![]()
একটি কাঁঠাল গাছের ছায়ায় বসে আছি,
এই রকম বসে থাকা হবে কখনো ভাবিনি।
ভাবিনি কিছুই, যা পাচ্ছি-পেয়েছি জীবনের ভাগে,
সব অযাচিত।
প্রায় সবই আপনি ঘটে যাওয়া, পরিকল্পিত নয়।
এই কাঁঠাল তলায় বসে থাকা
এই সুশীতল হাওয়ায় শরীর
আর
ধুলো-মাখা পাতার সবুজে চোখ জুড়ানো;
![]()
একটি কাঁঠাল গাছের ছায়ায় বসে আছি,
এই রকম বসে থাকা হবে কখনো ভাবিনি।
ভাবিনি কিছুই, যা পাচ্ছি-পেয়েছি জীবনের ভাগে,
সব অযাচিত।
প্রায় সবই আপনি ঘটে যাওয়া, পরিকল্পিত নয়।
এই কাঁঠাল তলায় বসে থাকা
এই সুশীতল হাওয়ায় শরীর
আর
ধুলো-মাখা পাতার সবুজে চোখ জুড়ানো;
এক দুপুরে কার্জন হলের বারান্দায়
সাদা ওড়নায় নিজেকে ঢেকে রেখেছিলো যে মেয়েটি,
আমি বসেছিলাম তার ঠিক পাশে,
কনামাত্র সময়।
বুড়ি ছুয়ে যেতে লোকের যতটুকু সময় লাগে প্রায় ততটুকু ।
শুধু কি বসেছিলাম, দেখিনি কি তাকে?
দেখেছি তো।
সুন্দরের পাশে বসে অন্ধ সেজে থাকবো!
আমি কি অবধূত নাকি?
কথা কি কিছুই বলি নি?
বলেছি তো।
মৌণতা কে স্বাক্ষী রেখে
বলেছি অনন্তের কথা ।
‘আগডুম বাগডুম ঘোড়াডুম সাজে,

[অত্তো রেনে কাস্তিয়ো(১৯৩৬-১৯৬৭), গুয়েতেমালার কবি, মার্ক্সবাদী বিপ্লবী। বিপ্লবী আন্দোলনে জড়িত থাকায় যাকে শাসক শ্রেণী পুড়িয়ে মেরেছিলো।]
মূলঃ অত্তো রেনে কাস্তিয়ো
একদিন
আমার দেশের
অরাজনৈতিক বুদ্ধিজীবিগণকে
দাড়াতে হবে
আমজনতার জেরার সামনে ।
যখন তাদের দেশ ক্রমশ মারা যাচ্ছিলো
(উৎসর্গঃ নূর নবী দুলাল)

সেই কবে থেকে অপেক্ষায় আছি,
তুমি আসবে । অপেক্ষা করে করে ক্লান্ত ।
ঘুম পায়,ঘুমোই, জাগি।
তবুও আমি তোমার প্রতীক্ষায় আছি।
তুমি আসবে, তুমি আসবে, তুমি আসবে
তুমি সত্যি আসবে তো?
তোমার কত দীর্ঘ বছর লাগবে আসতে?
কেন আসছো না? কেন?
অসূখ হলো নাকি?
হাজার বিপর্যয় যাচ্ছে দেশ-জনগনের উপর দিয়ে তা নিয়ে সংসদে কথা বলার উনাদের ইচ্ছে হলো না, এখন গদি নিশ্চিত করার জন্য তত্বাবধায়ক সরকার বিলের কথা কইতে সংসদে যাইতে চায় বিরোধী দল।

ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক বাংলাদেশের রাজনীতিতে সব সময়ই আগুনে ঘি ঢালার কাজ করেছে। আমাদের রাজনীতি সব সবসময় পুড়ছে এই চিতায়। বাংলাদেশের প্রিয় ব্যবসায়ী-রাজনীতিবিদগণ এই চিতার আগুন এদিক-সেদিক থেকে প্রায়শই উস্কে দিয়ে নিজেদের আখের গুছিয়েছেন-গুছাচ্ছেন, ভারতীয় পণ্যের আমদানী নির্ভর চিরস্থায়ী বাজার ব্যবস্থা তৈরী করে।

