সহব্লগার আনিস রায়হানের ধারণকৃত ডঃ এম এ হাসানের সাক্ষাতকারটি পড়বার পরেই একটি প্রবল তাগিদ থেকে এই লেখাটি লেখা। লেখাটির কাজে যুগপৎভাবে কাজ করেছি আমি জনৈক বাঙাল এবং সহব্লগার নিঝুম মজুমদার। ট্রাইবুনালের কাজকর্মের সাথে নিয়মিত সংস্পর্শ থাকবার প্রেক্ষিতে এজাতীয় অবিবেচক বক্তব্যসমূহের বিপরীতে এটা নিয়ে লেখা একধরণের দায়িত্ব বলেও মনে হয়েছে আমাদের। <
জনৈক বাঙাল -এর ব্লগ
হ্যাক!! নাকি, হ্যাক থু... ডিসিশান ইজ ইওরস!
খুব বেশী কথা না বাড়িয়ে যা বলতে চাই বলে ফেলি। আমার ধারণা এটা খুব জরুরী ভিত্তিতেই বাঙালির বোঝা উচিত। যেটাকে আধুনিক সময়ের "মুক্তিযুদ্ধ" বলে ঘোষণা দিয়ে দেয়া হয়েছে ইতোমধ্যে, সেটাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব ভালো চোখে দেখতে পারছি না। জেহাদি জোশের সকল দেশপ্রেমিক জনতার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিয়েই বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমি হ্যাকিং জগতের ইতিহাস থেকে যততুকু বুঝেছি তাতে করে- হ্যাকিং কমিউনিটি ঠিক যেটুকু সময় কোনো সু
চাচী এ কী করিলে?! গোলামকে তো ডুবাইলেই, রাজ্জাককেও ডুবাইলে...?!
ছাগছানাদের হাস্যকথা -০২
গো.আযম গ্রেফতারঃ আইনগত, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট (বাংলা টিভি)
আই সি এস এফের অন্যতম প্রতিষ্টাতা সংগঠক এবং কর্মী রায়হান রশীদ এবং এই কোয়ালিশনের একজন নিবেদিতপ্রান স্বেচ্ছাসেবক নিঝুম মজুমদার গত ১৫ই জানুয়ারি সন্ধ্যে ৭-৩০ মিঃ (ইউ কে সময়) লন্ডনস্থ "বাংলা টিভি" স্টুডিওতে উপস্থিত ছিলেন। '৭১ এর ঘাতক গোলাম আজমের গ্রেফতার এবং এ বিষয়ে প্রাসংগিক অন্যান্য ইস্যুতে অনুষ্টিতব্য এই টক শো'র উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন লিসা গাজী এবং মূল্যবান প্রশ্ন বা মতামতগুলো নিয়ে টেলিফোনে
পাকহিতৈষি মুনির চৌধুরি আর প্রাসঙ্গিক প্যাচাল!
চিহ্নিত মৌলবাদি গোষ্ঠীর উড়োপ্লাটফর্মের আধিভৌতিক প্রচারণাগুলো নিয়ে আমার মাথাব্যাথা নাই! আমার মূল্যবান সময় নষ্ট করে তাদের পত্রিকার কাটতি কিম্বা ব্লগের ট্রাফিক কোনোটি বাড়াবার জন্যই আমি কাজ করতে রাজি নই- তাই প্রতিত্তোর দিয়ে সে অপচেষ্টা করিনা! কিন্তু আমি ভীত হই যখন দেখি সম্ভবনাময় চিন্তাশীল মানুষজন বিভ্রান্ত হচ্ছে সেসব প্রচারে!
একদিকে শেয়ালদা অন্যদিকে গৌহাটিঃ কাঞ্চনজংঘা তাহলে কোথায়!?
আমার প্রথম থেকেই ধারণা ছিলো দাদা আমাদের আবেগবিবর্জিত যুক্তি খুঁজছেন! নিজের মন্তব্যে তা শেষ পর্যন্ত তিনি স্পষ্ট করেছেন! সুবিধা হয়েছে এতে করে! বলা বাঞ্ছনীয় যে, লেখক সোয়াদ আহমেদ একজন লেখক হিসেবে অত্যন্ত চতুর, এবং কৌশলগত দিকে বেশ কনফিডেন্ট! সুতরাং তাকে বাংলার অনলাইন সমাজের বিশিষ্ট কনফিডেন-শেয়াল উপাধি দিয়ে ফেলাই যায়!!
ছাগছানাদের হাস্যকথা- ০১
আজকে ভাবতেছিলাম ব্যাপক গুরূত্বসহকারে দেশের ইসলামি জোশের কান্ডারিগোরে নিয়ে লেখালিখি করবো! তাছড়া ব্লগ থেকে ব্যাপক আন্দোলনের ডাক দ্যাওয়া হইছে- সেইখানেও অংশ নিবো!
