রোকসানা রশীদ -এর ব্লগ

পকপকনামাঃ সম্ভবত ৩

গরম কিরকম চরম পড়সে সেইটা নিয়ে তো নতুন করে কিছুই বলার নাই! এরকম এক গরমের দিনে চোখে মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিয়ে টাওয়াল আনতে বারান্দায় যায়ে দেখি পাশের দোতলা বাসার ছাদে এক মেয়ে বিকিনি পড়ে সূর্যস্নান করতেসে!! আমি তো পুরাই টাশকি! ভাবলাম হয় চোখ গেসে, নাইলে মাথা!!

আমার গল্পঃ behind the scene (পর্ব- ১)

নানান সময়ে বন্ধুদের সাথে আমার লেখা নিয়ে কথা বলতে যায়ে কিছু জিনিস আবিষ্কার করলাম। আমার লেখাতে কিছু জিনিস ইচ্ছাকৃতভাবেই ঘুরে ফিরে আসে। কিন্তু কিছু বিষয় আমার অজান্তেই বার বার আসতে থাকে, হয়তো সেইভাবে খেয়ালও করা হয় না...

১. তারপর হুট করেই কিভাবে যেন সবকিছু হয়ে গেলোঃ

সেইদিনের গল্প...

গতকাল শুয়ে শুয়ে গান শুনতেসিলাম... "একবার বল নেই তোর কেও নেই তোর কেও নেই!"
সেই সময় ফোন ভাইব্রেট করে উঠলো (কোরিয়ান মুভির মতো আমার ফোনও সব সময় ভাইব্রেশান মোডে থাকে), হাত বাড়ায়ে চোখ না খুলেই কল রিসিভ করে কানে দিলাম... তারপর ঠাশ করে উঠে বসলাম! কেন জানি না... কিছু কিছু ভয়েজই থাকে এরকম! কৃষ্ণ বালকের ফোন!
ব্যাকগ্রাউন্ডে তখনো বেজে চলতেসে... "আজ শেষ মেষ নেই তোর কেও নেই তোর কেও নেই!"

অভিমানী নক্ষত্র!

খবরের কাগজের প্রথম পাতাতেই এসেছে খবরটা। পুপু ঘুমাচ্ছিলো। বাবা ওকে ঘুম থেকে তুলে খবরটা দেখালো। ঝাপসা চোখে হেডলাইনটা পড়লো সে। পুপু এ বছরই ক্লাস টুতে উঠেছে। বেশি কঠিন বানান ছাড়া আর সবই নিজে নিজে পড়তে পারে। পুপুর হাতে তখনও কাগজটা ধরা। সে আবারো দেখলো লেখা আছে, "তৃতীয় বারের মতো জাতীয় পুরস্কার জিতে হ্যাট্রিক করলো শিশু শিল্পী তনিমা!" পুপুর ভালো নাম তনিমা আনসার। ওর বাবা আনসার আলী এক সময় সিনেমায় প্বা

পূনর্জন্মের আগের গল্প!

টিভি অন। ভলিউম জিরোতে দেয়া। আজকে আমার কোন যান্ত্রিক শব্দ সহ্য হবে না। বাতাস ভয়ংকর গুমোট... ঝড় আসার ঠিক আগের সময়টার ভেতর দিয়ে যাচ্ছে ঢাকার এই অঞ্চলের প্রকৃতি। রুমের লাইট অফ করে দিয়ে বিছানায় শুয়ে টিভির দিকে তাকিয়ে এইভাবেই বসে থাকতে ভাল্লাগছে...

"কিছু বিষাদ হোক পাখি"

শহরের মেঘলাতম দিনে...
আকাশটা আস্ত একটা জলভরা বেলুন হয়ে আছে... মনে হচ্ছে আকাশ যেন তার 'সকল নিয়ে বসে আছে সর্বনাশের আশায়!' শুধু একটা টুশকি... আর আকাশটা ঝরে পড়বে সব জলকণাদের নিয়ে অঝোরে...

মেঘাহত! (রিপোস্ট)

বদলে গেছে দৃশ্যপট আর বদলে গেছো 'তুমিইইইই'...
তারপরেও সকাল থেকে গানটা গেয়েই যাচ্ছি!! কোন কারণ ছাড়াই মনটাকে গুতাগুতি করে খারাপ করে ফেললা! লিটারালী ইচ্ছাকরে মন খারাপ করা... কারণ এই আবহাওয়ায় 'হিহি মার্কা' মন নিয়ে ঘুরাঘুরি করা রীতিমতো পাপ!
এমনিতেই কাঁথার নিচ থেকে বের হয়ে সকাল সকাল অফিসে এসে ব্যাপক পাপ কামায় ফেলসি... তাই ভাবলাম একটু পূন্য করি! চোখ মারা

তুমি হীনতা...

