নৃ -এর ব্লগ

বিহ্বল সময়টা

দূরের আকাশে কয়টা কাক চক্রাকারে উড়ছে।

জোছনা

জুলি রুবের উৎসুক হয়ে তার বড় বোনের জন্য অপেক্ষা করছেন। সুইজারল্যান্ডে ভ্রমণ শেষ করে তার বোন, হেনরিয়েটা লেটোর আজকেই ফিরছেন। সরাসরি তিনি ছোট বোনের বাসায় এসে উঠবেন।

ভুলে যাবার ঝড়

আমি আজকে সব ভুলে যাবো।

একুশের রোজনামচা

ক্যামেরা, লেন্স, মাথার টুপি, পানির বোতল, সানগ্লাস – কিছু কি বাদ পড়লো? শিট্, নতুন কেনা সাদাকালো পাঞ্জাবীটার ইস্ত্রি ঠিকমতো আছে কিনা দেখা দরকার। সংগে ঈষৎ ছেঁড়া জিন্স আর নতুন কাশ্মীরি স্যান্ডেল। এবারের বাণিজ্য মেলায় পাকিস্তানি স্টল থেকে অনেক খুঁজে বেছে পছন্দসই একজোড়া স্যান্ডেল কিনেছিলো আগামীকালকের কথা ভেবেই।

পাবলো নেরুদা'র কবিতা অনুবাদ

নৈরাশ্যের গান

আমার চারপাশে রাতের অন্ধকার থেকে তোমার স্মৃতিরা ভেসে আসে
সাগরের সাথে মিশে যায় নদীর একগুঁয়ে আর্তচিৎকার
প্রথম প্রত্যুষের পরিত্যাক্ত জাহাজঘাটের মতো
এখন আমার প্রস্থানের মুহুর্ত, ও আমার নি:সঙ্গ জন!

আমার হৃদয়ে মৃত শুষ্ক ফুলেরা ঝরে পড়ে
ভগ্ন হৃদয়ের গহবরে,
সেখানে জাহাজডুবি নাবিকের নির্মম ধ্বংসস্তুপ।
তোমার মাঝেই ধ্বংস আর সৃষ্টি মিশে যায়,

মাটিল্ডা [ ২১ পর্ব - শেষ ]

নতুন একটা ঘর

দিনের শেষদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লো যে ট্রান্চবুল হুশ ফিরে পেয়েছেন। এবং কাগজের মতো সাদা মুখে ঠোঁট দুটোকে শক্তভাবে চেপে রেখে কোন কথা না বলে স্কুল থেকে মার্চ করতে করতে বের হয়ে গেছেন।

পরদিন সকালেও স্কুলে তার চেহারা দেখা গেলো না। দুপুরের দিকে, ডেপুটি ট্রিলবি স্যার খোঁজ নেবার জন্য তার বাসায় ফোন করলেন। কিন্তু কেউ ফোন তুললো না।

মাটিল্ডা [ ২০ পর্ব ]

তৃতীয় অলৌকিক ঘটনা

পরদিন ছিলো বৃহস্পতিবার। মিস হানির ক্লাসের সবাই জানতো যে এই দিনটাতে দুপুরের খাবারের পরের প্রথম পিরিয়ডটা মিস ট্রান্চবুল নেবেন।

মাটিল্ডা [ ১৯ পর্ব ]

অনুশীলন

মাটিল্ডাদের বাসাটা প্রতিদিনকার মতো খালিই ছিলো। বাবা তখনো কাজ থেকে ফেরেননি। মাও ফেরেননি তার তাস খেলার আসর থেকে। ভাইটা কোথায় গেছে কে জানে।
মাটিল্ডা সোজা বসার ঘরে গিয়ে আলমারির ড্রয়ারটা খুললো। তার বাবার সিগারের বাক্সটা ওখানেই থাকে, সে জানে। বাক্স থেকে একটা সিগার তুলে নিয়ে ওপরে নিজের ঘরে গিয়ে দরজাটা বন্ধ করে দিলো ও।

মাটিল্ডা [ ১৮ পর্ব ]

