কারিমাট -এর ব্লগ

"দেয়াল"এর গতি কোন পথে?

একটা হুদাই লেখা
"বিষাদ-সিন্ধু" একটি উপন্যাস যার পটভূমি ছিল হাসান-হুসাইন কারবালা
কিন্তু বর্তমানে কেউ কেউ উপন্যাস টাকে ইসলামের ইতিহাস বলে প্রচারকরে আনন্দ পায়
ঠিক তেমনই মনে হইতেছে "দেয়াল"
যা কয়দিন পর হয়তোবা বাংলাদেশের ইতিহাস বলে চালিয়ে দিবে কেউ কেউ
তাই সকলেরই সজাগ থাকা দরকার
আমি সাহিত্যবিষারদ বা সমালোচক কেউ নই
ভয় হয় বাংলার ইতিহাস না আবার অন্যদিকে মোড় নেয়

ভাল থাকুন সকলে

মানলাম ,হাতীই বড় পাখী, তাই কালকে তোমার মা কে স্কুলে আনার দরকার নাই


ছেলে বাপের কাছে জিগায় বাবা আমার বন্ধুর জন্মদিনে কি উপহার দিব?
বাবা> একটা আংটি দিয়ে দাও
ছেলে> আংটি তো খুব ছোট হয়ে যায়, চোখে পড়বে না কারো
বাবা> তা হলে একটা গরু গাড়ীর চাক্কা দিয়া দাও,সবাই দেখতে পারবে

স্যার> বলোতো ,পাখীদের মাঝে সবচেয়ে বড় কোন পাখী?
ছাত্র> স্যার, হাতী
স্যার> কালকে তোমার মা কে স্কুলে আসতে বলবে,তোমার নামে নালিশ করবো
ছাত্র>জ্বী আচ্ছা
স্যার> আচ্ছা তোমার মার নাম কি?

আইজ গাইল দেয় নাই ললিপপ ও চুষতে কয় নাই

অনেক ঘটনাই ঘটে সকাল বিকাল রাতে তাতে কার কি?
তেমনই কিছু ঘটনা ঘটায় "পাঠক" নামক যন্ত্রটা , এটা নিয়া আমি মহা বিপদে
গত কয়েক দিন আগে কি ঘটনার কারনে আমারে ললিপপ খাইতে কইছিলো।
আমিও ললিপপ খাইছি আর দেখছি কায়কারবার,
কেমনে চাপাপইড়া যাইতেছে আসল ঘটনা!!!!!!!!
এখন না জানি কি করে "পাঠক"? এইটা নিয়া চিন্তায় মগ্গ আছি আমি, সিগারেটও ভাল লাগতাছে না

"তোর কাম চুপচাপ বইয়া বইয়া ললিপপ চুষা"

(''পাঠক"সিরিজের আরেকটা ললিপপ)

হায়রে নিয়তি!!!!!!
নিয়তিরে নিয়া আবার টানাটানি শুরু হইতেছে না না শুরু হইয়া গেছে। নিয়তি র বাসায় ডুকিয়া নিয়তির পোলার সামনে নিয়তির মার্ডার হইলো
নিয়তির জামাই মরলো মাগার এখনো নিয়তির কেইছের কোন হাল বাইরাইলো না!
আমি ডরাইতেছি নিয়তির পোলার কি হবে?
হয়তো সেও কোন এক অজানায় হারাইয়া যাইবো বা মাইরা ফালাইবো!!! নিয়তি বাইচা থাকলে এমন কি হইতো?