আবারও ঐ একই কাহিনী শুরু হইসে! অফিস থেকে এসে ল্যাপটপ খুলে বসে থাকি... মাথার মধ্যে কুড়কুড় করে... কিন্তু লিখতে যায়ে নিজেকে পরদিন আবষ্কার করি বিছানার উপর চ্যাতড়ায় পড়ে আছি, পায়ের নিচে ল্যাপী, মাথার নিচে কাঁথা, আর মাথার উপর কোল বালিশ!!

গোলকধাঁধা!

শেষ পর্যন্ত দুইজনেরই সময় মিললো... তিন সপ্তাহ ধরে স্কেজ্যুল ক্ল্যাশ করার পর শেষ পর্যন্ত এক ছুটির দিনে তারা দুইজন ঘুরতে যাবে ঠিক করলো!

Pseudo Happiness!

ভীষন ভীষন মাথা ব্যাথা নিয়ে অনেকক্ষণ ধরে দাঁতে দাঁত চেপে ধরে বসে থাকার পর লীলার মনে হলো, এইটা ২০১২ সাল! বিজ্ঞান ভয়াবহ লেভেলের উন্নতি করে ফেলসে। ১০ টাকা দিয়ে একটা পেইন কিলার আর গ্যাসের ওষুধের কম্বো পাওয়া যায়, যেইটা খাইলেই 'আব্বা আব্বা' করে মাথা ব্যাথা পালাবে!!

রূপালী ছুরি!

এক্কেবারে ঝকঝকে সুন্দর একটা বাথরুম! একটা বাথটাবও আছে!
মীরা চট করে চেক করে নিলো, নাহ... টয়লেট পেপারও ঠিক ঠাক আছে!

ফানুস!

চোখ বন্ধ করে অনেকক্ষন ধরে সে ভাবতে থাকে... চোখ খুলেও একই দৃশ্য! অন্ধকার! বিছানায় কাত হয়ে পড়ে থাকা ল্যাপটপটা সোজা করে সে। মনিটরে আলো ফুটে ওঠে এক ক্লিকেই... সে ঝাপসা আলোয় দেখতে পায় বেড সাইড টেবিলে রাখা কফির মগ থেকে তখনো ধোঁয়া উঠছে!
ধোঁয়া উড়ছে ক্ষয়ে যাওয়া 'কৃষ্ণ' সিগারেটের মৃত্যুপথযাত্রী অংশ থেকে...

ঝিম মেরে বসে থাকা মেয়েটার ব্যাকগ্রাউন্ডে গান বাজতে থাকে...
"আমার যুদ্ধের খোঁজে পাখি

খেলা!

তার চোখের দৃষ্টিতে আগুন, নখের গোড়ায় জমে থাকে বিষ, দাঁতের আগায় ঝকঝক করে ধারালো মৃত্যু!
তার চেয়ে হিংস্র আর বিধ্বংসী প্রানী সম্ভবত সেই সময় আর দ্বিতীয় কেও ছিলো না!

তার নিজের নখের আচঁড়ে নিজের শরীরে ছিঁড়ে কুটে যেতো, তার নিজের বিষে নিজেই দিনের পর দিন কাতর হয়ে পড়ে থাকতো এখানে সেখানে। তার অঙ্গার হয়ে যাওয়া মনস্তত্ত্বের ঘোরে নিজের সাথে চারপাশের আকাশও মেঘলা করে রাখার ক্ষমতা ছিলো তার!

শুভ বিবাহঃ ২০১২!

পৃথিবীর ইতিহাসে দেখা গেছে দুই প্রজাতির মানুষ (নারী, পুরুষ, গে, লেসবো বা যে কেও) এরেঞ্জড ম্যারেজ করতে আগ্রহী! প্রথম প্রজাতি এতোই প্যাথেটিক, যে প্রেমই করে উঠতে পারে নাই ঠিক ঠাক মতো... দ্বিতীয় প্রজাতি আরো হতাশাজনক! হয় প্রেমে চূড়ান্ত পর্যায়ের ছ্যাক খাইসে, নাইলে প্রেমের ফল্গুধারা বইয়ে দিয়ে এমন অবস্থা করসে যে, শেষ পর্যন্ত ভ্যারিয়েশন খুঁজতে বাপ-মা'র পছন্দের শরনাপন্ন!

সেই বইটা!

গাঢ় নীল-হালকা কমলা রঙের প্রচ্ছদের একটা গুরুগম্ভীর নামের বই! নিতান্তই অনাগ্রহভরে হাতে তুলে নিসিলাম। এক ফ্রেন্ডের জন্মদিনে ওর বাসায় দাওয়াত খেতে যায়ে প্রথম বইটা দেখি... বইটা ওর বড় বোনের ছিলো...
কয়েক পৃষ্ঠা পড়ার পর পুরাই আটকে যাই। শেষ পর্যন্ত কয়েকদিনের জন্য বইটা ধার নিয়ে আসি! সেই সময় ক্লাস সিক্সে পড়ি...