বক্ষিল -এর ব্লগ

'টাকা' (একটি সার্বজনীন ছড়া)

তুমি আছো সবখানে
আকাশে ও বাতাসে,
তুমি ছাড়া কাটে দিন
কেবলই হাহুতাশে।

দিনমান ঘোরও তুমি
হাত থেকে হাতে,
সপ্নেই ধরা দাও
আমায় প্রতি রাতে।

তুমি যদি থাকো কাছে
আমি থাকি চালু,
জীবনে চলার পথে
লাগেনা মামা খালু।

তুমি শুধু পোষ মানো
পেটমোটা ধনীদের,
সোনার হরিন তুমি
আধপেটা বেকারের।

তুমি নেই তাই বলে
টান পরে জাতে,
তুমি হিনা গরিবেরা
মরে ডাল ভাতে।

ছুটছে তোমার পিছে
আজ পুরো বিশ্ব,

'জলজ' (জল সংক্রান্ত আমার তোলা কিছু ছবি)

ছবি তোলার সখটা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে সময় আর সুযোগের অভাবে। তারপরও মাঝে মাঝে যখন ঐ দুটি এক সাথে মিলে যায় তখন কিছু ছবি তুলে রাখার চেষ্টা করি। আজ শুধু জল সংক্রান্ত কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। যার কিছু মুঠোফোনে ধারন করা, কিছু ডিজিটাল ক্যামেরায় আর একটি ছবি আমার পুরনো এসএলআর এ ধারন করা। যদিও সখটা দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে তারপরও মাঝে মাঝে সপ্ন দেখি একদিন আমারও একটা ডিএসএলআরথাকবে।

(১)জলের সখা

'দি সোর্ড অব টিপু সুলতান' (স্মৃতির খেরোখাতা)

অনেক আগে আমার ছোটবেলায় বিটিভিতে একটা টিভি সিরিয়াল দেখাতো। নামটা ছিল ‘দি সোর্ড অব টিপু সুলতান’। ছেলে থেকে বুড়ো এমন কেউ নেই যে এই সিরিয়ালটা দেখত না বা নাম শোনেনি। এছাড়া সমসাময়িক পরবর্তী সময়ে আরও একটা টিভি সিরিয়াল প্রচুর জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো আর সেটা হচ্ছে ‘আলিফ লায়লা’। অনেকের মত আমিও এই সিরিয়াল দুটির অন্ধ ভক্ত ছিলাম। তবে আমার এখনকার বর্ণনা সুধুমাত্র টিপু সুলতান কে ঘিরে। এই টিপু সুলতান চলাকালিন সময়টাতে

বারোটা বছর পর (ভালোবাসা দিবসের বিশেষ ছ্যাকাত্মক ছড়া)

বিকেলের শেষে
দেবুবাবু বে্‌শে
গলিটার পথ ধরে
হেঁটে যায় খুব ধিরে
চোখ নেই আশেপাশে
একই রুপ বারো মাসে
এই তবে নিয়তি
কোনও এক যুবতী
পরেছিল তার প্রেমে
কোনও এক কালে।

আজও ঠায় দাড়িয়ে
পুরনো সে বাড়িটা
জং ধরা জানালায়
নেই শুধু নারীটা
চৌকাঠ পেরিয়ে
দুটি হাত বাড়িয়ে
ভালবাসা উঁকি দিতো
সব বাধা ছাড়িয়ে
দু চোখের মিলনে
যেতো মন হারিয়ে।

নিয়তির পরিহাস
সেতো অতিতের ইতিহাস
গলায় পড়ল ফাঁস
আরেকটা যেন লাশ

'হিন্দু হোটেল' (স্মৃতির খেরো খাতা)

নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি সবারই বোধ হয় একটা প্রবল আকর্ষণ থাকে । আমার বেলাতেও সেটা কারোও চাইতে বেশি বোই কম ছিলোনা বা এখনও কম নেই । আমার ছোটবেলায় দেখা আমার শহরটা বেশ ছোট ছিল। তখন শহরে বিখ্যাত নাপিতের দোকান বলতে ছিল পংকজের স্যালুন আর বলাকা স্যালুন। ছোটবেলাতে আমার চুল বড় হয়ে গেলে আব্বু আমাকে এই দুই স্যালুনে নিয়ে যেতেন। আমার বাবা যেহেতু একজন চাকুরীজীবী ছিলেন তাই শুক্রবারে নিয়ে যেতেন। শুক্রবারে সাপ্তাহিক ছ

সেই দিন কি আছে ?