নাম

“মিস ট্রান্চবুল!” মাটিল্ডা এক চিৎকার দিলো। সংগে সংগে এক লাফে ফুটখানেক ওপরে উঠে গেলো প্রায়, “মানে তিনিই আপনার সেই খালা? তিনি বড় করেছেন আপনাকে?”
“হ্যাঁ।“

“আপনার তো তাহলে ভয়ে-আতংকে ওইরকম অবস্থা হওয়ারই কথা। ওইদিন আমরা দেখলাম তিনি এক মেয়ের বেনী ধরে তুলে ছুড়ে মারলেন আর মেয়েটা বেড়া-টেড়া পার করে মাঠের ওইপাশে গিয়ে পড়লো!”

মাটিল্ডা [ ১৭ পর্ব ]

মিস হানির গল্প

“আমাদের এতো তাড়াহুড়া করা ঠিক হবে না। আরেক মগ চা খাওয়া যাক বরং। তুমি আরো কয়েকটা টোস্ট খেয়ে নাও। অনেক খিদে পেয়েছে নিশ্চই তোমার।“

মাটিল্ডা আরেকটা বিস্কুট নিয়ে আস্তে আস্তে খেতে শুরু করলো। যতোটা ও ভাবতো টোস্ট খেতে আসলে অতোটা খারাপ লাগছিলো না। হঠাৎ করেই প্রশ্নটা চলে এলো মুখে, “মিস হানি, স্কুলে কি আপনাকে অনেক কম বেতন দেয়?”

মাটিল্ডা [ ১৬ পর্ব -২ ]

ছোট্ট একটা সরু পথ চলে গেছে লাল ইটের ছোট্ট এক কুটিরের দিকে। এত্তো ছোট্ট সে বাড়ি যে দেখলে পুতুলের ঘরের মতো মনে হয়। লাল ইটগুলোর রঙ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে বয়সের ভারে, ইটগুলোও দেখতে অনেক পুরানো। এখনি যেন ভেঙে পড়ে যাবে। ধূসর টালির ছাদ আর ছোট্ট একটা চিমনি। একতলা বাড়িটার সামনের দিকে ছোট ছোট দুই জানালা। একেকটা জানালার দৈর্ঘ্য কিছুতেই একটা সংবাদপত্রের চেয়ে বেশি হবে না। সরু পথটার দুই দিকে কিছু ঝোপঝাড় আর লম্বা ঘাস

মাটিল্ডা [ ১৬ পর্ব -১ ]

মিস হানির বাড়ি

মাটিল্ডা [ ১৫ পর্ব ]

দ্বিতীয় অলৌকিক ঘটনা

মাটিল্ডা [ ১৪ পর্ব -২ ]

ট্রান্চবুল তখনো টেবিলের পেছনে মিস হানির চেয়ারে বসা। গ্লাসের ভেতরে কিম্ভুত ব্যাঙের বাচ্চাটার দিকে ভয় আর আগ্রহ নিয়ে তিনি তাকিয়ে আছেন। মাটিল্ডার সম্পূর্ণ মনোযোগও গ্লাসের ওপরেই নিবদ্ধ। আর তখন, খুব আস্তে আস্তে, একটা অস্বাভাবিক আর অদ্ভুত অনুভূতি হতে শুরু করলো মাটিল্ডার। দুই চোখের ভেতরেই অনুভূতিটা একটু বেশি। ওগুলোতে একরকম বিদ্যুত যেন উৎপন্ন হচ্ছে। ওর দুই চোখের মধ্যে কেমন এক উপলব্ধি আস্তে আস্তে বেড়ে উঠছিল

মাটিল্ডা [ ১৪ পর্ব -১ ]

প্রথম অলৌকিক ঘটনা

মাটিল্ডা আর কথা না বাড়িয়ে চুপ করে তার চেয়ারে বসে পড়লো। ট্রান্চবুলও গিয়ে মিস হানি সাধারণত যেখানে বসেন সেই টেবিল-চেয়ারে বসলেন। আজকেই প্রথম তিনি ক্লাস নিতে গিয়ে কোথাও বসলেন।