ব্যানার ক্রেডিট: আরণ্যক নীলকন্ঠ
টু হুম ইট মে কনসার্ন...
গত চার বছর ৫ মাস...
আমি ছিলাম নিরব দর্শক। উনি যা করেছেন দেখে গিয়েছি। উনাকে আমিই নিয়োগ দিয়েছিলাম। উনি বলেছিলেন আমার উপর সকল নির্যাতনের বিচার করবেন। উনি বলেছেন আমার সবচাইতে প্রিয় সন্তান হত্যার বিচার করবেন। উনি বলেছিলেন ১০ থেকে ১৫ মিনিটে পদ্মাকে পাড়ি দেবার ব্যাবস্থা করবেন। উনি এটাও বলছিলেন দুনিয়াটাকে আরো অনেক সহজ করে দিবেন। ডিজিটাল হবে সকল কিছু।
অসৎ ও ভগবান
বিশ্ববিদ্যালয়ে জনৈক অধ্যাপক ক্লাস নিচ্ছিলেন । অধ্যাপক ছিলেন নাস্তিক প্রকৃতির । পড়াতে পড়াতে খানিকটা উপহাসের ঢঙ্গেই তিনি তার ছাত্রদের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন--- “যা কিছুর অস্তিত্ব রয়েছে তার সবই কি ভগবান সৃষ্টি করেছিলেন ?” সকল ছাত্র চুপ । শুধু একজন ছাত্র উত্তর দেওয়ার জন্য উঠে দাঁড়াল ।
ছাত্র ১ – হ্যাঁ তিনিই সৃষ্টি করেছিলেন । ভগবানই সমস্ত কিছুর স্রষ্টা ।
আসুন জীবনকে সুন্দরভাবে গড়তে শিখি
মানুষের জীবন মূল্যহীন
মানুষ যদি জানত যে তার জীবনের চাকা -----স্থানে গিয়ে থামবে,তাহলে সে আর ওই পথে যেত না..
তেমনি আমার মামাও জানত না যে তার জীবনটা আজকে এইখানে এসে থামবে
আমার মামা ডাক্তার,জীবনে সে অনেক রোগীর চিকিৎসা করছে.
অনেক রোগী তার হাতে ভাল হইছে
কিন্তু আজকে???
আজকে তার সেবা করে অন্য ডাক্তার
মামা ব্রেইন ষ্ট্রক করছে..
জীবনে টাকার পিছনে ছুটিতে গিয়ে সে সবকিছু ভুলে গিয়েছিল.
sharia conundrum
sharia conundrum
লেখক ও উপস্থাপক-হাসান মাহমুদ
ছাইট- http://www.hasanmahmud.com/2012/
প্রকাশক-আঃ হাকিম চাকলাদার
ইদানিং একটা বিপুল সংখ্যক মুসলমান বাংলাদেশে শারীয়া আইনের শাসন প্রবর্তন করতে অত্যন্ত উৎসাহী হয়ে উঠেছেন।
মুলতঃ এদের অধিকাংশরাই শারীয়া আইন কী?এতে কীকী ধরনের আইন কানুন আছে ? তা তারা কিছুই জানেননা। এর বিভৎসতা কত বড় ভয়ংকর হতে পারে তাও তারা জানেননা।
স্বপ্নের মতো দু-চোখ তোমার
স্বপ্নের মতো দু-চোখ তোমার-
বিজলির মতো হাসি-
জিশুত বরন কেশ-রাশি তব-
বিশ্রীত রাশি রাশি।
অথৈ সাগরের নাবিক আমি-
তুমি মোর ধ্রুব-তাড়া-
তুমি ছাড়া আমি হয়ে যাই-
একা- একাকী পথ হারা-
সকালে অরুন আর-
দূপুরে মার্তন-
সারাদিন দিবা-কর-
রাত্রিতে তুমি আকাশের চাঁদ-
আমার স্বপ্ন ঘড়।
তুমি আমার জীবনের সব
স্বপ্ন ঘড়ের মধুর সুখ-
আষাঢ়ে তুমি আকাশের মেঘ-
বৃষ্টিতে আমার ঝড়।
তুমি-আমার দক্ষিনা বাতাস-
রক্ত হাতে চশমা চোখে খুনি ক্যামনে শহীদ হয়?
রক্ত হাতে চশমা চোখে খুনি কেমনে শহীদ হয়?
হ্যা,আমি জিয়ার কথাই বলতেছি.....
তিনি একজন ঠান্ডা মাথার খুনি..
কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর --
71 এর পর জামায়াত নামক হিংস্র,রক্তচোষা দলকে রাজনীতি করার সুযোগ কে দিছে ??
---জিয়া
গোলাম আযমের মত পাকিস্তানি হারামিটাকে বাংলার মাটিতে স্থান দিছে কে??
---জিয়া
কর্নেল তাহেরকে হত্যা করছে কে???
---জিয়া
ছন্দপতনের ছন্দও কেবল তুমি...