সেই দিন কি আছেরে ভাই
সেই দিন কি আছে ?
এখন,মাছ পঁচেনা বারোমাসেও
ফল পাকেনা গাছে,
ভেজালবিরোধী অভিজান চলে
যতো দূর্ণীতিবাজ ভেজালেরই মাঝে ৷

সেই দিন কি আছেরে ভাই
সেই দিন কি আছে ?
এখন,আগুন দামের বাজারেতে
ক্যামনে গরীব বাচে,
মণ্ত্রী সাহেব মই কেড়ে নেন
পাবলিককে তুলে দিয়ে গাছে ৷

সেই দিন কি আছেরে ভাই
সেই দিন কি আছে ?
এখন,ডেইলীসোপে তুলসীদেরই কাটতি ভিষন
বলতে বারণ গিনণি যদি রাগ করেন পাছে,

হোক না জোড়াতালি

অষ্ট প্রহর কষ্ট গুনে
মাছরাঙাতেই চোখ,
অবোধ মনের প্রবোধ গুলোয়
বিলাপ করে শোক।
পলিশ করা জুতোর ফাকে
আটকে থাকে কাদা,
শূন্যের উপর ভাসছে ঘুড়ি
সূতলি নাটাই বাঁধা।
গোলকধাঁধার ঘূর্ণিপাকে
উড়ছে সাদা মেঘ,
একলা মনে আসছে ফিরে
হারিয়ে যাওয়া আবেগ।
খুব সকালে পথের ধারে
বকুল ফুলের মেলা,
ব্যাস্ত জিবন খেলছে সদাই
মাড়িয়ে যাওয়ার খেলা।
গুড়ো দুধের জীর্ণ টিনের
ভাঙ্গাচোরা বুক,
উদাস কোনও দুপুর বেলায়

মুঠোফোনে কিছু মুহূর্ত

ফটোগ্রাফির সখ আমার অনেক দিনের কিন্তু সাধ আর সাধ্য আমার মত মানুষের কাছে এক সাথে ধরা দেয় নি। তাই ডিজিটালের যুগেও এনালগ SLR ই আমার শখ পুরনের মুল ভরসা। তবে হাতের কাছে সব সময় ওইটা না থাকলেও মুঠফোনটা থাকে । তাই মাঝে মাঝে ওর বহুমুখী ব্যাবহার করে ধারন করা কিছু মুহূর্ত শেয়ার করলাম................

(১)

নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে আমাদের দেশের প্রচারমাধ্যমের ভুমিকা ও দুটি উদাহরণ

আধুনিকতার চরম উৎকর্ষের যে হাওয়া বিশ্বব্যাপী তার দুটি স্রতধারার দুষ্ট ধারায় প্রবাহিত হয়ে আমাদের জাতীয় জীবনে নৈতিকতার মান দিনে দিনে নিচের দিকে নামছে । জদিও এই একই প্রবাহে অন্যান্য রাষ্ট্রগুলোও ভাসছে তবু তারা নৈতিকতার মান উন্নয়নে যথেষ্ট সচেষ্ট ।কিন্তু আমরা নির্বিকার নির্জীব। তাই আজ সমাজ জিবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আজ নৈতিকতা বলতে অবশিষ্ট বলতে কিছু নেই । জা আছে তা না থাকার ই সামিল ।আর এর ফলে আমরা আস্তে আস

আজো আমি

খুব কাছে নয় অথবা নয় খুব দূরে
মাটির সমান্তরালে আকাশ খেলা করে,
সেই আকাশের নিচে আমি হেটে যাই
কোথাও কেউ নেই,একা আমি বড় একা ৷

বুড়ো বট গাছটা আজো ঠায় দাড়িয়ে
আজো আমি বসেছি তার শীতল ছায়ায়,
দূরে কোথাও সর্পিল ব্যাস্ত সড়কে
যণ্ত্রদানো গুলো ছুটে চলে একেবঁেকে
নির্দিষ্ট গন্তব্য অপেক্ষায় ওদের,
সরল বালকের দল ঝাপিয়ে পড়ে নদীর জলে
কাঁদামাটিতে হূটোপুটি সন্ধ্যা অবদি চলে ৷