ভালবাসার রকমফের(রম্য)

ভালবাসা কালো
ভালবাসা নীল
ভালবাসা খুঁজতে গিয়া
অনেকেই খাইছে ঢিল(সেন্ডেলের) বত্রিশপাটির হাসি

থেমে নেই ভালবাসা
মাঠে ঘাটে বাতাসে
ভালবাসা কঠিন বস্তু
কইয়া গেছে খাটাশে(দোওড় খাইয়া ঝিমাইয়া ) বত্রিশপাটির হাসি

ভালবাসা ভালবাসা কিরাম আছে শুনেন
বাথরুমে হাকু কইরা টিসু একটা ধরেন(বাসায় পানি না থাকলে) ভেংচি
ভালবাসা ভালবাসা কান্দাকাটি করে
ঘরের ভিত্রে মশার জ্বালায় নিজের পাছায় মারে(থাপ্পড়)

স্তুপের আকার হারিয়ে যায় ,অজানা পথের ধুলায়,,,,,,,,,,,

স্তুপটা অনেক বিশাল,পথের অন্তে
ব্যাকরণের রৌদ্র ভীষন
অকারণে শব্দ গুলি ঝিমায়
চৈত্র, শঙ্খনাদ, অশ্রু, স্তম্ভিত আরো কত কি?

শ্রাবণের চিহ্ন ,পাহাড়ে বর্ণ আঁকে
গোধূলির মাঝে হারায় বিষণ্ণতা
অনেক দিন পর ভাল লাগার কিছু একটা
তবুও মৃত্যুকে কাছে টানে চৈত্র

কারিগর খুঁজে নতুন শব্দ , নক্ষত্র হয়ে জ্বলবে
স্তুপটা কমতে থাকে
কারিগর খুঁজে পায়না ছন্দের নাচ
কোন ধারায় চলছে ব্যাকরণ?

আইলসামি কইরা ,টাকা খাটাইয়া টাকা কামাইলে তো দুখঃ আইবো ,এটায় কোন সন্দেহ নাই

শেয়ার বাজার!!!!!! অনেকে বলে বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত
কিন্তু কেমনে?
আমার ধরনা এটা একটা জুয়ার মাঠ যা সরকারের তত্বাবধানে চলে।কেউ রাতারাতি কলাগাছ কেউ রাস্তায় বইয়া ফেউ ফেউ কইরা কান্দে
জুয়া খেলায় যা হয়। আমি দুইটা ঘটনা শেয়ার করি তাহলেই বুঝতে পারবেন

''স্যার,ভদ্র আজ কয়দিন যাবত স্কুলে আসেনা


ইতিহাসের ক্লাসে স্যার ছাত্রদের প্রশ্ন করছে
বলতো
বাদশাহ আকবর কতকাল রাজ্য চালিয়েছেন?
ছাত্র> স্যার, ১০১ নাম্বার পাতা থেকে ১২১ নাম্বার পাতা পর্যন্ত

এক জন রাস্তায় হাটতে গিয়া একটা পাথরে কিছু লেখা দেখলো।
লেখাটা ছিল" এই পাথর টা যে উঠাইবে বা নিবে সে কিছু একটা হয়ে যাবে"
লেখাটা দেখে কিছু একটা হওয়ার আশায় পাথরটা হাতে নিলো এবং পাথর এর নিচে একটা চিরকুট দেখলো

স্বপ্নগুলি, গহীন অন্ধকারে ডুবে রয়,,

তার ছোঁয়ায় নিঃশব্দ দুঃখগুলি
রংধনু দিচ্ছে দুঃখ, কত ড়ং?
বুঝবে কি তা?
মনের কোনায় আশ্রয় খোজে,কাঁপিয়ে বাতাস

পারবে না হায় ,কঠিন হয় রাতের কালো
রঙিন চশমার ফ্রেমটাতো কালো
দুঃখগুলি কষ্ট করে অনেক
নিরর্থক কষ্টের মাঝেই বেচে রয়

যে, গানের লগে মুখদিয়া গুলি বাহির হইতো???????


