
নাগরিক ই-বুকে লেখা আহ্বান
বাঙালীর অহংকারের মাস ফেব্রুয়ারী। ভাষার অধিকার আদায়ে বুকের রক্ত দিতে কুন্ঠাবোধ করেনি। বাঙালীর এই আত্মত্যাগ সমগ্র পৃথিবী আজ স্মরণ করে আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মধ্য দিয়ে। তাই এই মাসেই আমরা ভাষার নবান্ন উৎসবে মাতি। বাংলাভাষার শব্দমালার ভান্ডার সমৃদ্ধ করি বই প্রকাশ করে। ভাষার এই মাসেই নাগরিকব্লগের পথচলা শুরু। দেখতে দেখতে দু'টি বছর আমরা পেরিয়ে এসেছি। তৃতীয় বছরে পা রাখতে যাচ্ছে নাগরিক। ভাষার নবান
আল- কোরআন ও ভ্রুণতত্ত্ব ১ম পর্ব
লক্ষ লক্ষ কোষ (cell) দ্বারা গঠিত মানব দেহ সৃষ্টি নৈপুন্যতায় এক জটিল ও অসাধারণ সৃষ্টি। এসব কোষ কিন্তু বিস্তৃত হয়েছে একটি মাত্র কোষ থেকে। জীবনের শুরুতে একটি পুংজনন কোষ, যার নাম শুক্রাণু (sperm), এবং একটি স্ত্রী প্রজনন কোষ যার নাম ডিম্বানু (ovum)। দুই জনন কোষের মিলনকে বলা হয় নিষেক। আল- কোরআনে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা বলেন- “ হে মানবজাতি !
চাচী এ কী করিলে?! গোলামকে তো ডুবাইলেই, রাজ্জাককেও ডুবাইলে...?!
ছাগছানাদের হাস্যকথা -০২
"ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না"- বাংলা সিনেমা রিভিউ
পূজার ছুটি চলিতেছে । অবসর পাইয়া বাংলা সিনেমা দেখার এবং দেখিয়া একখানা বিটল রিভিউ লেখিবার সাধ(পড়ুন, ভীমরতি) মনে চাগার দিয়া উঠিল । অতঃপর “রিভিউ আমি লেখিবই” এই মর্মে নিজেরে প্রস্তুত করিয়া লইলাম । কিন্তু ততক্ষণে আরো একখানা সমস্যা দেখা দিল……রিভিউ আমি লেখিব বটে, কিন্তু বাংলা সিনেমা আমি এখন কোথায় পাই???
কবীর হুমায়ূনের চতুর্দশপদী কবিতা : বস্ত্র-বালিকা
সারি সারি হেটে যাও কুয়াশার পথে
বস্ত্র-বালিকা তুমি; শীতের বাতাসে
শিহরণ তুলে যায়; তব আঁচলেতে
শিশিরের কণা জমে, ভোরের আকাশে
বেতস ফলের মতো ধুসর চাহনী;
তপনের ঘোলা চোখ দৃষ্টি হারায়
চন্দ্রালোকের পথে; জীবন কাহিনী
ঘুর্ণায়মান , বার বার আসে যায়।
করস্পর্শের কৌশলে লাবন্যময়
বই পড়ার চেয়ে প্রার্থনা সহজ।
স্বরস্বতী প্রার্থনাতেই যদি বিদ্যা পাওয়া যায় তবে কষ্টকরে বই পড়তে যাবে কেন?স্কুলের মাঠে স্বরস্বতী পূজা হচ্ছে।রঙ্গিন আলোয় আলোকিত চার দিক। ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরিটা গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের আলোর সাথে লাইব্রেরির নিজস্ব আলো দিনের মতো করে দিচ্ছে। আজ পূজা থাকায় কেউ বই লেনদেন করতে আসছেনা।লাইব্রেরির পাশ দিয়েই পূজার পূণ্যার্থিরা দেবী দর্শনে যাওয়া আশা করছে।
কফি কাইন্ডা ফিলিং
বুঝি কম, বুঝতে চাই আরো কম এই নীতিতে বিশ্বাসী হওয়ায় স্কুল-কলেজ-ভার্সিটি এবং সবশেষে চাকরজীবনে আমার একটি বিষয়ে সুনাম প্রবাদতুল্য। আর তা হচ্ছে টিউবলাইট হয়ে থাকা। টিউবলাইট হয়ে থাকার সবচে' বড় সুবিধা হচ্ছে মানুষ ঘাঁটায় না। বাতিলের খাতায় থেকে কাজ করার সুযোগটা অসাধারণ। আশা নেই, প্রত্যাশা নেই নিজের মতোন থাকা যায়।
সাবধান!সীমান্ত হন্তারক!
সীমান্ত হন্তারক সাবধান!