আকাশের কান্না

আধার কালো মেঘ রাগে কম্পমাণ
নিঃশ্বাসে তার বিদ্ুযত্ খেলা করে
জানালার পাশে আমি বসে একা
অবচেতন মনে হাত বাড়িয়ে দেই
বৃষ্টির ফোঁটা এসে পড়ে আমার হাতে
কি শীতল তার পরশ !
বিস্ময়ে আমি অবাক হয়ে রই
চেতনায় ভর করে শুধু একটি কথা
এতো শীতল যার পরশ
সে কখনও ক্রোধ প্রসূত হতে পারে কি?
নাকি যাকে আমি ক্রোধ বলি
সে শুধুই আকাশের কান্না
অঝরে ঝরে যায় ধরণীর বুকে
আবার ভাবি হয়ত
যা শীতল ছিলো আমার কাছে

ভালোবাসার সাধ

কাঠিণ্যের আড়ালে কোমল যে হিয়া
ফুটিলো কমল সেথা আপন ভুলিয়া,
ঝড়ের আবেগে কভূ মানেনিকো বাঁধ
যেজন করিলো তব ভালোবাসার সাধ,
ফিরিলো না পিছুপানে থামিলো না পিছুটানে
ছুটিলো বিরামহীন অণ্ধ আবেগে,
কোন সে অজাণার পানে জানিনাকো হায়
এখনো কেনো তব পিছু পিছু ধায়,
এখনো ক্ষরিত সুধা হিয়ারো মাঝারে
ফুটিছে শতদল হয়ে হাজারে হাজারে,
কি করে তব থামাই সে ক্ষরণ
দেখেছো কি তুমি সেথা ণির্বাক ক্রণ্দণ,

পাঠাঁ সমাচার

বর্তমান সরকারের পাঠাঁ পাঠীঁর পালের সবচাইতে বড় পাঠাঁটার মুখে আবারও বোল ফুটছে৷ আর এই পাঠাঁটাকে আপনারা সকলেই খূব ভালোভাবে চেনেন ৷ যার ঘটে বহুত মাল আছে ৷ জী আপনি ঠিকই ধরেছেন আমি মি. মাল মুহিতের কথাই বলছি ৷ গত দুই দিন হঠাত্ করে ডি.এস.ই.

বন্দি

নিজের কাছে আজ বন্দি নিজেই
বন্দি সমাজ সংসারে
মুখ ফুটে নেই বলার কিছুই
বন্দি অতল গহ্বরে ।

ঘটে যা আজি দৃশ্য পটে
হাহাকারি ওঠে হ্রদয় তটে
মুখ থুবড়ায় মানবতা আজ
নৈরাজ্যর পদতলে ।

পাশবিকতার লোলুপ থাবায়
ছিন্ন হয় যে সব কিছু
মুখ ফুটে নেই বলার কিছুই
কাপুরুষ হয়ে রয় বিবেক ।

চোখ খুলিনা দেখতে হবে
কান পাতি না শুনতে হবে
এই কি দিলো শিখ্খা আমায়
মানবতার বুলি কপ্চানো....
সমাজ ব্যবস্থা ।

অপমৃত্য

একটি লালিত সপ্নের অপমৃত্য,
বলো কেউ কি সইতে পারে ?
হাজার বছরের রং মেখে
জন্মাবার অপেখ্খায় অন্ধকার কোঠোরে,
পড়েছিলো সোঁদা গন্ধ মেখে ।

একটি যৌবনাবতী কুঁড়ির অপমৃত্য,
বলো কেউ কি সইতে পারে ?
চেয়েছিলো বিকশিত ফুল হয়ে ফুটতে
পারলো না , অকালে পড়ল ঝরে
হাহাকার যেন এখোনো তার অঙ্গে ।

একটা ভূবন ভোলানো হাঁসির অপমৃত্য ,
বলো পারবে কি সইতে ?
মায়ের হ্রদয় জুড়িয়ে দেওয়া
মুক্তঝরা হাঁসির কলরোলে ,