আহমাদ জাদীদ -এর ব্লগ

হূমায়ূন ফরিদীঃস্মৃতিচারণ

তখন ২০০৯ সালের এপ্রিল মাস চলছে । একদিন বিশেষ এক সূত্র হতে আমি বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম একজন সফল অভিনেতা হূমায়ূন ফরীদির মোবাইল ফোন নাম্বার পেয়ে যাই । ফোন করার ইচ্ছা থাকলেও ফোন করে কি কথা বলব তা ভেবে পাচ্ছিলাম না । অবশেষে খুব সম্ভবত ১১ তারিখে ফরীদি সাহেবকে ফোন করি । অপর প্রান্ত থেকে গুরুগম্ভীর গলায় আওয়াজ ভেসে এল, “হ্যালো, কে?”……আমি বললাম, “হ্যালো আসসালামু আলাইকুম, ফাহিমকে কি একটু দেওয়া যাবে?”……তিনি

খোঁজ-দ্যা সার্চঃ এক নাদান রিভিউ(মূল লেখক-আহমাদ সাজিদ)

(প্রথমেই বলে রাখি, এটা আমার লেখা নয় । আমার ছোটভাই সিনেমাটি সারভাইভ করতে করতে প্রায় চারদিনে রিভিউটি লিখেছে......)

মানুষ অনুরোধে ঢেঁকি গিলে,আমি গিল্লাম কারখানা।বাংলা সিনেমা আনার সময় সবাই আমারে চিড়িয়া জ্ঞান কইরা দেখতে লাগল।মানইজ্জতের পারদ ০ এর কথায় নামাইলাম।

ব্যাটারা শুরুই করলো নকল কইরা...'ডার্ক নাইট' এর স্টার্টিং সিন দিয়ে।

"কোটি টাকার কাবিন" বাংলা সিনেমা রিভিউ(পঁচানি হইতে পারে)

চিন্তা কইরা দেখলাম ইংলিশ ফিলিমের রিভিউ লেখনের চাইতে বাংলা ফিলিমের রিভিউ লেখনই নিরাপদ । কারণ বাংলা সিনেমার রিভিউ লেখার সময় যতই ইলাবোরেট করি না কেন, তাতে সিরিয়াস বইপুক(মুভিবাগ)দের জন্য স্পয়লার এলার্টও দেওন লাগব না । এর লাইগ্যা এখন থেইকা বাংলা সিনেমাই গিলামু ব্লগলিকরে । আজইকা দিতাসি এমন একখান ফিলিমের রিভিউ যা চার-পাঁচ বছর আগে বাংলাদেশে বেদুম হাউকাউ ফালায়া দিসিলB-)……সিনেমার নাম শুনবেন???......সিনেমাটা

"ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না"- বাংলা সিনেমা রিভিউ

পূজার ছুটি চলিতেছে । অবসর পাইয়া বাংলা সিনেমা দেখার এবং দেখিয়া একখানা বিটল রিভিউ লেখিবার সাধ(পড়ুন, ভীমরতি) মনে চাগার দিয়া উঠিল । অতঃপর “রিভিউ আমি লেখিবই” এই মর্মে নিজেরে প্রস্তুত করিয়া লইলাম । কিন্তু ততক্ষণে আরো একখানা সমস্যা দেখা দিল……রিভিউ আমি লেখিব বটে, কিন্তু বাংলা সিনেমা আমি এখন কোথায় পাই???

বিটলামি করার প্রচেষ্টা (কিঞ্চিত ১৮+ ফান পোস্ট)

১ । আদর-যত্নে লালিত ধনীর দুলাল তার ব্র্যান্ড নিউ স্পোর্টস কার নিয়ে শহরের
বড় রাস্তায় দুর্দান্ত গতিতে ছুটে চলছিল । চলার পথে একপাশে চারজন সুন্দরী
মেয়ে হেটে যাচ্ছিল । মেয়েদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ছেলেটি তার গাড়ির স্পিড
কমিয়ে দিল । প্রস্ন হল, ছেলেটি কি দেখে গাড়ির স্পিড কমিয়েছিল?

উঃ মেয়েদের হাটার যায়গার সামনে যে স্পিডব্রেকার টা ছিল, সেটা দেখে থামিয়েছিল ।;);)চোখ মারা

মিশন ড্যাম্পসিবলঃ গোস্ত প্রটোকল(একটি খিচুড়ি ফান পোস্ট):|

ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল খুবই ছোট একটা ঘটনা থেকে । কুরবানী ঈদের কয়েকদিন আগে পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের একজন উচ্চপদস্থ সচিবের চেম্বার থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি সম্বলিত একটি ব্রিফকেস হারিয়ে যায় । তাতে গরুর সংক্রামক রোগ “ফুট এন্ড মাউথ” সম্পর্কে আসন্ন মহামারীর আভাস দেওয়া হয়েছিল । ব্রিফকেস হারানোর ব্যাপারটা টের পেয়ে সচিব খয়রাত খাঁ সাহেবের গোস্ত খাওয়া ব্যাতিরেকেই কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দিল । কারণ ঐ ব্রিফকেসে থাকা ই

প্রথম সারির পত্রিকায়(!!!!!!!) যখন লাশের রাজনীতির ছোঁয়াচX((

প্রথমে একই দিনে(০৭/০২/১১) দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী পত্রিকায় প্রকাশিত এই দুইটি খবর পড়ুন.........