নামা তোর উদ্যত, উদ্ধত বন্দুক
এবং নতজানু রাষ্ট্র বিধাতাগন
পায়ের নিচে মাটি সরে যাওয়ার আগেই,হ ও সাবধান!
খাড়া কৃপাণ নেমে আসবে নচেত্ দ্রুত!
মোড়ল রাষ্ট্লের অর্বাচীন বিধাভা,
কাঁটা তারে ঝুলছেনা শুধু ফেলানীর দেহ,
ঝুলছে ব্যাবচ্ছেদ সভ্যতার! টলছে আসন বিধাতার
খুলে খুলে ঝুলে ঝুলে পড়ছে তোমার গনতান্ত্লীক
আলখাল্লা! সীমান্ত হন্তারক
পালিত শকুন তোমার
মানবতা
হায় আমি, হায় আমার মানবতা;
আজ রক্ত মাখানো জমিনে
ছড়ানো রয়েছে সাদা রঙের এই পোস্টারটি
যাতে লেখা এই বানী, প্রতিদিনই ভিজে চলেছে
আরও বহু তাজা হৃদয়ের জীবন-সুধার ক্ষরণে ।
ব্রেকিং নিউজঃ প্রমাণ ছাড়া আর এক টাকাও ভিক্ষা নেবেন না হাসিনা
"একটি বিশেষ দাতাগোষ্ঠী আমাদেরকে ভিক্ষা দেবার সময় ভিক্ষার টাকা বণ্টন নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন। এখন তাদেরকে এই অভিযোগের প্রমাণ দিতে হবে - নইলে তাদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে আর একটি টাকাও ভিক্ষা নেওয়া হবে ।" - মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই হুমকিতে মাথায় হাত দিয়ে পথে বসে গেছে বিশ্ব ব্যাংক। আন্তর্জাতিক প্রচার মাধ্যমে এই খবর শুনে চেয়ার থেকে পড়ে জ্ঞান হারিয়েছেন ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট রবার্ট যলিক।
ভার্সিটির ডাল (ডাইল নয়) : ৩য় পর্ব - মাওলানা ভাসানী হল, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[ বাণী চিরন্তনিঃ
যেই ছেলে বা মেয়ে ভার্সিটি তে পড়াশোনা করেছে কিন্তু ভার্সিটির আবাসিক হলের ডাল খায় নি তার ক্যাম্পাস জীবন অপূর্ণই থেকে গেল, ঠিক যেমন মাঝি ছাড়া নৌকা অপূর্ণ থেকে যায় – জনৈক ক্যাম্পাস মনীষী]
পীরালী ফকির
আজকের রোদটা যেন খাড়াভাবে পৃথিবীর উপর পড়েছে। সূর্যের উত্তাপে পীরালী ফকির ঘামে একদম ভিজে গেছে। ময়লা গামছাটায় সে মুখ মুছে নিল। বাপে নাম রেখে ছিল পীর আলী। কালের ঘূর্ণিচক্রে পড়ে সে নামটা আজ মানুষের মুখে হয়ে গেছে পীরালী। পেশা তার ভিক্ষাবৃত্তি। চার রাস্তার মোড়ে বড় শিরিষ গাছটার নিচে তাকে প্রায়ই দেখা যায়। সুর করে গজল গায়, আখিরাতের লোভ দেখিয়ে আল্লা-রসূলের নামে ভিক্ষা মাগে। আমি মানুষটা বড়ই লোভী। সওয়াবের আশায়
সক্রেটিস: একজন সত্যানুসন্ধানী এবং আমাদের অনুপ্রেরণা..
শুধু গ্রীস নয় সমগ্র সভ্যতাকেই নতুন
আলোর সন্ধান দিয়েছিলেন এথেন্সের
পথে পথে ঘুরে বেড়ানো এই মহান পুরুষ।
জন্ম:৪৭০ খ্রী.পূর্বাব্দে যখন সবেমাত্র
এথেন্সে নগর রাষ্ট্র গড়ে ওঠতে শুরু
করেছে।নগররাষ্ট্রে নাগরিকদের
প্রত্যক্ষ অংশগ্রহনের জন্য নৈতিক
গুনাবলী বিকাশের প্রয়োজনীয়তা ছিল
অত্যন্ত বেশী। সমসাময়িক
কালে গ্রীসে অর্থের
বিনিময়ে শিক্ষা দানে নিয়োজিত ছিল
সোফিস্ট রা।নৈতিকতার
বিষয়ে সোফিস্টদের মতামত ছিল
ই-বুক মেলা

আজকে দিলাম খুলে
টিনটিনের বাংলা ই-বুক গুলো

১>তিব্বতে টিনটিন
http://www.mediafire.com/?i2lj8ln7661bpim
২>ফারা এর চুরুট
- 1
- 2
- 3
- 4
- 5
- 6
- 7
- 8
- 9
- …
- পরবর্তীপাতা
- সর্বশেষপাতা





