আনিস রায়হান -এর ব্লগ

কেন সরকার নীরব?

সরকারের অনেক চোখ। দেশের কোন প্রান্তে কী হয়, কী ঘটে- সরকারের লেকজন সব তথ্যই সংগ্রহ করে। কার ঘরে কি ঘটে তাও সরকারের অজানা থাকে না। সময়মতো ঠিকই পৌঁছে যায় নির্দেশনা। কিংবা ওপর মহলের নির্দেশে সরকারের প্রতিনিধি, বাহিনী বা পুলিশ। কিন্তু জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঘটে চলা অরাজকতা সরকারের চোখে পড়ছে না। সরকার দেখতে পাচ্ছে না বুয়েটের অচলাবস্থাও। দুই বিশ্ববিদ্যালয়েই ছাত্রদের ছা

ওরা ওখানেই আছে!

কিছুদিন আগেও এখানে অভাব অনটন লেগেই ছিল। কিছুই নেই, মানবেতর জীবন যাপন। সারা দিনের হাড়ভাঙা খাটুনির শেষে ঘরে এসে চিৎকার চেঁচামেচি, ঝগড়া, অভিযোগ। খাবার পানির অভাব, বয়ে আনতে হয় অনেক দূর থেকে। বৃষ্টির পানি ঘরে ঢুকে পড়ে তার প্রতিকার করে, এককোণায় গুটিসুটি মেরে বসে থাকতে হতো বৃষ্টি থামার অপেক্ষায়। এখন সেই কষ্টের দিনগুলোকেই মনে হচ্ছে অনেক সুখের।

মার্কেজ

অব লাভ অ্যান্ড আদার ডেমনস
পড়ছি। পড়তে পারছি না
ব্যস্ততা। সংসার। স্বেচ্ছা অবসর

বইয়ের পাতায় ভাঁজ বাড়ছে
কত কিছু হয়ে যাচ্ছে
ঝগড়া। সঙ্গম। চুমু
ক্ষোভ। ক্রোধ। আত্মহত্যার বাসনা

বইয়ের পাতায় ভাঁজ কমছে
কত কিছু হয়ে গেল
ঘর গেল। প্রেম গেল।আরো কত কী

কবে শেষ হবে এই বই পড়া
কখনো কি ভাঙবে এই ভাঙা গড়ার বৃত্ত
ডেমনস ফুরোবে না জানি আর কোনোদিন
অপেক্ষায় আছি। কখন ফুরোবে লাভ...

সবার শত্রু ড্রাইভার! তার জীবন কেমন?

বর্তমানে সমাজের অন্যতম খলনায়ক। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সুশীল সমাজ, বুদ্ধিজীবী পর্যন্ত সবাই তার বিরুদ্ধে। সবার শত্রু তারা। তারা গাড়ি চালাতে জানে না। নেশা করে স্টিয়ারিংয়ে বসে। রাতের বেলা ১০০ কিলো স্পিডে গাড়ি চালায় ঘুমুতে ঘুমুতে। তাদের বৈধ লাইসেন্স নেই। যাদের আছে তার বেশির ভাগই ভুয়া। এরা বেপরোয়া, এরা মাস্তান। আইন কি তা জানে না, আইন তারা মানে না। তাদের আইন মানতে হয় না। মিডিয়ার সুবাদে জনসমাজে পরিচিত

একটি গল্প ও একটি কবিতা

যাত্রা শুরু
অতঃপর তিনি হাসলেন এবং ভালোবাসলেন। গম্ভীর গভীর ভালোবাসা তিনি অনুভব করলেন তীব্র তীক্ষ্ণভাবেই। বাঁধভাঙ্গা ভালোবাসার হাসি তার একান থেকে ওকান ছুয়ে গেল। তিনি বুঝলেন এবং ভাবলেন এ দেশের প্রতিটা জীবিত প্রাণকে তিনি ভালোবাসেন- তিনি অসহায় এই জঘন্য দুপেয়ে ভোটারগুলোকে ভালোবাসা ছাড়া তার উপায় নেই।