একলোক তার বন্ধু কে একটা ঘড়ি দেখাইয়া বলতেছে দেখ দেখ ঘড়িটা খুব সুন্দর তাই না?
২য় বন্ধুটি ঘড়িটি দেখে একটু চিন্তা মগ্ন হয়ে গেল
১ম বন্ধু আবার জিগায় , বলতে পারবি ঘড়িটা স্বর্নের না রুপার?
২য় বন্ধু মন খারাপ করে বলছে"ঘড়িটাতো আমার"


একজন, বউ এর লগে কাইজ্জা কইরা ,বউএর পেদানি থেকে বাচতে বেসুরা গলায় চিল্লাইয়া গান গাইতেছে

না, চাচার কুতানির বেরাম ভালা অইয়া গেছে গা

এক জন দাপুনিয়া উইনিভার্সিটি থেকে বাংলায় পিএসডি(পিয়াছ,ছুলাইয়া,ধুইছে) নিয়াছে
সে বাংলা কেমন শিখছে? এটার প্রয়োগ দেখতে দাপুনিয়া এয়ারপোর্টের পিছনের গ্রাম গোপাল নগরে হাজির
সে খানে একটা ১০/১১ বছেরের ছেলের সাথে তার দেখা
(ছেলেটা তার আন্চলিক ভাষা ছাড়া আর কিছুই জানে না এবং কানেও কিছুটা কম শুনতে পায়)

তার পর ছেলেটার সাথে কি কি কথা হইলো তারই কিছুটা, আমার ভুতা রাডারে আটকাইছি

আমি সয়ং ভুলে যাওয়ার টেবলেট খাইছি তাই মনে করতে পারতেছি না আর কিছু


জরুরী একটা কাজে একবন্ধু আরেক বন্ধুকে খুজতে তার বাসায় গিয়াছে । বাসায় গিয়া দেখে বন্ধুটি বাসায় নাই
কিছু সময় দাড়াইয়া থাইকা রাগে বন্ধুর বাসার দরজায় বড় বড় করে ''চরম ভুদাই" কথাটি লিখে চলে গেল
২য় বন্ধুটি বাসায় এসে লেখাটা দেখে তাড়াতারী তার বন্ধুটির কাছে গিয়া বলতেছে
"তোমার নামটা আমার বাসার দরজায় লিখা ,তাহা দেখে সব কাজ ফালাইয়া চলে এলাম তোমার কাছে"

গণিতের লিষ্ট, ঘামের ফোটায়...................... .............

প্রতিক্ষায় শুকিয়েছে বিবর্ণ, ড্রইংরুমের পান্ডুলিপি
করিডোরে হেঁটে যায়,ফাল্গুনী বাতাস
উল্লসিত ভ্রমর ছুঁতে চায় গোলাপের রেণু
ফাল্গুনী বাতাসটা চঞ্চল, পদচ্ছাপ স্পষ্ট

জ্বল জ্বল করে শুক্লা তৃতীয়ার আঁধারে
ঝিঁঝিঁ পোকার আলোয় পান্ডুলিপি বেঁচে রয়
ছাতিমের বৃক্ষ , নিথর জলে ছবি আঁকে

২০১১ তে তাহারাই শ্রেষ্ঠ ছাগু এবং ছাগী!!!!!! মাগার

লেখাটা আমুতে লিখেছি মাগার নাগুতে ছাগু,ছাগীর সংখা খুবই কম কিনতু চফিলুক সদা বর্তমান

তাই লেখাটা কোন কাটছাট না করেই এখানে পোষ্ট করিলাম

তথ্য ফাস করে উকিলিস জগতে নাম কামাইছে এটা সকলের জানা, তবে একটা ঘটনা তারা চাইপা গেছে কার ডরে? বা কেমনে?

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি............

কষ্ট পোড়াতে চাই বলে অশ্রু খুঁজি
দু ফোটা কাঁন্নার ঝড়ে
মরু অরণ্য চোখের আত্মচিৎকারে অশ্রুর বাধা
ঝড় বইবেনা নিরব দরজায়

ক্ষত হিমালয়, অসমাপ্ত স্বপ্ন বৃক্ষ বীভৎস রুপে,
কষ্ট পোড়াবো তাই কর্ম দোষে
খুঁজেছি হন্যে হয়ে চেতনায় ধূম্রজাল
নেশার পরতে অক্সিজেন

বৃথাই পালকখীন শূন্যতা অশ্রুর ফাঁকে
চার দিকে শব্দের স্রোত,
যে ভাবে পারছে চলছে বাধাহীন
বাধ মানবে না