[এই কবিতাটি,কতখানি কবিতা পদবাচ্য আমার নিজেরই সন্দেহ আছে, নাগরিক ব্লগার ডাঃ আতিক'কে উৎসর্গ করছি।]
![]()
আমি নিতান্তই ভালোবাসায় কাতর হয়ে
স্বপ্ন-কথনের শেষে স্বর্গের এক অপ্সরীর কাছে
বিদায় সম্ভাষণে একটু খানি
ভেজা কিছুর প্রত্যাশা করেছিলাম।
ভেবেছিলাম প্রেমিকার ভেজা অধরের উষ্ণতা
স্পর্শ করবে আমার প্রতীক্ষারত অধরোষ্ঠ।
এই কথোপকথনের শুরু ফেসবুকে, ফেসবুক নোটের সীমাবদ্ধতা ও কথোপকথনের কলেবর, কথোপকথনটির বৃহত্তর পরিসরে যাওয়ার উপযোগীতা একে ব্লগে আনতে আমাকে উৎসাহিত করেছে।
কথপোকথন-১


জানি, একদিন জোর বৃষ্টি হবে (ফেসবুক স্ট্যাটাস পোস্টের পরিবর্তে)
মাথার উপর এক টুকরো আকাশ ছিলো,
নীল।
বলতাম; বাহ, কী সুন্দর!

সেখানে ক্রমেই মেঘ ভেসে এলো।
এক টুকরো, দু-টুকরো করে উড়ে
এসে এখন পুরো আকাশ জুড়ে মেঘ।
ঘন কালো মেঘ।
তবুও এখন রৌদ্রজ্বল বিকেলের প্রতীক্ষা করছি।
কেননা মেঘেরা আকাশ কালো করে,
ফাটা বাঁশে বিচি আটকানো'র বা মাইন'কা চিপায় ফাইস্যা যাওয়ার বর্ণনা কিঞ্চিৎ অশ্লীলতাদোষে দুষ্ট; যদিও বিষয়টি মোটেই সুখকর কিছু নয়, বরং উদ্ধারের পুর্ব পর্যন্ত কষ্টকর-বেদনাদায়ক,উদ্ধার পরবর্তী যন্ত্রনাও কিছু কম নয়। আমাদের পুরো জাতি পড়েছে এই মাইন'কা চিপায়। সব খাতেই এই অবস্থা। লিখছিলাম স্বাস্থ্য-সেবা নিয়ে, এই খাতের ভোক্তাদের মাইন'কা চিপায় পড়ার গল্পই আজ আরো খানিকটা বলি। না, থাক। শুরুর আগে অন্য কথা বলে নেই।
আমাদের পরিবেশকর্মীরা -পরিবেশ দরদীরা প্রায়শই বন সৃজনে বিদেশি প্রজাতির গাছ (alien species) ব্যবহারের জোর বিরোধিতা করে থাকেন । আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে রক্ষার জন্য আন্তরিক অনুরাগের কারনে তারা ভুলে যান পরিবেশ শব্দটির আর্ন্তগত বহুমাত্রিকতা এবং এই বিশেষ সত্যটি যে 'পরিবেশ' কেবলমাত্র কোন কিছুর সাপেক্ষেই হয়ে থাকে, এটা সমাজ-সংস্কৃতি-অর্থনীতি বিচ্ছিন্ন কোন উপাদান নয়। কোন কিছুর শুধু বিরোধিতা করেই ক্ষান্ত হলে
জনাব শহীদুল আলমের নেয়া প্রফেসর আনু মুহাম্মদের সাক্ষাৎকারটি এখানে অডিও ফরম্যাটে উপস্থাপন করা হলো। তেল গ্যাস রক্ষা জাতীয় কমিটির আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সম্পদ উত্তোলন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আগ্রহী যে কোন নাগরিকের জন্য এটা একটা দারুন রেফেরেন্স। প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনার সাথে সংশ্লিষ্ঠ সকল বিষয় এ সাক্ষাৎকারে এত সহজভাবে ঊঠে এসেছে যে, যাদের এই বিষয়গুলো সম্পর্কে একেবারেই ধারনা নেই তারাও
জনাব শরীফ দেওয়ান নামের একজন পাঁড় বঙ্গবন্ধু ভক্ত যে ব্লগের সব ব্লগারদের জন্ম ও চরিত্রের সার্টিফিকেট দিয়ে যাচ্ছেন এটা কি মডারেটরদের নজরে পড়ছে না? জনাব শরীফ দেওয়ান এর ব্লগে কমেন্ট করার পর আমি যে কমেন্ট পেয়েছি তার স্ক্রীনশট দিলাম নীচে।
আমার গন্ডারের চামড়া না যে এটা সহ্য করে যাবো!
মডারেটররা ভেবে দেখবেন কারা আছে আপনাদের ব্লগে!!!!!!!! ধন্যবাদ।
পর্ব-১