ফারাবির সঙ্গে আমার কথোপকথন

সম্প্রতি বিশ্বস্ত সূত্রে খবর পাইয়া আমি ছাগুসম্রাট ফারাবির ব্যক্তিগত ফেইসবুক অ্যাকাউন্টে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠাই। তিনি আমাকে বন্ধু হিসেবে মনোনীত করেন।
বন্ধু হওয়ার পর পর ফারাবি এ পর্যন্ত চারবার আমার সঙ্গে কথা বলেছে। তারিখসহ বিস্তারিত তুলে দিলাম। বিনুদুনের মসাগর ফারাবি বেঁচে থাকুক, আরো আরো নোট লিখুক ফেইসবুকে।

২২ মার্চ

Farabi Shafiur Rahman

বিদ্যুত খাত : সরকারই সরকারের শত্রু

  • ঘোড়াশালের ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ৬ নং ইউনিটটি ঠিক করতে দরকার প্রায় ২৫০ কোটি টাকা।
  • এটা ঠিক করলে প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুতের স্থাপন ব্যয় পড়ত ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।
  • কিন্তু সরকার যাচ্ছে নতুন বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দিকে।
  • যেখানে প্রতি মেগাওয়াটে স্থাপন ব্যয় আট থেকে ১০ কোটি টাকা।
  • আর কতদূর যাবে মূল্যবৃদ্ধির ঘোড়া

    সরকার আবারও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। এবার কোপানলে পড়েছেন আবাসিক গ্যাস গ্রাহকেরা। গৃহস্থালি কাজে চুলায় ব্যবহৃত গ্যাসের দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। এই দাম বাড়ানোর হার হবে শতকরা ১২২ ভাগ। গ্যাসের দাম বাড়ালে এক চুলার (সিঙ্গেল বার্নার) সংযোগের ক্ষেত্রে একজন গ্রাহককে মাসিক মূল্য আটশত টাকা ও দুই চুলার (ডবল বার্নার) ক্ষেত্রে এক হাজার টাকা বিল পরিশোধ করতে হবে। বর্তমান

    রামপালে কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র : ধ্বংস হয়ে যাবে সুন্দরবন


    গত ২৯ জানুয়ারি বাগেরহাটের রামপালে সুন্দরবনের কাছে এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার। ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার কোম্পানির (এনটিপিসি) সঙ্গে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এ চুক্তি করে।

    সুবিধা পাচ্ছে হিযবুত তাহরীর!

    থেমে নেই নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহরীর।
    রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় হিযবুত তাহরীরের সদস্যরা শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
    নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালানোর পরিকল্পনা করছে তারা। তাদের সহায়তা করছে জামায়াত।
    হিযবুত তাহরীরের নিজস্ব হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, পরিবহন ও কোচিং সেন্টার রয়েছে।

    কয়লা থেকে পিছু হটে, সফেদ থাকল সরকার

    কয়লা ছিল বর্তমান সরকারের প্রধান এজেন্ডাগুলোর একটি। ক্ষমতায় আসার আগে মহাজোট এ সম্পর্কে তাদের ইশতেহারে প্রতিশ্রুতিও রেখেছিল। মেয়াদের তিন বছর পরে এসে এখন প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, কয়লা তোলার উদ্যোগ তার সরকার নেবে না। গত ১৫ জানুয়ারি আইইবি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কয়লা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মজুদ থাকুক। ভবিষ্যতে হয়ত এমন প্রযুক্তি আসবে, যখন কয়লা উত্তোলন না করেই সেখান থ

    নদী হত্যা’র ট্রানজিট


    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া পৌরসভার শুরুতেই তিতাস নদীর ওপর কড্ডা এলাকায় পাশাপাশি দুটি সেতু। একটি সড়ক ও জনপথের, আরেকটি রেলওয়ের। এই দুই সেতুর মাঝ বরাবর নদীর বুকে মাটি ফেলে তৈরি করা হয়েছে বিকল্প রাস্তা!