!
আমার দৃষ্টি কোণ থেকে লিখতে পারলেই লেখক, সেটা ভালো লেখাই হোক আর খারাপ লেখাই হোক। আমার প্রিয় লেখ/লেখিকার নাম বলতে হলে আমাকে আগে কিছুক্ষণ ভেবে নিতে হবে। স্কুল লাইফে কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞাসা করতো, “তোমার ফেভারিট রাইটার কে?” তখন প্রথমেই মাথায় আসত ‘রসময় গুপ্তে’র নাম। আমার তখনকার জীবনে রসময় গুপ্ত একটা লেখক ছিলেনও বটে (কী জানি, এখনও হয়ত আছেন)। তার লেখনীর অতুলীয় ভাষাগত ব্যবহার আমাকে প্রতিমুহূর্তে পুলকিত করত।
প্যারাভৌতিক
রাশেদ ছিল আমার রুমমেট এবং সে ছিল একজন বিজ্ঞানী। এখানে “ছিল” শব্দটা ব্যবহার করতে হচ্ছে, কারণ রাশেদ এখন আর বেঁচে নেই। যেহেতু এটা একটা ভূতের গল্প, তাই তার মারা যাওয়ার ব্যাপারটা এই গল্পে আলোচনা করা জরুরি।
ভিসি মহোদয়, আপনার কাছ থেকে আর কয়টা জুবায়েরকে উপহার হিসেবে পেতে হবে আমাদের
জুবায়ের হত্যার পর জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস বর্তমানে প্রতিবাদ মুখর। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা এই হত্যাকান্ডের বিচার চায়। পুরো ক্যম্পাস এখন “জুবায়েরের সাথে থাকার” স্লোগানে মুখর। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মারা যাবার পর জুবায়েরের সাথে থেকে এখন কি লাভ? জুবায়ের যখন নিজের নিরাপত্তা চেয়েছিল প্রশাসনের কাছে, তখন এই মুখ গুলো কোথায় ছিল?
কবি দশাওন কেহেম এর পিঠ বিষয়ক হাইপোথিসিস (দশাওনের ডাইরী থেকে)
পর্তুগীজ কবি দশাওন কেহেম বাংলাদেশে এসে এদেশের বিয়ে বাড়িতে যাবার অভিজ্ঞতা লাভ করেন। সেই বিয়ে বাড়ির অভিজ্ঞতা বিষয়ক কিছু লেখা কবি দশাওনের ডাইরীর পাতা থেকে অনুবাদ করা হল-
দশাওন কেহেম এর কবিতা
ঊনিশ শতাব্দির বিখ্যাত পর্তুগীজ দার্শনিক ও কবি দশাওন কেহম-এর নাম আমরা অনেকেই হয়তো জানিনা। জানবার কথাও নয়, তিনি কখনোই তার কবিতা এবং দার্শনিক চিন্তা-ভাবনা সমাজের আর দশজন মানুষের কাছে বিক্রি করে বেড়াননি। অখ্যাত এই কবির চিন্তা-ভাবনা এবং দর্শন-কে নিজের বলে চালিয়ে দিয়েছেন অনেক বিখ্যাত মানুষেরা।
পর্তুগীজ ভাষায় রচিত দশাওন কেহমের একটি কবিতা আজ বাংলায় আনুবাদ করা হলো...
নীল সুর্য
ম্যান ভার্সেস সোসাইটি
ইদানীং নিজেকে বেয়ার গ্রিলস বলে মনে হয়। প্রকান্ড এক অরণ্যে বেঁচে থাকার লড়াই করি। আমি যেন এই গভীর জঙ্গলে হাড়িয়ে গেছি। প্রায়ই পরতে হচ্ছে মহা বিপদে। অরণ্যের জন্তু জানোওয়ার গুলোকে সাবধানে এড়িয়ে চলি। বেঁচে থাকার জন্য আমাকে করতে হয় এমন সব কাজ, যা সুস্থ মস্তিষ্কে ভাবাও যায় না। বেঁচে থাকার জন্য নিজেকে বেচতেও হয় কখনো। কখনো আমাকে বিক্রি করি বন্য শুয়োরের কাছে। কখনো বা সাদামাটা হাতির কাছে।