ন্যাড়া বেল তলায় যায়, বারবার যায়; পাকা বেলের আশায়,পেয়েও যায় দু-চারটে। পাকা বেল পড়ে গোলার মতো, যেন ন্যাড়ার মাথাটাই টার্গেট, পড়েও,মাথাতেই। তারপর আঘাত-প্রদাহ-স্মৃতিভ্রম-চিকিৎসা-পুনরায় পাকা বেলের আশায় বেল তলায় গমণ।এই চলছে। প্রশ্নটি তাই ঘুরছে মাথায়।
স্বাস্থ্য আমাদের সংবিধানে স্বীকৃত অধিকার, একথা ভেবে আমরা অনেকেই কিন্তু ভুলে যাই যে স্বাস্থ্যসেবা হচ্ছে পুরোদস্তুর একটা পণ্য। এই সেবার দেখভাল করার জন্য গড়ে ঊঠেছে বিশাল এক সামাজিক বিজ্ঞান, যাকে বলে স্বাস্থ্য অর্থনীতি (health economics)। পুরো স্বাস্থ্য অর্থনীতি আবার গড়ে উঠেছে 'গ্রসম্যান মডেল' নামের এক তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে। মিশেল গ্রসম্যান ১৯৭২ সালে তার এই মডেল উপস্থাপন করেন, যার সারমর্ম হলো স্বাস্
"পাকিস্তানী ২২ পরিবারের খপ্পর হয়ে বেরিয়ে বাংলাদেশি দুই পরিবারের খপ্পরে আটকে যাওয়ার জন্যেই কি ছিল ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ? দেশ শাসনের নামে আজকে যা হচ্ছে তাকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানের কোন সংজ্ঞায় বৈধতা দেয়া সম্ভব নয়, কারণ আমরা যে স্বাধীনতার কথা বলছি তা দুই পরিবারের স্বাধীনতা, জাতীয় স্বাধীনতা নয়।"
-ওয়াচডগ
প্রকাশিত লেখা ও মন্তব্যের দায় একান্তই সংশ্লিষ্ট লেখক বা মন্তব্যকারীর, নাগরিকব্লগ কর্তৃপক্ষ এজন্য কোনভাবেই দায়ী নন
লেখকের এবং মন্তব্যকারীর লেখায় অথবা প্রোফাইলে পরিষ্কারভাবে লাইসেন্স প্রসঙ্গে কোন উল্লেখ না থাকলে স্ব-স্ব লেখার এবং মন্তব্যের সর্বস্বত্ব সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখক বা মন্তব্যকারী কর্তৃক সংরক্ষিত থাকবে। লেখকের বা মন্তব্যকারীর অনুমতি বা সূত্রোল্লেখ বা কৃতজ্ঞতা স্বীকার ব্যতিরেকে লেখার বা মন্তব্যের আংশিক বা পূর্ণ অংশ কোন ধরনের মিডিয়ায় পুনঃপ্রকাশ করা যাবে না।
কপিরাইট © নাগরিকব্লগ.কম ® ২০১২ (কমিউনিটি ব্লগার্স ফোরাম) | নির্মাণে: বাঙালি ইনকর্পোরেশন