
ফয়সল অভি -এর ব্লগ
Occupy World
সমস্ত ঢল ছারখার করে ভিজিয়ে দিক_পৃথিবীর তাবৎ শরীর ।
আর এবারের গণ জোয়ারে জাগতিক পলি জমে যাবে
বৈষম্যের জমিন : যেখানে হাতের আঙ্গুল নখের প্রয়োজনে দাড়িয়ে থেকে
কোন শ্রেণীর খাদ্য হবে না_হবে না একই আসমানের কোন প্রবেশ নিষেধ
পৃথিবীকে চাষ দিয়ে ফসল হলে সর্ব নবান্ন_আমি খাবো আর তুমি নিশ্বাস নিবে
মেনে নেওয়ার কোন চাবুক মারা হলে_বিশ্বাস করি পাগলা ঘোড়া
তোমার ও তোমাদের রক্তে দৌড়াবে ।
মা মাবিয়া’র কথা বলছি : আপনারা কি একটু শুনবেন? সময় হবে?
মা মাবিয়া’র কথা বলছি : আপনারা কি একটু শুনবেন? সময় হবে?
ফয়সল অভি
০৭.০৮.১১
হয়ত খুব কাছ থেকে মানুষের দুঃখ ও দুর্দশাগুলো দেখার কারণে অসম্ভব রকম গ্লানি হচ্ছে । মানুষ হয়ে জন্মানোর জন্য গভীর গ্লানি হচ্ছে । বিবেকবোধ নিয়ে না জন্মালে কখনও এমনটা মানবিক যন্ত্রণা হতো না ।
"একটি আংশিক গল্প হতে পারে" [সুশীলদের চরণতলে নিবেদিত ১৮+]
একটি আংশিক গল্প হতে পারে
ফয়সল অভি
চট্টগ্রাম
প্রথম পর্ব
"দ্রোহ" লিটল ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়েছে
অন্তর্জাল থেকে অবশেষে "দ্রোহ" লিটল ম্যাগাজিন এর সংকলন পর্ব প্রকাশিত হয়েছে ।
দ্রোহ এখন পাওয়া যাচ্ছে:
ঢাকা
সুশীলনামা
সুশীলনামা
ফয়সল অভি
১৭.১২.১০
চট্টগ্রাম
এক.
ভীষণ দুর্ভিক্ষে বিগত বছরগুলো গ্রামের আকাশ ছিল
মরুর চোখে আগুন বালি দাউ দাউ করে চক চক
সেই প্রতিফলনে শহর হতে আসে সেচ্ছাসেবক
মাথায় ছায়াবাদী ক্যাপে স্বাচ্ছন্দের রিলিফ লিস্ট :
ওদের ট্রাকের পিঠে চড়ে এসেছিল আমার বাবা ।
রিলিফের গুদাম সামনে দাঁড়িয়ে
যে লাইন চোখের মণি থেকে মাথায় ঢুকেছিল
এই চক্রবাস চাই না
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কয়েকটা ঝুপড়িতে সাদাকালো টিভি ছিল- যারা সেই ঝুপড়িতে চা নাস্তা করতো তাদের বিনোদন কিংবা ঝুপড়ির ব্যবসা বাড়ানোর জন্য টিভিতে ক্রমাগত বাংলা ছবি প্রদর্শন চলতো আর সেই ছবিগুলোতে বেশীরভাগ সময় শাবানা ব্যাপকহারে কান্নাকাটি করতো । মাঝে মধ্যে সেই সব ঝুপড়িতে ভাই ব্রাদাররা চা খেতে বসলে শাবানা’র আহাজারি আমাদের চায়ের স্বাদও নোনা হয়ে যেত । তখন বন্ধুরা মিলে ব্যাপক চিল্লাপাল্লা ও রঙ্গ-তামাশা কর
পলাতক হতে চাই
পলাতক হতে চাই
ফয়সল অভি
০১.০১.১১
চট্টগ্রাম
পলাতক হওয়ার জন্য বেরিয়েছি
নিয়ম করে আজকাল পলাতক হই
এটা আত্মা থেকে গোপন : লুকিয়ে থাকা ।
মাঝে মাঝে লুকিয়ে থাকতেই অগভীর আনন্দ
সবকিছু হঠাৎ করে শেষ হয়ে যায়
তাই গভীর আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকতে হয়
এটা হয়ত শহরের অস্থিরতাকে ধারণ করি বলে আমিও অস্থির
আমাকেও পালাতে হয় : লুকোতে হয় আড়ালকে ঢাল করে ।
""গোল্লায় যাচ্ছি""
গোল্লায় যাচ্ছি
ফয়সল অভি
২১.১২.১০
তুমি তো এসেই খালাস!