এলোমেলো ভাবেই লেখাটির শুরু হোক। শুরু হোক তোমার মনের সকল দ্বিধা দূর করে দিতে। তুমি হয়তো আজ হাজার মাইল দূরে কোথাও, নতুবা প্রিয় শহরের এপ্রান্ত অথবা ওপ্রান্তে, কিনবা অন্য কোন শহরে। আজ তোমার আগমন নিয়ে কথা বলবো। হয়তো তুমি ভাষা বুঝবেনা, হয়তো তোমার কাছে মানেহীন মনে হবে, হয়তো হয়ে যেতে পারে তোমার অনেক প্রিয় কোন লেখা।
তুমি আছো সবই আছে...
দেখুন তো, মেয়েটি কি দেখাচ্ছে এত যতন করে?
ভারসাম্য? একাগ্রতা? ধৈর্য্য? মনসংযোগ? অনুশীলন? নিয়মানুবর্তিতা? নিয়ন্ত্রণ? পরিশ্রম? দক্ষতা? সক্ষমতা? নির্ভরশীলতা? আন্তঃসংযোগ? নাকি এসব কিছুই না? জাষ্ট সেন্টার অব গ্র্যাভিটি?
শেষ দৃশ্যে কি বুঝলেন?
তুমি যত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র নগণ্যই হও না কেন, তোমার গন্ডিতে তুমি একটি কাঠামো ধরে রেখেছো, শুধুমাত্র তোমার অবর্তমানে ভেঙে খানখান হবে সেই কাঠামো?
নাকি
তথাকথিত প্রগতিশীল, মুক্তমনাদের নারীবাদী চেতনার রহস্য উন্মোচন।
পরীক্ষনের নাম : তথাকথিত প্রগতিশীল, মুক্তমনাদের নারীবাদী চেতনার রহস্য উন্মোচন।
উপকরনসমুহ:
১। একটি টেবিল
২। দুটি চেয়ার
৩। তিনটি ছবি :
ক) প্রথমটিতে একজন হিজাব পালনকারী নারীর ছবি
খ) ২য়টিতে জোব্বা পাগড়ি পরিহিত একজন গ্রাম্য মৌলভীর ছবি।
গ) তৃতীয়টিতে স্বল্পবসনা (বিকিনি পরিহিত) একজন পশ্চিমা নারীর ছবি।
পরীক্ষনীয় ব্যক্তি : একজন তথাকথিত প্রগতিশীল মুক্তমনা নারীবাদী।
কার্যনীতি :
রক্তে ভেঁজা চোখ
আধেক খালি এক কাপ চা'
খালি হওয়ার অপেক্ষায়!
কিন্তু যার তরে সম্ভাবনা'
সে গ্যাছে বিলকুল।
ভুলে যাওয়া সময়টা কোন খানে হোঁচট খেলো?
বলে ফেলো!
বিবেগের তাড়না' নাকি মনের যাতনা!
না তেমন আবার নয় যেমন দেখা যায়।
কভু সাঁঝের আঁধারে ভ্রূকুটি দেখে'
জ্বল জ্বলে জোনাকের চোখ।
আর অপেক্ষায় কাল ফুরাবার'
স্বপন দেখে এ খোলা চোখ।
শিউরে উঠা ভয়ানক ভাবে!
চোখ তো রক্তে ভেঁজা!!
পুরো পৃত্থী দুলে উঠে!
পুরনো কান্নার জল আর একটি ডায়েরী
ঘরের দেয়ালের কোথাও কোথাও ছোপ ছোপ রক্ত, কোথাও রক্তের দাগ এমন ভাবে আছে যেন দেয়ালে রক্তের মাধ্যমে চিত্রাংকন করা হয়েছে, একদিকে একটা হাতের ছাপ বেশ স্পষ্ট, মনে হচ্ছে রক্তাক্ত কোন হাত বুঝি দেয়াল খামচে ধরতে চেয়েছিল কিন্তু ফস্কে গেছে। দেয়ালের এসব নকশা যে কাওকে ভয় পাইয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। ‘উসকি নজর বুরি হ্যায়’ কাদের রাজাকারের ভেসে আসা কথাগুলো এখানেও স্পষ্ট শুনা যাচ্ছে, ‘ডায়েন হ্যায়, ডায়েন হ্যায় ও লারকি’ কা
আসুন ওদের লাথিয়ে ভাগাই
হতাশা এবং দুঃখ বিলাস
যারা সুখী মানুষ তারা সুখে থাকে , মাঝে মধ্যে দুঃখ বিলাসও করে মনে হয়। কেমন থাকে হতাশ মানুষেরা, তারা নিজেদের ভালো রাখার চেষ্টা করে.... প্রাণপণ ।
হতাশা জীবনের এমন একটা পর্যায় যখন 'চেষ্টা' আর 'আশা' গুলো হারায় যায় অনেক দূরে -তবু দিন চলে , চলে রোজকার খাওয়া ঘুম , ভীতর থেকে একটু একটু করে মরে যায় আত্মা , আত্মবিশ্বাসেরা অনেক আগেই ছুটি নিয়েছে ....
- 1
- 2
- 3
- 4
- 5
- 6
- 7
- 8
- 9
- …
- পরবর্তীপাতা
- সর্বশেষপাতা