কলা(!)মিস্ট শেখ হাসিনা ও আমাদের অর্গাজম...
জব্বর খবর! আমাদের মাননীয়(!) প্রধানমন্ত্রীর শখানেক পদবীর সাথে আরো একটি নতুন পদবী যুক্ত হলো! জন(ন)নেত্রী, বংগবন্ধু কন্যা, ধানকন্যা, ভাতকন্যা, ডিজিটাল প্রধানমন্ত্রী এবং সো অনের সাথে যুক্ত হলো- কলাম লেখিকা শেখ হাসিনা কিম্বা কলামকন্যা বিশেষণটি!
ইশ্বরে বিশ্বাস আছে যার = আস্তিক/ধার্মিক? (রিপোস্ট উইথ এক্সট্রা জ্ঞান)
[আজকে দীর্ঘ প্রায় ৩ মাস পরে অল্মোস্ট রাত-দিন ২৪ ঘন্টা ব্লগে থাকলাম!! বহু বহু পোস্ট মিস হইছে মাঝে, দুয়েকটা হঠাত সঠাত ঝটিকা সফরে এসে পড়েও যাওয়া হয়েছে। আওয়াজ দেয়া হয় নাই অনেক সময়ই- সময়ের অভাবে কিম্বা আগ্রহের অভাবে!! ইদানিং সম্ভবত আমার ভেতরে গুরূত্ব দেয়া সংক্রান্ত অনুভূতিটা বেশ ভালো রকম হ্রাস পেয়েছে!! কিম্বা হয়তো উল্টোটা- আরো বেশী গুরূত্বপূর্ণ হয়েছে!! যেকোনোটাই হতে পারে!!
নিশ্চিত অসম্ভব জেনেও যারা নির্দ্বিধায় “সম্ভব’’ বলতে পারে, তারাই না বিপ্লবী!
আমার বুঝ মতে সংস্কৃতি পরিবর্তনশীল। সময় সেই পরিবর্তনের দিক নির্দেশক । আজ থেকে শত বছুর আগে আমরা যে সংস্কৃতি ধারন করতাম, এখন তা করিনা নিশ্চিৎ ভাবেই । আবার এখন যে সংস্কৃতি ধারণ করি, তা-ও একশ’ বছর পরে করবো না নিশ্চিৎ। কারণ ঐ একটাই, সংস্কৃতি পরিবর্তনশীল । সেই পরিবর্তনের নিয়ামক অনেক-ই । আমার ক্ষুদ্র বুঝ আমাকে বলে, তাদে্র মধ্যে প্রধান হলো ভাষা, তাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষমতাধর হলো ধর্ম, তাদের মধ্যে অন্যতম হলো
ধর্মের কল কি সত্যিই বাতাসে নড়ছে?!
এই লেখাটাতে লেখালিখি সামান্যই করার ইচ্ছা ছিলো, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর কথা রাখতে পারলেম না। যাহোক, আমি দুদিন আগে ফেসবুকে একজন পরিচিত নয়া-প্রকৌশলির ওয়াল দেখছিলাম!
প্রসঙ্গ "মেহেরজান": প্রিডিটারমাইন্ড প্রিয়ভাষিনী এবং একজন হোগারপোলা...
গালি একটি পুরুষতান্ত্রিক প্রপঞ্চ! এই জন্য গালি দেনেওয়ালা এবং খানেওয়ালা উভয়-ই পুরুষতান্ত্রিক সমাজের ভিকটিম। উনি বলে দিয়েছেন বলে কথা, তাই মুখে যা আসে তাই বলে ফেলবার মতো ধৃষ্টতা দেখাতে গ্যালাম না, কী জানি কী বিরাট অন্যায় হয়ে যায়!!!
আসেন দেখি আরেকটাবার বেয়াদবি করি... (আপডেটেড)
আমরা তত্ত্বকথার চাপে চ্যাপ্টা হতে হতে অমুকবাদী-তমুকবাদীদের বাদ দিয়েছি অনেক আগেই। বিবেক নামক এপেন্ডিক্সের যন্ত্রণায় মাঝে-সাঝে লিখি, সেই লেখা পড়ে আমাদের-ই মতো কিছু অক্ষম জীবের স্যাডিস্টিক প্লেজার দেখতে পাই। কাজের কাজ লবডঙ্কা। আমাদের প্রভুরা, আমাদের নিয়ন্তারা, আমাদের চালকেরা এগুলোকে মহাকালের পায়ূনিঃসৃত কয়েক পাফ বায়ূ ব্যতিতি আর কিছুই মনে করেন না। তাই বিজ্ঞাপন ছাড়া আর কোথাও দিনবদল আসেনা, আমরাও আরো আরো
শিক্ষানীতির জটিলপাঠ- পর্ব দুই (২)
আজি এ প্রভাতে রবির কর, কেমনে পশিল প্রাণের পর:





