অধম -এর ব্লগ

শাহজালালের মাজার;ভক্তি ও ভন্ডামির প্রান্তবিন্দু

ভারতের বিরুদ্ধে সাইবার আক্রমন নিয়ে কিছু ভ্রান্ত প্রচারনার জবাব।

বর্তমানে ফেসবুক/ব্লগ সহ মেইনস্ট্রিম মিডিয়াতেও গুরুত্বপূর্ণ নিউজগুলোর একটি হল ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে চলমান সাইবার আক্রমন,অনেকে যুদ্ধ বললেও আমি একে যুদ্ধ বলতে নাড়াজ কারন ইন্ডিয়ার রেসপন্স তেমন ছিলোনা বা থাকলেও তা আমাদের হ্যাকারদের কাছে পাত্তা পায়নি। এই আক্রমনটি পরিচালনা করছে মূলত BBHH(BD black hat hacker,BCA(BD cyber army) 3xpr13 নামে ৩টি বাংলাদেশী গ্রুপ।বিভিন্ন দেশী এবং আন্তর্জাতিক মাধ্যমের খবর অনুয

এই লেখাটি জামাত-শিবির-তালেবানদের পক্ষে।

লেখাটা পড়ার আগে এই আয়াত আর হাদিসগুলো একটু কষ্ট করে পড়ে নিন।

‘‘হুকুম বা বিধান দানের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহর’’ ।.সূরা ইউসুফ: ৪০, ৬৭।

‘‘তারা কি জাহেলিয়াতের আইন চায়? দৃঢ়বিশ্বাসীগণের জন্য আল্লাহর চেয়ে উত্তম হুকুম-বিধান দাতা আর কে হতে পারে?’’ সূরা আল-মায়েদাহ: ৫০

‘‘আর যারা আল্লাহর অবতীর্ণ আইন অনুসারে বিচারকার্য সম্পাদন করে না, তারা যালেম।’’ সূরা আল-মায়েদাহ: ৪৪।

ফেসবুকারের সংজ্ঞা (আজাইরা পোস্ট)

ফেসবুকে ১৮ ধরনের মানুষঃ আপডেট চলবে...

১। উক্কিবাজ: কখনোই কোন কিছু পোস্ট করেনা, কোন লাইক,কমেন্ট করেনা।কিন্তু সব দেখে এবং পড়ে...(এইটা ব্লগের বেলাতেও খাটে) চশমুদ্দিন

২। বনমানুষঃ লুল আর হাহাগপে ছাড়া আর কিছু বলেনা...লুল(মাথা ফাটানির ইমো) হাহাপগে

হুমায়ুন আহমেদের "গাড়ি দৌড়" এবং আমাদের "সুপার হিরো পরিবার" দর্শন

ব্যাক্তিগত ভাবে হুমায়ুন আহমেদের সেন্স অফ হিউমার এর ভক্ত ছিলাম একসময়, এখনো মাঝে মাঝে মুগ্ধ হই।তবে একজন পূর্ণাংগ লেখক এবং সমাজ সচেতন মানুষ হিসাবে হুমায়ুন আহমেদের অনেক কিছুই সমালোচনার দাবি রাখে বিভিন্ন দিক থেকে। যাক,সে আলোচনা করার ইচ্ছা নাই আজকে। আমার লেখাটা মূলত হুমায়ুন আহমেদের আজকের লেখাটিকে কেন্দ্র করে । যেহেতু বাংলাদেশে তিনি চরম জনপ্রিয় এবং বিশেষ করে অল্প বয়সি ছেলে-মেয়েদের উপর তার বিরাট

পুরুষ ও নারীর ৭ টি বৈশিষ্ট...

ফেসবুকে হঠাত একটা পোস্ট দেখে অনুবাদ করার ইচ্ছা হল।বিষয়টা অনেকের কাছে সিলি মনে হলেও প্রায়োগিক দিক বিবেচনা করে ইন্টারেস্টিং মনে হল আমার কাছে। তাই ফেসবুকে শেয়ার করলাম। যদিও নাগরিকে প্রথম পেজে আমার একটা পোস্ট আছে কিন্তু এই লেখাটা শেয়ার না করে পারলুম না। অতিমাত্রায় নারিবাদী এবং বিপ্লবীরা দূরে থাকুন, এই পোস্ট থেকে

পুরুষঃ

১। পুরুষেরা খুব ব্যাস্ত। দাঁড়া, ফোনাইয়া লই

নাগরিক ব্লগের কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা ও কিছু সাজেশন

নাগরিক ব্লগের দু একটা সমস্যা যা আপাত দৃষ্টিতে খুব একটা প্রয়োজনীয় মনে না হলেও নিয়মিত ব্লগার আর ভিজিটরদের কমিউনিকেশন তৈরি করতে দরকার সেই ব্যাপারে একটূ দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

লেখক প্রোফাইল এবং পূরাতন পোস্ট

আমার দ্বিতীয় জীবন এবং বিকল্প মিডিয়া হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে...

ছোটখাট একখান গল্প বলব আজ। আমার জীবনের গল্প। মাঝে মাঝে আমার জীবনটা একটা কমেডি সিনেমাই মনে হয় আমার কাছে। ব্লগিং এর উপর নতুন আইন আসার আগে কিছু শেয়ার করে ফেলি। ছোটবেলা থেকে খুব একটা ভালো ছাত্র ছিলাম না। বড় ৩ভাই ব্যাপক ভালো ছাত্র ছিল,তাই মা,৩ভাই আর স্যারদের চড়,থাপ্পর খেয়ে খেয়েই বড় হতে হয়েছে। ক্লাস এইটের স্কলারশিপ পরীক্ষাতে হঠাত করে কিভাবে জানি পুরা ডিস্ট্রিক্টে সেকেন্ড হয়ে গেলাম। এরপর থেকে এক

দুই সংসদ ,দুই প্রধানমন্ত্রীর দাবী...নাগরিক আন্দোলন চাই।।

ঢাকা সিটি বিভক্ত করার পিছনে আওয়ামিলীগের যুক্তি, নাগরিক সুযোগ সবার দ্বারে পৌছানো বা আরো ভালোভাবে বলতে গেলে ক্ষমতার ডিসেন্ট্রালাইজেশন, যা খুবি জরুরী। আমার কোন দ্বীমত নেই এই মতের সাথে।কিন্তু এর অন্তর্নিহীত কারনটা আমরা সবাই জানি। সেটা আর কিছুই না;দুই মেয়রের অন্তত একজন যেন নিজ দলের থাকে সেটাই মূল রাজনৈতিক কারন। আর আরেকটি কারন আছে যা রাজনৈতিক না অর্থনৈতিক। তা হলো আরেকটি সিটি কর্পোরেশন করলে সেখানে অনেক

একজন ছাগুর কাহিনী ও ছাগুদের নুরানী চরিত্র।

আজকাল ছাগুদের দৌড়াত্ব অনেক বেড়ে গেছে। আগেত পাড়ার মসজিদে আর মহল্লায় ওয়াজ করে ছাগুগিরি করত। কিন্তু আজকাল ফেসবুক আর ব্লগ আসাতে তারা যেখানে জায়গা পাচ্ছে সেইখানেই লেদাইতেছে। তাই ওদের আসল চেহারাটা সবার সামনে আইনা তাদের লেদা আবার তাদেরকেই খাওয়ানো আমাদের দায়িত্ব। এদের আসল চেহার সামনে আসলে ধর্মকারিরাও তাদের পশ্চাৎ দেশ দিয়া সিদ্ধ ডিম্ব প্রবেশ করবে।

ইতিহাসের সেরা ব্লগ পোস্ট।ছাগুদের আসল চরিত্র, না পড়লে জীবন বৃথা।

"জামাতি ছাগু ফারাবির" একখানা পোস্ট। তিনি ফেসবুকে ইসলামি আইন কানুন আর যুক্তি নিয়ে অনেক লেখা লিখেছেন।

ইংলিশ মিডিয়াম ও মাদ্রসার শিক্ষা নিয়ে কিছু প্যাচাল...

বুয়েটে ভর্তি হওয়ার পর সদ্যবিকশিত লেজ আর লম্বা হয়ে যাওয়া হস্ত দুইটার খরচ মেইনটেইন করার জন্য টিউশনির দরকার ছিল। এক বন্ধু জুটিয়ে দিল এক ছাত্র, ইংলিশ মিডিয়ামের ৮ম শ্রেনী(মতান্তরে standard 8:P)। লালবাগ বাসা, হেটেই চলে যাওয়া যাবে। প্রথম দিন গিয়ে দেখি ছাত্রের শেলফ এ রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প সংকলন। ভাবলাম, আমারা হুদাই ইংলিশ মিডিয়ামের পোলাপানের সমালোচনা করি। ৮ম শ্রেনীর ছাত্রের শেলফ এ স্বয়ং কবিগুরু!

কর্পোরেট কাহিনী ও কাওসার আহমেদদের অন্ধ হয়ে যাওয়া...

জাগো নিয়া লেখা পড়তে পড়তে ক্লান্ত হয়ে গেলাম, এই নিয়া কিছু লিখার ইচ্ছা ছিলোনা আমার। কিন্তু আজকে কাওসার আহমেদের লেখা আর অন্যান্য পোস্টগুলা পড়ে কিছু লেখার তাড়না বোধ করছি। জাগোর এক্টিভিটিতে আমাদের আসল সমস্যাটা কি? আমি এর পিছনের কিছু কারন আর কাওসার ভাই এর কিছু কথার জবাব দিতেই এই পোস্ট দিলাম।