ড্রাইং রুম দখল করে বসে আছো
সকল আতিথেয়তা যেন আমার নখের কারবার
দক্ষিণের জানলা খুলে ওপারের আকাশ দেখাও
আমার ডানায় চড়ে হবে?
মেঝেতে পা বিছিয়ে সকল পতনও কি
আমার হাত দিয়ে হবে?
ভালবাসতে......বাসতে নীল ও সাদার যে কালার কম্বিনেশন
সেটাও আমাকে নিয়ে নিতে হবে স্রোতের মতো
আমি কি নদী না সমুদ্র?
আমি শুধু তোমার ভেতর ডুবে যাই
""ফ্লোরিং""
ফ্লোরিং
ফয়সল অভি
২৫.১১.০৯
চট্টগ্রাম
খাটটা বক্স হয়ে পিঠকে ঠেলে দিয়েছিল ছাদের কাছাকাছি
ঝিঁ ঝিঁ রোদ, পরিচিত সোডিয়াম বাতি আর টিকটিকির সচেতন চোখে
আমি উপুর হয়ে নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে আঙ্গুলের গান গুনি ।
শিমুলের মেঘ পরশ দিলে ঘুমের ভাল ওম হয়
স্বপ্নরা এই দরজায় প্রতিদিন খুব সকালে পত্রিকা দিয়ে যায়
নাম; দৈনিক স্বাচ্ছন্দে স্বাভাবিক জীবন ।
দার্জিলিং সুবাস দক্ষিণ জানালায় জমাই
গদ্য---"আমি আমার মাকে দেখতে চাই"
আমি আমার মাকে দেখতে চাই
ফয়সল অভি
চট্টগ্রাম
২৩-০৮-১০
শৈশবে জেনেছিলাম; মাটি দিয়ে গড়া মাটি’র মানুষ । মাটিতেই জন্ম তারপর তার বুকে হেঁটে হেঁটে বড় হওয়া, বড় হলে মাটি’র খাজনা চাষ দিয়ে স্বপ্নের পিঠে ডানা গজিয়ে দেশকে সবুজ রাখা । সবুজ গাঢ় হতে হতে সবুজ হয়ে গিয়ে মাটিতে মিশে যাওয়া । এমনটাই তো কথা ছিলো?
""দোহন""
দোহন
ফয়সল অভি
২৩.০৪.১০
চট্টগ্রাম
হালকা ক্ষরণ রঙে লাল গাভী
গত দু’বছর ধরে বিঘায় বিঘায় তীর্থ যাত্রা করছে
ফলও হলো বেশ কয়েক সপ্তাহ আগে :
ধার কৃত লালের ঢেউ নিয়ে জলবতী টলটলে চোখ
এই বাছুর তারই সন্তান ।
আগমনে সবাই খুশী হয়
বিঘাপতিও আনন্দিত চকচকে সময়
বইতে বইতে কাঁটা আর ঘন্টার মিলন
ঘাটে বাধা গাভীর কোলে বাছুর আয়না
না ছোয়া : না ধরা : না কোন তৃপ্ত দুগ্ধ পান!!
"দ্রোহ" এর তৃতীয় সংখ্যা প্রকাশিত
"যুগে যুগে বিনাশী যে স্রোত বয়েছে এই মানচিত্রে/আমরা জেগেছি, আমরা জেগে আছি-এখনও দ্রোহে" এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত "দ্রোহ" এর তৃতীয় সংখ্যা ২৩ কার্তিক ১৪১৬; ২৯ জিলকদ ১৪৩১; ৭ই নভেম্বর রবিবার ২০১০ খ্রিস্টাব্দ চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত হয়েছে ।
"দ্রোহ" এর তৃতীয় সংখ্যার বিষয় বিন্যাস
১.ব্ল্যাকবোর্ড
""একটি বোমা হামলার কারণ""
একটি বোমা হামলার কারণ
ফয়সল অভি
চট্টগ্রাম
২৮.১০.১০
আমরা বেঁচে আছি ।
পরিবার সহস্র সংগ্রামে আমাদের বড় করেছে
জাগতিক মমতার পাত্রে ধারণ করে ক্রমশঃ পরিণত বৃক্ষে
পারিবারিক মাটিতে শেকড় ছড়িয়ে নিজস্ব জগৎ : সবুজ আর সবুজ
বৃক্ষ ও বৃক্ষক্ষেত্র জুড়ে নিদারুণ আস্থার স্বস্তি দণ্ডায়মান করেছে ।
কিন্তু যে ক্ষেত্র শুধু নিজস্ব তারপরে হাঁটলেই আরো ক্রমশঃ হঠাৎ মরু