সাব্বির হত্যা মামলা
সাক্ষী অনুপস্থিত, সাক্ষ্য গ্রহণ ১০ ফেব্রুয়ারি

কাপুরুষের কথা(একটি পরীক্ষামূলক স্যাটায়ার পোস্ট) ফান হইতেও পারে নাও হইতে পারে.....তবে ১০০% কাল্পনিক

সকালে বাটি থেকে বাহির হইয়া হাঁটিতে হাঁটিতে বড় রাস্তার পাশে আসিলাম । তারপর এদিক-ওদিক চাহিলাম কোন বাস পাইবার আশায় । তখনি দেখিতে পাইলাম যে আমার পাশের লোকটা সব ভুলিয়া কলেজে যাইতে থাকা ললনাদের দিকে চক্ষু ফাড়িয়া তাকাইয়া রহিয়াছে । তাহার এহেন নির্লজ্জ চাহনি অবলোকন করিয়া আমার মাথায় নীতির ডংকা বাজিয়া উঠিল । ভদ্রলোকটিকে......ভদ্র আর বলি কি করে......চরম ছোটলোকটিকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার নিমিত্তে মনে মনে পায়তারা ক

আমাদের যত হিপোক্রেসী

প্রথমেই বলে রাখি এটা কোন বিশেষ দলের প্রতি অনুরাগ থেকে লেখা কোন লেখা নয় । বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলই স্ববিরোধিতা থেকে মুক্ত নয় । আমরা সাধারণ জনগণও এর বাইরে নই । এই বিষয়ে আমার ব্যক্তিগত মনোভাবটা সবার সাথে শেয়ার করতে চাচ্ছি কেবল, এবং জানা কথা সেটা এমন ভাল লাগার মত কিছু নয় । দেশের প্রধান ২টি দল নিয়ে আমার ধারণা নিম্নে লেখার চেষ্টা করলাম । জামাত নিয়ে কিছু লেখলাম না কারণ রাজনৈতিক দল হিসেবে এদের আমি গোনা

বাংলা পাঠ্যবই-রঙ্গ

S.S.C, H.S.C লেভেলে বাংলা নামক বিষয়টা পড়তে বেশিরভাগ ছাত্রেরই তেমন আগ্রহ থাকে না । বাংলা পড়ার সময় হলেই সবার মনোভাব থাকে এরকম, “মুখস্তকে না বলুন” । তারপরও পরীক্ষায় পাশ করার জন্য অনিচ্ছাসত্বেও বাংলা পড়া ছাড়া উপায় থাকে না মন খারাপ । তবে এই ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পর্যায়ে objective থাকার কারণে বাংলা এখানে তূলনামূলকভাবে কম বিরক্তিকর /:) । অদ্ভূত-অদ্ভূত কিছু অবজেকটিভের দেখা মিলত মাঝে মাঝে । যেমন- ‘স্বাধীনতা তুমি’ কব

বিলম্বিত অণু review : 3 idiots

গত বছর ২৫শে ডিসেম্বর ‘3 idiots’ মুক্তি পেয়েছিল । এই মুভিটা তরুণ সমাজের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছিল । এই ফিল্মে বলা হয়েছিল যে, যার যেই কাজ পছন্দ সেটাতেই নিজের ক্যারিয়ার বানান উচিত । কিন্তু এই ফিল্মে ইঞ্জিনিয়ারদের অনেক বেশি glorify করা হয়েছে । অনেক তরুন ছেলেপিলে এজন্য ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়তে আগ্রহী হয়েছিল । প্রতিভাবান বিজ্ঞানির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন আমির খান যিনি নিজে intermediate পাশ । সিনেমাটি যে কাউক

স্বরচিত কৌতুক

1। এমন কিছু অপারেশন আছে যেগুলো হলে রোগীকে বেশ কিছুদিন কথা বলা বন্ধ রাখতে হয় । জটিল অপারেশনের পর সেলাই যাতে ছুটে না যায় সেজন্য এই ব্যবস্থা । এমতাবস্থায় রোগী দরকার না পরলে তেমন কথাই বলেন না । দেশের বাণিজ্যমন্ত্রিদের এ ধরনের কোনো অপারেশন হলে বাজারের জিনিসপত্রের দাম এমনিতেই কয়েকদিন কম থাকত ।

কবি ও কাব্যবিশারদ

একদা একজন তরুণ কবি তাহার স্বরচিত কবিতা লইয়া একজন স্বনামধন্য কাব্যবিশারদের নিকট আসিল । কবির বাউন্ডুলে চেহারা দেখিয়া কাব্যবিশারদের মেজাজ খারাপ হইয়া গেল । তিনি কবির চেহারা দেখিয়াই তাহার কবিতার শিল্পগুণ বুঝিয়া ফেলিলেন । তবুও তিনি তরুণ কবির তথাকথিত কবিতা শোনার জন্য মনে মনে প্রস্তুত হইলেন । তারপর গলা খাকারি দিয়া বলিলেন, “তা এসেছ যখন, শোনাও দেখি কি লিখিয়াছ ।’’

ইভ টিজিংয়ের কারণ

ইভ টিজিং এর মূল কারন হিসেবে অনেকেই সমাজের ভূমিকার বিষয়টাকেই তুলে ধরতে চান । এজন্য তাদের ব্যবহ্রত এক্ টি সাধারণ ত্থিওরি হল পুরো ডিম আধা ডিম থিওরি । কিন্তু এখন তো আর ৮০-৯০ দশকের প্রেক্ষাপটের থিওরি দিলে তো আর কাজ হবেনা । সময় পাল্টেছে তাই থিওরিও পালটে গেছে । এখন ইভ টিজিং এর প্রধান কারণ হল- BOLLYWOOD.....

পু্রোটা না পড়লে লাভ নাই

হ্যা, আমি তোমাদেরই বলছি ।
............................................
............................................